
প্রতিবেদক, রাজনীতি ডটকম

দেশে তেলের সরবরাহ স্বাভাবিক থাকলেও মূল্য সমন্বয়ের বিষয়ে শিগগিরই নতুন সিদ্ধান্ত আসতে পারে বলে জানিয়েছেন অর্থ ও পরিকল্পনামন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী। তিনি বলেন, জ্বালানি নিরাপত্তা নিশ্চিত করাই এখন সরকারের প্রধান অগ্রাধিকার।
শুক্রবার (৩ এপ্রিল) বিকেলে কোরিয়ান ইপিজেড-এ এক অনুষ্ঠান শেষে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি এসব কথা বলেন।
মন্ত্রী জানান, দেশে বর্তমানে তেলের কোনো ঘাটতি নেই। তবে উচ্চমূল্যে তেল ও গ্যাস আমদানি দীর্ঘদিন চালিয়ে যাওয়া কঠিন হয়ে পড়ছে। এ কারণে সরকারের ওপর আর্থিক চাপ কমাতে এবং পরিস্থিতি সামাল দিতে মূল্য সংক্রান্ত সিদ্ধান্ত আসতে পারে।
তিনি বলেন, জ্বালানি সরবরাহে বিঘ্ন ঘটলে কৃষি ও শিল্প খাত মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হবে। উচ্চমূল্যে জ্বালানি আমদানির ফলে সরকারি তহবিলে চাপ তৈরি হওয়ায় ইতোমধ্যে সাশ্রয়ী নীতি গ্রহণ করা হয়েছে। এর অংশ হিসেবে মন্ত্রী ও সরকারি কর্মকর্তাদের জন্য জ্বালানি ব্যবহারে ৩০ শতাংশ রেশনিং চালু করা হয়েছে।
মন্ত্রী আরও বলেন, মধ্যপ্রাচ্যের চলমান সংঘাতের কারণে বৈশ্বিক জ্বালানি সরবরাহ ব্যবস্থা হুমকির মুখে পড়েছে, যার প্রভাব বাংলাদেশেও পড়ছে। তবুও সরকার বিকল্প উৎস থেকে উচ্চমূল্যে জ্বালানি সংগ্রহ করে সরবরাহ স্বাভাবিক রাখার চেষ্টা করছে।
তিনি উল্লেখ করেন, বৈশ্বিক তেলের সংকট শুধু বাংলাদেশ নয়, যুক্তরাষ্ট্রসহ বিশ্বব্যাপী প্রভাব ফেলছে। এ পরিস্থিতিতে সরকার আন্তর্জাতিক পর্যায়ে যোগাযোগ অব্যাহত রেখেছে এবং যেকোনো মূল্যে জ্বালানি নিরাপত্তা নিশ্চিত করার চেষ্টা করছে।
অর্থমন্ত্রী সবাইকে জ্বালানি ব্যবহারে সাশ্রয়ী হওয়ার আহ্বান জানান এবং বলেন, এই চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় সরকার ও জনগণের সম্মিলিত উদ্যোগ প্রয়োজন।
এর আগে অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য দেন তিনি। অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন ড. এম এম নুরুল আবসার এবং বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন কিহাক সুং।

