
প্রতিবেদক, রাজনীতি ডটকম

ইউনিয়ন পরিষদ (ইউপি) নির্বাচন আয়োজনের প্রাথমিক সময়সূচি নির্ধারণের আগে সরকারের সঙ্গে কোনো ধরনের আলোচনা করেনি নির্বাচন কমিশন (ইসি)। এ নিয়ে স্থানীয় সরকার নির্বাচনের ক্ষেত্রে ইসির এখতিয়ার এবং সরকারের সঙ্গে সমন্বয়ের প্রয়োজনীয়তা নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে।
গতকাল সোমবার ইসি স্থানীয় সরকার নির্বাচনের সম্ভাব্য সময়সূচি প্রকাশ করার পর বিষয়টি সামনে আসে। এরপর স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলম এবং তথ্য উপদেষ্টা জাহেদ উর রহমানের বক্তব্যে স্পষ্ট হয়, নির্বাচনের সম্ভাব্য তারিখ নির্ধারণের বিষয়ে সরকারের সঙ্গে ইসির আগে কোনো আলোচনা হয়নি।
মঙ্গলবার (১৫ সেপ্টেম্বর) সচিবালয়ে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলম বলেন, স্থানীয় সরকার নির্বাচন নিয়ে ইসির সঙ্গে সরকারের কোনো আলোচনা হয়নি। ভোটের সম্ভাব্য তারিখ ঘোষণার বিষয়েও সরকার কিছুই জানে না। এ বিষয়ে ইসির পক্ষ থেকেও সরকারকে কোনো বার্তা দেওয়া হয়নি বলে জানান তিনি।
এর আগে সোমবার নির্বাচন কমিশন জানিয়েছিল, সাত ধাপে ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচন আয়োজনের পরিকল্পনা করা হয়েছে। নির্বাচন কমিশনার আবুল ফজল মো. সানাউল্লাহ জানান, প্রথম ধাপের ভোট আগামী ১২ নভেম্বর অনুষ্ঠিত হওয়ার সম্ভাব্য তারিখ নির্ধারণ করা হয়েছে। দ্বিতীয় ধাপের ভোট হতে পারে ১৩ ডিসেম্বর, তৃতীয় ধাপের ভোট ৩০ ডিসেম্বর, চতুর্থ ধাপের ভোট আগামী বছরের ১৭ জানুয়ারি, পঞ্চম ধাপের ভোট ৪ ফেব্রুয়ারি, ষষ্ঠ ধাপের ভোট ২২ এপ্রিল এবং সপ্তম ধাপের ভোটের সম্ভাব্য তারিখ ২৭ মে।
এদিকে সরকারের সঙ্গে আলোচনা না করে নির্বাচনের তারিখ নির্ধারণ করে ইসি আইন লঙ্ঘন করেছে কি না— এমন প্রশ্নের জবাবে মঙ্গলবার সচিবালয়ে এক ব্রিফিংয়ে তথ্য উপদেষ্টা জাহেদ উর রহমান বলেন, বিষয়টিকে সরাসরি আইন লঙ্ঘন হিসেবে অভিহিত করতে চান না তিনি। এ বিষয়ে নির্বাচন কমিশনকে প্রশ্ন করার পরামর্শ দেন তথ্য উপদেষ্টা।
জাহেদ উর রহমান বলেন, সংসদ ও রাষ্ট্রপতি নির্বাচনের তারিখ ঘোষণা করা নির্বাচন কমিশনের একক এখতিয়ার। তবে স্থানীয় সরকার নির্বাচন আয়োজনের আগে সরকারের সঙ্গে আলোচনা করা প্রয়োজন। কারণ, এ ধরনের নির্বাচনের ক্ষেত্রে সরকারেরও কিছু প্রস্তুতির বিষয় রয়েছে।
তিনি আরও বলেন, সরকারের সঙ্গে আলোচনা করার পর নির্বাচনের তারিখ এগিয়ে আনা বা পেছানো হতে পারে। সরকার কতটা প্রস্তুত, সেটিও বিবেচনায় নিতে হবে। তবে বিষয়টিকে কোনো সংঘাতের মতো দেখছেন না তিনি।
প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলম ও তথ্য উপদেষ্টা জাহেদ উর রহমানের এমন বক্তব্যের পর মঙ্গলবার দুপুরে আরেক নির্বাচন কমিশনার আনোয়ারুল ইসলাম সরকার বলেন, স্থানীয় সরকার নির্বাচনের যে সম্ভাব্য দিনক্ষণ নিয়ে আলোচনা চলছে, তা এখনো চূড়ান্ত নয়। আগামী বৃহস্পতিবার (১৭ সেপ্টেম্বর) অনুষ্ঠিত হতে যাওয়া আন্তঃমন্ত্রণালয় বৈঠকের পরই ভোটের চূড়ান্ত সময়সূচি নির্ধারণ করা হবে বলে জানান তিনি।
দেশে ইউনিয়ন পরিষদ, পৌরসভা, উপজেলা পরিষদ, জেলা পরিষদ ও সিটি করপোরেশন— এই পাঁচ ধরনের স্থানীয় সরকার প্রতিষ্ঠানে নির্বাচন আয়োজন করতে হবে। ইসির পরিকল্পনা অনুযায়ী, প্রথমে ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে। একটি উপজেলার যতগুলো ইউনিয়ন আছে, সেগুলোতে একই সঙ্গে ভোট হবে।
তবে সরকারের সঙ্গে পূর্ব আলোচনা ছাড়াই সম্ভাব্য নির্বাচনি সময়সূচি ঘোষণার অভিযোগে স্থানীয় সরকার নির্বাচন আয়োজনের প্রক্রিয়া, সাংবিধানিক এখতিয়ার এবং সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানগুলোর মধ্যে সমন্বয় নিয়ে নতুন করে প্রশ্ন তৈরি হয়েছে। একই সঙ্গে প্রশ্ন উঠেছে, সরকারের মনোভাব বুঝতে পেরেই কি ইসি নির্বাচনের সম্ভাব্য সময়সূচি পরিবর্তনের পথে যাচ্ছে?

