
প্রতিবেদক, রাজনীতি ডটকম

জুলাই অভ্যুত্থান-পরবর্তী রেমিট্যান্সের ঢল অব্যাহত ছিল টানা দ্বিতীয় বছরেও। সে কারণে আগের বছরের মতো ২০২৫ সালেও রেমিট্যান্স প্রবাহে ছিল ইতিবাচক ধারা। এর মধ্যে বছরের শেষ মাস ডিসেম্বরে দেশে রেমিট্যান্স এসেছে ৩ দশমিক ২৩ বিলিয়ন বা ৩২৩ কোটি মার্কিন ডলার। একক মাস হিসেবে এ মাসে দেশের ইতিহাসে দ্বিতীয় সর্বোচ্চ, মার্চে এসেছিল একক মাস হিসেবে সর্বোচ্চ ৩ দশমিক ৩০ বিলিয়ন বা ৩৩০ কোটি মার্কিন ডলার।
কেবল মাসের হিসাবই নয়, বছর হিসেবেও ২০২৫ সাল রেমিট্যান্সে ছাড়িয়ে গেছে আগের সব বছরকে। ২০২৪ সালে দেশে রেমিট্যান্স এসেছিল ২৬ দশমিক ৮৮ বিলিয়ন তথা দুই হাজার ৬৮৮ কোটি মার্কিন ডলার। ২০২৫ সালে রেমিট্যান্স বেড়েছে আরও ৫ দশমিক ৯৪ বিলিয়ন বা ৫৯৪ কোটি ডলার বেশি।
এ বছরে প্রবাসীদের পাঠানো মোট রেমিট্যান্সের পরিমাণ ছিল ৩২ দশমিক ৮২ বিলিয়ন বা তিন হাজার ২৮২ কোটি মার্কিন ডলার। বিদায়ী বছরটিতেই প্রথম দেশে এক বছরে রেমিট্যান্সের পরিমাণ ছাড়ায় তিন হাজার কোটি ডলার। সব মিলিয়ে এ বছরে রেমিট্যান্সে প্রবৃদ্ধি ২২ দশমিক শূন্য ৯ শতাংশ। আগের বছরেও রেমিট্যান্সে ২২ দমমিক ৬২ শতাংশ প্রবৃদ্ধি হয়েছিল।
| মাস | রেমিট্যান্স (বিলিয়ন ডলার) |
|---|---|
| জানুয়ারি | ২.১৯ |
| ফেব্রুয়ারি | ২.৫২ |
| মার্চ | ৩.৩০ |
| এপ্রিল | ২.৭৫ |
| মে | ২.৯৯ |
| জুন | ২.৮২ |
| জুলাই | ২.৪৭ |
| আগস্ট | ২.৪২ |
| সেপ্টেম্বর | ২.৬৯ |
| অক্টোবর | ২.৫৬ |
| নভেম্বর | ২.৮৯ |
| ডিসেম্বর | ৩.২৩ |
বাংলাদেশ ব্যাংকের তথ্য বলছে, বিদায়ী বছরের প্রথম মাস জানুয়ারিতে রেমিট্যান্স এসেছিল ২ দশমিক ১৯ বিলিয়ন বা ২১৯ কোটি মার্কিন ডলার। এরপর ফেব্রুয়ারিতে রেমিট্যান্স আসে ২ দশমিক ৫২ বা ২৫২ কোটি ডলার। মার্চে তা আরও বেড়ে হয় ৩ দশমিক ৩০ বিলিয়ন বা ৩৩০ কোটি ডলার, যা একক মাসের হিসাবে রেমিট্যান্স প্রবাহের রেকর্ড।
এরপর এপ্রিলে ২ দশমিক ১৪ বিলিয়ন বা ২১৪ কোটি ডলার, মে মাসে ২ দশমিক ৯৯ বিলিয়ন বা ২৯৯ কোটি ডলার, জুনে ২ দশমিক ৮২ বিলিয়ন বা ২৮২ কোটি ডলার, জুলাইয়ে ২ দশমিক ৪৭ বিলিয়ন বা ২৪৭ কোটি ডলার, আগস্টে ২ দশমিক ৪২ বিলিয়ন বা ২৪২ কোটি ডলার, সেপ্টেম্বরে ২ দশমিক ৬৯ বিলিয়ন বা ২৬৯ কোটি ডলার, অক্টোবরে ২ দশমিক ৫৬ বিলিয়ন বা ২৫৬ কোটি ডলার, নভেম্বরে ২ দশমিক ৮৯ বিলিয়ন বা ২৮৯ কোটি ডলার ও ডিসেম্বরে ৩ দশমিক ২৩ বিলিয়ন বা ৩২৩ কোটি ডলার আসে দেশে।