দেশে তেলের সরবরাহ স্বাভাবিক থাকলেও মূল্য সমন্বয়ের বিষয়ে শিগগিরই নতুন সিদ্ধান্ত আসতে পারে বলে জানিয়েছেন অর্থ ও পরিকল্পনামন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী। তিনি বলেন, জ্বালানি নিরাপত্তা নিশ্চিত করাই এখন সরকারের প্রধান অগ্রাধিকার।
শুক্রবার (৩ এপ্রিল) বিকেলে কোরিয়ান ইপিজেড-এ এক অনুষ্ঠান শেষে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি এসব কথা বলেন।
মন্ত্রী জানান, দেশে বর্তমানে তেলের কোনো ঘাটতি নেই। তবে উচ্চমূল্যে তেল ও গ্যাস আমদানি দীর্ঘদিন চালিয়ে যাওয়া কঠিন হয়ে পড়ছে। এ কারণে সরকারের ওপর আর্থিক চাপ কমাতে এবং পরিস্থিতি সামাল দিতে মূল্য সংক্রান্ত সিদ্ধান্ত আসতে পারে।
তিনি বলেন, জ্বালানি সরবরাহে বিঘ্ন ঘটলে কৃষি ও শিল্প খাত মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হবে। উচ্চমূল্যে জ্বালানি আমদানির ফলে সরকারি তহবিলে চাপ তৈরি হওয়ায় ইতোমধ্যে সাশ্রয়ী নীতি গ্রহণ করা হয়েছে। এর অংশ হিসেবে মন্ত্রী ও সরকারি কর্মকর্তাদের জন্য জ্বালানি ব্যবহারে ৩০ শতাংশ রেশনিং চালু করা হয়েছে।
মন্ত্রী আরও বলেন, মধ্যপ্রাচ্যের চলমান সংঘাতের কারণে বৈশ্বিক জ্বালানি সরবরাহ ব্যবস্থা হুমকির মুখে পড়েছে, যার প্রভাব বাংলাদেশেও পড়ছে। তবুও সরকার বিকল্প উৎস থেকে উচ্চমূল্যে জ্বালানি সংগ্রহ করে সরবরাহ স্বাভাবিক রাখার চেষ্টা করছে।
তিনি উল্লেখ করেন, বৈশ্বিক তেলের সংকট শুধু বাংলাদেশ নয়, যুক্তরাষ্ট্রসহ বিশ্বব্যাপী প্রভাব ফেলছে। এ পরিস্থিতিতে সরকার আন্তর্জাতিক পর্যায়ে যোগাযোগ অব্যাহত রেখেছে এবং যেকোনো মূল্যে জ্বালানি নিরাপত্তা নিশ্চিত করার চেষ্টা করছে।
অর্থমন্ত্রী সবাইকে জ্বালানি ব্যবহারে সাশ্রয়ী হওয়ার আহ্বান জানান এবং বলেন, এই চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় সরকার ও জনগণের সম্মিলিত উদ্যোগ প্রয়োজন।
এর আগে অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য দেন তিনি। অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন ড. এম এম নুরুল আবসার এবং বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন কিহাক সুং।

এর আগে গত শুক্রবার সোনার দাম বাড়ানো হয়েছিল। মাত্র তিন দিনের ব্যবধানে আবারও দাম কমানোর ঘোষণা এলো। বাজুস জানিয়েছে, নতুন দামের সঙ্গে ভ্যাট অন্তর্ভুক্ত থাকায় সোনার গয়না কেনার সময় ক্রেতাদের কাছ থেকে আলাদাভাবে ভ্যাট নেওয়া যাবে না।
৪ দিন আগে
সার্কুলারে বলা হয়, ২০২৬-২০২৭ অর্থবছরের রপ্তানির বিপরীতে নগদ সহায়তা বা রপ্তানি ভর্তুকির আবেদনপত্র বাংলাদেশ ব্যাংকের ফরেন এক্সচেঞ্জ পলিসি ডিপার্টমেন্ট-১-এর অনাপত্তি সাপেক্ষে ব্যাংকের হিসাব নিরীক্ষায় নিয়োজিত সমসংখ্যক অডিট ফার্ম দিয়ে নিরীক্ষা করানো যাবে।
৪ দিন আগে
বাংলা কিউআর-এর ব্যবহার সম্প্রসারণ এবং এ বিষয়ে জনগণের সচেতনতা বৃদ্ধির লক্ষ্যে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের অর্থ ও পরিকল্পনা মন্ত্রণালয় বিষয়ক উপদেষ্টা রাশেদ আল মাহমুদ তিতুমীর বাংলা কিউআর ব্যবহার করে কেনাকাটা করেছেন।
৬ দিন আগে
তিনি বলেন, বিদেশি বিনিয়োগ, সরাসরি বিনিয়োগ, ক্যাপিটাল মার্কেটে বিনিয়োগ এবং ফান্ড ম্যানেজারদের বিনিয়োগ- সবই বাংলাদেশে আসছে। বাজেট প্রথমত বাংলাদেশের জন্য। বাংলাদেশের প্রত্যেকটি অঞ্চলের যে সম্ভাবনা আছে, সেটিকে মাথায় রেখে বাজেট করা হয়েছে এবং সেই সম্ভাবনাগুলো কীভাবে কাজে লাগানো যায়, সেটিকে গুরুত্ব দেওয়া হ
৬ দিন আগে