
প্রতিবেদক, রাজনীতি ডটকম

নারায়ণগঞ্জ সদর উপজেলার ফতুল্লায় গ্যাসলাইনের লিকেজ থেকে বিস্ফোরণে দগ্ধ একই পরিবারের পাঁচ সদস্যের মধ্যে বাবার পর একে একে মারা গেছে তিন শিশুসন্তানও। বর্তমানে হাসপাতালে মৃত্যুর সঙ্গে লড়ছেন পরিবারের একমাত্র জীবিত সদস্য মা সালমা আক্তার।
আজ বৃহস্পতিবার দুপুর পৌনে ১টার দিকে মারা যায় সাত বছর বয়সী মুন্নি। এর আগে সকাল পৌনে ১০টার দিকে মারা যায় তার ভাই মুন্না (১২)। এছাড়া, বুধবার মারা যায় ছোট বোন কথা (৪)। আর গত সোমবার চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা যান তাদের বাবা আবুল কালাম।
মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন জাতীয় বার্ন ও প্লাস্টিক সার্জারি ইনস্টিটিউটের আবাসিক সার্জন ডা. শাওন বিন রহমান। তিনি জানান, মুন্নির শরীরের ৩৫ শতাংশ দগ্ধ হয়েছিল। এছাড়া সালমা আক্তার ৬০ শতাংশ দগ্ধ অবস্থায় এখনও হাসপাতালে ভর্তি রয়েছেন। তার অবস্থাও আশঙ্কাজনক।
গত রোববার সকাল ৭টার দিকে ফতুল্লার গিরিধারা এলাকার গ্রামবাংলা টাওয়ারসংলগ্ন একটি বাসায় এ দুর্ঘটনা ঘটে। দগ্ধ হন আবুল কালাম, তার স্ত্রী এবং তাদের তিন সন্তান।
প্রতিবেশী মো. হাসান জানান, বিস্ফোরণের শব্দ শুনে আশপাশের লোকজন ছুটে গিয়ে ঘরের ভেতরে আগুন দেখতে পান। পরে দগ্ধ অবস্থায় পরিবারের সদস্যদের উদ্ধার করে দ্রুত বার্ন ইনস্টিটিউটে নেওয়া হয়।
পরিবারের সদস্যদের ধারণা, রান্নাঘরে গ্যাস লিকেজ থেকে জমে থাকা গ্যাসে আগুন লাগার কারণেই বিস্ফোরণ ঘটে। নিহত আবুল কালামের ভাই মো. রাজীব জানান, তাঁদের গ্রামের বাড়ি পটুয়াখালী জেলার বাউফল থানার বালুকদিয়ে গ্রামে। ওইদিন তাঁর ভাই সবজিবিক্রেতা আবুল কালাম আড়তে যাওয়ার জন্য বাসা থেকে বের হওয়ার প্রস্তুতি নিচ্ছিলেন। খাবার খাওয়ার জন্য নিজেই আগের দিনের রান্না করা তরকারি গ্যাসের চুলায় গরম করতে যান। রান্নাঘরে দিয়াশলাই জ্বালাতেই বিস্ফোরণ হয়। তাঁদের ধারণা, গ্যাস লিকেজের কারণে রান্নাঘরে গ্যাস জমে ছিল।
রাজনীতি/একে

