
প্রতিবেদক, রাজনীতি ডটকম

আগামী ২০২৫-২৬ অর্থবছরের জন্য ২ লাখ ৩০ হাজার কোটি টাকার বার্ষিক উন্নয়ন কর্মসূচি (এডিপি) চূড়ান্ত করেছে পরিকল্পনা কমিশন। রোববার শেরেবাংলা নগরের এনইসি সম্মেলনকক্ষে অনুষ্ঠিত জাতীয় অর্থনৈতিক পরিষদের (এনইসি) সভায় এই এডিপি অনুমোদন দেওয়া হয়।
এডিপির খসড়া জাতীয় অর্থনৈতিক পরিষদের (এনইসি) সভায় অনুমোদন দেন প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূস। পরিকল্পনা উপদেষ্টা ড. ওয়াহিদ উদ্দিন মাহমুদ এনইসি সভা শেষে এই তথ্য নিশ্চিত করেছেন।
পরিকল্পনা উপদেষ্টা ড. ওয়াহিদ উদ্দিন মাহমুদ এনইসি সভা শেষে সাংবাদিকদের জানান, চলতি অর্থবছরের (২০২৪-২৫) মূল এডিপি ছিল ২ লাখ ৬৫ হাজার কোটি টাকা, যা পরে সংশোধিত হয়ে দাঁড়ায় ২ লাখ ১৬ হাজার কোটি টাকা। আগামী অর্থবছরে তা থেকে ৩৫ হাজার কোটি টাকা কমিয়ে ২ লাখ ৩০ হাজার কোটি টাকায় নির্ধারণ করা হয়েছে।
নতুন এডিপিতে সরকারি তহবিল থেকে বরাদ্দ ধরা হয়েছে ১ লাখ ৪৪ হাজার কোটি টাকা এবং বৈদেশিক ঋণ থেকে আসবে ৮৬ হাজার কোটি টাকা। বরাদ্দকৃত অর্থ দিয়ে মোট ১,১৪২টি উন্নয়ন প্রকল্প বাস্তবায়ন করা হবে।
উন্নয়ন বাজেটে বরাবরের মতো এবারও সবচেয়ে বেশি অগ্রাধিকার দেওয়া হয়েছে পরিবহন ও যোগাযোগ খাতে। এ খাতে বরাদ্দ ৫৮ হাজার ৯৭৩ কোটি টাকা, যা মোট বাজেটের ২৫.৬৪ শতাংশ।
এরপর রয়েছে বিদ্যুৎ ও জ্বালানি খাত- ৩২ হাজার ৩৯২ কোটি টাকা (১৪.০৮ শতাংশ), শিক্ষা খাত- ২৮ হাজার ৫৫৭ কোটি টাকা (১২.৪২ শতাংশ), গৃহায়ন ও নগরায়ণ- ২২ হাজার ৭৭৬ কোটি টাকা (৯.৯০ শতাংশ), এবং স্বাস্থ্য খাত- ১৮ হাজার ১৪৮ কোটি টাকা (৭.৮৯ শতাংশ)।
স্থানীয় সরকার ও পল্লী উন্নয়ন: ১৩,৪৭২ কোটি, কৃষি খাত: ১০,৭৯৫ কোটি, পরিবেশ ও পানিসম্পদ: ১০,৬৪১ কোটি, শিল্প ও অর্থনৈতিক সেবা: ৫,০৩৮ কোটি, বিজ্ঞান ও তথ্যপ্রযুক্তি: ৩,৮৯৪ কোটি, ধর্ম ও সংস্কৃতি: ৩,৬৭৫ কোটি, জনশৃঙ্খলা ও নিরাপত্তা: ২,৭৭৭ কোটি, সামাজিক সুরক্ষা: ২,০১৮ কোটি, সরকারি সেবা: ১,৮৭৭ কোটি ও প্রতিরক্ষা খাত: ৪৭৫ কোটি টাকা।
সূত্র জানায়, বিভিন্ন মন্ত্রণালয় ও বিভাগগুলো থেকে চাওয়া হয়েছিল ২ লাখ ৫৪ হাজার কোটি টাকা। তবে বাস্তবায়ন সক্ষমতা ও অপ্রয়োজনীয় ব্যয় কাটছাঁট করে তা ২ লাখ ৩০ হাজার কোটিতে সীমিত রাখা হয়েছে।

