
ডেস্ক, রাজনীতি ডটকম

মধ্যপ্রাচ্যের চলমান সংকট ও ভূ-রাজনৈতিক অস্থিরতার প্রভাবে বিশ্ববাজারে আবারও চাঙ্গা হয়ে উঠেছে সোনার দাম।
বুধবার (১ এপ্রিল) মূল্যবান এই ধাতুর দাম বেড়ে গত দুই সপ্তাহের মধ্যে সর্বোচ্চ পর্যায়ে পৌঁছেছে।
মূলত ইরান ইস্যু নিয়ে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের সাম্প্রতিক মন্তব্যের পর ডলারের মান কিছুটা দুর্বল হওয়ায় বিনিয়োগকারীদের নজর এখন নিরাপদ বিনিয়োগ হিসেবে পরিচিত সোনার দিকে।
রয়টার্সের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ইরানের সঙ্গে যুদ্ধ দুই থেকে তিন সপ্তাহের মধ্যে শেষ হতে পারে— মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের এমন মন্তব্যের পর ডলারের দুর্বলতায় স্বর্ণের দাম বেড়েছে। এটি সামনে আরও প্রভাব ফেলতে পারে।
এদিন স্পট গোল্ড ০.৪ শতাংশ বেড়ে প্রতি আউন্স ৪,৬৮৫.৭৯ ডলারে দাঁড়ায়। এর আগে দিনের মধ্যে এটি ৪,৭২৩.২১ ডলারে পৌঁছায়, যা ২০ মার্চের পর সর্বোচ্চ। একই সময়ে এপ্রিল ডেলিভারির জন্য যুক্তরাষ্ট্রের স্বর্ণ ফিউচার ০.৮ শতাংশ বেড়ে ৪,৭১৩.৪০ ডলারে ওঠে। মার্কিন ডলার সূচক ০.২ শতাংশ কমে যাওয়ায় অন্যান্য মুদ্রা ব্যবহারকারীদের জন্য ডলারে মূল্য নির্ধারিত পণ্য (যেমন স্বর্ণ) আরও সাশ্রয়ী হয়ে ওঠে।
মারেক্স-এর বিশ্লেষক অ্যাডওয়ার্ড মেয়ার বলেন, যুক্তরাষ্ট্র হরমুজ প্রণালি পুনরায় চালু না করেও দুই-তিন সপ্তাহের মধ্যে যুদ্ধ শেষ করতে পারে—এমন আলোচনা শেয়ারবাজারকে চাঙ্গা করেছে এবং স্বর্ণের দামও বাড়িয়েছে।
প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প বলেন, সংঘাত শেষ করতে তেহরানের সঙ্গে কোনো চুক্তি বাধ্যতামূলক নয়। তিনি আজ জাতির উদ্দেশে ভাষণে ইরান পরিস্থিতি নিয়ে আপডেট দেবেন।
মধ্যপ্রাচ্যে উত্তেজনা কমতে পারে—এমন আশায় বৈশ্বিক শেয়ার ও বন্ড বাজারে ইতিবাচক প্রভাব পড়েছে। তবে সুদের হার বাড়ার সম্ভাবনা থাকায় স্বর্ণের দাম বৃদ্ধির গতি কিছুটা সীমিত থাকতে পারে বলে বিশ্লেষকদের মত।
গত মার্চে স্বর্ণের দাম ১১ শতাংশের বেশি কমেছে, যা অক্টোবর ২০০৮-এর পর সবচেয়ে বড় মাসিক পতন। ইরান যুদ্ধ শুরুর (২৮ ফেব্রুয়ারি) পর ডলার নিরাপদ বিনিয়োগ হিসেবে শক্তিশালী হয়ে ওঠা এবং কঠোর মুদ্রানীতির প্রত্যাশা বৃদ্ধিই এর কারণ।
