১২০০ টন ইলিশ রপ্তানি হবে ভারতে, প্রতি কেজি ১৫৫০ টাকা

প্রতিবেদক, রাজনীতি ডটকম

দুর্গাপূজা উপলক্ষে প্রতিবছরের মতো এ বছরও ভারতে ইলিশ রপ্তানির সিদ্ধান্ত নিয়েছে সরকার। ২০২৫ সালে মোট ১,২০০ মেট্রিক টন ইলিশ রপ্তানি করা হবে। এ জন্য বাণিজ্য মন্ত্রণালয় থেকে শর্তসাপেক্ষে রপ্তানির অনুমতি দেওয়া হবে।

প্রজ্ঞাপন অনুযায়ী, আগামী ১১ সেপ্টেম্বর বিকেল ৫টার মধ্যে আগ্রহী রপ্তানিকারকদের হার্ড কপিতে আবেদন করতে হবে। আবেদনের সঙ্গে হালনাগাদ ট্রেড লাইসেন্স, ইআরসি (রপ্তানি নিবন্ধন সনদ), আয়কর ও ভ্যাট সার্টিফিকেট, মৎস্য অধিদপ্তরের লাইসেন্স, বিক্রয় চুক্তিপত্রসহ প্রয়োজনীয় দলিল দাখিল করতে হবে।

রপ্তানি ইলিশের প্রতি কেজির ন্যূনতম মূল্য সরকার ১২.৫ মার্কিন ডলার নির্ধারণ করেছে। বর্তমান বিনিময় হার অনুযায়ী, টাকার অঙ্কে যার পরিমাণ দাঁড়ায় প্রায় ১,৫৫০ টাকা। অর্থাৎ এর নিচে কোনো অবস্থাতেই রপ্তানি করা যাবে না।

প্রজ্ঞাপনে আরও বলা হয়েছে, পূর্বে আহবান ছাড়াই যারা আবেদন করেছিলেন, তারাও নতুনভাবে আবেদন করতে বাধ্য থাকবেন।

বাণিজ্য বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, ‘‘উপযুক্ত কর্তৃপক্ষের অনুমোদনক্রমে প্রয়োজনীয় কার্যার্থে ও অবগতির জন্য এ নির্দেশনা জারি করা হলো।’’

ad
ad

অর্থের রাজনীতি থেকে আরও পড়ুন

প্রধানমন্ত্রীর মালয়েশিয়া সফরে বাণিজ্য-বিনিয়োগ ও শ্রমবাজার নিয়ে নতুন প্রত্যাশা

প্রধানমন্ত্রীর এ সফর ঘিরে সরকার ও ব্যবসায়ী মহলের প্রত্যাশা— দীর্ঘদিনের শ্রমবাজারকেন্দ্রিক বাংলাদেশ-মালয়েশিয়া সম্পর্ক এবার বাণিজ্য, বিনিয়োগ, জ্বালানি, শিক্ষা, হালাল অর্থনীতি ও প্রযুক্তি সহযোগিতার মতো নতুন ক্ষেত্রে আরও বিস্তৃত হবে।

১ দিন আগে

নিম্ন আয়ে করের চাপ বেশি, উচ্চ আয়ে তুলনামূলক কম: সিপিডি

সিপিডির নির্বাহী পরিচালক সতর্ক করে বলেন, সুস্পষ্ট জাতীয় কর্মসংস্থান কর্মসূচি ও প্রয়োজনীয় সংস্কার ছাড়া বিপুল কর্মসংস্থান সৃষ্টির লক্ষ্য বাস্তবায়ন কঠিন হবে এবং তা কেবল রাজনৈতিক অঙ্গীকার হিসেবেই থেকে যাওয়ার ঝুঁকি রয়েছে।

১ দিন আগে

কার্যক্রম স্বাভাবিক হয়ে আসছে, বিশৃঙ্খলা তৈরির চেষ্টা করলে ব্যবস্থা: ইসলামী ব্যাংক

সতর্কতামূলক এক বিজ্ঞপ্তিতে ব্যাংক কর্তৃপক্ষ বলেছে, বাংলাদেশ ব্যাংকের তারল্য সহায়তার ফলে ব্যাংকের আর্থিক কার্যক্রম ধীরে ধীরে স্বাভাবিক অবস্থায় ফিরে আসছে এবং গ্রাহকদের লেনদেনও স্বাভাবিকভাবে পরিচালিত হচ্ছে।

২ দিন আগে

১ বছরে সুইস ব্যাংকে বাংলাদেশিদের অর্থ বেড়েছে ৪১ শতাংশ

গত পাঁচ বছরের হিসাবে সুইস ব্যাংকে বাংলাদেশের নামে সবচেয়ে কম অর্থ ছিল ২০২৩ সালে। সে সময় জমার পরিমাণ নেমে এসেছিল মাত্র ১ কোটি ৭৭ লাখ সুইস ফ্রাঁতে, যার মূল্য প্রায় ২৭০ কোটি টাকা।

৩ দিন আগে