নারায়ণগঞ্জ সদর উপজেলার ফতুল্লায় গ্যাসলাইনের লিকেজ থেকে বিস্ফোরণে দগ্ধ একই পরিবারের পাঁচ সদস্যের মধ্যে বাবার পর একে একে মারা গেছে তিন শিশুসন্তানও। বর্তমানে হাসপাতালে মৃত্যুর সঙ্গে লড়ছেন পরিবারের একমাত্র জীবিত সদস্য মা সালমা আক্তার।
আজ বৃহস্পতিবার দুপুর পৌনে ১টার দিকে মারা যায় সাত বছর বয়সী মুন্নি। এর আগে সকাল পৌনে ১০টার দিকে মারা যায় তার ভাই মুন্না (১২)। এছাড়া, বুধবার মারা যায় ছোট বোন কথা (৪)। আর গত সোমবার চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা যান তাদের বাবা আবুল কালাম।
মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন জাতীয় বার্ন ও প্লাস্টিক সার্জারি ইনস্টিটিউটের আবাসিক সার্জন ডা. শাওন বিন রহমান। তিনি জানান, মুন্নির শরীরের ৩৫ শতাংশ দগ্ধ হয়েছিল। এছাড়া সালমা আক্তার ৬০ শতাংশ দগ্ধ অবস্থায় এখনও হাসপাতালে ভর্তি রয়েছেন। তার অবস্থাও আশঙ্কাজনক।
গত রোববার সকাল ৭টার দিকে ফতুল্লার গিরিধারা এলাকার গ্রামবাংলা টাওয়ারসংলগ্ন একটি বাসায় এ দুর্ঘটনা ঘটে। দগ্ধ হন আবুল কালাম, তার স্ত্রী এবং তাদের তিন সন্তান।
প্রতিবেশী মো. হাসান জানান, বিস্ফোরণের শব্দ শুনে আশপাশের লোকজন ছুটে গিয়ে ঘরের ভেতরে আগুন দেখতে পান। পরে দগ্ধ অবস্থায় পরিবারের সদস্যদের উদ্ধার করে দ্রুত বার্ন ইনস্টিটিউটে নেওয়া হয়।
পরিবারের সদস্যদের ধারণা, রান্নাঘরে গ্যাস লিকেজ থেকে জমে থাকা গ্যাসে আগুন লাগার কারণেই বিস্ফোরণ ঘটে। নিহত আবুল কালামের ভাই মো. রাজীব জানান, তাঁদের গ্রামের বাড়ি পটুয়াখালী জেলার বাউফল থানার বালুকদিয়ে গ্রামে। ওইদিন তাঁর ভাই সবজিবিক্রেতা আবুল কালাম আড়তে যাওয়ার জন্য বাসা থেকে বের হওয়ার প্রস্তুতি নিচ্ছিলেন। খাবার খাওয়ার জন্য নিজেই আগের দিনের রান্না করা তরকারি গ্যাসের চুলায় গরম করতে যান। রান্নাঘরে দিয়াশলাই জ্বালাতেই বিস্ফোরণ হয়। তাঁদের ধারণা, গ্যাস লিকেজের কারণে রান্নাঘরে গ্যাস জমে ছিল।
রাজনীতি/একে

গত ৩ আগস্ট রাতে ৪২ জন অভিবাসনপ্রত্যাশীকে নিয়ে একটি ইঞ্জিনচালিত নৌকা গ্রিসের উদ্দেশে লিবিয়ার তাবারুক উপকূল থেকে যাত্রা করে। জানা গেছে, নৌকায় থাকা ৪২ জনের মধ্যে ৩৮ জনই বাংলাদেশি।
১ দিন আগে
মঙ্গলবার (১৮ আগস্ট) রাত সাড়ে ১১টার দিকে শহরের পশ্চিম মেড্ডা এলাকার পুলিশ লাইন্সের ভেতরে এ ঘটনা ঘটে। আহতদের ব্রাহ্মণবাড়িয়া ২৫০ শয্যাবিশিষ্ট জেনারেল হাসপাতালসহ বিভিন্ন হাসপাতালে চিকিৎসা দেওয়া হয়েছে।
৩ দিন আগে
আহতদের মধ্যে রয়েছেন রায়পুরা সরকারি কলেজের সাবেক সাধারণ সম্পাদক আমির হোসেন, উপজেলা যুবদল সদস্য রাসেল ভূইয়া, ছাত্রদল নেতা সাইফুল ইসলাম পলাশ, উপজেলা জিয়া মঞ্চের সাধারণ সম্পাদক দ্বীন ইসলাম ও উপজেলা বিএনপির যুগ্ম আহ্বায়ক ফরিদ উদ্দিন।
৩ দিন আগে
হাইওয়ে পুলিশের তথ্য অনুযায়ী, ঢাকার যাত্রাবাড়ী থেকে চট্টগ্রাম সিটি গেট পর্যন্ত প্রায় ২৫০ কিলোমিটার মহাসড়ককে এআই নজরদারির আওতায় আনা হয়েছে। এ জন্য মহাসড়কের ৪৯০টি পয়েন্টে স্থাপন করা হয়েছে ১ হাজার ৪২৭টি ক্যামেরা।
৪ দিন আগে