
ডেস্ক, রাজনীতি ডটকম

মধ্যপ্রাচ্যে যুদ্ধ ও সামরিক সংঘাত নতুন করে তীব্র রূপ নেওয়ায় বৈশ্বিক জ্বালানি সরবরাহ নিয়ে চরম আতঙ্ক তৈরি হয়েছে। এর সরাসরি প্রভাবে আন্তর্জাতিক বাজারে ব্রেন্ট অপরিশোধিত তেলের দাম একদিনেই ৬ শতাংশের বেশি বেড়ে ব্যারেলপ্রতি ১০০ ডলার ছাড়িয়েছে, যা গত মে মাসের পর সর্বোচ্চ।
লোহিত সাগরে ইয়েমেনের হুতি বিদ্রোহীদের তেলবাহী ট্যাংকারে হামলা এবং মার্কিন-ইরান যুদ্ধবিরতি ভেঙে যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক অভিযান জোরদার হওয়ার পর হরমুজ প্রণালির মতো গুরুত্বপূর্ণ জলপথ অবরুদ্ধ হওয়ার ঝুঁকিতে পড়েছে। পেট্রোল-ডিজেলের পাশাপাশি প্রাকৃতিক গ্যাসের দামও আকাশচুম্বী হওয়ায় বিশ্বজুড়ে নতুন করে তীব্র মূল্যস্ফীতির আশঙ্কা করছেন অর্থনীতিবিদরা, যার নেতিবাচক প্রভাব পড়তে শুরু করেছে যুক্তরাষ্ট্র ও যুক্তরাজ্যের বাজারেও।
বৃহস্পতিবার (২৩ জুলাই) যুক্তরাষ্ট্র ইরানের বিরুদ্ধে সামরিক অভিযান জোরদার করার পর কয়েক দিনের ঊর্ধ্বগতির ধারাবাহিকতায় ব্রেন্ট ক্রুডের দাম একদিনেই ৬ শতাংশের বেশি বেড়ে যায়।
বিশ্লেষকদের মতে, ইয়েমেনের ইরান-সমর্থিত হুথি বিদ্রোহীদের লোহিত সাগরে তেলবাহী ট্যাংকারে হামলার পর পরিস্থিতি আরও উত্তপ্ত হয়ে ওঠে। এতে সৌদি আরবের জন্য হরমুজ প্রণালি এড়িয়ে ব্যবহৃত গুরুত্বপূর্ণ রপ্তানি পথও ঝুঁকির মুখে পড়েছে।
একই সঙ্গে প্রাকৃতিক গ্যাসের দামও বাড়ছে। যুক্তরাজ্যে গ্যাসের বেঞ্চমার্ক মূল্য বর্তমানে প্রতি থার্মে প্রায় ১৫০ পেন্স, যা জুনের শেষ দিকে ছিল প্রায় ৯৮ পেন্স।
যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে সাময়িক যুদ্ধবিরতির পর তেলের দাম কিছুটা কমে এসেছিল এবং ২৮ ফেব্রুয়ারি ইরানে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের সামরিক অভিযান শুরুর আগের পর্যায়ে নেমে গিয়েছিল। তবে যুদ্ধবিরতি ভেঙে যাওয়ার পর পরিস্থিতি আবারও বদলে যায়। এ সপ্তাহে মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী মার্কো রুবিও বলেন, ইরানের নেতৃত্ব এখনো কোনো সমঝোতায় পৌঁছাতে প্রস্তুত নয়।
অর্থনীতিবিদদের আশঙ্কা, চলমান সংঘাতের কারণে বিশ্বজুড়ে মূল্যস্ফীতির চাপ আবারও বাড়তে পারে। তেলের দাম বাড়লে সাধারণত পেট্রোল ও ডিজেলের দামও বৃদ্ধি পায়। এর ফলে পরিবহণ ব্যয় বেড়ে খাদ্যসহ নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের দামও বাড়তে পারে।
যুক্তরাজ্যে গত আড়াই সপ্তাহে প্রতি লিটার পেট্রোলের দাম প্রায় ৫ পেন্স বেড়ে গড়ে ১ দশমিক ৫৬ পাউন্ডে পৌঁছেছে। একই সময়ে ডিজেলের গড় দাম বেড়ে হয়েছে ১ দশমিক ৭২ পাউন্ড প্রতি লিটার।
অন্যদিকে যুক্তরাষ্ট্রে এক গ্যালন গ্যাসোলিনের গড় দাম আবার ৪ ডলার ছাড়িয়েছে, যা এক মাস আগে ছিল ৩ দশমিক ৯২ ডলার।
