
প্রতিবেদক, রাজনীতি ডটকম

অন্তবর্তীকালীন সরকারের প্রতি পূর্ণ সমর্থন জানিয়েছে জাতীয় পার্টি।
একটি যৌক্তিক সময়ের মধ্যে প্রয়োজনীয় সংস্কার করে নির্বাচন দিতেও সরকারের প্রতি আহবান জানানো হয় দলটির পক্ষ থেকে।
শুক্রবার রাজধানীর বনানীতে জাতীয় পার্টির চেয়ারম্যানের কার্যালয়ে এক সংবাদ সম্মেলনে দলটির মহাসচিব মোঃ মুজিবুল হক চুন্নু এ কথা বলেন।
মুজিবুল হক চুন্নু বলেন, প্রথম কাজ হচ্ছে দেশের আইন শৃংখলা ফিরিয়ে আনতে হবে। পুলিশ বাহিনীর যৌক্তি দাবি মেনে নিতে হবে। আন্দোলনে যেসব নেতা শহীদ হয়েছে তাদের পরিবারকে ক্ষতিপূরণ দিতে হবে। একইসাথে প্রত্যেক পরিবারে অন্তত একজনের চাকরির ব্যবস্থা করতে হবে। হত্যাকারীদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা নিতে হবে। থানা লুট ও পুলিশ হত্যায় জড়িতদের বিরুদ্ধেও আইনানুগ ব্যবস্থা নিতে হবে। অর্থনৈতিক চ্যালেঞ্জ মোকাবেলায় সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিয়ে রেমিট্যান্স প্রবাহ বৃদ্ধি করতে হবে। রফতানী বানিজ্যে অগ্রাধিকার, বিদেশী বিনিয়োগ বাড়ানো এবং ফ্রিল্যান্সারদের সর্বোচ্চ সহযোগিতা করতে হবে। দ্রæততার সাথে শিক্ষা প্রতিষ্ঠান খুলে দিতে হবে। পাঠ্য বইয়ের অসংগতি দূর করতে হবে। নির্বাচন পদ্ধতী পরিবর্তন করে আনুপাতিক হারে নির্বাচনের ব্যবস্থা করতে হবে। নির্বাচন কমিশন, দুর্নীতি দমন কমিশন, পাবলিক সার্ভিস কমিশনসহ সাংবিধানিক সকল প্রতিষ্ঠানের প্রয়োজনীয় সংস্কার ও প্রতিষ্ঠান গুলোকে প্রভাবমূক্ত করতে হবে। বিচার বিভাগের পরিপূর্ণ সেপারেশনের ব্যবস্থা এবং উচ্চ আদালতে বিচারপতি নিয়োগের আইন করতে হবে। বর্তমান সংসদীয় পদ্ধতীতে প্রধানমন্ত্রীর একক ক্ষমতা কমিয়ে রাষ্ট্রপতি ও সংসদের মধ্যে ক্ষমতার ভারসম্যের সৃষ্টি করতে হবে। একজন নাগরিক যেনো ২ বারের বেশি প্রধানমন্ত্রী না হতে পারেন। আবার যিনি প্রধানমন্ত্রী হবেন তিনি যেনো সংসদ নেতা না হতে পারেন। সংবিধানের ৭০ অনুচ্ছেদের প্রয়োজনীয় সংস্কার করা এবং সংসদীয় স্থায়ী কমিটির ক্ষমতা বৃদ্ধি করতে হবে। গেলো ১৫ বছরে দুর্নীতিবাজ মন্ত্রী, এমপি, আমলা, পুলিশসহ সবার দুর্নীতির তদন্ত করে তাদের আইনের আওতায় আনতে হবে। আইনের মাধ্যমে পাচার হওয়া টাকা দেশে ফিরিয়ে আনার ব্যবস্থা করতে হবে। উপরোক্ত এবং দেশের রাজনৈতিক শক্তি ও সরকার যদি আরো সংস্কার প্রয়োজন মনে করেন তা সম্পন্ন করে যৌক্তি সময়ের মধ্যে নির্বাচনের দাবিও জানান জাতীয় পার্টি মহাসচিব।
