তদন্তসংশ্লিষ্ট সূত্র জানিয়েছে, অভিযুক্তদের মধ্যে বাংলাদেশের ১০ ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠান রয়েছে। তাদের অধিকাংশই বাংলাদেশ ব্যাংকের তৎকালীন কর্মকর্তা। এ তালিকায় সাবেক গভর্নর ড. আতিউর রহমান ছাড়াও কে এম আব্দুল ওয়াদুদ, শুভঙ্কর সাহা, রেজাউল করিম, মেজবাউল হক ও আবুল কাসেমের নাম রয়েছে।
বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, ১৯৯৯ সালে সহকারী পরিচালক হিসেবে বাংলাদেশ ব্যাংকে কর্মজীবন শুরু করেন আশিকুর রহমান।
ইসলামী ব্যাংক সচেতন গ্রাহক ফোরামের আহ্বায়ক নুর উন নবী দাবি করেছেন, ইসলামী ব্যাংক নিয়ে তাদের সাত দফা দাবির সঙ্গে বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর মোস্তাকুর রহমান একমত পোষণ করেছেন। তবে বাংলাদেশের ব্যাংকের পক্ষ থেকে এ বিষয়ে এখনও কোনো বক্তব্য পাওয়া যায়নি।
প্রতিবেদন অনুযায়ী, ২০২৫ সাল শেষে দেশের সব তফসিলি ব্যাংকে ঝুঁকিপূর্ণ ঋণের পরিমাণ আগের বছরের চেয়ে প্রায় ৬০ শতাংশ বেড়ে ১০ লাখ ৮৭ হাজার ৫৯০ কোটি টাকায় পৌঁছেছে; যা আগামী অর্থবছরের জন্য প্রস্তাবিত জাতীয় বাজেটের আকারের চেয়েও বেশি। এটি ব্যাংকগুলোর মোট বিতরণ করা ঋণের ৫৯ দশমিক ৭৩ শতাংশ।
এর আগে চলমান সংকটের মধ্যে রোববার রাতে ইসলামী ব্যাংকের নতুন নিয়োগ পাওয়া চেয়ারম্যান খুরশীদ আলমসহ ইসলামী ব্যাংকের পরিচালনা পর্ষদের সব নিয়োগ বাতিল করেছে বাংলাদেশ ব্যাংক। পর্ষদের সব ক্ষমতা ও দায়িত্ব দিয়ে প্রশাসক হিসেবে নিয়োগ দেওয়া হয় কেন্দ্রীয় ব্যাংকের নির্বাহী পরিচালক মোহাম্মদ জহির হোসেনকে।
বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, ব্যাংক কোম্পানি আইন, ১৯৯১-এর ৪৫ ধারায় ও ৪৭(৩) ধারায় বাংলাদেশ ব্যাংকের ওপর অর্পিত ক্ষমতাবলে বাংলাদেশ ব্যাংক আজ (রোববার) ইসলামী ব্যাংক বাংলাদেশ পিএলসির পরিচালনা পর্ষদের চেয়ারম্যানসহ সব পরিচালকের নিয়োগ বাতিল করেছে।
এর আগে ইসলামী ব্যাংকের নতুন চেয়ারম্যানের অপসারণ দাবিতে ঈদের পর থেকে আন্দোলন চলছিল। পাশাপাশি ব্যাংকটি থেকে বড় অঙ্কের আমানত উত্তোলনের কারণে তারল্য চাপ তৈরি হয়।
মতিঝিলের দিলকুশায় ইসলামী ব্যাংকের প্রধান কার্যালয়ের সামনে আয়োজিত অবস্থান কর্মসূচি থেকে এ ঘোষণা দেন সংগঠনটির আহ্বায়ক ও মুখপাত্র অধ্যাপক নুর উন-নবী মানিক।
