
প্রতিবেদক, রাজনীতি ডটকম

কর্মসংস্থান ব্যাংকের ঋণগ্রহীতাদের ঋণের কিস্তি ও সঞ্চয়ের অর্থ ডিজিটাল মাধ্যমে সহজে জমা দেওয়ার সুবিধা নিশ্চিত করতে ডাচ্-বাংলা ব্যাংক পিএলসির সঙ্গে কর্মসংস্থান ব্যাংকের একটি চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়েছে। কর্মসংস্থান ব্যাংকের জনসংযোগ কর্মকর্তা মোহাম্মদ ইমরুল হাসান অপুর সই করা এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়েছে।
মঙ্গলবার (৭ এপ্রিল) রাজধানীর হোটেল প্যান প্যাসিফিক সোনারগাঁওয়ে এ চুক্তি স্বাক্ষর অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়। চুক্তির আওতায় কর্মসংস্থান ব্যাংকের ঋণগ্রহীতারা এখন থেকে ডাচ্-বাংলা ব্যাংক পিএলসির ডিজিটাল সার্ভিসের মাধ্যমে ঋণের কিস্তি ও সঞ্চয়ের অর্থ জমা দিতে পারবেন।
নিজ নিজ প্রতিষ্ঠানের পক্ষে এ চুক্তিতে স্বাক্ষর করেন কর্মসংস্থান ব্যাংকের পরিচালন ও হিসাব মহাবিভাগের মহাব্যবস্থাপক মো. শফিকুল ইসলাম মিঞা এবং ডাচ্-বাংলা ব্যাংক পিএলসির হেড অব ব্রাঞ্চ অপারেশন অ্যান্ড লাইয়াবিলিটিজ ডিভিশন আব্দুল্লাহ আল মাসুদ।
চুক্তি স্বাক্ষর অনুষ্ঠানে কর্মসংস্থান ব্যাংকের পরিচালনা বোর্ডের চেয়ারম্যান ও সাবেক সচিব ড. এ এফ এম মতিউর রহমান, ব্যবস্থাপনা পরিচালক অরুন কুমার চৌধুরী, উপব্যবস্থাপনা পরিচালক মেহের সুলতানা, মহাব্যবস্থাপক মাহমুদা ইয়াসমীন ও মো. আমিরুল ইসলামসহ প্রধান কার্যালয়ের সব বিভাগীয় উপমহাব্যবস্থাপক উপস্থিত ছিলেন।
এ সময় ডাচ্-বাংলা ব্যাংক পিএলসির মধ্যে উপস্থিত ছিলেন ব্যবস্থাপনা পরিচালক ও সিইও মো. এহতেশামুল হক খান, উপব্যবস্থাপনা পরিচালক মো. আবেদুর রহমান শিকদার ও মো. শাহাদাত হোসেনসহ প্রতিষ্ঠানের ঊর্ধ্বতন নির্বাহীরা।
এই চুক্তির ফলে কর্মসংস্থান ব্যাংকের ২৮৯টি শাখার প্রায় ২ লাখ ৩০ হাজার ঋণগ্রহীতা ডাচ্-বাংলা ব্যাংক পিএলসির ২৪৩টি শাখা, ৩০৭টি উপশাখা, ৫ হাজার ৬২০টি এজেন্ট ব্যাংকিং আউটলেট এবং মোবাইল ব্যাংকিং সার্ভিস রকেটের ৩ লাখ ৪০ হাজার এজেন্ট পয়েন্টের মাধ্যমে ঋণের কিস্তি ও সঞ্চয়ের অর্থ জমা করতে পারবেন।

