
ডেস্ক, রাজনীতি ডটকম

ইরানের সঙ্গে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের চলমান যুদ্ধের মধ্য হরমুজ প্রণালি বন্ধের প্রভাব পড়েছে বৈশ্বিক তেলের বাজারে। বিশ্বের প্রায় এক-পঞ্চমাংশ তেল পরিবহনের জন্য ব্যবহৃত এই রুটটি বন্ধ থাকায় তেলের দাম হু হু করে বাড়ছিল। এবার তা প্রায় ২০ শতাংশ বেড়ে ১০০ ডলার ছাড়িয়ে গেছে।
সোমবার (৯ মার্চ) সকালে আন্তর্জাতিক বেঞ্চমার্ক ব্রেন্ট ক্রুডের ফিউচার প্রাইস প্রতি ব্যারেলের দাম ১৯ দশমিক ৮ শতাংশ বেড়ে যায়। এতে ১৮ দশমিক ৩৫ ডলার বেড়ে দাম দাঁড়ায় ১১১ দশমিক শূন্য চার ডলার।
অন্যদিকে মার্কিন ওয়েস্ট টেক্সাস ইন্টারমিডিয়েট (ডব্লিউটিআই) ক্রুডের দাম একই সময়ে বেড়েছে ১৮ দশমিক ২ শতাংশ। এতে ১৬ দশমিক ৫০ ডলার বেড়ে দাম দাঁড়িয়েছে ১০৭ দশমিক চার শূন্য ডলারে।
বাজারদর বলছে, সোমবার আন্তর্জাতিক বাজারে তেলের দাম বেড়ে যেখানে পৌঁছেছে, তা ২০২২ সালের জুলাই মাসের পর সর্বোচ্চ। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, হরমুজ প্রণালি দীর্ঘ সময়ের জন্য বন্ধ থাকলে তেলের দাম আরও বাড়বে।
যুদ্ধ শুরু পর থেকেই হরমুজ প্রণালি দিয়ে তেলের জাহাহ পরিবহন বন্ধ করে দেয় ইরান। এরপর থেকে ইরাক ও কুয়েত তেল উৎপাদন কমাতে শুরু করেছে। কাতার তাদের তরলীকৃত প্রাকৃতিক গ্যাস (এলএনজি) সরবরাহ কমিয়ে দিয়েছে।
ইরাকের রাষ্ট্রায়ত্ত বসরা অয়েল কোম্পানির এক কর্মকর্তা জানিয়েছেন, হরমুজ প্রণালি দিয়ে রপ্তানি বন্ধ হয়ে যাওয়ায় তাদের তেলের মজুতগার পূর্ণ হয়ে যাওয়ায় উৎপাদন ৭০ শতাংশ কমিয়ে দিতে হয়েছে। মজুতের সুবিধা না থাকায় সংযুক্ত আরব আমিরাত ও সৌদি আরবকেও দ্রুতই উৎপাদন কমানোর দিকে যেতে হতে পারে।
আর্থিক সেবা সংস্থা এএনজের সিনিয়র কমোডিটি স্ট্র্যাটেজিস্ট ড্যানিয়েল হাইনস বার্তা সংস্থা রয়টার্সকে বলেন, উৎপাদন বন্ধ হয়ে যাওয়া মানে কেবল সরবরাহ কমে যাওয়া নয়, যুদ্ধ থামার পরও পুনরায় স্বাভাবিক অবস্থায় ফিরতে দীর্ঘ সময় লাগবে। ফলে তেলের চড়া দাম অনেক দিন স্থায়ী হতে পারে।
এর মধ্যে ইরান তাদের নতুন সর্বোচ্চ নেতা হিসেবে বেছে নিয়েছে আয়াতুল্লাহ আলি খামেনির ছেলে মোজতবা খামেনিকে। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, মোজতবাও তার বাবার মতোই কট্টরপন্থি অবস্থান ধরে রাখবেন। এর ফলে হরমুজ প্রণালি বন্ধ রেখে গত কয়েক দিনের মতো মধ্যপ্রাচ্যের বিভিন্ন দেশে তেল স্থাপনায় হামলা অব্যাহত থাকতে পারে। ফলে ডব্লিউটিআই ক্রুডের দাম ১২০ থেকে ১৩০ ডলারে পৌঁছে যেতে পারে।