আগামী ২০২৫-২৬ অর্থবছরের জন্য ২ লাখ ৩০ হাজার কোটি টাকার বার্ষিক উন্নয়ন কর্মসূচি (এডিপি) চূড়ান্ত করেছে পরিকল্পনা কমিশন। রোববার শেরেবাংলা নগরের এনইসি সম্মেলনকক্ষে অনুষ্ঠিত জাতীয় অর্থনৈতিক পরিষদের (এনইসি) সভায় এই এডিপি অনুমোদন দেওয়া হয়।
এডিপির খসড়া জাতীয় অর্থনৈতিক পরিষদের (এনইসি) সভায় অনুমোদন দেন প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূস। পরিকল্পনা উপদেষ্টা ড. ওয়াহিদ উদ্দিন মাহমুদ এনইসি সভা শেষে এই তথ্য নিশ্চিত করেছেন।
পরিকল্পনা উপদেষ্টা ড. ওয়াহিদ উদ্দিন মাহমুদ এনইসি সভা শেষে সাংবাদিকদের জানান, চলতি অর্থবছরের (২০২৪-২৫) মূল এডিপি ছিল ২ লাখ ৬৫ হাজার কোটি টাকা, যা পরে সংশোধিত হয়ে দাঁড়ায় ২ লাখ ১৬ হাজার কোটি টাকা। আগামী অর্থবছরে তা থেকে ৩৫ হাজার কোটি টাকা কমিয়ে ২ লাখ ৩০ হাজার কোটি টাকায় নির্ধারণ করা হয়েছে।
নতুন এডিপিতে সরকারি তহবিল থেকে বরাদ্দ ধরা হয়েছে ১ লাখ ৪৪ হাজার কোটি টাকা এবং বৈদেশিক ঋণ থেকে আসবে ৮৬ হাজার কোটি টাকা। বরাদ্দকৃত অর্থ দিয়ে মোট ১,১৪২টি উন্নয়ন প্রকল্প বাস্তবায়ন করা হবে।
উন্নয়ন বাজেটে বরাবরের মতো এবারও সবচেয়ে বেশি অগ্রাধিকার দেওয়া হয়েছে পরিবহন ও যোগাযোগ খাতে। এ খাতে বরাদ্দ ৫৮ হাজার ৯৭৩ কোটি টাকা, যা মোট বাজেটের ২৫.৬৪ শতাংশ।
এরপর রয়েছে বিদ্যুৎ ও জ্বালানি খাত- ৩২ হাজার ৩৯২ কোটি টাকা (১৪.০৮ শতাংশ), শিক্ষা খাত- ২৮ হাজার ৫৫৭ কোটি টাকা (১২.৪২ শতাংশ), গৃহায়ন ও নগরায়ণ- ২২ হাজার ৭৭৬ কোটি টাকা (৯.৯০ শতাংশ), এবং স্বাস্থ্য খাত- ১৮ হাজার ১৪৮ কোটি টাকা (৭.৮৯ শতাংশ)।
স্থানীয় সরকার ও পল্লী উন্নয়ন: ১৩,৪৭২ কোটি, কৃষি খাত: ১০,৭৯৫ কোটি, পরিবেশ ও পানিসম্পদ: ১০,৬৪১ কোটি, শিল্প ও অর্থনৈতিক সেবা: ৫,০৩৮ কোটি, বিজ্ঞান ও তথ্যপ্রযুক্তি: ৩,৮৯৪ কোটি, ধর্ম ও সংস্কৃতি: ৩,৬৭৫ কোটি, জনশৃঙ্খলা ও নিরাপত্তা: ২,৭৭৭ কোটি, সামাজিক সুরক্ষা: ২,০১৮ কোটি, সরকারি সেবা: ১,৮৭৭ কোটি ও প্রতিরক্ষা খাত: ৪৭৫ কোটি টাকা।
সূত্র জানায়, বিভিন্ন মন্ত্রণালয় ও বিভাগগুলো থেকে চাওয়া হয়েছিল ২ লাখ ৫৪ হাজার কোটি টাকা। তবে বাস্তবায়ন সক্ষমতা ও অপ্রয়োজনীয় ব্যয় কাটছাঁট করে তা ২ লাখ ৩০ হাজার কোটিতে সীমিত রাখা হয়েছে।

প্রধানমন্ত্রীর এ সফর ঘিরে সরকার ও ব্যবসায়ী মহলের প্রত্যাশা— দীর্ঘদিনের শ্রমবাজারকেন্দ্রিক বাংলাদেশ-মালয়েশিয়া সম্পর্ক এবার বাণিজ্য, বিনিয়োগ, জ্বালানি, শিক্ষা, হালাল অর্থনীতি ও প্রযুক্তি সহযোগিতার মতো নতুন ক্ষেত্রে আরও বিস্তৃত হবে।
২ দিন আগে
সিপিডির নির্বাহী পরিচালক সতর্ক করে বলেন, সুস্পষ্ট জাতীয় কর্মসংস্থান কর্মসূচি ও প্রয়োজনীয় সংস্কার ছাড়া বিপুল কর্মসংস্থান সৃষ্টির লক্ষ্য বাস্তবায়ন কঠিন হবে এবং তা কেবল রাজনৈতিক অঙ্গীকার হিসেবেই থেকে যাওয়ার ঝুঁকি রয়েছে।
২ দিন আগে
সতর্কতামূলক এক বিজ্ঞপ্তিতে ব্যাংক কর্তৃপক্ষ বলেছে, বাংলাদেশ ব্যাংকের তারল্য সহায়তার ফলে ব্যাংকের আর্থিক কার্যক্রম ধীরে ধীরে স্বাভাবিক অবস্থায় ফিরে আসছে এবং গ্রাহকদের লেনদেনও স্বাভাবিকভাবে পরিচালিত হচ্ছে।
৩ দিন আগে
গত পাঁচ বছরের হিসাবে সুইস ব্যাংকে বাংলাদেশের নামে সবচেয়ে কম অর্থ ছিল ২০২৩ সালে। সে সময় জমার পরিমাণ নেমে এসেছিল মাত্র ১ কোটি ৭৭ লাখ সুইস ফ্রাঁতে, যার মূল্য প্রায় ২৭০ কোটি টাকা।
৪ দিন আগে