
নান্দাইল (ময়মনসিংহ) প্রতিনিধি

ময়মনসিংহের নান্দাইল উপজেলার আচারগাঁও ইউনিয়নের সিংদই গ্রামের ইয়াসিন মিয়া (১৫) নামে এক কিশোর গত তিন সপ্তাহ ধরে নিখোঁজ রয়েছে। ছেলেকে ফিরে পেতে দিনমজুর বাবা হারুন মিয়া ও পরিবারের সদস্যদের আহাজারিতে এলাকায় হৃদয়বিদারক পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়েছে।
হারুন মিয়া জানান, তার একমাত্র ছেলে ইয়াসিন গত ৯ মার্চ রাতে একটি মোবাইল ফোনকল পেয়ে মাকে বলে বাড়ির বাইরে যায়। এরপর থেকে সে আর বাড়ি ফেরেনি। ছেলের কোনো খোঁজ না পেয়ে তিনি প্রতিবেশীদের সহায়তায় ১০ মার্চ নান্দাইল মডেল থানায় একটি সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করেন।
তবে জিডি করার ২১ দিন পেরিয়ে গেলেও এখনও নিখোঁজ ইয়াসিনের সন্ধান মেলেনি। এদিকে জিডির পর থেকেই ইয়াসিনের সঙ্গে চলাফেরা করা প্রতিবেশী ও পাশের গ্রামের তিন যুবক পলাতক রয়েছেন, যা ঘটনায় নতুন করে রহস্য সৃষ্টি করেছে।
নিখোঁজ কিশোরের বাবা হারুন মিয়া বলেন, তিনি অন্যের জমিতে কৃষিকাজ করে জীবিকা নির্বাহ করেন। গ্রামের কারও সঙ্গে তাদের কোনো বিরোধ নেই। তার ছেলে পাশের পুরহরি গ্রামের জিহাদ মিয়া (২২), ফয়সাল মিয়া (৩৫) ও সেলিম মিয়ার (২৩) সঙ্গে নিয়মিত চলাফেরা করত।
একমাত্র ছেলেকে জীবিত ফেরত চেয়ে কথা বলতে গিয়ে কান্নায় ভেঙে পড়েন এই দিনমজুর বাবা। তিনি অভিযোগ করে বলেন, এ ঘটনায় পলাতক তিন যুবকের যোগসাজশ থাকতে পারে। তার ছেলের সঙ্গে তাদের মধ্যে মোবাইল ফোনে হওয়া কথোপকথনের কিছু রেকর্ডও তার কাছে রয়েছে বলে দাবি করেন তিনি।
এ বিষয়ে নান্দাইল মডেল থানার পরিদর্শক (তদন্ত) মো. মোজাহিদুল ইসলাম এক সপ্তাহ আগে জানিয়েছিলেন, নিখোঁজ কিশোরের অবস্থান শনাক্তে প্রযুক্তির সহায়তা নেওয়া হচ্ছে এবং পুলিশ তৎপর রয়েছে।
অন্যদিকে হারুন মিয়ার অভিযোগ, সন্দেহভাজনদের জিজ্ঞাসাবাদ না করায় তারা গ্রাম ছেড়ে পালানোর সুযোগ পেয়েছে। দীর্ঘ ২১ দিনেও ছেলেকে উদ্ধার করতে না পারায় পুলিশের তৎপরতা নিয়েও প্রশ্ন তুলেছেন তিনি।
তবে ইয়াসিনকে উদ্ধারে পুলিশের তৎপরতা প্রসঙ্গে আজ বুধবার পুলিশ পরিদর্শক (তদন্ত) মোজাহিদুল ইসলাম বলেন, ‘জিডি হওয়ার পর দেশের প্রত্যেক থানায় বেতার বার্তা পাঠানো হয়েছে। ডিবি ও র্যাব তদন্ত করছে। আমাদের থানার একজন তদন্ত কর্মকর্তা তদন্ত করছেন। পুলিশ সর্বাত্মক কাজ চালিয়ে যাচ্ছে।’

