
প্রতিবেদক, রাজনীতি ডটকম

সাড়ে তিন বছরেরও বেশি সময় পর বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ ফের ৩৬ বিলিয়ন ডলার ছাড়িয়ে গেছে। এর আগে ২০২২ সালের অক্টোবরে রিজার্ভ ৩৬ বিলিয়ন ডলারের নিচে নেমেছিল। তারপর কমতে কমতে ২০২৪ সালের আগস্টে আওয়ামী লীগ পতনের সময় রিজার্ভ ২৫ দশমিক ৯২ বিলিয়নে নেমে যায়।
বাংলাদেশ ব্যাংকের হালনাগাদ তথ্য বলছে, বুধবার (২৪ জুন) দিন শেষে গ্রস রিজার্ভ দাঁড়িয়েছে ৩৬ দশমিক ১০ বিলিয়ন ডলার। তবে আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিলের (আইএমএফ) বিপিএম৬ পদ্ধতি অনুযায়ী এর পরিমাণ ৩১ দশমিক ৫৫ বিলিয়ন ডলার।
দেশের ইতিহাসে সর্বোচ্চ রিজার্ভ ছিল ২০২১ সালের আগস্টে। ওই সময় বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ ছাড়িয়ে যায় ৪৮ বিলিয়ন ডলার। এরপর থেকেই শুরু হয় পতন। অর্থপাচারসহ আর্থিক খাতে অনিয়ম-দুর্নীতির পাশাপাশি মার্কিন ডলারের বিপরীতে টাকার মান দ্রুত কমতে থাকায় কমতে থাকে রিজার্ভ। দুই বছরের ব্যবধানে ডলারের দাম ৮৪ টাকা থেকে বেড়ে ১২০ টাকা পর্যন্ত পৌঁছে যায়।
এসবকিছুর প্রভাবে রিজার্ভও কমতে থাকে, যা ২০২৪ সালের আগস্টে ২৫ দশমিক ৯২ বিলিয়ন ডলারে নেমে আসে। ওই সময় আইএমএফের বিপিএম৬ অনুযায়ী রিজার্ভের পরিমাণ ছিল ২০ দশমিক ৪৮ বিলিয়ন ডলার।
আওয়ামী লীগ সরকারের পতনের পর অন্তর্বর্তী সরকার দায়িত্ব নিলে ধীরে ধীরে রিজার্ভ ঘুরে দাঁড়াতে শুরু করে। এর পেছনে বড় ভূমিকা রাখে প্রবাসীদের পাঠানো রেমিট্যান্স। বৈধ ব্যাংকিং চ্যানেলে রেমিট্যান্স বাড়তে থাকলে রিজার্ভে ইতিবাচক প্রভাব পড়ে। উচ্চ রেমিট্যান্স প্রবাহ তখন থেকে শুরু করে এখন পর্যন্ত অব্যাহত রয়েছে।
বাংলাদেশ ব্যাংকের তথ্য বলছে, চলতি ২০২৫-২৬ অর্থবছরের এক সপ্তাহ বাকি থাকতেই দেশে রেমিট্যান্স এসেছে ৩৪ দশমিক ৯৯ বিলিয়ন ডলার, যা আগের অর্থবছরের একই সময়ের তুলনায় ৫২৮ কোটি ডলার বা ১৮ দশমিক ৩৯ শতাংশ বেশি।

