
বিজয় কর রতন, কিশোরগঞ্জ

কিশোরগঞ্জের মিঠামইনের হেলিপ্যাড মাঠে বসেছে উপজেলার সবচেয়ে বড় পশুর হাট। সাধারণত প্রতি মঙ্গলবার উপজেলার বিভিন্ন বাজারে পশুর হাট বসলেও, কোরবানি উপলক্ষ্যে এবার তা স্থানান্তর করা হয়েছে হেলিপ্যাড মাঠে। গতকাল হাটে রেকর্ড পরিমাণ গরু, মহিষ ও ছাগল-ভেড়া উঠলেও ক্রেতা সংকটে চরম হতাশায় পড়েছেন বিক্রেতারা।
সম্প্রতি টানা বৃষ্টিপাত ও পাহাড়ি ঢলে ফসলহানির পাশাপাশি গো-খাদ্যের তীব্র সংকট এবং মহাজনের ঋণের বোঝা মাথায় নিয়ে পানির দরে নিজেদের পালিত পশু বিক্রি করে দিচ্ছেন হাওরের কৃষকরা। গো-খাদ্যের সংকটের কারণে অনেক কৃষক তাদের গোয়ালের সবকটি গরুই হাটে নিয়ে এসেছেন।
সরেজমিনে হাটে গিয়ে দেখা যায়, হেলিপ্যাড মাঠ জুড়ে পশুর কমতি না থাকলেও কৃষকদের চোখে-মুখে বিষাদের ছাপ। হাটে কোনো ভারতীয় গরুর আমদানি নেই, সম্পূর্ণ দেশি ও গৃহস্থের গরুর প্রাধান্য দেখা গেছে। বড় বড় খামারিদের চেয়ে সাধারণ কৃষকের পশুর সংখ্যাই ছিল সবচেয়ে বেশি।

হাটে আসা কৃষকরা জানান, এ বছর নিজেরা কোরবানি দেওয়ার মতো মানসিক বা আর্থিক অবস্থা তাদের নেই। আদমপুরের কৃষক মমিনউল্লা তার আঞ্চলিক ভাষায় আক্ষেপ করে বলেন, ‘আমার গোয়াইলের ৭টা গরু লইয়া আইছি বেচবার লাগি, খেতের ধান পানিতে নষ্ট হইছে, গরুর খাওন নাই। গরু পালমু কেমনে? এর লাগি সব বেইচ্চা দিছি। দুই মাস আগে যে দামে ৫টা গরু বেচতাম, অহন সেই দামে ৭টা গরু বেচতাছি।’
কৃষকদের এই নিরুপায় অবস্থার সুযোগ নিচ্ছেন দেশের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে আসা বেপারিরা। ক্রেতা সংকটের বাজারে ঢাকা, সিলেট ও চট্টগ্রামের বেপারিরা কম মূল্যে কৃষকদের কাছ থেকে গরু-মহিষ কিনে নিচ্ছেন। ঢাকার গাবতলী হাটের বেপারি সোলাইমান জানান, ‘আমরা ১ লক্ষ থেকে আড়াই লক্ষ টাকার মধ্যে দেশীয় গরুগুলো কিনছি। এবার বড় শহরগুলোতে দেশি গরুর চাহিদা বেশি। এগুলো বিভাগীয় শহরের বড় বড় হাটে তোলা হবে।’