এদিকে যুক্তরাষ্ট্রের কেন্দ্রীয় ব্যাংক ফেডারেল রিজার্ভের চেয়ারম্যান কেভিন ওয়ার্শ কংগ্রেসে বলেছেন, মূল্যস্ফীতি দীর্ঘ সময় উচ্চ পর্যায়ে থাকাকে কোনোভাবেই মেনে নেওয়া হবে না। মধ্যপ্রাচ্যের সংঘাতের কারণে মূল্যস্ফীতির ঝুঁকি বাড়লেও মূল্যস্থিতি ফিরিয়ে আনতে ফেড প্রতিশ্রুতিবদ্ধ বলে তিনি জানান।
যদিও প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ঋণের সুদহার কমানোর পক্ষে অবস্থান নিয়েছেন, তবুও গত মাসে কেভিন ওয়ার্শের নেতৃত্বে অনুষ্ঠিত প্রথম বৈঠকে ফেড সুদের হার ৩ দশমিক ৫ থেকে ৩ দশমিক ৭৫ শতাংশের মধ্যে অপরিবর্তিত রাখে।

মধ্যপ্রাচ্যে যুদ্ধ ও সামরিক সংঘাত নতুন করে তীব্র রূপ নেওয়ায় বৈশ্বিক জ্বালানি সরবরাহ নিয়ে চরম আতঙ্ক তৈরি হয়েছে। এর সরাসরি প্রভাবে আন্তর্জাতিক বাজারে ব্রেন্ট অপরিশোধিত তেলের দাম একদিনেই ৬ শতাংশের বেশি বেড়ে ব্যারেলপ্রতি ১০০ ডলার ছাড়িয়েছে, যা গত মে মাসের পর সর্বোচ্চ।
লোহিত সাগরে ইয়েমেনের হুতি বিদ্রোহীদের তেলবাহী ট্যাংকারে হামলা এবং মার্কিন-ইরান যুদ্ধবিরতি ভেঙে যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক অভিযান জোরদার হওয়ার পর হরমুজ প্রণালির মতো গুরুত্বপূর্ণ জলপথ অবরুদ্ধ হওয়ার ঝুঁকিতে পড়েছে। পেট্রোল-ডিজেলের পাশাপাশি প্রাকৃতিক গ্যাসের দামও আকাশচুম্বী হওয়ায় বিশ্বজুড়ে নতুন করে তীব্র মূল্যস্ফীতির আশঙ্কা করছেন অর্থনীতিবিদরা, যার নেতিবাচক প্রভাব পড়তে শুরু করেছে যুক্তরাষ্ট্র ও যুক্তরাজ্যের বাজারেও।
বৃহস্পতিবার (২৩ জুলাই) যুক্তরাষ্ট্র ইরানের বিরুদ্ধে সামরিক অভিযান জোরদার করার পর কয়েক দিনের ঊর্ধ্বগতির ধারাবাহিকতায় ব্রেন্ট ক্রুডের দাম একদিনেই ৬ শতাংশের বেশি বেড়ে যায়।
বিশ্লেষকদের মতে, ইয়েমেনের ইরান-সমর্থিত হুথি বিদ্রোহীদের লোহিত সাগরে তেলবাহী ট্যাংকারে হামলার পর পরিস্থিতি আরও উত্তপ্ত হয়ে ওঠে। এতে সৌদি আরবের জন্য হরমুজ প্রণালি এড়িয়ে ব্যবহৃত গুরুত্বপূর্ণ রপ্তানি পথও ঝুঁকির মুখে পড়েছে।
একই সঙ্গে প্রাকৃতিক গ্যাসের দামও বাড়ছে। যুক্তরাজ্যে গ্যাসের বেঞ্চমার্ক মূল্য বর্তমানে প্রতি থার্মে প্রায় ১৫০ পেন্স, যা জুনের শেষ দিকে ছিল প্রায় ৯৮ পেন্স।
যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে সাময়িক যুদ্ধবিরতির পর তেলের দাম কিছুটা কমে এসেছিল এবং ২৮ ফেব্রুয়ারি ইরানে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের সামরিক অভিযান শুরুর আগের পর্যায়ে নেমে গিয়েছিল। তবে যুদ্ধবিরতি ভেঙে যাওয়ার পর পরিস্থিতি আবারও বদলে যায়। এ সপ্তাহে মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী মার্কো রুবিও বলেন, ইরানের নেতৃত্ব এখনো কোনো সমঝোতায় পৌঁছাতে প্রস্তুত নয়।
