
প্রতিবেদক, রাজনীতি ডটকম

সামাজিক সুরক্ষা কর্মসূচির আওতা ও সুবিধা বাড়ানোর প্রস্তাব দিয়েছে সরকার। ২০২৬-২৭ অর্থবছরের প্রস্তাবিত বাজেটে বয়স্ক ও প্রতিবন্ধী ভাতার হার বৃদ্ধি, উপকারভোগীর সংখ্যা সম্প্রসারণ, অনগ্রসর জনগোষ্ঠীর জন্য ভাতা অব্যাহত রাখা এবং ক্যান্সার, কিডনি ও হৃদরোগসহ ৬টি দুরারোগ্য রোগে আক্রান্তদের আর্থিক সহায়তা দ্বিগুণ করার প্রস্তাব করা হয়েছে।
বৃহস্পতিবার (১১ জুন) জাতীয় সংসদে ২০২৬-২৭ অর্থবছরের বাজেট উপস্থাপনকালে এসব প্রস্তাব তুলে ধরা হয়। প্রস্তাব অনুযায়ী, বয়স্ক ভাতার উপকারভোগীর সংখ্যা এক লাখ বাড়িয়ে ৬২ লাখে উন্নীত করা হবে। একই সঙ্গে মাসিক ভাতার হার বাড়িয়ে ৭০০ টাকায় উন্নীত করার প্রস্তাব দেওয়া হয়েছে।
প্রতিবন্ধী ভাতার আওতাও আরও সম্প্রসারণের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। এ খাতে উপকারভোগীর সংখ্যা সাড়ে তিন লাখ বাড়িয়ে ৩৮ লাখে উন্নীত করার প্রস্তাব করা হয়েছে। পাশাপাশি মাসিক ভাতার হার এক হাজার টাকায় উন্নীত করার প্রস্তাব দেওয়া হয়েছে। এ ছাড়া এক লাখ প্রতিবন্ধী শিক্ষার্থীকে বৃত্তি ও মেধাবৃত্তি দেওয়ার পরিকল্পনার কথা জানানো হয়েছে।
অনগ্রসর জনগোষ্ঠীর জন্য ভাতা কর্মসূচির আওতায় দুই লাখ ২৮ হাজার ৩৯০ জনকে মাসিক ৬৫০ টাকা হারে ভাতা দেওয়ার প্রস্তাব রাখা হয়েছে। একই সঙ্গে ৪৫ হাজার ৩৩৮ জন অনগ্রসর শিক্ষার্থীকে বৃত্তি ও মেধাবৃত্তি প্রদানের প্রস্তাব করা হয়েছে।
দুরারোগ্য রোগে আক্রান্ত ব্যক্তিদের জন্য আর্থিক সহায়তাও উল্লেখযোগ্যভাবে বাড়ানোর প্রস্তাব করা হয়েছে। ক্যান্সার, কিডনি রোগ, লিভার সিরোসিস, স্ট্রোকে প্যারালাইজড, হৃদরোগ এবং থ্যালাসেমিয়ায় আক্রান্ত ৬৫ হাজার রোগীর জন্য এককালীন আর্থিক সহায়তা ৫০ হাজার টাকা থেকে বাড়িয়ে এক লাখ টাকা করার প্রস্তাব দেওয়া হয়েছে।
এ ছাড়া কর্মহীন শ্রমিকদের জন্য বিশেষ সহায়তা কর্মসূচির আওতায় ১৫ হাজার শ্রমিককে মাসিক পাঁচ হাজার টাকা হারে সর্বোচ্চ তিন মাস পর্যন্ত ভাতা দেওয়ার প্রস্তাব করা হয়েছে।