| সাল | রেমিট্যান্স (বিলিয়ন ডলার) | প্রবৃদ্ধি |
|---|---|---|
| ২০২৫ | ৩২.৮২ | ২২.০৯% |
| ২০২৪ | ২৬.৮৮ | ২২.৬৭% |
| ২০২৩ | ২১.৯২ | ৩% |
| ২০২২ | ২১.২৮ | -২.২২% |
| ২০২১ | ২১.৭৪ | - |
রেকর্ডভাঙা রেমিট্যান্স প্রবাহে ২০২৫ অর্থবছরে মোট রেমিট্যান্সের পরিমাণ ছাড়িয়েছে ৩২ দশমিক ৮২ বিলিয়ন বা তিন হাজার ২৮২ কোটি মার্কিন ডলার। এর আগের বছর ২০২৪ সালে দেশে রেমিট্যান্স এসেছিল ২৬ দশমিক ৮৯ বিলিয়ন বা দুই হাজার ৬৮৯ কোটি ডলার।
এর আগে ২০২৩ সালে প্রবাসীরা দেশে রেমিট্যান্স পাঠিয়েছিলেন ২১ দশমিক ৯২ বিলিয়ন বা দুই হাজার ১৯২ কোটি ডলার। ২০২২ সালে এর পরিমাণ ছিল ২১ দশমিক ২৮ বিলিয়ন বা দুই হাজার ১২৮ কোটি ডলার। আর ২০২১ সালে দেশে রেমিট্যান্স এসেছিল ২১ দশমিক ৭৪ বিলিয়ন বা দুই হাজার ১৭৪ কোটি মার্কিন ডলার।
গত কয়েক বছরের মধ্যে কেবল ২০২২ সালেই রেমিট্যান্সে প্রবৃদ্ধি ছিল নেতিবাচক। অর্থাৎ ২০২১ সালের তুলনায় ২০২২ সালে দেশে রেমিট্যান্স কম এসেছিল।
কেন্দ্রীয় ব্যাংকের সংশ্লিষ্টরা বলছেন, হুন্ডি প্রতিরোধে সরকারের কঠোর অবস্থানের পাশাপাশি রেমিট্যান্স বা প্রবাসী আয়ে নগদ প্রণোদনা অব্যাহত থাকায় প্রবাসীরা বৈধ পথে রেমিট্যান্স পাঠাতে আগ্রহী বেশি হচ্ছেন। এ ছাড়া ডলারের বাজার স্থিতিশীল থাকাতেও রেমিট্যান্সে ইতিবাচক ধারা মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।

জুলাই অভ্যুত্থান-পরবর্তী রেমিট্যান্সের ঢল অব্যাহত ছিল টানা দ্বিতীয় বছরেও। সে কারণে আগের বছরের মতো ২০২৫ সালেও রেমিট্যান্স প্রবাহে ছিল ইতিবাচক ধারা। এর মধ্যে বছরের শেষ মাস ডিসেম্বরে দেশে রেমিট্যান্স এসেছে ৩ দশমিক ২৩ বিলিয়ন বা ৩২৩ কোটি মার্কিন ডলার। একক মাস হিসেবে এ মাসে দেশের ইতিহাসে দ্বিতীয় সর্বোচ্চ, মার্চে এসেছিল একক মাস হিসেবে সর্বোচ্চ ৩ দশমিক ৩০ বিলিয়ন বা ৩৩০ কোটি মার্কিন ডলার।
কেবল মাসের হিসাবই নয়, বছর হিসেবেও ২০২৫ সাল রেমিট্যান্সে ছাড়িয়ে গেছে আগের সব বছরকে। ২০২৪ সালে দেশে রেমিট্যান্স এসেছিল ২৬ দশমিক ৮৮ বিলিয়ন তথা দুই হাজার ৬৮৮ কোটি মার্কিন ডলার। ২০২৫ সালে রেমিট্যান্স বেড়েছে আরও ৫ দশমিক ৯৪ বিলিয়ন বা ৫৯৪ কোটি ডলার বেশি।