এদিকে বড় পশুর দাম কমলেও ছাগল ও ভেড়ার দাম কিছুটা চড়া। অনেক মধ্যবিত্ত ও নিম্ন-মধ্যবিত্ত পরিবার যারা প্রতিবছর গরু কোরবানি দিতেন, তারা এবার প্রাকৃতিক দুর্যোগের ক্ষয়ক্ষতির কারণে বাজেট কমিয়ে ছাগল বা ভেড়া কোরবানি দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন। ঘাগড়া গ্রামের খালপাড় হাটির কৃষক রতন মিয়া বলেন, ‘৭০ হাজার টেহার গরু ৫২ হাজার টেহা দিয়া কিনছি, ২ মন মাংস হইব। ৪ জনে মিইল্লা কোরবানি দিমু। আজকের বাজারে গরু খুব হস্তা (সস্তা)। বনের (বন্যা) লাগি মানুষ কম দামে গরু বেইচ্চা দিতাছে।’
মিঠামইন পশুর হাটের ইজারাদার মো. শাহেরীল আলম তপন জানান, হাটে প্রচুর গরু উঠেছে এবং বেশিরভাগই পশ্চিম ও পূর্বাঞ্চলের বেপারিরা কিনে নিয়ে যাচ্ছেন। বাজারে কোনো সিন্ডিকেট নেই এবং নিরাপত্তার পর্যাপ্ত ব্যবস্থা রয়েছে। গতকাল বাজারে সর্বোচ্চ ২ লক্ষ ৫০ হাজার এবং সর্বনিম্ন ১ লক্ষ বা তার কম টাকায় দেশি গরু বিক্রি হয়েছে।
মিঠামইন উপজেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা ডা. হিজেল মাহমুদ বলেন, ‘এ বছর মিঠামইনে কোরবানির জন্য ৯ হাজার ১১টি পশু প্রস্তুত রাখা হয়েছিল। তবে আকস্মিক প্রাকৃতিক দুর্যোগের কারণে এই সংখ্যা আরও কমতে পারে। হাওরে গো-খাদ্যের তীব্র সংকট দেখা দেওয়ায় আমরা ইতোমধ্যে ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের কাছে ২৫ হাজার টন গো-খাদ্যের জরুরি চাহিদাপত্র পাঠিয়েছি।’

কিশোরগঞ্জের মিঠামইনের হেলিপ্যাড মাঠে বসেছে উপজেলার সবচেয়ে বড় পশুর হাট। সাধারণত প্রতি মঙ্গলবার উপজেলার বিভিন্ন বাজারে পশুর হাট বসলেও, কোরবানি উপলক্ষ্যে এবার তা স্থানান্তর করা হয়েছে হেলিপ্যাড মাঠে। গতকাল হাটে রেকর্ড পরিমাণ গরু, মহিষ ও ছাগল-ভেড়া উঠলেও ক্রেতা সংকটে চরম হতাশায় পড়েছেন বিক্রেতারা।
সম্প্রতি টানা বৃষ্টিপাত ও পাহাড়ি ঢলে ফসলহানির পাশাপাশি গো-খাদ্যের তীব্র সংকট এবং মহাজনের ঋণের বোঝা মাথায় নিয়ে পানির দরে নিজেদের পালিত পশু বিক্রি করে দিচ্ছেন হাওরের কৃষকরা। গো-খাদ্যের সংকটের কারণে অনেক কৃষক তাদের গোয়ালের সবকটি গরুই হাটে নিয়ে এসেছেন।
সরেজমিনে হাটে গিয়ে দেখা যায়, হেলিপ্যাড মাঠ জুড়ে পশুর কমতি না থাকলেও কৃষকদের চোখে-মুখে বিষাদের ছাপ। হাটে কোনো ভারতীয় গরুর আমদানি নেই, সম্পূর্ণ দেশি ও গৃহস্থের গরুর প্রাধান্য দেখা গেছে। বড় বড় খামারিদের চেয়ে সাধারণ কৃষকের পশুর সংখ্যাই ছিল সবচেয়ে বেশি।

হাটে আসা কৃষকরা জানান, এ বছর নিজেরা কোরবানি দেওয়ার মতো মানসিক বা আর্থিক অবস্থা তাদের নেই। আদমপুরের কৃষক মমিনউল্লা তার আঞ্চলিক ভাষায় আক্ষেপ করে বলেন, ‘আমার গোয়াইলের ৭টা গরু লইয়া আইছি বেচবার লাগি, খেতের ধান পানিতে নষ্ট হইছে, গরুর খাওন নাই। গরু পালমু কেমনে? এর লাগি সব বেইচ্চা দিছি। দুই মাস আগে যে দামে ৫টা গরু বেচতাম, অহন সেই দামে ৭টা গরু বেচতাছি।’
কৃষকদের এই নিরুপায় অবস্থার সুযোগ নিচ্ছেন দেশের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে আসা বেপারিরা। ক্রেতা সংকটের বাজারে ঢাকা, সিলেট ও চট্টগ্রামের বেপারিরা কম মূল্যে কৃষকদের কাছ থেকে গরু-মহিষ কিনে নিচ্ছেন। ঢাকার গাবতলী হাটের বেপারি সোলাইমান জানান, ‘আমরা ১ লক্ষ থেকে আড়াই লক্ষ টাকার মধ্যে দেশীয় গরুগুলো কিনছি। এবার বড় শহরগুলোতে দেশি গরুর চাহিদা বেশি। এগুলো বিভাগীয় শহরের বড় বড় হাটে তোলা হবে।’

