
প্রতিবেদক, রাজনীতি ডটকম

আগামী চার-পাঁচ দিনের মধ্যে বাজারে পেঁয়াজের দাম কমে স্বাভাবিক পর্যায়ে নেমে না এলে আমদানির অনুমোদন দেওয়া হবে বলে জানিয়েছেন অন্তর্বর্তী সরকারের বাণিজ্য উপদেষ্টা শেখ বশিরউদ্দীন।
তিনি বলেন, পেঁয়াজ আমদানির অনুমোদন চেয়ে অনেকেই আবেদন দিয়ে রেখেছেন। বর্তমানে বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের কাছে এমন আবেদন রয়েছে দুই হাজার ৮০০টি।
রোববার (৯ নভেম্বর) বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ে এক সংবাদ সম্মেলনে এ কথা জানান তিনি।
উপদেষ্টা বশিরউদ্দীন বলেন, গত সর্বোচ্চ দুই সপ্তাহ ধরে পেঁয়াজের দাম হঠাৎ করে অনেকটা বেড়ে গেছে। আমরা তীক্ষ্ণভাবে পর্যবেক্ষণ করছি। আমরা বাজারের ওপর তীক্ষ্ণ দৃষ্টি রাখছি।
বাণিজ্য উপদেষ্টা আরও বলেন, অনেকেই (পেঁয়াজ) আমদানির জন্য আবেদন করেছে। প্রায় দুই হাজার আট শর মতো আমদানির আবেদন আমাদের কাছে আছে। আমরা বাজারটা দেখছি। যদি দেখি প্রয়োজন অনুযায়ী বাজারে দাম কমছে না, তাহলে আমরা আমদানির অনুমোদন দিয়ে দেবো।
কত দিনের মধ্যে পেঁয়াজ আমদানির অনুমোদন দেওয়া হতে পারে— জানতে চাইলে উপদেষ্টা বলেন, আমরা হয়তো আগামী চার-পাঁচ দিন বাজারটা দেখব। এ সপ্তাহের মধ্যে যদি দেখি যে বাজারের দামে যথেষ্ট উন্নতি ঘটছে না, তাহলে হয়তো আমদানির অনুমোদনের দিকে যেতে হবে আমাদের।
পেঁয়াজের দাম বাড়ার কারণ জানিয়ে বাণিজ্য উপদেষ্টা বলেন, পেঁয়াজের দাম একপর্যায়ে ৩৫ থেকে ৪০ টাকায় নেমে এসেছিল। সেটা আবার কৃষকদের জন্য সুখকর ছিল না। এরপর বহুদিন পেঁয়াজের দাম ৬০ থেকে ৬৫ টাকায় স্থিতিশীল ছিল। মৌসুমের শেষ, হঠাৎ ভারী বৃষ্টি, পেঁয়াজ সংরক্ষণের সময় শুকিয়ে যাওয়ার পরে ওজন কমে যাওয়া ইত্যাদি কারণে দাম বেড়ে গেছে।
পেঁয়াজের সংরক্ষণ সুবিধা নিশ্চিত করতে সরকারের পক্ষ থেকে ১০ হাজার হাইফ্লো মেশিন বিতরণ করা হয়েছে বলেও জানান বশিরউদ্দীন।

