
প্রতিবেদক, রাজনীতি ডটকম

বন্ধ হওয়া কলকারখানা পুনরায় চালুর উদ্যোগে সক্রিয় সহযোগিতার আশ্বাস দিয়েছেন বাংলাদেশ ব্যাংকের নতুন গভর্নর মো. মোস্তাকুর রহমান।
বৃহস্পতিবার (২৬ ফেব্রুয়ারি) দুপুর ২টায় আয়োজিত এক জরুরি সংবাদ সম্মেলনে গভর্নরের বক্তব্য তুলে ধরেন কেন্দ্রীয় ব্যাংকের নির্বাহী পরিচালক ও মুখপাত্র আরিফ হোসেন খান।
মুখপাত্র জানান, দায়িত্ব গ্রহণের পর কর্মকর্তাদের সঙ্গে প্রথম বৈঠকেই গভর্নর বন্ধ শিল্প প্রতিষ্ঠানগুলো দ্রুত চালুর লক্ষ্যে সক্রিয় নীতিগত ও প্রাতিষ্ঠানিক সহায়তার কথা বলেন।
তিনি বলেন, অর্থনীতিকে পুনরায় প্রবৃদ্ধি ও কর্মসংস্থানমুখী ধারায় ফেরাতে প্রয়োজনীয় নীতিসহায়তা দেওয়া হবে ।
তিনি আরও বলেন, অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের সময়ে নেওয়া ম্যাক্রো-অর্থনৈতিক স্থিতিশীলতা রক্ষার পদক্ষেপের প্রশংসা করেছেন গভর্নর। সেই ভিত্তিকে শক্তিশালী করে অর্থনীতিতে গতি ফিরিয়ে আনার উদ্যোগ নেওয়া হবে। বিশেষ করে, গত দেড় বছরে বন্ধ হওয়া কারখানাগুলো পুনরায় চালু করতে নীতিগত সহায়তা, প্রণোদনা এবং ব্যাংকিং খাতে সমন্বয় জোরদারের ওপর গুরুত্ব দেওয়া হবে। এর মাধ্যমে উৎপাদন বৃদ্ধি ও নতুন কর্মসংস্থান সৃষ্টি সম্ভব হবে বলে তিনি আশা প্রকাশ করেন।
সংবাদ সম্মেলনে মূল্যস্ফীতি নিয়ন্ত্রণ এবং সাধারণ মানুষের ক্রয়ক্ষমতার মধ্যে নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের দাম স্থিতিশীল রাখাকে অগ্রাধিকার দেওয়ার কথাও জানানো হয়। পাশাপাশি বিনিয়োগে বাধা হয়ে দাঁড়ানো উচ্চ সুদের হার পর্যালোচনা করে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেওয়ার ইঙ্গিত দেন গভর্নর।
এছাড়া, প্রাতিষ্ঠানিক সুশাসন জোরদারে সিদ্ধান্ত গ্রহণ প্রক্রিয়াকে নিয়মভিত্তিক ও বৈষম্যহীন করার প্রতিশ্রুতি দেন তিনি। কাজের গতি বাড়াতে ‘ডেলিগেশন অব অথরিটি’ বা ক্ষমতার বিকেন্দ্রীকরণের মাধ্যমে বিভিন্ন স্তরের কর্মকর্তাদের দায়িত্ব ও সিদ্ধান্ত গ্রহণের ক্ষমতা বাড়ানোর কথাও উল্লেখ করা হয়।’