এ বছরে প্রবাসীদের পাঠানো মোট রেমিট্যান্সের পরিমাণ ছিল ৩২ দশমিক ৮২ বিলিয়ন বা তিন হাজার ২৮২ কোটি মার্কিন ডলার। বিদায়ী বছরটিতেই প্রথম দেশে এক বছরে রেমিট্যান্সের পরিমাণ ছাড়ায় তিন হাজার কোটি ডলার। সব মিলিয়ে এ বছরে রেমিট্যান্সে প্রবৃদ্ধি ২২ দশমিক শূন্য ৯ শতাংশ। আগের বছরেও রেমিট্যান্সে ২২ দমমিক ৬২ শতাংশ প্রবৃদ্ধি হয়েছিল।
| মাস | রেমিট্যান্স (বিলিয়ন ডলার) |
|---|---|
| জানুয়ারি | ২.১৯ |
| ফেব্রুয়ারি | ২.৫২ |
| মার্চ | ৩.৩০ |
| এপ্রিল | ২.৭৫ |
| মে | ২.৯৯ |
| জুন | ২.৮২ |
| জুলাই | ২.৪৭ |
| আগস্ট | ২.৪২ |
| সেপ্টেম্বর | ২.৬৯ |
| অক্টোবর | ২.৫৬ |
| নভেম্বর | ২.৮৯ |
| ডিসেম্বর | ৩.২৩ |
বাংলাদেশ ব্যাংকের তথ্য বলছে, বিদায়ী বছরের প্রথম মাস জানুয়ারিতে রেমিট্যান্স এসেছিল ২ দশমিক ১৯ বিলিয়ন বা ২১৯ কোটি মার্কিন ডলার। এরপর ফেব্রুয়ারিতে রেমিট্যান্স আসে ২ দশমিক ৫২ বা ২৫২ কোটি ডলার। মার্চে তা আরও বেড়ে হয় ৩ দশমিক ৩০ বিলিয়ন বা ৩৩০ কোটি ডলার, যা একক মাসের হিসাবে রেমিট্যান্স প্রবাহের রেকর্ড।
এরপর এপ্রিলে ২ দশমিক ১৪ বিলিয়ন বা ২১৪ কোটি ডলার, মে মাসে ২ দশমিক ৯৯ বিলিয়ন বা ২৯৯ কোটি ডলার, জুনে ২ দশমিক ৮২ বিলিয়ন বা ২৮২ কোটি ডলার, জুলাইয়ে ২ দশমিক ৪৭ বিলিয়ন বা ২৪৭ কোটি ডলার, আগস্টে ২ দশমিক ৪২ বিলিয়ন বা ২৪২ কোটি ডলার, সেপ্টেম্বরে ২ দশমিক ৬৯ বিলিয়ন বা ২৬৯ কোটি ডলার, অক্টোবরে ২ দশমিক ৫৬ বিলিয়ন বা ২৫৬ কোটি ডলার, নভেম্বরে ২ দশমিক ৮৯ বিলিয়ন বা ২৮৯ কোটি ডলার ও ডিসেম্বরে ৩ দশমিক ২৩ বিলিয়ন বা ৩২৩ কোটি ডলার আসে দেশে।
| সাল | রেমিট্যান্স (বিলিয়ন ডলার) | প্রবৃদ্ধি |
|---|---|---|
| ২০২৫ | ৩২.৮২ | ২২.০৯% |
| ২০২৪ | ২৬.৮৮ | ২২.৬৭% |
| ২০২৩ | ২১.৯২ | ৩% |
| ২০২২ | ২১.২৮ | -২.২২% |
| ২০২১ | ২১.৭৪ | - |
রেকর্ডভাঙা রেমিট্যান্স প্রবাহে ২০২৫ অর্থবছরে মোট রেমিট্যান্সের পরিমাণ ছাড়িয়েছে ৩২ দশমিক ৮২ বিলিয়ন বা তিন হাজার ২৮২ কোটি মার্কিন ডলার। এর আগের বছর ২০২৪ সালে দেশে রেমিট্যান্স এসেছিল ২৬ দশমিক ৮৯ বিলিয়ন বা দুই হাজার ৬৮৯ কোটি ডলার।
