
প্রতিবেদক, রাজনীতি ডটকম

দেশের শিল্পখাতে গ্যাসের দাম ৩৩ শতাংশ বাড়ানো হয়েছে। নতুন সংযোগে প্রতি ঘনমিটার গ্যাসের দাম ১০ টাকা বেড়ে হয়েছে ৪০ টাকা। রোববার (১৩ এপ্রিল) বিকেলে এক আনুষ্ঠানিক সংবাদ সম্মেলনে বাংলাদেশ এনার্জি রেগুলেটরি কমিশনের (বিইআরসি) চেয়ারম্যান জালাল আহমেদ এ তথ্য জানিয়েছেন।
নতুন শিল্পের পাশাপাশি এখন যারা অনুমোদিত লোডের বেশি গ্যাস ব্যবহার করছেন, সেসব শিল্প প্রতিষ্ঠানকেও ৩০ টাকার পরিবর্তে ৪০ টাকা দরে বিল দিতে হবে। নতুন এই দর চলতি এপ্রিল মাসের বিল থেকেই কার্যকর হবে বলে জানান তিনি।
এর আগে, গত ২৬ ফেব্রুয়ারি প্রাকৃতিক গ্যাসের শিল্প ও ক্যাপটিভ শ্রেণিতে নতুন, প্রতিশ্রুত ও অনুমোদিত লোডের অতিরিক্ত ব্যবহারকারী গ্রাহকের মূল্যহার পুনর্নির্ধারণে পেট্রোবাংলা ও গ্যাস বিতরণ কোম্পানিগুলোর প্রস্তাবের ওপর গণশুনানি অনুষ্ঠিত হয়।
শুনানিতে এসব গ্রাহকের ক্ষেত্রে প্রতি ঘনমিটার গ্যাসের দাম বাড়িয়ে ৭৫ টাকা ৭২ পয়সা করার প্রস্তাব করে পেট্রোবাংলা ও গ্যাস বিতরণ কোম্পানিগুলো। যা বিদ্যমান দামের তুলনায় ১৫২ শতাংশ বেশি। শুনানিকে কেন্দ্র করে নজিরবিহীন তোপের মুখে পড়ে বাংলাদেশ এনার্জি রেগুলেটরি কমিশন-বিইআরসি। তীব্র প্রতিবাদ ও স্লোগান আর নানা যুক্তিতর্ক দিয়ে দাম বাড়ানোর প্রক্রিয়ার বিরোধিতা করেন অংশীজনরা। শুনানিতে গ্যাসের দাম বাড়ানোর প্রস্তাবকে ‘বেআইনি’ ও ‘গণবিরোধী’ আখ্যা দেয়া হয়।
রোববার (১৩ এপ্রিল) আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে অন্যান্যের মধ্যে আরো উপস্থিত ছিলেন কমিশনের সদস্য মিজানুর রহমান, সদস্য সৈয়দা সুলতানা রাজিয়া, আব্দুর রাজ্জাক ও শাহীদ সারোয়ার।

