
নরসিংদী প্রতিনিধি

নরসিংদীর রায়পুরা উপজেলায় ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান ফারুক হোসেনের সমর্থক ও বিএনপির নেতাকর্মীদের মধ্যে পালটাপালটি ধাওয়া ও সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। এতে বিএনপির ১৫ নেতাকর্মী আহত হয়েছেন। এ ঘটনায় জিজ্ঞাসাবাদের জন্য চারজনকে আটক করেছে পুলিশ।
মঙ্গলবার (১৮ আগস্ট) দুপুরে রায়পুরা ইউনিয়ন পরিষদের সামনে চেয়ারম্যান ফারুক হোসেনের সমর্থকরা বিক্ষোভ করেন। এ ঘটনাকে কেন্দ্র করে দুই পক্ষের মধ্যে সংঘর্ষের সূত্রপাত হয় বলে জানিয়েছেন রায়পুরা থানার পরিদর্শক (তদন্ত) টি এম ফরিদুল আলম।
আহতদের মধ্যে রয়েছেন রায়পুরা সরকারি কলেজের সাবেক সাধারণ সম্পাদক আমির হোসেন, উপজেলা যুবদল সদস্য রাসেল ভূইয়া, ছাত্রদল নেতা সাইফুল ইসলাম পলাশ, উপজেলা জিয়া মঞ্চের সাধারণ সম্পাদক দ্বীন ইসলাম ও উপজেলা বিএনপির যুগ্ম আহ্বায়ক ফরিদ উদ্দিন।
আহতদের মধ্যে দুজনকে উপজেলা হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। একজনকে উন্নত চিকিৎসার জন্য ঢাকায় পাঠানো হয়েছে। অন্যরা প্রাথমিক চিকিৎসা নিয়েছেন।
স্থানীয়রা জানান, ফারুক হোসেন গত নির্বাচনে স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করে জয়ী হন। এলাকায় তিনি ‘আওয়ামীপন্থি’ হিসেবে পরিচিত। তবে তার আওয়ামী লীগের কোনো পদ-পদবি নেই।
পুলিশ জানায়, সোমবার নরসিংদী আদালতে একটি মামলায় হাজিরা দিতে গেলে শুনানি শেষে রায়পুরা ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান ফারুক হোসেনের জামিন আবেদন নামঞ্জুর করে তাকে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেন বিচারক।
এর প্রতিবাদে মঙ্গলবার দুপুরে চেয়ারম্যান ফারুক হোসেনের সমর্থকরা মানববন্ধন ও বিক্ষোভ করছিলেন। এ সময় উপজেলা বিএনপির কয়েকজন নেতাকর্মী সেখানে গেলে দুই পক্ষের মধ্যে কথা-কাটাকাটি হয়। পরে পুলিশ গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে।
এরপর বিএনপির নেতাকর্মীরা মোটরসাইকেলে করে চেয়ারম্যানের বাড়ির দিকে গেলে সেখানে তার সমর্থকদের সঙ্গে তাদের পালটাপালটি ধাওয়া ও সংঘর্ষ হয়। এ সময় কয়েকটি মোটরসাইকেল ভাঙচুর করা হয়। কয়েকজনকে মারধর করা হয়েছে বলেও অভিযোগ পাওয়া গেছে।
এ ছাড়া রায়পুরা ইউনিয়ন বিএনপির সাধারণ সম্পাদক আল মামুন ভুইয়ার বাড়িতে হাতবোমা বিস্ফোরণের অভিযোগ পাওয়া গেছে।
আল মামুন ভুইয়া অভিযোগ করে বলেন, চেয়ারম্যানকে কারাগারে পাঠানোর পর তার অনুসারীরা হাসিমপুর বাজারে মানববন্ধন করেন। পরে তিনি তার বাড়িতে হাতবোমা বিস্ফোরণের খবর পান। রায়পুরা সদর থেকে দলের নেতারা আসার পর তাদের ওপরও হামলা করা হয় বলে অভিযোগ করেন তিনি।
