
প্রতিবেদক, রাজনীতি ডটকম

দেশের নয়টি নন-ব্যাংক আর্থিক প্রতিষ্ঠান (এনবিএফআই) অবসায়নের উদ্যোগ নিলেও আপাতত তিনটি প্রতিষ্ঠান বন্ধ হচ্ছে না। জিএসপি ফাইন্যান্স, প্রাইম ফাইন্যান্স ও বাংলাদেশ ইন্ডাস্ট্রিয়াল ফাইন্যান্স কোম্পানি (বিআইএফসি)–এই তিন প্রতিষ্ঠানকে আর্থিক সূচকে উন্নতির জন্য তিন থেকে ছয় মাস সময় দিয়েছে বাংলাদেশ ব্যাংক।
মঙ্গলবার কেন্দ্রীয় ব্যাংকের পরিচালনা পর্ষদের বৈঠকে এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। বৈঠকে সভাপতিত্ব করেন গভর্নর আহসান এইচ মনসুর। বাংলাদেশ ব্যাংকের নির্বাহী পরিচালক ও মুখপাত্র আরিফ হোসেন খান বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
বাংলাদেশ ব্যাংক সূত্র জানায়, উচ্চ খেলাপি ঋণ এবং আমানত ফেরত দিতে ব্যর্থ হওয়ায় গত বছরের মে মাসে ২০টি এনবিএফআইকে কারণ দর্শানোর নোটিস দেয় কেন্দ্রীয় ব্যাংক। পরে এসব প্রতিষ্ঠানের মধ্যে নয়টির পুনরুদ্ধার বা ঘুরে দাঁড়ানোর কর্মপরিকল্পনাকে সন্তোষজনক মনে না করায় অবসায়নের উদ্যোগ নেওয়া হয়।
অবসায়নের তালিকায় থাকা নয়টি প্রতিষ্ঠান হলো ফাস ফাইন্যান্স, বাংলাদেশ ইন্ডাস্ট্রিয়াল ফাইন্যান্স কোম্পানি (বিআইএফসি), প্রিমিয়ার লিজিং, ফারইস্ট ফাইন্যান্স, জিএসপি ফাইন্যান্স, প্রাইম ফাইন্যান্স, অ্যাভিভা ফাইন্যান্স, পিপলস লিজিং ও ইন্টারন্যাশনাল লিজিং। দীর্ঘদিনের অনিয়ম ও দুর্বল ব্যবস্থাপনার কারণে এসব প্রতিষ্ঠানের খেলাপি ঋণের হার ৭৫ থেকে ৯৮ শতাংশে পৌঁছেছে বলে জানিয়েছে কেন্দ্রীয় ব্যাংক।
এসব প্রতিষ্ঠানের অবসায়নের বিরুদ্ধে কোনো যুক্তিসংগত কারণ রয়েছে কি না, তা যাচাই করতে গত সপ্তাহে শুনানি শুরু হয়। গত রোববার সেই শুনানি শেষ হয়।
নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক বাংলাদেশ ব্যাংকের একজন ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা জানান, শুনানিতে সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানগুলো তাদের কর্মপরিকল্পনা ও যুক্তি উপস্থাপন করে। এর পরিপ্রেক্ষিতে তিনটি প্রতিষ্ঠানকে সীমিত সময়ের জন্য আর্থিক অবস্থার উন্নতির সুযোগ দেওয়ার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়, যা পর্ষদে অনুমোদন পেয়েছে।
খাতসংশ্লিষ্টদের মতে, আগের সরকারের সময়ে ব্যাপক অনিয়ম ও কেলেঙ্কারির কারণে এনবিএফআই খাতে সংকট গভীর হয়েছে। বিশেষ করে এনআরবি গ্লোবাল ব্যাংকের (বর্তমানে গ্লোবাল ইসলামী ব্যাংক) সাবেক ব্যবস্থাপনা পরিচালক পিকে হালদারের বিরুদ্ধে পিপলস লিজিং, ইন্টারন্যাশনাল লিজিং, ফাস ফাইন্যান্স ও বিআইএফসি থেকে অন্তত সাড়ে তিন হাজার কোটি টাকা আত্মসাতের অভিযোগ রয়েছে।
