
ডেস্ক, রাজনীতি ডটকম

ইরানের সঙ্গে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের চলমান যুদ্ধ বৈশ্বিক তেলের বাজারে ভয়াবহ অস্থিরতা তৈরি করেছে। হরমুজ প্রণালি বন্ধের প্রভাবে বিশ্ব জুড়ে এই অস্থিরতা আরও তীব্র হচ্ছে। বিশ্বের প্রায় এক-পঞ্চমাংশ তেল পরিবহনের জন্য ব্যবহৃত এই রুটটি বন্ধ থাকায় হু হু করে বাড়ছে তেলের দাম।
আজ সোমবার (৯ মার্চ) আন্তর্জাতিক বাজারে অপরিশোধিত তেলের দাম এক লাফে ব্যারেলপ্রতি প্রায় ১২০ ডলারে পৌঁছেছে। কাতারভিত্তিক গণমাধ্যম আল জাজিরার খবরে বলা হয়, আন্তর্জাতিক বাজারের মানদণ্ড হিসেবে পরিচিত ব্রেন্ট ক্রুড অয়েলের দাম আজ ব্যারেলপ্রতি ১১৯.৫০ ডলার পর্যন্ত উঠেছিল। তবে পরক্ষণে কিছুটা কমে ১১২.৯৮ ডলারে লেনদেন হচ্ছে।
অন্যদিকে, যুক্তরাষ্ট্রের হালকা ও মিষ্টি অপরিশোধিত তেল বা ওয়েস্ট টেক্সাস ইন্টারমিডিয়েট (ডব্লিউটিআই)-এর দাম একসময় ১১৯.৪৮ ডলারে পৌঁছানোর পর বর্তমানে ১১০.১৭ ডলারে স্থিতিশীল রয়েছে। এক দিনে তেলের এমন ঊর্ধ্বগতি বিশ্ব অর্থনীতির জন্য বড় উদ্বেগের কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে।
বাজার বিশ্লেষক সংস্থা রাইস্টাড এনার্জি জানায়, বিশ্বের মোট তেলের প্রায় ২০ শতাংশ বা প্রতিদিন ১৫ মিলিয়ন ব্যারেল অপরিশোধিত তেল হরমুজ প্রণালির মাধ্যমে সরবরাহ করা হয়। কিন্তু ইরান ও ইসরায়েল-যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন হামলার কারণে এই রুটটি এখন অত্যন্ত ঝুঁকিপূর্ণ হয়ে উঠেছে।
সৌদি আরব, কুয়েত, ইরাক, কাতার ও সংযুক্ত আরব আমিরাতের মতো বড় রপ্তানিকারক দেশগুলো এই প্রণালির মাধ্যমে তেল পাঠায়। বর্তমানে প্রাণহানি ও জাহাজ ধ্বংসের ভয়ে ট্যাংকার চলাচল প্রায় স্থবির। রপ্তানি করতে না পারায় তেল উৎপাদনকারী দেশগুলোও সংকটে পড়েছে।
ইরাক, কুয়েত ও সংযুক্ত আরব আমিরাত ইতিমধ্যে উৎপাদন কমিয়ে দেওয়ার ঘোষণা দিয়েছে, কারণ জাহাজ চলাচল বন্ধ থাকায় স্টোরেজ ট্যাংক পূর্ণ হয়ে গেছে। এ ছাড়া, যুদ্ধের শুরুতে ইরান, ইসরায়েল ও যুক্তরাষ্ট্রের হামলায় একাধিক তেল ও গ্যাস শোধনাগার ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে, যা সরবরাহ চেইনকে পুরোপুরি ভেঙে দিয়েছে।
জ্বালানি বিশেষজ্ঞরা সতর্ক করে জানাচ্ছেন, যদি দ্রুত যুদ্ধবিরতি না ঘটে বা সরবরাহ পথ স্বাভাবিক না হয়, তেলের দাম আরও বাড়তে পারে। এর ফলে বিশ্বজুড়ে পরিবহন খরচ বৃদ্ধি এবং তীব্র মূল্যস্ফীতি দেখা দিতে পারে, এরই মধ্যে বিভিন্ন দেশের শেয়ারবাজারে যার নেতিবাচক প্রভাব দেখা দিয়েছে।