রায়পুরা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মো. মাসুদ রানা বলেন, সংঘর্ষের খবর পেয়ে পুলিশ ও প্রশাসনের কর্মকর্তারা চেয়ারম্যানের বাড়ি ও বিএনপি নেতার বাড়ি পরিদর্শন করেছেন। চেয়ারম্যানের বাড়ির গেট ও ভেতরে হামলার ঘটনা ঘটেছে। এ ছাড়া চেয়ারম্যানের বাড়ির সামনে দিয়ে যাওয়ার সময় মোটরসাইকেলের বহরে লাঠিসোঁটা ও ইটপাটকেল নিয়ে হামলা করা হয়েছে।
রায়পুরা থানার পরিদর্শক (তদন্ত) টি এম ফরিদুল আলম বলেন, ফারুক হোসেনকে কারাগারে পাঠানোর পর তার অনুসারীরা মানববন্ধনের চেষ্টা করেন। এ ঘটনাকে কেন্দ্র করে বিএনপির নেতারা মামুদপুর এলাকায় গেলে চেয়ারম্যানের অনুসারীরা তাদের ওপর হামলা করেন।
তিনি আরও বলেন, এ ঘটনায় চারজনকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য আটক করা হয়েছে। অভিযোগের ভিত্তিতে পরবর্তীতে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

নরসিংদীর রায়পুরা উপজেলায় ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান ফারুক হোসেনের সমর্থক ও বিএনপির নেতাকর্মীদের মধ্যে পালটাপালটি ধাওয়া ও সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। এতে বিএনপির ১৫ নেতাকর্মী আহত হয়েছেন। এ ঘটনায় জিজ্ঞাসাবাদের জন্য চারজনকে আটক করেছে পুলিশ।
মঙ্গলবার (১৮ আগস্ট) দুপুরে রায়পুরা ইউনিয়ন পরিষদের সামনে চেয়ারম্যান ফারুক হোসেনের সমর্থকরা বিক্ষোভ করেন। এ ঘটনাকে কেন্দ্র করে দুই পক্ষের মধ্যে সংঘর্ষের সূত্রপাত হয় বলে জানিয়েছেন রায়পুরা থানার পরিদর্শক (তদন্ত) টি এম ফরিদুল আলম।
আহতদের মধ্যে রয়েছেন রায়পুরা সরকারি কলেজের সাবেক সাধারণ সম্পাদক আমির হোসেন, উপজেলা যুবদল সদস্য রাসেল ভূইয়া, ছাত্রদল নেতা সাইফুল ইসলাম পলাশ, উপজেলা জিয়া মঞ্চের সাধারণ সম্পাদক দ্বীন ইসলাম ও উপজেলা বিএনপির যুগ্ম আহ্বায়ক ফরিদ উদ্দিন।
আহতদের মধ্যে দুজনকে উপজেলা হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। একজনকে উন্নত চিকিৎসার জন্য ঢাকায় পাঠানো হয়েছে। অন্যরা প্রাথমিক চিকিৎসা নিয়েছেন।
স্থানীয়রা জানান, ফারুক হোসেন গত নির্বাচনে স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করে জয়ী হন। এলাকায় তিনি ‘আওয়ামীপন্থি’ হিসেবে পরিচিত। তবে তার আওয়ামী লীগের কোনো পদ-পদবি নেই।
পুলিশ জানায়, সোমবার নরসিংদী আদালতে একটি মামলায় হাজিরা দিতে গেলে শুনানি শেষে রায়পুরা ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান ফারুক হোসেনের জামিন আবেদন নামঞ্জুর করে তাকে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেন বিচারক।
এর প্রতিবাদে মঙ্গলবার দুপুরে চেয়ারম্যান ফারুক হোসেনের সমর্থকরা মানববন্ধন ও বিক্ষোভ করছিলেন। এ সময় উপজেলা বিএনপির কয়েকজন নেতাকর্মী সেখানে গেলে দুই পক্ষের মধ্যে কথা-কাটাকাটি হয়। পরে পুলিশ গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে।