এর আগে এক সংবাদ সম্মেলনে গভর্নর আহসান এইচ মনসুর জানান, অবসায়নের পথে থাকা নয়টি রুগ্ন এনবিএফআইয়ের ব্যক্তি পর্যায়ের আমানতকারীরা আগামী ফেব্রুয়ারিতে, রমজানের আগেই তাদের মূল টাকা ফেরত পাবেন। এ জন্য সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানগুলোর সম্পদ মূল্যায়নের কাজ শুরু করা হবে। মূল্যায়নের ভিত্তিতে প্রতিষ্ঠানগুলোর সম্পদ ইতিবাচক না নেতিবাচক, তা নির্ধারণ করে শেয়ারহোল্ডারদের পাওনা বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।
বাংলাদেশ ব্যাংকের কর্মকর্তারা জানান, আমানতকারীদের অর্থ ফেরত দিতে সরকার মৌখিকভাবে প্রায় পাঁচ হাজার কোটি টাকার অনুমোদন দিয়েছে। তবে আমানতকারীরা শুধু মূল টাকা ফেরত পাবেন, কোনো সুদ দেওয়া হবে না।

দেশের নয়টি নন-ব্যাংক আর্থিক প্রতিষ্ঠান (এনবিএফআই) অবসায়নের উদ্যোগ নিলেও আপাতত তিনটি প্রতিষ্ঠান বন্ধ হচ্ছে না। জিএসপি ফাইন্যান্স, প্রাইম ফাইন্যান্স ও বাংলাদেশ ইন্ডাস্ট্রিয়াল ফাইন্যান্স কোম্পানি (বিআইএফসি)–এই তিন প্রতিষ্ঠানকে আর্থিক সূচকে উন্নতির জন্য তিন থেকে ছয় মাস সময় দিয়েছে বাংলাদেশ ব্যাংক।
মঙ্গলবার কেন্দ্রীয় ব্যাংকের পরিচালনা পর্ষদের বৈঠকে এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। বৈঠকে সভাপতিত্ব করেন গভর্নর আহসান এইচ মনসুর। বাংলাদেশ ব্যাংকের নির্বাহী পরিচালক ও মুখপাত্র আরিফ হোসেন খান বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
বাংলাদেশ ব্যাংক সূত্র জানায়, উচ্চ খেলাপি ঋণ এবং আমানত ফেরত দিতে ব্যর্থ হওয়ায় গত বছরের মে মাসে ২০টি এনবিএফআইকে কারণ দর্শানোর নোটিস দেয় কেন্দ্রীয় ব্যাংক। পরে এসব প্রতিষ্ঠানের মধ্যে নয়টির পুনরুদ্ধার বা ঘুরে দাঁড়ানোর কর্মপরিকল্পনাকে সন্তোষজনক মনে না করায় অবসায়নের উদ্যোগ নেওয়া হয়।
অবসায়নের তালিকায় থাকা নয়টি প্রতিষ্ঠান হলো ফাস ফাইন্যান্স, বাংলাদেশ ইন্ডাস্ট্রিয়াল ফাইন্যান্স কোম্পানি (বিআইএফসি), প্রিমিয়ার লিজিং, ফারইস্ট ফাইন্যান্স, জিএসপি ফাইন্যান্স, প্রাইম ফাইন্যান্স, অ্যাভিভা ফাইন্যান্স, পিপলস লিজিং ও ইন্টারন্যাশনাল লিজিং। দীর্ঘদিনের অনিয়ম ও দুর্বল ব্যবস্থাপনার কারণে এসব প্রতিষ্ঠানের খেলাপি ঋণের হার ৭৫ থেকে ৯৮ শতাংশে পৌঁছেছে বলে জানিয়েছে কেন্দ্রীয় ব্যাংক।
এসব প্রতিষ্ঠানের অবসায়নের বিরুদ্ধে কোনো যুক্তিসংগত কারণ রয়েছে কি না, তা যাচাই করতে গত সপ্তাহে শুনানি শুরু হয়। গত রোববার সেই শুনানি শেষ হয়।
নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক বাংলাদেশ ব্যাংকের একজন ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা জানান, শুনানিতে সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানগুলো তাদের কর্মপরিকল্পনা ও যুক্তি উপস্থাপন করে। এর পরিপ্রেক্ষিতে তিনটি প্রতিষ্ঠানকে সীমিত সময়ের জন্য আর্থিক অবস্থার উন্নতির সুযোগ দেওয়ার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়, যা পর্ষদে অনুমোদন পেয়েছে।
