
প্রতিবেদক, রাজনীতি ডটকম

বাগেরহাটের কচুয়ায় বিএনপি ও স্বতন্ত্র প্রার্থীর সমর্থকদের মধ্যে নির্বাচন-পরবর্তী সহিংসতায় আহত ওসমান সরদার (২৯) নামের এক যুবক চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা গেছেন। আজ শনিবার (১৪ ফেব্রুয়ারি) বেলা সাড়ে ১১টার দিকে খুলনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে তাঁর মৃত্যু হয়। নিহত ব্যক্তির বড় ভাই এনামুল কবির সরদার এই তথ্য নিশ্চিত করেছেন।
নিহত ওসমান বাগেরহাট সদর উপজেলার পাড়নওয়াপাড়া গ্রামের শাহজাহান সরদারের ছেলে। তিনি ঘোড়া প্রতীকের স্বতন্ত্র প্রার্থী এম এ এইচ সেলিমের সমর্থক ছিলেন বলে জানা গেছে।
এর আগে গতকাল শুক্রবার সন্ধ্যায় কচুয়ার ধোপাখালী ইউনিয়নের ছিটাবাড়ি গ্রামে বিএনপি ও স্বতন্ত্র প্রার্থীর কর্মী-সমর্থকদের সঙ্গে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। এতে ওসমানসহ উভয় পক্ষের ১০ জন আহত হয়েছিলেন।
নিহত ব্যক্তির বড় ভাই এনামুল বলেন, ‘ওই এলাকায় ধানের শীষের লোকজন ঘোড়ার লোকজন কই গেল বলে স্বতন্ত্র প্রার্থীর সমর্থকদের খুঁজছিল। এ সময় আমার ভাইসহ কয়েকজনের সাথে তাদের কথা-কাটাকাটি হয়। একপর্যায়ে রামদা দিয়ে আমার ভাইয়ের মাথায় আঘাত করে ধানের শীষের সমর্থকেরা। পরে গুরুতর আহত অবস্থায় তাঁকে বাগেরহাট সদর হাসপাতালে নেওয়া হয়। সেখান থেকে চিকিৎসকেরা তাঁকে খুলনায় পাঠান। আজ বেলা সাড়ে ১১টায় চিকিৎসকেরা তাঁকে মৃত ঘোষণা করেন।’
বাগেরহাট মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. মাসুম খান বলেন, ‘ওসমান সরদারের মৃত্যুর খবর শুনেছি। ওই এলাকায় পুলিশ পাঠানো হয়েছে। সংঘর্ষের কারণ ও জড়িত ব্যক্তিদের শনাক্তে কাজ শুরু হয়েছে।’
সংসদ নির্বাচনে বাগেরহাট-২ (সদর-কচুয়া) আসনে বিএনপির মনোনীত প্রার্থী ছিলেন শেখ মোহাম্মদ জাকির হোসেন। একই আসনে বিএনপির ‘বিদ্রোহী’ প্রার্থী হিসেবে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেন জেলা বিএনপির সাবেক সভাপতি ও বাগেরহাট-২ আসনের সাবেক সংসদ সদস্য এম এ এইচ সেলিম। এই দুই প্রার্থীকেই বড় ব্যবধানে হারিয়ে জয়ী হয়েছেন জামায়াত মনোনীত প্রার্থী শেখ মঞ্জুরুল হক রাহাদ।