অর্থনীতিবিদদের আশঙ্কা, চলমান সংঘাতের কারণে বিশ্বজুড়ে মূল্যস্ফীতির চাপ আবারও বাড়তে পারে। তেলের দাম বাড়লে সাধারণত পেট্রোল ও ডিজেলের দামও বৃদ্ধি পায়। এর ফলে পরিবহণ ব্যয় বেড়ে খাদ্যসহ নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের দামও বাড়তে পারে।
যুক্তরাজ্যে গত আড়াই সপ্তাহে প্রতি লিটার পেট্রোলের দাম প্রায় ৫ পেন্স বেড়ে গড়ে ১ দশমিক ৫৬ পাউন্ডে পৌঁছেছে। একই সময়ে ডিজেলের গড় দাম বেড়ে হয়েছে ১ দশমিক ৭২ পাউন্ড প্রতি লিটার।
অন্যদিকে যুক্তরাষ্ট্রে এক গ্যালন গ্যাসোলিনের গড় দাম আবার ৪ ডলার ছাড়িয়েছে, যা এক মাস আগে ছিল ৩ দশমিক ৯২ ডলার।
এদিকে যুক্তরাষ্ট্রের কেন্দ্রীয় ব্যাংক ফেডারেল রিজার্ভের চেয়ারম্যান কেভিন ওয়ার্শ কংগ্রেসে বলেছেন, মূল্যস্ফীতি দীর্ঘ সময় উচ্চ পর্যায়ে থাকাকে কোনোভাবেই মেনে নেওয়া হবে না। মধ্যপ্রাচ্যের সংঘাতের কারণে মূল্যস্ফীতির ঝুঁকি বাড়লেও মূল্যস্থিতি ফিরিয়ে আনতে ফেড প্রতিশ্রুতিবদ্ধ বলে তিনি জানান।
যদিও প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ঋণের সুদহার কমানোর পক্ষে অবস্থান নিয়েছেন, তবুও গত মাসে কেভিন ওয়ার্শের নেতৃত্বে অনুষ্ঠিত প্রথম বৈঠকে ফেড সুদের হার ৩ দশমিক ৫ থেকে ৩ দশমিক ৭৫ শতাংশের মধ্যে অপরিবর্তিত রাখে।

হিসাব বলছে, পাস হওয়া প্রকল্পগুলোর মোট বরাদ্দের অর্ধেকের বেশি— ৫৩ দশমিক ১৮ শতাংশই গ্রামীণ সড়কের উন্নয়ন-সংস্কারে। এর মধ্যে দেশের আট বিভাগের ৬৪ জেলা ও সব উপজেলায় পাঁচ হাজার ২২৩ কিলোমিটার গ্রামীণ সড়ক এবং সাত হাজার মিটার সেতু ও কালভার্ট পুনর্বাসন করা হবে।
৫ দিন আগে
রাষ্ট্রীয় জরুরি প্রয়োজনে ও জনস্বার্থে দেশে গ্যাসের সরবরাহ স্বাভাবিক রাখার লক্ষ্য নিয়ে সরাসরি ক্রয় প্রক্রিয়ায় এসব কার্গো কেনার প্রস্তাবে অনুমোদন দিয়েছে সরকারের অর্থনৈতিক বিষয় সংক্রান্ত মন্ত্রিসভা কমিটি। জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ বিভাগ সরকারি ক্রয় আইন ও সরকারি ক্রয়বিধির সংশ্লিষ্ট বিধানের আলোকে এ প্র
৫ দিন আগে
এসএস পাওয়ার-১ লিমিটেডের অনুকূলে রূপালী ব্যাংকের মাধ্যমে অনুমোদিত বৈদেশিক মুদ্রার সিন্ডিকেটেড দীর্ঘমেয়াদি প্রকল্প ঋণের অবশিষ্ট ৩১ লাখ ৯৭ হাজার ৫৬১ দশমিক ২৮ মার্কিন ডলার ছাড় করার অনুমতি দিয়েছে বাংলাদেশ ব্যাংক। একই সঙ্গে বিদ্যুৎকেন্দ্রটির কয়লা, যন্ত্রাংশ ও প্রয়োজনীয় সামগ্রী আমদানির জন্য এলসি খোলার ক্ষে
৫ দিন আগে
অর্থ মন্ত্রণালয়ের সুপারিশের ভিত্তিতেই এই ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে বলে সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে। গত বছর বিএসইসির তৎকালীন চেয়ারম্যানকে অবরুদ্ধ করার ঘটনায় ২৩ কর্মকর্তার বিরুদ্ধে শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নেওয়ার সুপারিশ করেছিল মন্ত্রণালয়। তাদের মধ্যে ২২ জনের বিষয়ে মঙ্গলবার সিদ্ধান্ত নিয়েছে কমিশন।
৫ দিন আগে