স্বর্ণ সাধারণত কম সুদের হারের পরিবেশে ভালো করে, কারণ এটি কোনো সুদ দেয় না। বিশ্লেষকদের মতে, যদি ভূরাজনৈতিক উত্তেজনা আরও কমে, তাহলে আবার সুদ কমানোর প্রত্যাশা বাড়তে পারে, যা স্বর্ণের জন্য সহায়ক হবে।
অন্যদিকে স্বর্ণের দাম বাড়ার দিনে স্পট সিলভার ০.৮ শতাংশ কমে ৭৪.৫৩ ডলারে নেমেছে, প্লাটিনাম অবশ্য ০.৭ শতাংশ বেড়ে ১,৯৬৩.২২ ডলারে এবং প্যালাডিয়াম ০.৬ শতাংশ বেড়ে ১,৪৮৪.৮৪ ডলারে পৌঁছেছে।

মধ্যপ্রাচ্যের চলমান সংকট ও ভূ-রাজনৈতিক অস্থিরতার প্রভাবে বিশ্ববাজারে আবারও চাঙ্গা হয়ে উঠেছে সোনার দাম।
বুধবার (১ এপ্রিল) মূল্যবান এই ধাতুর দাম বেড়ে গত দুই সপ্তাহের মধ্যে সর্বোচ্চ পর্যায়ে পৌঁছেছে।
মূলত ইরান ইস্যু নিয়ে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের সাম্প্রতিক মন্তব্যের পর ডলারের মান কিছুটা দুর্বল হওয়ায় বিনিয়োগকারীদের নজর এখন নিরাপদ বিনিয়োগ হিসেবে পরিচিত সোনার দিকে।
রয়টার্সের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ইরানের সঙ্গে যুদ্ধ দুই থেকে তিন সপ্তাহের মধ্যে শেষ হতে পারে— মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের এমন মন্তব্যের পর ডলারের দুর্বলতায় স্বর্ণের দাম বেড়েছে। এটি সামনে আরও প্রভাব ফেলতে পারে।
এদিন স্পট গোল্ড ০.৪ শতাংশ বেড়ে প্রতি আউন্স ৪,৬৮৫.৭৯ ডলারে দাঁড়ায়। এর আগে দিনের মধ্যে এটি ৪,৭২৩.২১ ডলারে পৌঁছায়, যা ২০ মার্চের পর সর্বোচ্চ। একই সময়ে এপ্রিল ডেলিভারির জন্য যুক্তরাষ্ট্রের স্বর্ণ ফিউচার ০.৮ শতাংশ বেড়ে ৪,৭১৩.৪০ ডলারে ওঠে। মার্কিন ডলার সূচক ০.২ শতাংশ কমে যাওয়ায় অন্যান্য মুদ্রা ব্যবহারকারীদের জন্য ডলারে মূল্য নির্ধারিত পণ্য (যেমন স্বর্ণ) আরও সাশ্রয়ী হয়ে ওঠে।
মারেক্স-এর বিশ্লেষক অ্যাডওয়ার্ড মেয়ার বলেন, যুক্তরাষ্ট্র হরমুজ প্রণালি পুনরায় চালু না করেও দুই-তিন সপ্তাহের মধ্যে যুদ্ধ শেষ করতে পারে—এমন আলোচনা শেয়ারবাজারকে চাঙ্গা করেছে এবং স্বর্ণের দামও বাড়িয়েছে।
প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প বলেন, সংঘাত শেষ করতে তেহরানের সঙ্গে কোনো চুক্তি বাধ্যতামূলক নয়। তিনি আজ জাতির উদ্দেশে ভাষণে ইরান পরিস্থিতি নিয়ে আপডেট দেবেন।