ইউনিয়ন পরিষদ (ইউপি) নির্বাচন আয়োজনের প্রাথমিক সময়সূচি নির্ধারণের আগে সরকারের সঙ্গে কোনো ধরনের আলোচনা করেনি নির্বাচন কমিশন (ইসি)। এ নিয়ে স্থানীয় সরকার নির্বাচনের ক্ষেত্রে ইসির এখতিয়ার এবং সরকারের সঙ্গে সমন্বয়ের প্রয়োজনীয়তা নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে।
গতকাল সোমবার ইসি স্থানীয় সরকার নির্বাচনের সম্ভাব্য সময়সূচি প্রকাশ করার পর বিষয়টি সামনে আসে। এরপর স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলম এবং তথ্য উপদেষ্টা জাহেদ উর রহমানের বক্তব্যে স্পষ্ট হয়, নির্বাচনের সম্ভাব্য তারিখ নির্ধারণের বিষয়ে সরকারের সঙ্গে ইসির আগে কোনো আলোচনা হয়নি।
মঙ্গলবার (১৫ সেপ্টেম্বর) সচিবালয়ে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলম বলেন, স্থানীয় সরকার নির্বাচন নিয়ে ইসির সঙ্গে সরকারের কোনো আলোচনা হয়নি। ভোটের সম্ভাব্য তারিখ ঘোষণার বিষয়েও সরকার কিছুই জানে না। এ বিষয়ে ইসির পক্ষ থেকেও সরকারকে কোনো বার্তা দেওয়া হয়নি বলে জানান তিনি।
এর আগে সোমবার নির্বাচন কমিশন জানিয়েছিল, সাত ধাপে ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচন আয়োজনের পরিকল্পনা করা হয়েছে। নির্বাচন কমিশনার আবুল ফজল মো. সানাউল্লাহ জানান, প্রথম ধাপের ভোট আগামী ১২ নভেম্বর অনুষ্ঠিত হওয়ার সম্ভাব্য তারিখ নির্ধারণ করা হয়েছে। দ্বিতীয় ধাপের ভোট হতে পারে ১৩ ডিসেম্বর, তৃতীয় ধাপের ভোট ৩০ ডিসেম্বর, চতুর্থ ধাপের ভোট আগামী বছরের ১৭ জানুয়ারি, পঞ্চম ধাপের ভোট ৪ ফেব্রুয়ারি, ষষ্ঠ ধাপের ভোট ২২ এপ্রিল এবং সপ্তম ধাপের ভোটের সম্ভাব্য তারিখ ২৭ মে।
এদিকে সরকারের সঙ্গে আলোচনা না করে নির্বাচনের তারিখ নির্ধারণ করে ইসি আইন লঙ্ঘন করেছে কি না— এমন প্রশ্নের জবাবে মঙ্গলবার সচিবালয়ে এক ব্রিফিংয়ে তথ্য উপদেষ্টা জাহেদ উর রহমান বলেন, বিষয়টিকে সরাসরি আইন লঙ্ঘন হিসেবে অভিহিত করতে চান না তিনি। এ বিষয়ে নির্বাচন কমিশনকে প্রশ্ন করার পরামর্শ দেন তথ্য উপদেষ্টা।
জাহেদ উর রহমান বলেন, সংসদ ও রাষ্ট্রপতি নির্বাচনের তারিখ ঘোষণা করা নির্বাচন কমিশনের একক এখতিয়ার। তবে স্থানীয় সরকার নির্বাচন আয়োজনের আগে সরকারের সঙ্গে আলোচনা করা প্রয়োজন। কারণ, এ ধরনের নির্বাচনের ক্ষেত্রে সরকারেরও কিছু প্রস্তুতির বিষয় রয়েছে।
তিনি আরও বলেন, সরকারের সঙ্গে আলোচনা করার পর নির্বাচনের তারিখ এগিয়ে আনা বা পেছানো হতে পারে। সরকার কতটা প্রস্তুত, সেটিও বিবেচনায় নিতে হবে। তবে বিষয়টিকে কোনো সংঘাতের মতো দেখছেন না তিনি।