আরো উপস্থিত ছিলেন জাতীয় পার্টির প্রেসিডিয়াম সদস্য ব্যরিষ্টার শামীম হায়দার পাটোয়ারী, রেজাউল ইসলাম ভূইয়া, নাজমা আকতার, আলমগীর শিকদার লোটন, মোস্তফা আল মাহমুদ, চেয়ারম্যানের উপদেষ্টা খলিলুর রহমান খলিল, ভাইস চেয়ারম্যান আহসান আদেলুর রহমান, জসিম উদ্দিন ভূইয়া, যুগ্মমহাসচিব গোলাম মোহাম্মদ রাজু, সাংগঠনিক সম্পাদক হেলাল উদ্দিন হেলাল, যুগ্ম দপ্তর সম্পাদক মাহমুদ আলম ।

অন্তবর্তীকালীন সরকারের প্রতি পূর্ণ সমর্থন জানিয়েছে জাতীয় পার্টি।
একটি যৌক্তিক সময়ের মধ্যে প্রয়োজনীয় সংস্কার করে নির্বাচন দিতেও সরকারের প্রতি আহবান জানানো হয় দলটির পক্ষ থেকে।
শুক্রবার রাজধানীর বনানীতে জাতীয় পার্টির চেয়ারম্যানের কার্যালয়ে এক সংবাদ সম্মেলনে দলটির মহাসচিব মোঃ মুজিবুল হক চুন্নু এ কথা বলেন।
মুজিবুল হক চুন্নু বলেন, প্রথম কাজ হচ্ছে দেশের আইন শৃংখলা ফিরিয়ে আনতে হবে। পুলিশ বাহিনীর যৌক্তি দাবি মেনে নিতে হবে। আন্দোলনে যেসব নেতা শহীদ হয়েছে তাদের পরিবারকে ক্ষতিপূরণ দিতে হবে। একইসাথে প্রত্যেক পরিবারে অন্তত একজনের চাকরির ব্যবস্থা করতে হবে। হত্যাকারীদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা নিতে হবে। থানা লুট ও পুলিশ হত্যায় জড়িতদের বিরুদ্ধেও আইনানুগ ব্যবস্থা নিতে হবে। অর্থনৈতিক চ্যালেঞ্জ মোকাবেলায় সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিয়ে রেমিট্যান্স প্রবাহ বৃদ্ধি করতে হবে। রফতানী বানিজ্যে অগ্রাধিকার, বিদেশী বিনিয়োগ বাড়ানো এবং ফ্রিল্যান্সারদের সর্বোচ্চ সহযোগিতা করতে হবে। দ্রæততার সাথে শিক্ষা প্রতিষ্ঠান খুলে দিতে হবে। পাঠ্য বইয়ের অসংগতি দূর করতে হবে। নির্বাচন পদ্ধতী পরিবর্তন করে আনুপাতিক হারে নির্বাচনের ব্যবস্থা করতে হবে। নির্বাচন কমিশন, দুর্নীতি দমন কমিশন, পাবলিক সার্ভিস কমিশনসহ সাংবিধানিক সকল প্রতিষ্ঠানের প্রয়োজনীয় সংস্কার ও প্রতিষ্ঠান গুলোকে প্রভাবমূক্ত করতে হবে। বিচার বিভাগের পরিপূর্ণ সেপারেশনের ব্যবস্থা এবং উচ্চ আদালতে বিচারপতি নিয়োগের আইন করতে হবে। বর্তমান সংসদীয় পদ্ধতীতে প্রধানমন্ত্রীর একক ক্ষমতা কমিয়ে রাষ্ট্রপতি ও সংসদের মধ্যে ক্ষমতার ভারসম্যের সৃষ্টি করতে হবে। একজন নাগরিক যেনো ২ বারের বেশি প্রধানমন্ত্রী না হতে পারেন। আবার যিনি প্রধানমন্ত্রী