ইরানের সঙ্গে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের চলমান যুদ্ধ বৈশ্বিক তেলের বাজারে ভয়াবহ অস্থিরতা তৈরি করেছে। হরমুজ প্রণালি বন্ধের প্রভাবে বিশ্ব জুড়ে এই অস্থিরতা আরও তীব্র হচ্ছে। বিশ্বের প্রায় এক-পঞ্চমাংশ তেল পরিবহনের জন্য ব্যবহৃত এই রুটটি বন্ধ থাকায় হু হু করে বাড়ছে তেলের দাম।
আজ সোমবার (৯ মার্চ) আন্তর্জাতিক বাজারে অপরিশোধিত তেলের দাম এক লাফে ব্যারেলপ্রতি প্রায় ১২০ ডলারে পৌঁছেছে। কাতারভিত্তিক গণমাধ্যম আল জাজিরার খবরে বলা হয়, আন্তর্জাতিক বাজারের মানদণ্ড হিসেবে পরিচিত ব্রেন্ট ক্রুড অয়েলের দাম আজ ব্যারেলপ্রতি ১১৯.৫০ ডলার পর্যন্ত উঠেছিল। তবে পরক্ষণে কিছুটা কমে ১১২.৯৮ ডলারে লেনদেন হচ্ছে।
অন্যদিকে, যুক্তরাষ্ট্রের হালকা ও মিষ্টি অপরিশোধিত তেল বা ওয়েস্ট টেক্সাস ইন্টারমিডিয়েট (ডব্লিউটিআই)-এর দাম একসময় ১১৯.৪৮ ডলারে পৌঁছানোর পর বর্তমানে ১১০.১৭ ডলারে স্থিতিশীল রয়েছে। এক দিনে তেলের এমন ঊর্ধ্বগতি বিশ্ব অর্থনীতির জন্য বড় উদ্বেগের কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে।
বাজার বিশ্লেষক সংস্থা রাইস্টাড এনার্জি জানায়, বিশ্বের মোট তেলের প্রায় ২০ শতাংশ বা প্রতিদিন ১৫ মিলিয়ন ব্যারেল অপরিশোধিত তেল হরমুজ প্রণালির মাধ্যমে সরবরাহ করা হয়। কিন্তু ইরান ও ইসরায়েল-যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন হামলার কারণে এই রুটটি এখন অত্যন্ত ঝুঁকিপূর্ণ হয়ে উঠেছে।
সৌদি আরব, কুয়েত, ইরাক, কাতার ও সংযুক্ত আরব আমিরাতের মতো বড় রপ্তানিকারক দেশগুলো এই প্রণালির মাধ্যমে তেল পাঠায়। বর্তমানে প্রাণহানি ও জাহাজ ধ্বংসের ভয়ে ট্যাংকার চলাচল প্রায় স্থবির। রপ্তানি করতে না পারায় তেল উৎপাদনকারী দেশগুলোও সংকটে পড়েছে।
ইরাক, কুয়েত ও সংযুক্ত আরব আমিরাত ইতিমধ্যে উৎপাদন কমিয়ে দেওয়ার ঘোষণা দিয়েছে, কারণ জাহাজ চলাচল বন্ধ থাকায় স্টোরেজ ট্যাংক পূর্ণ হয়ে গেছে। এ ছাড়া, যুদ্ধের শুরুতে ইরান, ইসরায়েল ও যুক্তরাষ্ট্রের হামলায় একাধিক তেল ও গ্যাস শোধনাগার ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে, যা সরবরাহ চেইনকে পুরোপুরি ভেঙে দিয়েছে।
জ্বালানি বিশেষজ্ঞরা সতর্ক করে জানাচ্ছেন, যদি দ্রুত যুদ্ধবিরতি না ঘটে বা সরবরাহ পথ স্বাভাবিক না হয়, তেলের দাম আরও বাড়তে পারে। এর ফলে বিশ্বজুড়ে পরিবহন খরচ বৃদ্ধি এবং তীব্র মূল্যস্ফীতি দেখা দিতে পারে, এরই মধ্যে বিভিন্ন দেশের শেয়ারবাজারে যার নেতিবাচক প্রভাব দেখা দিয়েছে।

ডিএমডি (উপ-ব্যবস্থাপনা পরিচালক) হিসেবে অন্তত দুই বছরের অভিজ্ঞতা বাধ্যতামূলক করায় আওয়ামী লীগ সরকারের আমলে পদোন্নতি পাওয়া একাধিক বিতর্কিত কর্মকর্তা এমডি হওয়ার দৌড়ে এগিয়ে থাকলেও, সরকার পরিবর্তনের পর ডিএমডি হওয়া কর্মকর্তারা যোগ্যতা থাকা সত্ত্বেও বর্তমান নিয়োগ প্রক্রিয়ার বাইরে চলে গেছেন। ফলে নতুন নীতিমাল
১৫ ঘণ্টা আগে
আগামী করবর্ষে ব্যক্তিশ্রেণির করমুক্ত আয়সীমা ২৫ হাজার টাকা বাড়িয়ে ৪ লাখ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে। ফলে ২০২৫ সালের জুলাই থেকে ২০২৬ সালের জুন পর্যন্ত সময়ে একজন ব্যক্তি বছরে ৪ লাখ টাকা পর্যন্ত আয় করলে তাকে কোনো আয়কর দিতে হবে না।
১৬ ঘণ্টা আগে
পুঁজিবাজারকে আরও টেকসই করার লক্ষ্য তুলে ধরে অর্থমন্ত্রী বলেন, “লিস্টেড বা নন-লিস্টেড যে কোনো কোম্পানি তাদের সকল লেনদেন ব্যাংকিং চ্যানেলে সম্পাদন করলে অতিরিক্ত ২.৫ শতাংশ কর সুবিধা প্রদানের প্রস্তাব করছি।”
১৭ ঘণ্টা আগে
পশ্চিম এশিয়ার যুদ্ধ পরিস্থিতি, দেশের অভ্যন্তরীণ উৎপাদন সংকট এবং সরবরাহ ব্যবস্থার বিঘ্নের কারণে মূল্যস্ফীতি দীর্ঘদিন ধরে উচ্চ পর্যায়ে রয়েছে। মে মাসে জ্বালানি তেলের দাম বৃদ্ধির প্রভাবে খাদ্য ও খাদ্যবহির্ভূত উভয় খাতে মূল্যস্ফীতি বেড়ে ১৬ মাসের মধ্যে সর্বোচ্চ অবস্থানে পৌঁছায়।
১৮ ঘণ্টা আগে