প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলম ও তথ্য উপদেষ্টা জাহেদ উর রহমানের এমন বক্তব্যের পর মঙ্গলবার দুপুরে আরেক নির্বাচন কমিশনার আনোয়ারুল ইসলাম সরকার বলেন, স্থানীয় সরকার নির্বাচনের যে সম্ভাব্য দিনক্ষণ নিয়ে আলোচনা চলছে, তা এখনো চূড়ান্ত নয়। আগামী বৃহস্পতিবার (১৭ সেপ্টেম্বর) অনুষ্ঠিত হতে যাওয়া আন্তঃমন্ত্রণালয় বৈঠকের পরই ভোটের চূড়ান্ত সময়সূচি নির্ধারণ করা হবে বলে জানান তিনি।
দেশে ইউনিয়ন পরিষদ, পৌরসভা, উপজেলা পরিষদ, জেলা পরিষদ ও সিটি করপোরেশন— এই পাঁচ ধরনের স্থানীয় সরকার প্রতিষ্ঠানে নির্বাচন আয়োজন করতে হবে। ইসির পরিকল্পনা অনুযায়ী, প্রথমে ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে। একটি উপজেলার যতগুলো ইউনিয়ন আছে, সেগুলোতে একই সঙ্গে ভোট হবে।
তবে সরকারের সঙ্গে পূর্ব আলোচনা ছাড়াই সম্ভাব্য নির্বাচনি সময়সূচি ঘোষণার অভিযোগে স্থানীয় সরকার নির্বাচন আয়োজনের প্রক্রিয়া, সাংবিধানিক এখতিয়ার এবং সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানগুলোর মধ্যে সমন্বয় নিয়ে নতুন করে প্রশ্ন তৈরি হয়েছে। একই সঙ্গে প্রশ্ন উঠেছে, সরকারের মনোভাব বুঝতে পেরেই কি ইসি নির্বাচনের সম্ভাব্য সময়সূচি পরিবর্তনের পথে যাচ্ছে?

সম্প্রতি এনসিপি নেতা নাসীরুদ্দীন পাটোয়ারীর ‘ছাগলকাণ্ড’ থেকে শুরু করে প্রায় ৮০ বছর আগে মহাত্মা গান্ধীর ছাগল চুরির ঘটনা— রাজনৈতিক ইতিহাসের নানা অধ্যায়েই জড়িয়ে আছে ‘ছাগল’।
১ দিন আগে
সভায় হেফাজতে ইসলাম বাংলাদেশের আমির আল্লামা শাহ মুহিববুল্লাহ বাবুনগরীর পক্ষ থেকে হেফাজত নেতারা ও ইসলামি ফিকাহ বিশেষজ্ঞদের সমন্বয়ে একটি প্রতিনিধি দল প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সঙ্গে সাক্ষাৎ করার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। সেখানে সম্পত্তি হস্তান্তর (সংশোধন) বিল-২০২৬ সংশোধনের দাবি তুলে ধরা হবে।
১ দিন আগে
রোববার (১৩ সেপ্টেম্বর) রাতে রাজধানীর বিভিন্ন এলাকায় অভিযান চালিয়ে তাদের গ্রেপ্তার করা হয়। সোমবার (১৪ সেপ্টেম্বর) ঢাকা মহানগর পুলিশের মিডিয়া বিভাগ এ তথ্য জানিয়েছে।
১ দিন আগে
এই নির্বাচনের মধ্য দিয়ে বিএনপি নিরঙ্কুশ সংখ্যাগরিষ্ঠতা পেলেও রাজনৈতিক সমীকরণে চেনা রাজনীতির একঝাঁক অভিজ্ঞ ও পরিচিত মুখ বলতে গেলে দৃশ্যপটের বাইরে চলে গেছেন। নির্বাচনে পরাজিত হওয়া কিংবা রাজনৈতিক কৌশলে পিছিয়ে পড়ার পর তারা কেবল ভোটের মাঠ থেকেই ছিটকে যাননি, নির্বাচন-পরবর্তী সময়ে নিজ নিজ দলের অভ্যন্ত
১ দিন আগে