
ডেস্ক, রাজনীতি ডটকম

ইরানে নতুন হামলা থেকে আপাতত বিরত থাকতে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের ঘোষণার পর আন্তর্জাতিক বাজারে বেড়ে গেছে সোনার দাম। বিশ্লেষকরা বলছেন, ট্রাম্পের ওই ঘোষণার পর মধ্যপ্রাচ্য নিয়ে উত্তেজনা সাময়িক সময়ের জন্য কিছুটা হলেও প্রশমিত হয়েছে। সে কারণেই অস্থির হয়ে ওঠা তেলের বাজারও কিছুটা শান্ত হয়েছে। স্বাভাবিকভাবেই এর প্রভাব পড়েছে সোনার বাজারে।
বার্তা সংস্থা রয়টার্সের খবরে বলা হয়েছে, সোমবার (৩ আগস্ট) স্পট মার্কেটে প্রতি আউন্স সোনার দাম ০ দশমিক ৭ শতাংশ বেড়ে ৪ হাজার ৬৮ দশমিক ৫৪ ডলারে উঠেছে। একই সময়ে যুক্তরাষ্ট্রের গোল্ড ফিউচার্সের দাম বেড়েছে ০ দশমিক ৯ শতাংশ, যা বিক্রি হয়েছে প্রতি আউন্স ৪ হাজার ৬৬ দশমিক ৬০ ডলারে।
এ দিন অন্যান্য মূল্যবান ধাতুর মধ্যে স্পট রুপার দাম ১ দশমিক ৪ শতাংশ, প্লাটিনামের দাম ০ দশমিক ৫ শতাংশ ও প্যালাডিয়ামের দাম ১ দশমিক ৬ শতাংশ বেড়েছে।
এর আগে ট্রাম্প রোববার ঘোষণা দেন, সোমবার ইরানের সঙ্গে আলোচনা হবে। সম্ভাব্য কোনো সমঝোতার জন্য নির্দিষ্ট সময়সীমা বেঁধে না দিলেও তার এ ঘোষণার পর আন্তর্জাতিক বাজারে অপরিশোধিত তেলের দাম ৫ শতাংশের বেশি কমে যায়।
এদিকে জাপানের মুদ্রা ইয়েনকে শক্তিশালী করতে কর্তৃপক্ষের হস্তক্ষেপের কারণে মার্কিন ডলার দুর্বল হয়েছে। ফলে ডলারে মূল্য নির্ধারিত সোনা বিদেশি ক্রেতাদের জন্য তুলনামূলক সস্তা হয়ে পড়েছে, যা চাহিদা বাড়াতে সহায়তা করেছে।
কেসিএম ট্রেডের প্রধান বাজার বিশ্লেষক টিম ওয়াটারার বলেন, সপ্তাহের শুরুতে সোনার বাজার ইতিবাচক অবস্থানে থাকলেও তেলের বাজার ও মধ্যপ্রাচ্যের পরিস্থিতি নিয়ে অনিশ্চয়তা এখনো রয়েছে। তাই ঊর্ধ্বমুখী প্রবণতা থাকলেও বিনিয়োগকারীরা সতর্ক অবস্থান বজায় রেখেছেন।
যুক্তরাষ্ট্র-ইরান উত্তেজনা শুরু হওয়ার পর থেকে সোনার বাজার চাপের মধ্যে ছিল। কারণ যুদ্ধের কারণে মূল্যস্ফীতি বাড়লে কেন্দ্রীয় ব্যাংকগুলো সুদের হার বাড়াতে পারে। যদিও সোনা সাধারণত মূল্যস্ফীতির বিরুদ্ধে নিরাপদ বিনিয়োগ হিসেবে বিবেচিত হয়, উচ্চ সুদের পরিবেশে সুদ না দেওয়া এই সম্পদের আকর্ষণ তুলনামূলক কমে যায়।
এ সপ্তাহে যুক্তরাষ্ট্রের একাধিক গুরুত্বপূর্ণ শ্রমবাজার-সংক্রান্ত তথ্য প্রকাশ হবে। এর মধ্যে রয়েছে চাকরির শূন্যপদের তথ্য, এডিপি কর্মসংস্থান প্রতিবেদন, সাপ্তাহিক বেকার ভাতার আবেদন ও বহুল প্রত্যাশিত নন-ফার্ম পে-রোলস (এনএফপি) প্রতিবেদন। এসব তথ্যের ওপর বাজারের পরবর্তী দিকনির্দেশনা অনেকটাই নির্ভর করবে।