কর্মসংস্থান ব্যাংকের ঋণগ্রহীতাদের ঋণের কিস্তি ও সঞ্চয়ের অর্থ ডিজিটাল মাধ্যমে সহজে জমা দেওয়ার সুবিধা নিশ্চিত করতে ডাচ্-বাংলা ব্যাংক পিএলসির সঙ্গে কর্মসংস্থান ব্যাংকের একটি চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়েছে। কর্মসংস্থান ব্যাংকের জনসংযোগ কর্মকর্তা মোহাম্মদ ইমরুল হাসান অপুর সই করা এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়েছে।
মঙ্গলবার (৭ এপ্রিল) রাজধানীর হোটেল প্যান প্যাসিফিক সোনারগাঁওয়ে এ চুক্তি স্বাক্ষর অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়। চুক্তির আওতায় কর্মসংস্থান ব্যাংকের ঋণগ্রহীতারা এখন থেকে ডাচ্-বাংলা ব্যাংক পিএলসির ডিজিটাল সার্ভিসের মাধ্যমে ঋণের কিস্তি ও সঞ্চয়ের অর্থ জমা দিতে পারবেন।
নিজ নিজ প্রতিষ্ঠানের পক্ষে এ চুক্তিতে স্বাক্ষর করেন কর্মসংস্থান ব্যাংকের পরিচালন ও হিসাব মহাবিভাগের মহাব্যবস্থাপক মো. শফিকুল ইসলাম মিঞা এবং ডাচ্-বাংলা ব্যাংক পিএলসির হেড অব ব্রাঞ্চ অপারেশন অ্যান্ড লাইয়াবিলিটিজ ডিভিশন আব্দুল্লাহ আল মাসুদ।
চুক্তি স্বাক্ষর অনুষ্ঠানে কর্মসংস্থান ব্যাংকের পরিচালনা বোর্ডের চেয়ারম্যান ও সাবেক সচিব ড. এ এফ এম মতিউর রহমান, ব্যবস্থাপনা পরিচালক অরুন কুমার চৌধুরী, উপব্যবস্থাপনা পরিচালক মেহের সুলতানা, মহাব্যবস্থাপক মাহমুদা ইয়াসমীন ও মো. আমিরুল ইসলামসহ প্রধান কার্যালয়ের সব বিভাগীয় উপমহাব্যবস্থাপক উপস্থিত ছিলেন।
এ সময় ডাচ্-বাংলা ব্যাংক পিএলসির মধ্যে উপস্থিত ছিলেন ব্যবস্থাপনা পরিচালক ও সিইও মো. এহতেশামুল হক খান, উপব্যবস্থাপনা পরিচালক মো. আবেদুর রহমান শিকদার ও মো. শাহাদাত হোসেনসহ প্রতিষ্ঠানের ঊর্ধ্বতন নির্বাহীরা।
এই চুক্তির ফলে কর্মসংস্থান ব্যাংকের ২৮৯টি শাখার প্রায় ২ লাখ ৩০ হাজার ঋণগ্রহীতা ডাচ্-বাংলা ব্যাংক পিএলসির ২৪৩টি শাখা, ৩০৭টি উপশাখা, ৫ হাজার ৬২০টি এজেন্ট ব্যাংকিং আউটলেট এবং মোবাইল ব্যাংকিং সার্ভিস রকেটের ৩ লাখ ৪০ হাজার এজেন্ট পয়েন্টের মাধ্যমে ঋণের কিস্তি ও সঞ্চয়ের অর্থ জমা করতে পারবেন।

বেসরকারি গবেষণা সংস্থা সেন্টার ফর পলিসি ডায়ালগ (সিপিডি) ‘কালো টাকা সাদা করার সুযোগে’র তীব্র সমালোচনা করেছে। অন্যদিকে দুর্নীতিবিরোধী সংস্থা ট্রান্সপারেন্সি ইন্টারন্যাশনাল বাংলাদেশ (টিআইবি) বাজেটে ‘কালো টাকা সাদা করার সুযোগ না রাখা’য় সরকারকে ‘সতর্ক সাধুবাদ’ জানিয়েছে!
১ দিন আগে
২০২৬-২৭ অর্থবছরের প্রস্তাবিত বাজেটে ‘কালো টাকা সাদা করার সুযোগ’ রাখার সমালোচনা হলেও এনবিআর চেয়ারম্যান আব্দুর রহমান খান একে ‘কালো টাকা সাদা করার সুযোগ’ বলে মানতে রাজি নন। তিনি বলেছেন, ‘এবারের বাজেটে কালো টাকা সাদা করার কোনো প্রভিশন রাখা হয় নাই। আমার মনে হয়, আপনাদের মধ্যে একটু ভুল বোঝাবুঝি তৈরি হয়েছে।
১ দিন আগে
ইসলামী ব্যাংকের সার্বিক পরিস্থিতি এবং ব্যাংকটিতে ‘সরকারি হস্তক্ষেপ’ সংক্রান্ত অভিযোগ নিয়েও খোলামেলা কথা বলেছেন গভর্নর মোশতাকুর রহমান। তার দাবি, ব্যাংকটিকে স্থিতিশীল জায়গায় নিয়ে আসাটাই মূল লক্ষ্য।
১ দিন আগে
মূল্যস্ফীতি নিয়ন্ত্রণে ব্যবসা পরিচালনার খরচ কমানো এবং দীর্ঘমেয়াদি নীতিগত পদক্ষেপ গ্রহণের ওপর গুরুত্বারোপ করেছেন অর্থমন্ত্রী আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরী। তিনি বলেছেন, ‘মূল্যস্ফীতি তিন মাসের বিষয় নয়, দীর্ঘ পরিকল্পনার মাধ্যমে আমরা তা নিয়ন্ত্রণে আনব।’
১ দিন আগে