বন্ধ হওয়া কলকারখানা পুনরায় চালুর উদ্যোগে সক্রিয় সহযোগিতার আশ্বাস দিয়েছেন বাংলাদেশ ব্যাংকের নতুন গভর্নর মো. মোস্তাকুর রহমান।
বৃহস্পতিবার (২৬ ফেব্রুয়ারি) দুপুর ২টায় আয়োজিত এক জরুরি সংবাদ সম্মেলনে গভর্নরের বক্তব্য তুলে ধরেন কেন্দ্রীয় ব্যাংকের নির্বাহী পরিচালক ও মুখপাত্র আরিফ হোসেন খান।
মুখপাত্র জানান, দায়িত্ব গ্রহণের পর কর্মকর্তাদের সঙ্গে প্রথম বৈঠকেই গভর্নর বন্ধ শিল্প প্রতিষ্ঠানগুলো দ্রুত চালুর লক্ষ্যে সক্রিয় নীতিগত ও প্রাতিষ্ঠানিক সহায়তার কথা বলেন।
তিনি বলেন, অর্থনীতিকে পুনরায় প্রবৃদ্ধি ও কর্মসংস্থানমুখী ধারায় ফেরাতে প্রয়োজনীয় নীতিসহায়তা দেওয়া হবে ।
তিনি আরও বলেন, অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের সময়ে নেওয়া ম্যাক্রো-অর্থনৈতিক স্থিতিশীলতা রক্ষার পদক্ষেপের প্রশংসা করেছেন গভর্নর। সেই ভিত্তিকে শক্তিশালী করে অর্থনীতিতে গতি ফিরিয়ে আনার উদ্যোগ নেওয়া হবে। বিশেষ করে, গত দেড় বছরে বন্ধ হওয়া কারখানাগুলো পুনরায় চালু করতে নীতিগত সহায়তা, প্রণোদনা এবং ব্যাংকিং খাতে সমন্বয় জোরদারের ওপর গুরুত্ব দেওয়া হবে। এর মাধ্যমে উৎপাদন বৃদ্ধি ও নতুন কর্মসংস্থান সৃষ্টি সম্ভব হবে বলে তিনি আশা প্রকাশ করেন।
সংবাদ সম্মেলনে মূল্যস্ফীতি নিয়ন্ত্রণ এবং সাধারণ মানুষের ক্রয়ক্ষমতার মধ্যে নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের দাম স্থিতিশীল রাখাকে অগ্রাধিকার দেওয়ার কথাও জানানো হয়। পাশাপাশি বিনিয়োগে বাধা হয়ে দাঁড়ানো উচ্চ সুদের হার পর্যালোচনা করে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেওয়ার ইঙ্গিত দেন গভর্নর।
এছাড়া, প্রাতিষ্ঠানিক সুশাসন জোরদারে সিদ্ধান্ত গ্রহণ প্রক্রিয়াকে নিয়মভিত্তিক ও বৈষম্যহীন করার প্রতিশ্রুতি দেন তিনি। কাজের গতি বাড়াতে ‘ডেলিগেশন অব অথরিটি’ বা ক্ষমতার বিকেন্দ্রীকরণের মাধ্যমে বিভিন্ন স্তরের কর্মকর্তাদের দায়িত্ব ও সিদ্ধান্ত গ্রহণের ক্ষমতা বাড়ানোর কথাও উল্লেখ করা হয়।’

বাংলাদেশ ব্যাংকের হালনাগাদ তথ্য বলছে, বুধবার (২৪ জুন) দিন শেষে গ্রস রিজার্ভ দাঁড়িয়েছে ৩৬ দশমিক ১০ বিলিয়ন ডলার। তবে আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিলের (আইএমএফ) বিপিএম৬ পদ্ধতি অনুযায়ী এর পরিমাণ ৩১ দশমিক ৫৫ বিলিয়ন ডলার।
৩ দিন আগে
দীর্ঘদিনের মন্দার মধ্যেই নতুন করে করের বোঝা, নির্মাণসামগ্রীর মূল্যবৃদ্ধি এবং বিদ্যুতের বাড়তি খরচে দেশের আবাসন খাত গভীর সংকটের মুখে পড়েছে। খাতসংশ্লিষ্ট উদ্যোক্তারা বলছেন, বিদ্যমান পরিস্থিতি অব্যাহত থাকলে আবাসন ও এর সঙ্গে সংশ্লিষ্ট শিল্পে কর্মরত প্রায় ৫০ লাখ মানুষের জীবিকা হুমকির মুখে পড়তে পারে।
৪ দিন আগে
ব্রেক্সিট সফল হয়েছে কি না— এই বিতর্কের বাইরে অর্থনীতিবিদদের কাছে একটি বিষয় এখন প্রায় প্রতিষ্ঠিত। গত এক দশকের তথ্য বিশ্লেষণ করে তারা বলছেন, ব্রেক্সিট যুক্তরাজ্যের অর্থনীতিকে উল্লেখযোগ্যভাবে ক্ষতিগ্রস্ত করেছে।
৪ দিন আগে
বাজারের এই নেতিবাচক প্রভাব থেকে রক্ষা পায়নি সদ্য শেয়ারবাজারে আসা স্পেসএক্সও। ১২ জুন তালিকাভুক্ত হওয়ার পর থেকেই কোম্পানিটির শেয়ারদরে ব্যাপক ওঠানামা দেখা যাচ্ছে। মঙ্গলবার লেনদেনের একপর্যায়ে শেয়ারের দাম প্রাথমিক তালিকাভুক্তির মূল্য ১৫০ ডলারের নিচে নেমে গেলেও পরে কিছুটা ঘুরে দাঁড়িয়ে প্রায় ১৫৭ থেকে ১৬০ ড
৪ দিন আগে