সামাজিক সুরক্ষা কর্মসূচির আওতা ও সুবিধা বাড়ানোর প্রস্তাব দিয়েছে সরকার। ২০২৬-২৭ অর্থবছরের প্রস্তাবিত বাজেটে বয়স্ক ও প্রতিবন্ধী ভাতার হার বৃদ্ধি, উপকারভোগীর সংখ্যা সম্প্রসারণ, অনগ্রসর জনগোষ্ঠীর জন্য ভাতা অব্যাহত রাখা এবং ক্যান্সার, কিডনি ও হৃদরোগসহ ৬টি দুরারোগ্য রোগে আক্রান্তদের আর্থিক সহায়তা দ্বিগুণ করার প্রস্তাব করা হয়েছে।
বৃহস্পতিবার (১১ জুন) জাতীয় সংসদে ২০২৬-২৭ অর্থবছরের বাজেট উপস্থাপনকালে এসব প্রস্তাব তুলে ধরা হয়। প্রস্তাব অনুযায়ী, বয়স্ক ভাতার উপকারভোগীর সংখ্যা এক লাখ বাড়িয়ে ৬২ লাখে উন্নীত করা হবে। একই সঙ্গে মাসিক ভাতার হার বাড়িয়ে ৭০০ টাকায় উন্নীত করার প্রস্তাব দেওয়া হয়েছে।
প্রতিবন্ধী ভাতার আওতাও আরও সম্প্রসারণের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। এ খাতে উপকারভোগীর সংখ্যা সাড়ে তিন লাখ বাড়িয়ে ৩৮ লাখে উন্নীত করার প্রস্তাব করা হয়েছে। পাশাপাশি মাসিক ভাতার হার এক হাজার টাকায় উন্নীত করার প্রস্তাব দেওয়া হয়েছে। এ ছাড়া এক লাখ প্রতিবন্ধী শিক্ষার্থীকে বৃত্তি ও মেধাবৃত্তি দেওয়ার পরিকল্পনার কথা জানানো হয়েছে।
অনগ্রসর জনগোষ্ঠীর জন্য ভাতা কর্মসূচির আওতায় দুই লাখ ২৮ হাজার ৩৯০ জনকে মাসিক ৬৫০ টাকা হারে ভাতা দেওয়ার প্রস্তাব রাখা হয়েছে। একই সঙ্গে ৪৫ হাজার ৩৩৮ জন অনগ্রসর শিক্ষার্থীকে বৃত্তি ও মেধাবৃত্তি প্রদানের প্রস্তাব করা হয়েছে।
দুরারোগ্য রোগে আক্রান্ত ব্যক্তিদের জন্য আর্থিক সহায়তাও উল্লেখযোগ্যভাবে বাড়ানোর প্রস্তাব করা হয়েছে। ক্যান্সার, কিডনি রোগ, লিভার সিরোসিস, স্ট্রোকে প্যারালাইজড, হৃদরোগ এবং থ্যালাসেমিয়ায় আক্রান্ত ৬৫ হাজার রোগীর জন্য এককালীন আর্থিক সহায়তা ৫০ হাজার টাকা থেকে বাড়িয়ে এক লাখ টাকা করার প্রস্তাব দেওয়া হয়েছে।
এ ছাড়া কর্মহীন শ্রমিকদের জন্য বিশেষ সহায়তা কর্মসূচির আওতায় ১৫ হাজার শ্রমিককে মাসিক পাঁচ হাজার টাকা হারে সর্বোচ্চ তিন মাস পর্যন্ত ভাতা দেওয়ার প্রস্তাব করা হয়েছে।

এর আগে গত শুক্রবার সোনার দাম বাড়ানো হয়েছিল। মাত্র তিন দিনের ব্যবধানে আবারও দাম কমানোর ঘোষণা এলো। বাজুস জানিয়েছে, নতুন দামের সঙ্গে ভ্যাট অন্তর্ভুক্ত থাকায় সোনার গয়না কেনার সময় ক্রেতাদের কাছ থেকে আলাদাভাবে ভ্যাট নেওয়া যাবে না।
৪ দিন আগে
সার্কুলারে বলা হয়, ২০২৬-২০২৭ অর্থবছরের রপ্তানির বিপরীতে নগদ সহায়তা বা রপ্তানি ভর্তুকির আবেদনপত্র বাংলাদেশ ব্যাংকের ফরেন এক্সচেঞ্জ পলিসি ডিপার্টমেন্ট-১-এর অনাপত্তি সাপেক্ষে ব্যাংকের হিসাব নিরীক্ষায় নিয়োজিত সমসংখ্যক অডিট ফার্ম দিয়ে নিরীক্ষা করানো যাবে।
৪ দিন আগে
বাংলা কিউআর-এর ব্যবহার সম্প্রসারণ এবং এ বিষয়ে জনগণের সচেতনতা বৃদ্ধির লক্ষ্যে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের অর্থ ও পরিকল্পনা মন্ত্রণালয় বিষয়ক উপদেষ্টা রাশেদ আল মাহমুদ তিতুমীর বাংলা কিউআর ব্যবহার করে কেনাকাটা করেছেন।
৬ দিন আগে
তিনি বলেন, বিদেশি বিনিয়োগ, সরাসরি বিনিয়োগ, ক্যাপিটাল মার্কেটে বিনিয়োগ এবং ফান্ড ম্যানেজারদের বিনিয়োগ- সবই বাংলাদেশে আসছে। বাজেট প্রথমত বাংলাদেশের জন্য। বাংলাদেশের প্রত্যেকটি অঞ্চলের যে সম্ভাবনা আছে, সেটিকে মাথায় রেখে বাজেট করা হয়েছে এবং সেই সম্ভাবনাগুলো কীভাবে কাজে লাগানো যায়, সেটিকে গুরুত্ব দেওয়া হ
৬ দিন আগে