সাড়ে তিন বছরেরও বেশি সময় পর বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ ফের ৩৬ বিলিয়ন ডলার ছাড়িয়ে গেছে। এর আগে ২০২২ সালের অক্টোবরে রিজার্ভ ৩৬ বিলিয়ন ডলারের নিচে নেমেছিল। তারপর কমতে কমতে ২০২৪ সালের আগস্টে আওয়ামী লীগ পতনের সময় রিজার্ভ ২৫ দশমিক ৯২ বিলিয়নে নেমে যায়।
বাংলাদেশ ব্যাংকের হালনাগাদ তথ্য বলছে, বুধবার (২৪ জুন) দিন শেষে গ্রস রিজার্ভ দাঁড়িয়েছে ৩৬ দশমিক ১০ বিলিয়ন ডলার। তবে আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিলের (আইএমএফ) বিপিএম৬ পদ্ধতি অনুযায়ী এর পরিমাণ ৩১ দশমিক ৫৫ বিলিয়ন ডলার।
দেশের ইতিহাসে সর্বোচ্চ রিজার্ভ ছিল ২০২১ সালের আগস্টে। ওই সময় বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ ছাড়িয়ে যায় ৪৮ বিলিয়ন ডলার। এরপর থেকেই শুরু হয় পতন। অর্থপাচারসহ আর্থিক খাতে অনিয়ম-দুর্নীতির পাশাপাশি মার্কিন ডলারের বিপরীতে টাকার মান দ্রুত কমতে থাকায় কমতে থাকে রিজার্ভ। দুই বছরের ব্যবধানে ডলারের দাম ৮৪ টাকা থেকে বেড়ে ১২০ টাকা পর্যন্ত পৌঁছে যায়।
এসবকিছুর প্রভাবে রিজার্ভও কমতে থাকে, যা ২০২৪ সালের আগস্টে ২৫ দশমিক ৯২ বিলিয়ন ডলারে নেমে আসে। ওই সময় আইএমএফের বিপিএম৬ অনুযায়ী রিজার্ভের পরিমাণ ছিল ২০ দশমিক ৪৮ বিলিয়ন ডলার।
আওয়ামী লীগ সরকারের পতনের পর অন্তর্বর্তী সরকার দায়িত্ব নিলে ধীরে ধীরে রিজার্ভ ঘুরে দাঁড়াতে শুরু করে। এর পেছনে বড় ভূমিকা রাখে প্রবাসীদের পাঠানো রেমিট্যান্স। বৈধ ব্যাংকিং চ্যানেলে রেমিট্যান্স বাড়তে থাকলে রিজার্ভে ইতিবাচক প্রভাব পড়ে। উচ্চ রেমিট্যান্স প্রবাহ তখন থেকে শুরু করে এখন পর্যন্ত অব্যাহত রয়েছে।
বাংলাদেশ ব্যাংকের তথ্য বলছে, চলতি ২০২৫-২৬ অর্থবছরের এক সপ্তাহ বাকি থাকতেই দেশে রেমিট্যান্স এসেছে ৩৪ দশমিক ৯৯ বিলিয়ন ডলার, যা আগের অর্থবছরের একই সময়ের তুলনায় ৫২৮ কোটি ডলার বা ১৮ দশমিক ৩৯ শতাংশ বেশি।

আগামী করবর্ষে ব্যক্তিশ্রেণির করমুক্ত আয়সীমা ২৫ হাজার টাকা বাড়িয়ে ৪ লাখ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে। ফলে ২০২৫ সালের জুলাই থেকে ২০২৬ সালের জুন পর্যন্ত সময়ে একজন ব্যক্তি বছরে ৪ লাখ টাকা পর্যন্ত আয় করলে তাকে কোনো আয়কর দিতে হবে না।
৭ ঘণ্টা আগে
পুঁজিবাজারকে আরও টেকসই করার লক্ষ্য তুলে ধরে অর্থমন্ত্রী বলেন, “লিস্টেড বা নন-লিস্টেড যে কোনো কোম্পানি তাদের সকল লেনদেন ব্যাংকিং চ্যানেলে সম্পাদন করলে অতিরিক্ত ২.৫ শতাংশ কর সুবিধা প্রদানের প্রস্তাব করছি।”
৮ ঘণ্টা আগে
পশ্চিম এশিয়ার যুদ্ধ পরিস্থিতি, দেশের অভ্যন্তরীণ উৎপাদন সংকট এবং সরবরাহ ব্যবস্থার বিঘ্নের কারণে মূল্যস্ফীতি দীর্ঘদিন ধরে উচ্চ পর্যায়ে রয়েছে। মে মাসে জ্বালানি তেলের দাম বৃদ্ধির প্রভাবে খাদ্য ও খাদ্যবহির্ভূত উভয় খাতে মূল্যস্ফীতি বেড়ে ১৬ মাসের মধ্যে সর্বোচ্চ অবস্থানে পৌঁছায়।
৯ ঘণ্টা আগে
বাজুস জানায়, সোমবার সকালে বাজুস স্ট্যান্ডিং কমিটি অন প্রাইসিং অ্যান্ড প্রাইস মনিটরিং কমিটি বৈঠকে করে এ দাম নির্ধারণের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।
৩ দিন আগে