বাগেরহাটের কচুয়ায় বিএনপি ও স্বতন্ত্র প্রার্থীর সমর্থকদের মধ্যে নির্বাচন-পরবর্তী সহিংসতায় আহত ওসমান সরদার (২৯) নামের এক যুবক চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা গেছেন। আজ শনিবার (১৪ ফেব্রুয়ারি) বেলা সাড়ে ১১টার দিকে খুলনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে তাঁর মৃত্যু হয়। নিহত ব্যক্তির বড় ভাই এনামুল কবির সরদার এই তথ্য নিশ্চিত করেছেন।
নিহত ওসমান বাগেরহাট সদর উপজেলার পাড়নওয়াপাড়া গ্রামের শাহজাহান সরদারের ছেলে। তিনি ঘোড়া প্রতীকের স্বতন্ত্র প্রার্থী এম এ এইচ সেলিমের সমর্থক ছিলেন বলে জানা গেছে।
এর আগে গতকাল শুক্রবার সন্ধ্যায় কচুয়ার ধোপাখালী ইউনিয়নের ছিটাবাড়ি গ্রামে বিএনপি ও স্বতন্ত্র প্রার্থীর কর্মী-সমর্থকদের সঙ্গে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। এতে ওসমানসহ উভয় পক্ষের ১০ জন আহত হয়েছিলেন।
নিহত ব্যক্তির বড় ভাই এনামুল বলেন, ‘ওই এলাকায় ধানের শীষের লোকজন ঘোড়ার লোকজন কই গেল বলে স্বতন্ত্র প্রার্থীর সমর্থকদের খুঁজছিল। এ সময় আমার ভাইসহ কয়েকজনের সাথে তাদের কথা-কাটাকাটি হয়। একপর্যায়ে রামদা দিয়ে আমার ভাইয়ের মাথায় আঘাত করে ধানের শীষের সমর্থকেরা। পরে গুরুতর আহত অবস্থায় তাঁকে বাগেরহাট সদর হাসপাতালে নেওয়া হয়। সেখান থেকে চিকিৎসকেরা তাঁকে খুলনায় পাঠান। আজ বেলা সাড়ে ১১টায় চিকিৎসকেরা তাঁকে মৃত ঘোষণা করেন।’
বাগেরহাট মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. মাসুম খান বলেন, ‘ওসমান সরদারের মৃত্যুর খবর শুনেছি। ওই এলাকায় পুলিশ পাঠানো হয়েছে। সংঘর্ষের কারণ ও জড়িত ব্যক্তিদের শনাক্তে কাজ শুরু হয়েছে।’
সংসদ নির্বাচনে বাগেরহাট-২ (সদর-কচুয়া) আসনে বিএনপির মনোনীত প্রার্থী ছিলেন শেখ মোহাম্মদ জাকির হোসেন। একই আসনে বিএনপির ‘বিদ্রোহী’ প্রার্থী হিসেবে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেন জেলা বিএনপির সাবেক সভাপতি ও বাগেরহাট-২ আসনের সাবেক সংসদ সদস্য এম এ এইচ সেলিম। এই দুই প্রার্থীকেই বড় ব্যবধানে হারিয়ে জয়ী হয়েছেন জামায়াত মনোনীত প্রার্থী শেখ মঞ্জুরুল হক রাহাদ।

কর্মধা ইউনিয়ন পরিষদের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান মো. হেলাল আহমদ বলেন, ফটিগুলি এলাকায় জমির মালিক মাটি বিক্রি করার কারণে জমিতে গর্তের সৃষ্টি হয়। পাহাড়ি ঢল ও বৃষ্টির পানিতে জমির গর্তগুলো ভরাট হলে সাঁতার না জানা ওই তিন শিশু মারা যায়। বিষয়টি উপজেলা ও পুলিশ প্রশাসনকে জানানো হয়েছে। একসঙ্গে তিন শিশুর মারা যাওয়ার
১৬ ঘণ্টা আগে
রাজশাহী মেডিকেল কলেজ (রামেক) হাসপাতালে হামের উপসর্গ নিয়ে আরও এক শিশুর মৃত্যু হয়েছে। এ নিয়ে হাসপাতালটিতে হামের উপসর্গে মোট চার শিশুর মৃত্যু হলো। বর্তমানে এই উপসর্গ নিয়ে হাসপাতালটিতে ১১৭ জন শিশু চিকিৎসাধীন রয়েছে।
২১ ঘণ্টা আগে
ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কের কুমিল্লা অংশে পৃথক সড়ক দুর্ঘটনায় ছয়জন নিহত হয়েছেন। আজ বুধবার ভোরে জেলার দাউদকান্দি, বুড়িচং (নিমসার), চান্দিনা ও চৌদ্দগ্রাম এলাকায় এসব দুর্ঘটনা ঘটে।
১ দিন আগে
মৌলভীবাজারের জুড়ী উপজেলার গোয়ালবাড়ী ইউনিয়নের লাঠিটিলার ডোমাবাড়ি গ্রামের বাসিন্দা পরিবেশ ও সংবাদকর্মী খোর্শেদ আলম। ইউটিউব দেখে অনুপ্রাণিত হয়ে হলুদ তরমুজ চাষাবাদের শখ জাগে তার। পরীক্ষামূলকভাবে ২০২২ সালে প্রথমবারের মতো এই তরমুজ চাষ করে সফল হন তিনি। এর পর থেকে আর পেছন ফিরে তাকাতে হয়নি।
১ দিন আগে