খাতসংশ্লিষ্টদের মতে, আগের সরকারের সময়ে ব্যাপক অনিয়ম ও কেলেঙ্কারির কারণে এনবিএফআই খাতে সংকট গভীর হয়েছে। বিশেষ করে এনআরবি গ্লোবাল ব্যাংকের (বর্তমানে গ্লোবাল ইসলামী ব্যাংক) সাবেক ব্যবস্থাপনা পরিচালক পিকে হালদারের বিরুদ্ধে পিপলস লিজিং, ইন্টারন্যাশনাল লিজিং, ফাস ফাইন্যান্স ও বিআইএফসি থেকে অন্তত সাড়ে তিন হাজার কোটি টাকা আত্মসাতের অভিযোগ রয়েছে।
এর আগে এক সংবাদ সম্মেলনে গভর্নর আহসান এইচ মনসুর জানান, অবসায়নের পথে থাকা নয়টি রুগ্ন এনবিএফআইয়ের ব্যক্তি পর্যায়ের আমানতকারীরা আগামী ফেব্রুয়ারিতে, রমজানের আগেই তাদের মূল টাকা ফেরত পাবেন। এ জন্য সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানগুলোর সম্পদ মূল্যায়নের কাজ শুরু করা হবে। মূল্যায়নের ভিত্তিতে প্রতিষ্ঠানগুলোর সম্পদ ইতিবাচক না নেতিবাচক, তা নির্ধারণ করে শেয়ারহোল্ডারদের পাওনা বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।
বাংলাদেশ ব্যাংকের কর্মকর্তারা জানান, আমানতকারীদের অর্থ ফেরত দিতে সরকার মৌখিকভাবে প্রায় পাঁচ হাজার কোটি টাকার অনুমোদন দিয়েছে। তবে আমানতকারীরা শুধু মূল টাকা ফেরত পাবেন, কোনো সুদ দেওয়া হবে না।

তদন্তসংশ্লিষ্ট সূত্র জানিয়েছে, অভিযুক্তদের মধ্যে বাংলাদেশের ১০ ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠান রয়েছে। তাদের অধিকাংশই বাংলাদেশ ব্যাংকের তৎকালীন কর্মকর্তা। এ তালিকায় সাবেক গভর্নর ড. আতিউর রহমান ছাড়াও কে এম আব্দুল ওয়াদুদ, শুভঙ্কর সাহা, রেজাউল করিম, মেজবাউল হক ও আবুল কাসেমের নাম রয়েছে।
৩ দিন আগে
বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, ১৯৯৯ সালে সহকারী পরিচালক হিসেবে বাংলাদেশ ব্যাংকে কর্মজীবন শুরু করেন আশিকুর রহমান।
৩ দিন আগে
সোনার দামের এই ঊর্ধ্বগতির বাজারে স্বস্তির খবর হলো—অপরিবর্তিত রয়েছে রুপার দাম। নতুন ঘোষণা অনুযায়ী, ২২ ক্যারেটের প্রতি ভরি রুপার দাম ৫ হাজার ৩৬৫ টাকাই থাকছে। এছাড়া ২১ ক্যারেট ৫ হাজার ১৩২ টাকা, ১৮ ক্যারেট ৪ <৪৩২ টাকা এবং সনাতন পদ্ধতির প্রতি ভরি রুপার দাম ৩ হাজার ৩২৪ টাকা বজায় রয়েছে।
৪ দিন আগে
ইসলামী ব্যাংক সচেতন গ্রাহক ফোরামের আহ্বায়ক নুর উন নবী দাবি করেছেন, ইসলামী ব্যাংক নিয়ে তাদের সাত দফা দাবির সঙ্গে বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর মোস্তাকুর রহমান একমত পোষণ করেছেন। তবে বাংলাদেশের ব্যাংকের পক্ষ থেকে এ বিষয়ে এখনও কোনো বক্তব্য পাওয়া যায়নি।
৪ দিন আগে