এদিকে বড় পশুর দাম কমলেও ছাগল ও ভেড়ার দাম কিছুটা চড়া। অনেক মধ্যবিত্ত ও নিম্ন-মধ্যবিত্ত পরিবার যারা প্রতিবছর গরু কোরবানি দিতেন, তারা এবার প্রাকৃতিক দুর্যোগের ক্ষয়ক্ষতির কারণে বাজেট কমিয়ে ছাগল বা ভেড়া কোরবানি দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন। ঘাগড়া গ্রামের খালপাড় হাটির কৃষক রতন মিয়া বলেন, ‘৭০ হাজার টেহার গরু ৫২ হাজার টেহা দিয়া কিনছি, ২ মন মাংস হইব। ৪ জনে মিইল্লা কোরবানি দিমু। আজকের বাজারে গরু খুব হস্তা (সস্তা)। বনের (বন্যা) লাগি মানুষ কম দামে গরু বেইচ্চা দিতাছে।’
মিঠামইন পশুর হাটের ইজারাদার মো. শাহেরীল আলম তপন জানান, হাটে প্রচুর গরু উঠেছে এবং বেশিরভাগই পশ্চিম ও পূর্বাঞ্চলের বেপারিরা কিনে নিয়ে যাচ্ছেন। বাজারে কোনো সিন্ডিকেট নেই এবং নিরাপত্তার পর্যাপ্ত ব্যবস্থা রয়েছে। গতকাল বাজারে সর্বোচ্চ ২ লক্ষ ৫০ হাজার এবং সর্বনিম্ন ১ লক্ষ বা তার কম টাকায় দেশি গরু বিক্রি হয়েছে।
মিঠামইন উপজেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা ডা. হিজেল মাহমুদ বলেন, ‘এ বছর মিঠামইনে কোরবানির জন্য ৯ হাজার ১১টি পশু প্রস্তুত রাখা হয়েছিল। তবে আকস্মিক প্রাকৃতিক দুর্যোগের কারণে এই সংখ্যা আরও কমতে পারে। হাওরে গো-খাদ্যের তীব্র সংকট দেখা দেওয়ায় আমরা ইতোমধ্যে ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের কাছে ২৫ হাজার টন গো-খাদ্যের জরুরি চাহিদাপত্র পাঠিয়েছি।’

এক প্রত্যক্ষদর্শী নিরাপত্তাকর্মী জানান, তিনি কমপ্লেক্সের দক্ষিণ কোণে ডিউটি করছিলেন। হঠাৎ অপর পাশে দেখতে পান ৬ তলা থেকে একজন যুবক লাফ দেওয়ার ভঙ্গিতে মুহূর্তের মধ্যেই নিচে পড়ে গেছেন।
১ দিন আগে
মাহবুবুর রহমান আরও বলেন, এরই মধ্যে ঈদের দিন কোরবানি শুরুর পর আট ঘণ্টার মধ্যে শহর থেকে বর্জ্য অপসারণের ঘোষণা দেওয়া হয়েছে। সে অনুযায়ী আমরা পরিকল্পনা নিয়েছি। নগরবাসীর কাছে আমাদের অনুরোধ, তারা যেন নির্ধারিত স্থানেই কোরবানি দেন।
১ দিন আগে
বগুড়ার কাহালুতে চাকা পাংচার হয়ে রাস্তার পাশে দাঁড়িয়ে থাকা একটি বাসকে পেছন থেকে ট্রাক ধাক্কা দিলে দুইজন নিহত হয়েছেন। এ ঘটনায় আহত হয়েছেন আরও অন্তত চারজন।
১ দিন আগে
সারাদেশে যখন পবিত্র ঈদুল আজহা উদযাপনের প্রস্তুতি চলছে আগামীকাল বৃহস্পতিবারকে কেন্দ্র করে, ঠিক তখনই সৌদি আরবের সঙ্গে মিল রেখে রাজশাহীর পুঠিয়া উপজেলায় আগাম ঈদের নামাজ আদায় করেছেন কয়েকজন মুসল্লি।
১ দিন আগে