ওয়াটারারের মতে, মধ্যপ্রাচ্যে নতুন করে উত্তেজনা তৈরি হয়ে তেলের দাম আবার বেড়ে গেলে, অথবা প্রত্যাশার চেয়ে শক্তিশালী এনএফপি প্রতিবেদন প্রকাশিত হলে সেপ্টেম্বরে যুক্তরাষ্ট্রের কেন্দ্রীয় ব্যাংক ফেডের সুদের হার বাড়ানোর সম্ভাবনা জোরালো হতে পারে। সেক্ষেত্রে সোনার দামের ঊর্ধ্বগতি সীমিত হতে পারে।
অন্যদিকে, স্ট্যান্ডার্ড চার্টার্ডের বিশ্লেষকদের ধারণা, মৌসুমি চাহিদার কারণে স্বল্পমেয়াদে সোনা শক্তিশালী সমর্থন পাবে এবং পরে পুনরুদ্ধারের ধারা আরও স্পষ্ট হতে পারে।

ইরানে নতুন হামলা থেকে আপাতত বিরত থাকতে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের ঘোষণার পর আন্তর্জাতিক বাজারে বেড়ে গেছে সোনার দাম। বিশ্লেষকরা বলছেন, ট্রাম্পের ওই ঘোষণার পর মধ্যপ্রাচ্য নিয়ে উত্তেজনা সাময়িক সময়ের জন্য কিছুটা হলেও প্রশমিত হয়েছে। সে কারণেই অস্থির হয়ে ওঠা তেলের বাজারও কিছুটা শান্ত হয়েছে। স্বাভাবিকভাবেই এর প্রভাব পড়েছে সোনার বাজারে।
বার্তা সংস্থা রয়টার্সের খবরে বলা হয়েছে, সোমবার (৩ আগস্ট) স্পট মার্কেটে প্রতি আউন্স সোনার দাম ০ দশমিক ৭ শতাংশ বেড়ে ৪ হাজার ৬৮ দশমিক ৫৪ ডলারে উঠেছে। একই সময়ে যুক্তরাষ্ট্রের গোল্ড ফিউচার্সের দাম বেড়েছে ০ দশমিক ৯ শতাংশ, যা বিক্রি হয়েছে প্রতি আউন্স ৪ হাজার ৬৬ দশমিক ৬০ ডলারে।
এ দিন অন্যান্য মূল্যবান ধাতুর মধ্যে স্পট রুপার দাম ১ দশমিক ৪ শতাংশ, প্লাটিনামের দাম ০ দশমিক ৫ শতাংশ ও প্যালাডিয়ামের দাম ১ দশমিক ৬ শতাংশ বেড়েছে।
এর আগে ট্রাম্প রোববার ঘোষণা দেন, সোমবার ইরানের সঙ্গে আলোচনা হবে। সম্ভাব্য কোনো সমঝোতার জন্য নির্দিষ্ট সময়সীমা বেঁধে না দিলেও তার এ ঘোষণার পর আন্তর্জাতিক বাজারে অপরিশোধিত তেলের দাম ৫ শতাংশের বেশি কমে যায়।
এদিকে জাপানের মুদ্রা ইয়েনকে শক্তিশালী করতে কর্তৃপক্ষের হস্তক্ষেপের কারণে মার্কিন ডলার দুর্বল হয়েছে। ফলে ডলারে মূল্য নির্ধারিত সোনা বিদেশি ক্রেতাদের জন্য তুলনামূলক সস্তা হয়ে পড়েছে, যা চাহিদা বাড়াতে সহায়তা করেছে।
কেসিএম ট্রেডের প্রধান বাজার বিশ্লেষক টিম ওয়াটারার বলেন, সপ্তাহের শুরুতে সোনার বাজার ইতিবাচক অবস্থানে থাকলেও তেলের বাজার ও মধ্যপ্রাচ্যের পরিস্থিতি নিয়ে অনিশ্চয়তা এখনো রয়েছে। তাই ঊর্ধ্বমুখী প্রবণতা থাকলেও বিনিয়োগকারীরা সতর্ক অবস্থান বজায় রেখেছেন।