ইসলামী ব্যাংকের সার্বিক পরিস্থিতি এবং ব্যাংকটিতে ‘সরকারি হস্তক্ষেপ’ সংক্রান্ত অভিযোগ নিয়েও খোলামেলা কথা বলেছেন গভর্নর মোশতাকুর রহমান। তার দাবি, ব্যাংকটিকে স্থিতিশীল জায়গায় নিয়ে আসাটাই মূল লক্ষ্য।
এক সপ্তাহে ইসলামী ব্যাংক থেকে গ্রাহকরা চার হাজার কোটি টাকার বেশি আমানত সরিয়ে নিয়েছেন। পরিস্থিতি সামাল দিতে ব্যাংকটি বাংলাদেশ ব্যাংকের কাছে ১০ হাজার কোটি টাকা ধার চেয়েছে, যা এখনো অনুমোদিত হয়নি। এ অবস্থায় ইসলামী ব্যাংক নিয়ে গ্রাহকদের মধ্যেও অস্থিরতা কমছে না। তারা ফের বিক্ষোভ করেছেন সচিবালয়ের সামনে, য
ইসলামী ব্যাংকের চেয়ারম্যান খুরশীদ আলমের অপসারণের দাবিতে টানা তৃতীয় দিনের মতো আন্দোলন চালিয়ে যাচ্ছে ‘সচেতন গ্রাহক ফোরামের’ সদস্যরা। বুধবার (৩ জুন) রাজধানীর দিলকুশায় ইসলামী ব্যাংক বাংলাদেশের প্রধান কার্যালয়ের সামনে থেকে একটি বিক্ষোভ মিছিল শুরু করেন তারা।
মঙ্গলবার (২ জুন) পর্যন্ত কেন্দ্রীয় ব্যাংকের তথ্য আরও বলছে, একই সময়ে দেশের ৬১টি তফসিলি ব্যাংকের মোট ঋণ বিতরণের পরিমাণ বেড়ে দাঁড়িয়েছে ১৮ লাখ ২৪ হাজার ৬৬৮ কোটি টাকায়। এর মধ্যে ৩২ দশমিক ২৬ শতাংশই এখন খেলাপি। অর্থাৎ ব্যাংক খাতে বিতরণ করা ঋণের প্রতি তিন টাকার প্রায় এক টাকা খেলাপি ঋণে পরিণত হয়েছে।
এর মধ্যে ইসলামী ব্যাংকের নতুন চেয়ারম্যান খুরশীদ আলমের বিরুদ্ধে খেলাপি ঋণ থাকার অভিযোগ উঠেছে। ব্যাংকিং ক্যারিয়ারে অর্থ আত্মসাতের দায়ে শাস্তির মুখোমুখি হওয়ার ঘটনাও প্রকাশ্যে এসেছে। এমন অবস্থায় বাংলাদেশ ব্যাংক ও সচেতন গ্রাহত ফোরামের অনড় অবস্থানে ইসলামী ব্যাংক নিয়ে সৃষ্ট সংকট ঘনীভূত হয়েছে।
নতুন চেয়ারম্যান খুরশীদ আলমের পদত্যাগ এবং ব্যাংক রেজল্যুশন অ্যাক্ট থেকে ১৮(ক) ধারা বাতিল করাসহ ৭ দফা দাবিতে দ্বিতীয় দিনের মতো রাজধানীর মতিঝিলের দিলকুশায় অবস্থান কর্মসূচি চালিয়ে যাচ্ছেন ইসলামী ব্যাংকের ‘সচেতন গ্রাহক ফোরামের’ সদস্যরা।
গত বছরের জুলাই মাসে জুবায়দুর রহমান স্বতন্ত্র পরিচালক হিসাবে ইসলামী ব্যাংকের বোর্ডে নিয়োগ পেয়েছিলেন। জুবায়দুর রহমান চেয়ারম্যানের দায়িত্বে ওবায়েদ উল্লাহ আল মাসুদের স্থলাভিষিক্ত হয়েছিলেন।
বৃহস্পতিবার (২১ মে) বাংলাদেশ ব্যাংকের মুখপাত্র আরিফ হোসেন খান এ তথ্য জানান। তিনি বলেন, বাজারে এখন চাহিদার তুলনায় ডলারের সরবরাহ বেশি। তাই রপ্তানিকারক ও প্রবাসীদের স্বার্থ রক্ষায় বাজারমূল্য ধরে রাখতে গত জুলাইয়ে ডলার কেনার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।