এরপর বিএনপির নেতাকর্মীরা মোটরসাইকেলে করে চেয়ারম্যানের বাড়ির দিকে গেলে সেখানে তার সমর্থকদের সঙ্গে তাদের পালটাপালটি ধাওয়া ও সংঘর্ষ হয়। এ সময় কয়েকটি মোটরসাইকেল ভাঙচুর করা হয়। কয়েকজনকে মারধর করা হয়েছে বলেও অভিযোগ পাওয়া গেছে।
এ ছাড়া রায়পুরা ইউনিয়ন বিএনপির সাধারণ সম্পাদক আল মামুন ভুইয়ার বাড়িতে হাতবোমা বিস্ফোরণের অভিযোগ পাওয়া গেছে।
আল মামুন ভুইয়া অভিযোগ করে বলেন, চেয়ারম্যানকে কারাগারে পাঠানোর পর তার অনুসারীরা হাসিমপুর বাজারে মানববন্ধন করেন। পরে তিনি তার বাড়িতে হাতবোমা বিস্ফোরণের খবর পান। রায়পুরা সদর থেকে দলের নেতারা আসার পর তাদের ওপরও হামলা করা হয় বলে অভিযোগ করেন তিনি।
রায়পুরা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মো. মাসুদ রানা বলেন, সংঘর্ষের খবর পেয়ে পুলিশ ও প্রশাসনের কর্মকর্তারা চেয়ারম্যানের বাড়ি ও বিএনপি নেতার বাড়ি পরিদর্শন করেছেন। চেয়ারম্যানের বাড়ির গেট ও ভেতরে হামলার ঘটনা ঘটেছে। এ ছাড়া চেয়ারম্যানের বাড়ির সামনে দিয়ে যাওয়ার সময় মোটরসাইকেলের বহরে লাঠিসোঁটা ও ইটপাটকেল নিয়ে হামলা করা হয়েছে।
রায়পুরা থানার পরিদর্শক (তদন্ত) টি এম ফরিদুল আলম বলেন, ফারুক হোসেনকে কারাগারে পাঠানোর পর তার অনুসারীরা মানববন্ধনের চেষ্টা করেন। এ ঘটনাকে কেন্দ্র করে বিএনপির নেতারা মামুদপুর এলাকায় গেলে চেয়ারম্যানের অনুসারীরা তাদের ওপর হামলা করেন।
তিনি আরও বলেন, এ ঘটনায় চারজনকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য আটক করা হয়েছে। অভিযোগের ভিত্তিতে পরবর্তীতে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

ঢাকা মহানগর পুলিশের (ডিএমপি) তেজগাঁও বিভাগের অতিরিক্ত উপকমিশনার জুয়েল রানা বলেন, ছাত্রদলের স্থানীয় নেতাকর্মীদের সহযোগিতায় আজিজুল হককে আটক করা হয়। পরে তাকে গ্রেপ্তার দেখানো হয়েছে। তার বিরুদ্ধে একাধিক মামলা রয়েছে।
৫ ঘণ্টা আগে
কর্ণফুলী থানার ওসি নুর আহমদ জানান, রাত ৮টা ১৫ মিনিটের দিকে আন্দোলনকারীরা অবরোধ কর্মসূচি শেষ করে চলে যান। তিনি বলেন, “আন্দোলকারীরা তাদের কর্মসূচি শেষ করে চলে গেছেন। এখন যান চলাচল শুরু হয়েছে। যানজট কমাতে আমরা কাজ করছি।”
২০ ঘণ্টা আগে
সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানগুলো স্বাস্থ্যবিধি অনুসরণ না করে নোংরা জারে পানি সরবরাহ করছিল। পাশাপাশি বিএসটিআইয়ের মান সনদ ছাড়াই অস্বাস্থ্যকর ও নিম্নমানের পানি বাজারজাত করা হচ্ছিল। জনস্বাস্থ্য ও ভোক্তা নিরাপত্তার বিষয়টি বিবেচনায় নিয়ে অভিযানে ৬ শতাধিক পানির জার ধ্বংস করা হয়।
১ দিন আগে
রোববার (১৩ সেপ্টেম্বর) রাতে মাদারগঞ্জ থানায় আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে এ তথ্য জানান জামালপুরের সহকারী পুলিশ সুপার (মাদারগঞ্জ সার্কেল) মোস্তাফিজুর রহমান। তিনি বলেন, আদালতে দেওয়া স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দিতে জামিনুর ইসলাম ঘটনার বিস্তারিত জানিয়েছেন।
১ দিন আগে