এ অবস্থায় মার্কিন সিনেটের ডেমোক্রেটিক লিডার চাক শুমার প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পকে কৌশলগত পেট্রোলিয়াম রিজার্ভ (এসপিআর) থেকে তেল ছাড়ার আহ্বান জানিয়েছেন। এক বিবৃতিতে তিনি বলেন, ‘আমেরিকান পরিবারগুলো যে প্রাইস শক বা মূল্যবৃদ্ধির ধাক্কার মুখে, তা সামাল দিতে প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পের উচিত এখনই এসপিআর থেকে তেল বাজারে ছাড়া।

ইরানের সঙ্গে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের চলমান যুদ্ধের মধ্য হরমুজ প্রণালি বন্ধের প্রভাব পড়েছে বৈশ্বিক তেলের বাজারে। বিশ্বের প্রায় এক-পঞ্চমাংশ তেল পরিবহনের জন্য ব্যবহৃত এই রুটটি বন্ধ থাকায় তেলের দাম হু হু করে বাড়ছিল। এবার তা প্রায় ২০ শতাংশ বেড়ে ১০০ ডলার ছাড়িয়ে গেছে।
সোমবার (৯ মার্চ) সকালে আন্তর্জাতিক বেঞ্চমার্ক ব্রেন্ট ক্রুডের ফিউচার প্রাইস প্রতি ব্যারেলের দাম ১৯ দশমিক ৮ শতাংশ বেড়ে যায়। এতে ১৮ দশমিক ৩৫ ডলার বেড়ে দাম দাঁড়ায় ১১১ দশমিক শূন্য চার ডলার।
অন্যদিকে মার্কিন ওয়েস্ট টেক্সাস ইন্টারমিডিয়েট (ডব্লিউটিআই) ক্রুডের দাম একই সময়ে বেড়েছে ১৮ দশমিক ২ শতাংশ। এতে ১৬ দশমিক ৫০ ডলার বেড়ে দাম দাঁড়িয়েছে ১০৭ দশমিক চার শূন্য ডলারে।
বাজারদর বলছে, সোমবার আন্তর্জাতিক বাজারে তেলের দাম বেড়ে যেখানে পৌঁছেছে, তা ২০২২ সালের জুলাই মাসের পর সর্বোচ্চ। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, হরমুজ প্রণালি দীর্ঘ সময়ের জন্য বন্ধ থাকলে তেলের দাম আরও বাড়বে।
যুদ্ধ শুরু পর থেকেই হরমুজ প্রণালি দিয়ে তেলের জাহাহ পরিবহন বন্ধ করে দেয় ইরান। এরপর থেকে ইরাক ও কুয়েত তেল উৎপাদন কমাতে শুরু করেছে। কাতার তাদের তরলীকৃত প্রাকৃতিক গ্যাস (এলএনজি) সরবরাহ কমিয়ে দিয়েছে।
ইরাকের রাষ্ট্রায়ত্ত বসরা অয়েল কোম্পানির এক কর্মকর্তা জানিয়েছেন, হরমুজ প্রণালি দিয়ে রপ্তানি বন্ধ হয়ে যাওয়ায় তাদের তেলের মজুতগার পূর্ণ হয়ে যাওয়ায় উৎপাদন ৭০ শতাংশ কমিয়ে দিতে হয়েছে। মজুতের সুবিধা না থাকায় সংযুক্ত আরব আমিরাত ও সৌদি আরবকেও দ্রুতই উৎপাদন কমানোর দিকে যেতে হতে পারে।
আর্থিক সেবা সংস্থা এএনজের সিনিয়র কমোডিটি স্ট্র্যাটেজিস্ট ড্যানিয়েল হাইনস বার্তা সংস্থা রয়টার্সকে বলেন, উৎপাদন বন্ধ হয়ে যাওয়া মানে কেবল সরবরাহ কমে যাওয়া নয়, যুদ্ধ থামার পরও পুনরায় স্বাভাবিক অবস্থায় ফিরতে দীর্ঘ সময় লাগবে। ফলে তেলের চড়া দাম অনেক দিন স্থায়ী হতে পারে।