আগামী চার-পাঁচ দিনের মধ্যে বাজারে পেঁয়াজের দাম কমে স্বাভাবিক পর্যায়ে নেমে না এলে আমদানির অনুমোদন দেওয়া হবে বলে জানিয়েছেন অন্তর্বর্তী সরকারের বাণিজ্য উপদেষ্টা শেখ বশিরউদ্দীন।
তিনি বলেন, পেঁয়াজ আমদানির অনুমোদন চেয়ে অনেকেই আবেদন দিয়ে রেখেছেন। বর্তমানে বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের কাছে এমন আবেদন রয়েছে দুই হাজার ৮০০টি।
রোববার (৯ নভেম্বর) বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ে এক সংবাদ সম্মেলনে এ কথা জানান তিনি।
উপদেষ্টা বশিরউদ্দীন বলেন, গত সর্বোচ্চ দুই সপ্তাহ ধরে পেঁয়াজের দাম হঠাৎ করে অনেকটা বেড়ে গেছে। আমরা তীক্ষ্ণভাবে পর্যবেক্ষণ করছি। আমরা বাজারের ওপর তীক্ষ্ণ দৃষ্টি রাখছি।
বাণিজ্য উপদেষ্টা আরও বলেন, অনেকেই (পেঁয়াজ) আমদানির জন্য আবেদন করেছে। প্রায় দুই হাজার আট শর মতো আমদানির আবেদন আমাদের কাছে আছে। আমরা বাজারটা দেখছি। যদি দেখি প্রয়োজন অনুযায়ী বাজারে দাম কমছে না, তাহলে আমরা আমদানির অনুমোদন দিয়ে দেবো।
কত দিনের মধ্যে পেঁয়াজ আমদানির অনুমোদন দেওয়া হতে পারে— জানতে চাইলে উপদেষ্টা বলেন, আমরা হয়তো আগামী চার-পাঁচ দিন বাজারটা দেখব। এ সপ্তাহের মধ্যে যদি দেখি যে বাজারের দামে যথেষ্ট উন্নতি ঘটছে না, তাহলে হয়তো আমদানির অনুমোদনের দিকে যেতে হবে আমাদের।
পেঁয়াজের দাম বাড়ার কারণ জানিয়ে বাণিজ্য উপদেষ্টা বলেন, পেঁয়াজের দাম একপর্যায়ে ৩৫ থেকে ৪০ টাকায় নেমে এসেছিল। সেটা আবার কৃষকদের জন্য সুখকর ছিল না। এরপর বহুদিন পেঁয়াজের দাম ৬০ থেকে ৬৫ টাকায় স্থিতিশীল ছিল। মৌসুমের শেষ, হঠাৎ ভারী বৃষ্টি, পেঁয়াজ সংরক্ষণের সময় শুকিয়ে যাওয়ার পরে ওজন কমে যাওয়া ইত্যাদি কারণে দাম বেড়ে গেছে।
পেঁয়াজের সংরক্ষণ সুবিধা নিশ্চিত করতে সরকারের পক্ষ থেকে ১০ হাজার হাইফ্লো মেশিন বিতরণ করা হয়েছে বলেও জানান বশিরউদ্দীন।

সোনার দামের এই ঊর্ধ্বগতির বাজারে স্বস্তির খবর হলো—অপরিবর্তিত রয়েছে রুপার দাম। নতুন ঘোষণা অনুযায়ী, ২২ ক্যারেটের প্রতি ভরি রুপার দাম ৫ হাজার ৩৬৫ টাকাই থাকছে। এছাড়া ২১ ক্যারেট ৫ হাজার ১৩২ টাকা, ১৮ ক্যারেট ৪ <৪৩২ টাকা এবং সনাতন পদ্ধতির প্রতি ভরি রুপার দাম ৩ হাজার ৩২৪ টাকা বজায় রয়েছে।
৩ দিন আগে
ইসলামী ব্যাংক সচেতন গ্রাহক ফোরামের আহ্বায়ক নুর উন নবী দাবি করেছেন, ইসলামী ব্যাংক নিয়ে তাদের সাত দফা দাবির সঙ্গে বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর মোস্তাকুর রহমান একমত পোষণ করেছেন। তবে বাংলাদেশের ব্যাংকের পক্ষ থেকে এ বিষয়ে এখনও কোনো বক্তব্য পাওয়া যায়নি।
৩ দিন আগে
প্রতিবেদন অনুযায়ী, ২০২৫ সাল শেষে দেশের সব তফসিলি ব্যাংকে ঝুঁকিপূর্ণ ঋণের পরিমাণ আগের বছরের চেয়ে প্রায় ৬০ শতাংশ বেড়ে ১০ লাখ ৮৭ হাজার ৫৯০ কোটি টাকায় পৌঁছেছে; যা আগামী অর্থবছরের জন্য প্রস্তাবিত জাতীয় বাজেটের আকারের চেয়েও বেশি। এটি ব্যাংকগুলোর মোট বিতরণ করা ঋণের ৫৯ দশমিক ৭৩ শতাংশ।
৪ দিন আগে
জাতীয় অর্থনৈতিক পরিষদের নির্বাহী কমিটির (একনেক) সভায় মোট ৭ হাজার ৩ কোটি ৩৬ লাখ টাকা ব্যয়ে পাঁচটি প্রকল্পের অনুমোদন দেওয়া হয়েছে। অনুমোদিত প্রকল্পগুলোর মধ্যে তিনটি নতুন এবং দুটি সংশোধিত প্রকল্প।
৫ দিন আগে