হবেন তিনি যেনো সংসদ নেতা না হতে পারেন। সংবিধানের ৭০ অনুচ্ছেদের প্রয়োজনীয় সংস্কার করা এবং সংসদীয় স্থায়ী কমিটির ক্ষমতা বৃদ্ধি করতে হবে। গেলো ১৫ বছরে দুর্নীতিবাজ মন্ত্রী, এমপি, আমলা, পুলিশসহ সবার দুর্নীতির তদন্ত করে তাদের আইনের আওতায় আনতে হবে। আইনের মাধ্যমে পাচার হওয়া টাকা দেশে ফিরিয়ে আনার ব্যবস্থা করতে হবে। উপরোক্ত এবং দেশের রাজনৈতিক শক্তি ও সরকার যদি আরো সংস্কার প্রয়োজন মনে করেন তা সম্পন্ন করে যৌক্তি সময়ের মধ্যে নির্বাচনের দাবিও জানান জাতীয় পার্টি মহাসচিব।
আরো উপস্থিত ছিলেন জাতীয় পার্টির প্রেসিডিয়াম সদস্য ব্যরিষ্টার শামীম হায়দার পাটোয়ারী, রেজাউল ইসলাম ভূইয়া, নাজমা আকতার, আলমগীর শিকদার লোটন, মোস্তফা আল মাহমুদ, চেয়ারম্যানের উপদেষ্টা খলিলুর রহমান খলিল, ভাইস চেয়ারম্যান আহসান আদেলুর রহমান, জসিম উদ্দিন ভূইয়া, যুগ্মমহাসচিব গোলাম মোহাম্মদ রাজু, সাংগঠনিক সম্পাদক হেলাল উদ্দিন হেলাল, যুগ্ম দপ্তর সম্পাদক মাহমুদ আলম ।

বিবৃতিতে তিনি জানান, বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের আমির মাওলানা মামুনুল হকের প্রতি সম্মান জানিয়ে তিনি যে দুই আসনে প্রার্থী হয়েছেন সেই দুই আসনে ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ প্রার্থী দেবে না। এই দুই আসনে ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের প্রার্থী প্রত্যাহার করা হবে। দুই আসনেই ইসলামী আন্দোলনের সমর্থন মাওলানা মামুনুল হকের
১৮ ঘণ্টা আগে
সমাবেশে বক্তৃতা দেওয়ার সময় হঠাৎ অসুস্থ হয়ে পড়েন অধ্যাপক আবুল হাশেম। পরে হাসপাতালে নিয়ে গেলে চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।
২১ ঘণ্টা আগে
প্রধান উপদেষ্টা বলেন, ‘নির্বাচন সম্পর্কিত যেকোনো অভিযোগ ও পরামর্শ তাৎক্ষণিকভাবে সরকারকে জানাবেন। সরকারের পক্ষ থেকে যে ধরনের ব্যবস্থা নেয়া যায়, সরকার তা নেবে। কেউ যেন আইন অমান্য না করতে পারে সে ব্যাপারে ব্যবস্থা নেয়া হবে।’
১ দিন আগে
তিনি বলেন, আমরা আমাদের অভিযোগ তিনটির বিষয়ে ইসি থেকে আশ্বস্ত হয়েছি। আমরা আরও আশ্বস্ত হতে চাই। তারা আমাদেরকে অনুরোধ জানিয়েছে যেন আমরা আজকের মতো কর্মসূচি এখানে স্থগিত করি। সেজন্য ছাত্রদল কেন্দ্রীয় সংসদ আলোচনার ভিত্তিতে সিদ্ধান্ত নিয়েছে যে, আমরা সাময়িকভাবে এই কর্মসূচি এখানেই সমাপ্ত ঘোষণা করছি।
১ দিন আগে