এর মধ্যে ইরান তাদের নতুন সর্বোচ্চ নেতা হিসেবে বেছে নিয়েছে আয়াতুল্লাহ আলি খামেনির ছেলে মোজতবা খামেনিকে। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, মোজতবাও তার বাবার মতোই কট্টরপন্থি অবস্থান ধরে রাখবেন। এর ফলে হরমুজ প্রণালি বন্ধ রেখে গত কয়েক দিনের মতো মধ্যপ্রাচ্যের বিভিন্ন দেশে তেল স্থাপনায় হামলা অব্যাহত থাকতে পারে। ফলে ডব্লিউটিআই ক্রুডের দাম ১২০ থেকে ১৩০ ডলারে পৌঁছে যেতে পারে।
এ অবস্থায় মার্কিন সিনেটের ডেমোক্রেটিক লিডার চাক শুমার প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পকে কৌশলগত পেট্রোলিয়াম রিজার্ভ (এসপিআর) থেকে তেল ছাড়ার আহ্বান জানিয়েছেন। এক বিবৃতিতে তিনি বলেন, ‘আমেরিকান পরিবারগুলো যে প্রাইস শক বা মূল্যবৃদ্ধির ধাক্কার মুখে, তা সামাল দিতে প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পের উচিত এখনই এসপিআর থেকে তেল বাজারে ছাড়া।

নতুন দর অনুযায়ী, ভ্যাটসহ ২১ ক্যারেটের প্রতি ভরি সোনা ২ হাজার ১০০ টাকা বাড়িয়ে ২ লাখ ১৩ হাজার ৪৩ টাকা, ১৮ ক্যারেটের সোনা ১ হাজার ৭৫০ টাকা বাড়িয়ে ১ লাখ ৮২ হাজার ৯৫০ টাকা এবং সনাতন পদ্ধতির প্রতি ভরি সোনা ১ হাজার ৪৫৮ টাকা বাড়িয়ে ১ লাখ ৪৯ হাজার ৪৭৪ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে।
১ দিন আগে
রয়টার্সের প্রতিবেদন অনুযায়ী, বাংলাদেশ সময় সোমবার (২৭ জুলাই) ভোরে আন্তর্জাতিক বাজারে ব্রেন্ট ক্রুড তেলের দাম ব্যারেলপ্রতি ৪ দশমিক ৮৯ ডলার বা ৫ দশমিক ০৫ শতাংশ কমে দাঁড়ায় ৯১ দশমিক ৮৯ ডলারে। লেনদেনের শুরুতে এটি সাময়িকভাবে ৯০ ডলারের নিচেও নেমে গিয়েছিল।
১ দিন আগে
পশ্চিম এশিয়ার যুদ্ধ পরিস্থিতি, যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প প্রশাসনের ধারাবাহিক শুল্ক আরোপ এবং বৈশ্বিক অর্থনৈতিক অনিশ্চয়তার মধ্যে বাংলাদেশের রপ্তানি প্রবৃদ্ধি যখন নেতিবাচক ধারায় রয়েছে, তখনও চলতি ২০২৬-২৭ অর্থবছরের জন্য রপ্তানি আয়ে ১৫ শতাংশ প্রবৃদ্ধির লক্ষ্য নির্ধারণ করেছে সরকার।
২ দিন আগে
গত বৃহস্পতিবার শুরু হওয়া এই মেলায় ৩৫টি দৃষ্টিনন্দন স্টলে ৪৫টিরও বেশি দেশের ২ হাজার ৫০০টির বেশি বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রতিনিধিরা অংশ নিয়েছেন। একই ছাদের নিচে শিক্ষার্থীরা স্কলারশিপ, ভর্তি প্রক্রিয়া, ভাষা পরীক্ষার প্রস্তুতি, ভিসা গাইডলাইন ও ক্যারিয়ার–সংক্রান্ত পরামর্শ পাচ্ছেন।
৩ দিন আগে