
প্রতিবেদক, রাজনীতি ডটকম

যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে সম্পাদিত বাণিজ্য চুক্তিকে ‘অসম ও দাসত্বমূলক’ আখ্যা দিয়ে তা অবিলম্বে বাতিলের দাবি জানিয়েছে বাংলাদেশের কমিউনিস্ট পার্টি (সিপিবি)।
সোমবার (৩০ মার্চ) বিকেলে রাজধানীর পুরানা পল্টন মোড় থেকে নবাবপুর পর্যন্ত আয়োজিত এক পদযাত্রাপূর্ব সমাবেশে দলটির কেন্দ্রীয় নেতৃবৃন্দ এই দাবি জানান।
সিপিবি ঢাকা মহানগর দক্ষিণ জেলা কমিটির উদ্যোগে আয়োজিত এই সমাবেশে নেতৃবৃন্দ বলেন, ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের ঠিক আগ মুহূর্তে অন্তর্বর্তীকালীন সরকার কর্তৃক এই চুক্তি স্বাক্ষর একটি চক্রান্তমূলক ও দেশবিরোধী পদক্ষেপ। এই চুক্তির মাধ্যমে বাংলাদেশকে একতরফাভাবে মার্কিন স্বার্থের শিকলে বেঁধে ফেলা হয়েছে।
সমাবেশে সিপিবির প্রেসিডিয়াম সদস্য জলি তালুকদার অভিযোগ করে বলেন, "খসড়া এগ্রিমেন্ট অন রেসিপ্রোকাল ট্রেড নিয়ে কাজ করার সময় তৎকালীন জাতীয় নিরাপত্তা উপদেষ্টা অত্যন্ত গোপনে ও দ্রুততার সাথে এই চুক্তি স্বাক্ষরে অতি-তৎপর ছিলেন। এমনকি নথিপত্র আদান-প্রদানের অভিযোগে একজন নিরীহ সরকারি কর্মকর্তাকে বরখাস্ত ও হয়রানি করা হয়েছিল।"
তিনি আরও বলেন, বর্তমান পররাষ্ট্রমন্ত্রী দাবি করেছেন এই চুক্তিতে সরকারি ও বিরোধী উভয় দলের সম্মতি ছিল, যা জাতীয় স্বার্থকে বিসর্জন দেওয়ারই নামান্তর।
সিপিবির কন্ট্রোল কমিশন সদস্য অধ্যাপক ডা. আবু সাঈদ বলেন, "এই চুক্তিতে থাকা 'নন-ডিসক্লোজার ক্লজ' বা গোপনীয়তা রক্ষার শর্তগুলো একে একটি জবরদস্তিমূলক দলিলে পরিণত করেছে। এর ফলে বাংলাদেশ স্বাধীনভাবে অন্য কোনো দেশের সাথে বাণিজ্য বা জ্বালানি আমদানি করতে পারবে না। কৃষি ও রপ্তানি পণ্যের কাঁচামাল কেবল যুক্তরাষ্ট্র থেকেই আমদানিতে বাধ্য থাকবে বাংলাদেশ, যা দেশের সার্বভৌমত্বের পরিপন্থী।"
নেতৃবৃন্দ হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেন, অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের এমন নীতিবহির্ভূত ও জাতীয় স্বার্থবিরোধী চুক্তি কার্যকর হওয়ার আগেই বাতিল করতে হবে। অন্যথায় দেশব্যাপী বৃহত্তর গণআন্দোলন গড়ে তোলা হবে।
সিপিবি ঢাকা মহানগর দক্ষিণ জেলা কমিটির সভাপতি সাইফুল ইসলাম সমীরের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত এই সমাবেশে আরও বক্তব্য রাখেন মঞ্জুর মঈন, জামশেদ আনোয়ার তপন, ত্রিদিব সাহা, হযরত আলী ও মুর্শিকুল ইসলাম শিমুল প্রমুখ। সমাবেশ শেষে একটি বিশাল পদযাত্রা পল্টন মোড় থেকে শুরু হয়ে শহীদ নূর হোসেন স্কয়ার, রমনা ভবন ও ফুলবাড়িয়া হয়ে নবাবপুর মোড়ে গিয়ে শেষ হয়। পথে পথে বিভিন্ন স্থানে সংক্ষিপ্ত পথসভাও অনুষ্ঠিত হয়।

যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে সম্পাদিত বাণিজ্য চুক্তিকে ‘অসম ও দাসত্বমূলক’ আখ্যা দিয়ে তা অবিলম্বে বাতিলের দাবি জানিয়েছে বাংলাদেশের কমিউনিস্ট পার্টি (সিপিবি)।
সোমবার (৩০ মার্চ) বিকেলে রাজধানীর পুরানা পল্টন মোড় থেকে নবাবপুর পর্যন্ত আয়োজিত এক পদযাত্রাপূর্ব সমাবেশে দলটির কেন্দ্রীয় নেতৃবৃন্দ এই দাবি জানান।
সিপিবি ঢাকা মহানগর দক্ষিণ জেলা কমিটির উদ্যোগে আয়োজিত এই সমাবেশে নেতৃবৃন্দ বলেন, ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের ঠিক আগ মুহূর্তে অন্তর্বর্তীকালীন সরকার কর্তৃক এই চুক্তি স্বাক্ষর একটি চক্রান্তমূলক ও দেশবিরোধী পদক্ষেপ। এই চুক্তির মাধ্যমে বাংলাদেশকে একতরফাভাবে মার্কিন স্বার্থের শিকলে বেঁধে ফেলা হয়েছে।
সমাবেশে সিপিবির প্রেসিডিয়াম সদস্য জলি তালুকদার অভিযোগ করে বলেন, "খসড়া এগ্রিমেন্ট অন রেসিপ্রোকাল ট্রেড নিয়ে কাজ করার সময় তৎকালীন জাতীয় নিরাপত্তা উপদেষ্টা অত্যন্ত গোপনে ও দ্রুততার সাথে এই চুক্তি স্বাক্ষরে অতি-তৎপর ছিলেন। এমনকি নথিপত্র আদান-প্রদানের অভিযোগে একজন নিরীহ সরকারি কর্মকর্তাকে বরখাস্ত ও হয়রানি করা হয়েছিল।"
তিনি আরও বলেন, বর্তমান পররাষ্ট্রমন্ত্রী দাবি করেছেন এই চুক্তিতে সরকারি ও বিরোধী উভয় দলের সম্মতি ছিল, যা জাতীয় স্বার্থকে বিসর্জন দেওয়ারই নামান্তর।
সিপিবির কন্ট্রোল কমিশন সদস্য অধ্যাপক ডা. আবু সাঈদ বলেন, "এই চুক্তিতে থাকা 'নন-ডিসক্লোজার ক্লজ' বা গোপনীয়তা রক্ষার শর্তগুলো একে একটি জবরদস্তিমূলক দলিলে পরিণত করেছে। এর ফলে বাংলাদেশ স্বাধীনভাবে অন্য কোনো দেশের সাথে বাণিজ্য বা জ্বালানি আমদানি করতে পারবে না। কৃষি ও রপ্তানি পণ্যের কাঁচামাল কেবল যুক্তরাষ্ট্র থেকেই আমদানিতে বাধ্য থাকবে বাংলাদেশ, যা দেশের সার্বভৌমত্বের পরিপন্থী।"
নেতৃবৃন্দ হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেন, অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের এমন নীতিবহির্ভূত ও জাতীয় স্বার্থবিরোধী চুক্তি কার্যকর হওয়ার আগেই বাতিল করতে হবে। অন্যথায় দেশব্যাপী বৃহত্তর গণআন্দোলন গড়ে তোলা হবে।
সিপিবি ঢাকা মহানগর দক্ষিণ জেলা কমিটির সভাপতি সাইফুল ইসলাম সমীরের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত এই সমাবেশে আরও বক্তব্য রাখেন মঞ্জুর মঈন, জামশেদ আনোয়ার তপন, ত্রিদিব সাহা, হযরত আলী ও মুর্শিকুল ইসলাম শিমুল প্রমুখ। সমাবেশ শেষে একটি বিশাল পদযাত্রা পল্টন মোড় থেকে শুরু হয়ে শহীদ নূর হোসেন স্কয়ার, রমনা ভবন ও ফুলবাড়িয়া হয়ে নবাবপুর মোড়ে গিয়ে শেষ হয়। পথে পথে বিভিন্ন স্থানে সংক্ষিপ্ত পথসভাও অনুষ্ঠিত হয়।

বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, মেঘমল্লার বসু ও মাঈন আহমেদের দাখিল করা পদত্যাগপত্র কেন্দ্রীয় সংসদে গৃহীত হয়েছে। বাংলাদেশের বর্তমান রাজনৈতিক প্রেক্ষাপটে একটি নতুন রাজনৈতিক প্ল্যাটফর্মের সঙ্গে সম্পৃক্ত হওয়ায় একই সঙ্গে দুটি রাজনৈতিক সংগঠনের দায়িত্ব পালন করলে সাংগঠনিক মতদ্বৈধতা বা স্বার্থের দ্বন্দ্ব (কনফ্লিক্
২ দিন আগে
বিবৃতিতে বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের আমীর মাওলানা মামুনুল হক ও মহাসচিব মাওলানা জালালুদ্দীন আহমদ বলেন, সাবেক রাষ্ট্রপতি মোহাম্মদ সাহাবুদ্দিন (চুপ্পু)-এর পদত্যাগ অনেক আগেই হওয়া উচিত ছিল।
৩ দিন আগে
নাহিদ ইসলাম বলেন, শারীরিক অসুস্থতার অজুহাতে সাহাবুদ্দিনকে সেফ এক্সিট দেওয়া যাবে না। তিনি যাতে বিদেশে পালিয়ে যেতে না পারেন, সে জন্য সরকারকে সজাগ থাকতে হবে এবং অনতিবিলম্বে তাকে গ্রেপ্তার করতে হবে।
৩ দিন আগে