যুক্তরাষ্ট্র-ইরান উত্তেজনা শুরু হওয়ার পর থেকে সোনার বাজার চাপের মধ্যে ছিল। কারণ যুদ্ধের কারণে মূল্যস্ফীতি বাড়লে কেন্দ্রীয় ব্যাংকগুলো সুদের হার বাড়াতে পারে। যদিও সোনা সাধারণত মূল্যস্ফীতির বিরুদ্ধে নিরাপদ বিনিয়োগ হিসেবে বিবেচিত হয়, উচ্চ সুদের পরিবেশে সুদ না দেওয়া এই সম্পদের আকর্ষণ তুলনামূলক কমে যায়।
এ সপ্তাহে যুক্তরাষ্ট্রের একাধিক গুরুত্বপূর্ণ শ্রমবাজার-সংক্রান্ত তথ্য প্রকাশ হবে। এর মধ্যে রয়েছে চাকরির শূন্যপদের তথ্য, এডিপি কর্মসংস্থান প্রতিবেদন, সাপ্তাহিক বেকার ভাতার আবেদন ও বহুল প্রত্যাশিত নন-ফার্ম পে-রোলস (এনএফপি) প্রতিবেদন। এসব তথ্যের ওপর বাজারের পরবর্তী দিকনির্দেশনা অনেকটাই নির্ভর করবে।
ওয়াটারারের মতে, মধ্যপ্রাচ্যে নতুন করে উত্তেজনা তৈরি হয়ে তেলের দাম আবার বেড়ে গেলে, অথবা প্রত্যাশার চেয়ে শক্তিশালী এনএফপি প্রতিবেদন প্রকাশিত হলে সেপ্টেম্বরে যুক্তরাষ্ট্রের কেন্দ্রীয় ব্যাংক ফেডের সুদের হার বাড়ানোর সম্ভাবনা জোরালো হতে পারে। সেক্ষেত্রে সোনার দামের ঊর্ধ্বগতি সীমিত হতে পারে।
অন্যদিকে, স্ট্যান্ডার্ড চার্টার্ডের বিশ্লেষকদের ধারণা, মৌসুমি চাহিদার কারণে স্বল্পমেয়াদে সোনা শক্তিশালী সমর্থন পাবে এবং পরে পুনরুদ্ধারের ধারা আরও স্পষ্ট হতে পারে।

বাজার বিশেষজ্ঞদের মতে, মধ্যপ্রাচ্যের সংঘাতময় পরিস্থিতি যেকোনো সময় জ্বালানি সরবরাহ ব্যাহত করতে পারে—এমন আশঙ্কা এখনও অমূলক নয়। ফলে বিনিয়োগকারীরা অত্যন্ত সতর্কতার সঙ্গে বাজার পর্যবেক্ষণ করছেন।
১ দিন আগে
দেশের ব্যাংক খাতে খেলাপি ঋণের পরিমাণ ৬ লাখ কোটি টাকা ছাড়িয়েছে। চলতি বছরের জুন শেষে খেলাপি ঋণ দাঁড়িয়েছে ৬ লাখ ৬ হাজার ২৮৪ কোটি টাকায়, যা ব্যাংকগুলোর মোট বিতরণ করা ঋণের ৩২ দশমিক ৭৮ শতাংশ। মাত্র তিন মাসের ব্যবধানে খেলাপি ঋণ বেড়েছে ১৭ হাজার ৮৫১ কোটি টাকা।
২ দিন আগে
বিজ্ঞপ্তিতে বাজুস আরও জানিয়েছে, নির্ধারিত বিক্রয়মূল্যের মধ্যেই ভ্যাট অন্তর্ভুক্ত রয়েছে। তাই গ্রাহকের কাছ থেকে আলাদাভাবে ভ্যাট নেওয়া যাবে না। তবে গহনার নকশা ও ডিজাইন অনুযায়ী মজুরি যুক্ত হবে।
২ দিন আগে
আগস্টে রপ্তানির এই প্রবৃদ্ধির পর চলতি ২০২৬-২৭ অর্থবছরের প্রথম তিন মাস তথা জুলাই থেকে আগস্টে দেশ থেকে মোট ৯ দশমিক ১৬ বিলিয়ন ডলারের পণ্য রপ্তানি হয়েছে। আগের অর্থবছরের একই সময়ে রপ্তানি আয় ছিল ৮ দশমিক ৬৯ বিলিয়ন ডলার। সে হিসাবে বছরের ব্যবধানে তিন মাসে রপ্তানি আয় বেড়েছে ৫ দশমিক ৪৩ শতাংশ।
৩ দিন আগে