মধ্যপ্রাচ্যে উত্তেজনা কমতে পারে—এমন আশায় বৈশ্বিক শেয়ার ও বন্ড বাজারে ইতিবাচক প্রভাব পড়েছে। তবে সুদের হার বাড়ার সম্ভাবনা থাকায় স্বর্ণের দাম বৃদ্ধির গতি কিছুটা সীমিত থাকতে পারে বলে বিশ্লেষকদের মত।
গত মার্চে স্বর্ণের দাম ১১ শতাংশের বেশি কমেছে, যা অক্টোবর ২০০৮-এর পর সবচেয়ে বড় মাসিক পতন। ইরান যুদ্ধ শুরুর (২৮ ফেব্রুয়ারি) পর ডলার নিরাপদ বিনিয়োগ হিসেবে শক্তিশালী হয়ে ওঠা এবং কঠোর মুদ্রানীতির প্রত্যাশা বৃদ্ধিই এর কারণ।
স্বর্ণ সাধারণত কম সুদের হারের পরিবেশে ভালো করে, কারণ এটি কোনো সুদ দেয় না। বিশ্লেষকদের মতে, যদি ভূরাজনৈতিক উত্তেজনা আরও কমে, তাহলে আবার সুদ কমানোর প্রত্যাশা বাড়তে পারে, যা স্বর্ণের জন্য সহায়ক হবে।
অন্যদিকে স্বর্ণের দাম বাড়ার দিনে স্পট সিলভার ০.৮ শতাংশ কমে ৭৪.৫৩ ডলারে নেমেছে, প্লাটিনাম অবশ্য ০.৭ শতাংশ বেড়ে ১,৯৬৩.২২ ডলারে এবং প্যালাডিয়াম ০.৬ শতাংশ বেড়ে ১,৪৮৪.৮৪ ডলারে পৌঁছেছে।

সাম্প্রতিক আর্থিক পারফরম্যান্সের তুলনায় এই লোকসান এখন ব্যাংকের অবস্থায় বড় ধরনের অবনতির ইঙ্গিত দিচ্ছে। বার্ষিক প্রতিবেদন অনুযায়ী, গত পাঁচ বছর ইসলামী ব্যাংক মুনাফায় ছিল। এর মধ্যে ২০২৫ সালে ১৩৬ কোটি ৩৪ লাখ টাকা, ২০২৪ সালে ১০৮ কোটি ৭৮ লাখ টাকা এবং ২০২৩ সালে ৬৩৫ কোটি ৩৩ লাখ টাকা মুনাফা করে ব্যাংকটি। এই
১৫ ঘণ্টা আগে
বিশ্বব্যাংকের আন্তর্জাতিক উন্নয়ন সংস্থার (আইডিএ) অর্থায়নে বাণিজ্য মন্ত্রণালয় ২০১৭ সালের জুলাইয়ে প্রকল্পটি চালু করে। স্বল্পোন্নত দেশ (এলডিসি) থেকে উত্তরণের প্রস্তুতি এবং আন্তর্জাতিক বাজারে প্রতিযোগিতা বাড়ার প্রেক্ষাপটে রপ্তানি বহুমুখীকরণকে জাতীয় অগ্রাধিকার হিসেবে বিবেচনা করে এ উদ্যোগ নেওয়া হয়। প্রকল্
১৬ ঘণ্টা আগে
যুক্তরাষ্ট্রভিত্তিক বেসরকারি প্রতিষ্ঠান গানভর ইউএসএ এলএলসি থেকে আগামী ১৩ বছর তরলীকৃত প্রাকৃতিক গ্যাস (এলএনজি) আমদানি করবে সরকার। আজ মঙ্গলবার সচিবালয়ে সরকার থেকে সরকার (জিটুজি) পর্যায়ে মোট ৭৮ কার্গো এলএনজি আমদানির নীতিগত অনুমোদন দেওয়া হয়েছে। পরিকল্পনা অনুযায়ী, ২০২৬ সাল থেকে ২০৩৯ সাল পর্যন্ত প্রতি
২ দিন আগে
উপদেষ্টা ডা. জাহেদ উর রহমান বলেন, যুক্তরাষ্ট্র নতুন করে ১০ শতাংশ শুল্ক আরোপ করেছে। তবে বাংলাদেশের ওপর নতুন শুল্ক যুক্ত হচ্ছে না।
৩ দিন আগে