দেশের শিল্পখাতে গ্যাসের দাম ৩৩ শতাংশ বাড়ানো হয়েছে। নতুন সংযোগে প্রতি ঘনমিটার গ্যাসের দাম ১০ টাকা বেড়ে হয়েছে ৪০ টাকা। রোববার (১৩ এপ্রিল) বিকেলে এক আনুষ্ঠানিক সংবাদ সম্মেলনে বাংলাদেশ এনার্জি রেগুলেটরি কমিশনের (বিইআরসি) চেয়ারম্যান জালাল আহমেদ এ তথ্য জানিয়েছেন।
নতুন শিল্পের পাশাপাশি এখন যারা অনুমোদিত লোডের বেশি গ্যাস ব্যবহার করছেন, সেসব শিল্প প্রতিষ্ঠানকেও ৩০ টাকার পরিবর্তে ৪০ টাকা দরে বিল দিতে হবে। নতুন এই দর চলতি এপ্রিল মাসের বিল থেকেই কার্যকর হবে বলে জানান তিনি।
এর আগে, গত ২৬ ফেব্রুয়ারি প্রাকৃতিক গ্যাসের শিল্প ও ক্যাপটিভ শ্রেণিতে নতুন, প্রতিশ্রুত ও অনুমোদিত লোডের অতিরিক্ত ব্যবহারকারী গ্রাহকের মূল্যহার পুনর্নির্ধারণে পেট্রোবাংলা ও গ্যাস বিতরণ কোম্পানিগুলোর প্রস্তাবের ওপর গণশুনানি অনুষ্ঠিত হয়।
শুনানিতে এসব গ্রাহকের ক্ষেত্রে প্রতি ঘনমিটার গ্যাসের দাম বাড়িয়ে ৭৫ টাকা ৭২ পয়সা করার প্রস্তাব করে পেট্রোবাংলা ও গ্যাস বিতরণ কোম্পানিগুলো। যা বিদ্যমান দামের তুলনায় ১৫২ শতাংশ বেশি। শুনানিকে কেন্দ্র করে নজিরবিহীন তোপের মুখে পড়ে বাংলাদেশ এনার্জি রেগুলেটরি কমিশন-বিইআরসি। তীব্র প্রতিবাদ ও স্লোগান আর নানা যুক্তিতর্ক দিয়ে দাম বাড়ানোর প্রক্রিয়ার বিরোধিতা করেন অংশীজনরা। শুনানিতে গ্যাসের দাম বাড়ানোর প্রস্তাবকে ‘বেআইনি’ ও ‘গণবিরোধী’ আখ্যা দেয়া হয়।
রোববার (১৩ এপ্রিল) আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে অন্যান্যের মধ্যে আরো উপস্থিত ছিলেন কমিশনের সদস্য মিজানুর রহমান, সদস্য সৈয়দা সুলতানা রাজিয়া, আব্দুর রাজ্জাক ও শাহীদ সারোয়ার।

অন্যদিকে, এলপিজি ও এলএনজি বহনকারী আরও দুটি জাহাজ ইতোমধ্যে চট্টগ্রাম বন্দরে পৌঁছেছে। নাইজেরিয়া থেকে আসা ‘কুল ভয়েজার’ জাহাজে রয়েছে এলএনজি, যার স্থানীয় এজেন্ট ইন্টারপোর্ট। এছাড়া, চীন থেকে এলপিজি নিয়ে এসেছে ‘গ্যাস জার্নি’ নামের জাহাজটি, যার স্থানীয় এজেন্ট ইউনাইটেড শিপিং। খালাস শেষে জাহাজ দুটি বুধবার বন্
২ দিন আগে
ভৌগোলিক ও রাজনৈতিক এই উত্তেজনার নেতিবাচক প্রভাব পড়েছে এশিয়ার প্রধান শেয়ারবাজারগুলোতে। লেনদেনের শুরুতে কিছুটা ইতিবাচক প্রবণতা থাকলেও সময় বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে সূচকের পতন শুরু হয়। জাপানের প্রধান সূচক নিক্কেই ২২৫ শুরুর দিকের মুনাফা হারিয়ে ০.২ শতাংশ পতনের মুখে পড়েছে।
২ দিন আগে
তিনি বলেন, মাথাপিছু আয় বৃদ্ধির জন্য সরকার একটি নির্দিষ্ট খাত নয়, বরং বহুমাত্রিক কৌশল গ্রহণ করেছে। কর্মসংস্থান, বিনিয়োগ, উৎপাদন, রপ্তানি, প্রবাস আয়, দক্ষতা উন্নয়ন, সামাজিক সুরক্ষা এবং সামষ্টিক অর্থনৈতিক স্থিতিশীলতা—সবগুলো ক্ষেত্রকে একসঙ্গে গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে।
২ দিন আগে
একনেক সভা সূত্রে জানা গেছে, তালিকার প্রথম ৭টি প্রকল্পের মধ্যে তিনটি সংশোধিত প্রকল্প ও দুইটি মেয়াদ বৃদ্ধির প্রকল্প অনুমোদন দেয়া হয়েছে। এছাড়া তালিকার এক নম্বর ও ৪ নম্বরে থাকা করতোয়া নদীর সিস্টেম উন্নয়ন প্রকল্প ও অংশীদারিত্বমূলক পল্লী উন্নয়ন ৪র্থ পর্যায় (পিআরডিবি-৪) প্রকল্প দুটি অনুমোদন না দিয়
৩ দিন আগে