এর আগে ২০২৩ সালে প্রবাসীরা দেশে রেমিট্যান্স পাঠিয়েছিলেন ২১ দশমিক ৯২ বিলিয়ন বা দুই হাজার ১৯২ কোটি ডলার। ২০২২ সালে এর পরিমাণ ছিল ২১ দশমিক ২৮ বিলিয়ন বা দুই হাজার ১২৮ কোটি ডলার। আর ২০২১ সালে দেশে রেমিট্যান্স এসেছিল ২১ দশমিক ৭৪ বিলিয়ন বা দুই হাজার ১৭৪ কোটি মার্কিন ডলার।
গত কয়েক বছরের মধ্যে কেবল ২০২২ সালেই রেমিট্যান্সে প্রবৃদ্ধি ছিল নেতিবাচক। অর্থাৎ ২০২১ সালের তুলনায় ২০২২ সালে দেশে রেমিট্যান্স কম এসেছিল।
কেন্দ্রীয় ব্যাংকের সংশ্লিষ্টরা বলছেন, হুন্ডি প্রতিরোধে সরকারের কঠোর অবস্থানের পাশাপাশি রেমিট্যান্স বা প্রবাসী আয়ে নগদ প্রণোদনা অব্যাহত থাকায় প্রবাসীরা বৈধ পথে রেমিট্যান্স পাঠাতে আগ্রহী বেশি হচ্ছেন। এ ছাড়া ডলারের বাজার স্থিতিশীল থাকাতেও রেমিট্যান্সে ইতিবাচক ধারা মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।

সাম্প্রতিক আর্থিক পারফরম্যান্সের তুলনায় এই লোকসান এখন ব্যাংকের অবস্থায় বড় ধরনের অবনতির ইঙ্গিত দিচ্ছে। বার্ষিক প্রতিবেদন অনুযায়ী, গত পাঁচ বছর ইসলামী ব্যাংক মুনাফায় ছিল। এর মধ্যে ২০২৫ সালে ১৩৬ কোটি ৩৪ লাখ টাকা, ২০২৪ সালে ১০৮ কোটি ৭৮ লাখ টাকা এবং ২০২৩ সালে ৬৩৫ কোটি ৩৩ লাখ টাকা মুনাফা করে ব্যাংকটি। এই
১২ ঘণ্টা আগে
বিশ্বব্যাংকের আন্তর্জাতিক উন্নয়ন সংস্থার (আইডিএ) অর্থায়নে বাণিজ্য মন্ত্রণালয় ২০১৭ সালের জুলাইয়ে প্রকল্পটি চালু করে। স্বল্পোন্নত দেশ (এলডিসি) থেকে উত্তরণের প্রস্তুতি এবং আন্তর্জাতিক বাজারে প্রতিযোগিতা বাড়ার প্রেক্ষাপটে রপ্তানি বহুমুখীকরণকে জাতীয় অগ্রাধিকার হিসেবে বিবেচনা করে এ উদ্যোগ নেওয়া হয়। প্রকল্
১২ ঘণ্টা আগে
যুক্তরাষ্ট্রভিত্তিক বেসরকারি প্রতিষ্ঠান গানভর ইউএসএ এলএলসি থেকে আগামী ১৩ বছর তরলীকৃত প্রাকৃতিক গ্যাস (এলএনজি) আমদানি করবে সরকার। আজ মঙ্গলবার সচিবালয়ে সরকার থেকে সরকার (জিটুজি) পর্যায়ে মোট ৭৮ কার্গো এলএনজি আমদানির নীতিগত অনুমোদন দেওয়া হয়েছে। পরিকল্পনা অনুযায়ী, ২০২৬ সাল থেকে ২০৩৯ সাল পর্যন্ত প্রতি
২ দিন আগে
উপদেষ্টা ডা. জাহেদ উর রহমান বলেন, যুক্তরাষ্ট্র নতুন করে ১০ শতাংশ শুল্ক আরোপ করেছে। তবে বাংলাদেশের ওপর নতুন শুল্ক যুক্ত হচ্ছে না।
২ দিন আগে