ময়মনসিংহের নান্দাইল উপজেলার আচারগাঁও ইউনিয়নের সিংদই গ্রামের ইয়াসিন মিয়া (১৫) নামে এক কিশোর গত তিন সপ্তাহ ধরে নিখোঁজ রয়েছে। ছেলেকে ফিরে পেতে দিনমজুর বাবা হারুন মিয়া ও পরিবারের সদস্যদের আহাজারিতে এলাকায় হৃদয়বিদারক পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়েছে।
হারুন মিয়া জানান, তার একমাত্র ছেলে ইয়াসিন গত ৯ মার্চ রাতে একটি মোবাইল ফোনকল পেয়ে মাকে বলে বাড়ির বাইরে যায়। এরপর থেকে সে আর বাড়ি ফেরেনি। ছেলের কোনো খোঁজ না পেয়ে তিনি প্রতিবেশীদের সহায়তায় ১০ মার্চ নান্দাইল মডেল থানায় একটি সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করেন।
তবে জিডি করার ২১ দিন পেরিয়ে গেলেও এখনও নিখোঁজ ইয়াসিনের সন্ধান মেলেনি। এদিকে জিডির পর থেকেই ইয়াসিনের সঙ্গে চলাফেরা করা প্রতিবেশী ও পাশের গ্রামের তিন যুবক পলাতক রয়েছেন, যা ঘটনায় নতুন করে রহস্য সৃষ্টি করেছে।
নিখোঁজ কিশোরের বাবা হারুন মিয়া বলেন, তিনি অন্যের জমিতে কৃষিকাজ করে জীবিকা নির্বাহ করেন। গ্রামের কারও সঙ্গে তাদের কোনো বিরোধ নেই। তার ছেলে পাশের পুরহরি গ্রামের জিহাদ মিয়া (২২), ফয়সাল মিয়া (৩৫) ও সেলিম মিয়ার (২৩) সঙ্গে নিয়মিত চলাফেরা করত।
একমাত্র ছেলেকে জীবিত ফেরত চেয়ে কথা বলতে গিয়ে কান্নায় ভেঙে পড়েন এই দিনমজুর বাবা। তিনি অভিযোগ করে বলেন, এ ঘটনায় পলাতক তিন যুবকের যোগসাজশ থাকতে পারে। তার ছেলের সঙ্গে তাদের মধ্যে মোবাইল ফোনে হওয়া কথোপকথনের কিছু রেকর্ডও তার কাছে রয়েছে বলে দাবি করেন তিনি।
এ বিষয়ে নান্দাইল মডেল থানার পরিদর্শক (তদন্ত) মো. মোজাহিদুল ইসলাম এক সপ্তাহ আগে জানিয়েছিলেন, নিখোঁজ কিশোরের অবস্থান শনাক্তে প্রযুক্তির সহায়তা নেওয়া হচ্ছে এবং পুলিশ তৎপর রয়েছে।
অন্যদিকে হারুন মিয়ার অভিযোগ, সন্দেহভাজনদের জিজ্ঞাসাবাদ না করায় তারা গ্রাম ছেড়ে পালানোর সুযোগ পেয়েছে। দীর্ঘ ২১ দিনেও ছেলেকে উদ্ধার করতে না পারায় পুলিশের তৎপরতা নিয়েও প্রশ্ন তুলেছেন তিনি।
তবে ইয়াসিনকে উদ্ধারে পুলিশের তৎপরতা প্রসঙ্গে আজ বুধবার পুলিশ পরিদর্শক (তদন্ত) মোজাহিদুল ইসলাম বলেন, ‘জিডি হওয়ার পর দেশের প্রত্যেক থানায় বেতার বার্তা পাঠানো হয়েছে। ডিবি ও র্যাব তদন্ত করছে। আমাদের থানার একজন তদন্ত কর্মকর্তা তদন্ত করছেন। পুলিশ সর্বাত্মক কাজ চালিয়ে যাচ্ছে।’

বৃহস্পতিবার স্থানীয়ভাবে গুজব ছড়িয়ে পড়ে, রিয়াজ মারা মারা গেছেন। এতে তার স্বজনসহ স্থানীয়রা ক্ষুব্ধ হয়ে থানায় হামলা চালান। প্রায় শতাধিক মানুষের হামলায় পুলিশ সদস্যরা কোণঠাসা হয়ে পড়েন। এ সময় হামলাকারীরা থানায় কর্তব্যরত সহকারী উপপরিদর্শক (এএসআই) আবদুল হালিমকে মারধর করেন।
১৮ ঘণ্টা আগে
সকালে বুড়িচং উপজেলার বালিখাড়া, ভান্তি ও কামারখাড়া এলাকায় সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়, চরাঞ্চলের শত শত একর সবজি ক্ষেত পানির নিচে তলিয়ে গেছে। পানির ওপর ভেসে রয়েছে বিভিন্ন ধরনের শাকসবজি। লোকসান কিছুটা কমাতে স্থানীয় কৃষকদের কোমর সমান পানিতে নেমে অপরিপক্ব ফসল কেটে ঘরে তোলার আপ্রাণ চেষ্টা করতে দেখা গেছে।
১ দিন আগে
রাতের আঁধারে প্রবল স্রোতে নদীর পানি লোকালয়ে প্রবেশ করতে শুরু করলে মুহূর্তের মধ্যে ইসলামপুর, মাধবপুর ও আদমপুর ইউনিয়নের বিস্তীর্ণ এলাকা প্লাবিত হয়। এতে মোখাবিল, গোলের হাওর, ভান্ডারিগাঁও, গঙ্গানগর, কোনাগাঁও, বেরীগাঁও, শ্রীপুর, পাতারিগাঁও, কালারায়বিল, আধকানী, ছনগাঁও, বন্দেরগাঁও, তেইতইগাঁও, ভানুবিল ও ঘোর
১ দিন আগে
ভুক্তভোগী সদরঞ্জন দাস জানান, তিনি সুনামগঞ্জের শাল্লা উপজেলার যাত্রাপুর গ্রাম থেকে অন্য এক ব্যক্তিসহ নৌকায় করে হাঁসের বাচ্চা কিনতে কিশোরগঞ্জের তাড়াইল উপজেলার দামিহা এলাকায় যাচ্ছিলেন। পথে বর্শিকুড়া-শেরপুর সেতু সংলগ্ন এলাকায় পৌঁছালে মাথায় হেলমেট পরিহিত সাতজনের একটি সশস্ত্র দল দেশীয় অস্ত্রের মুখে তাদের
১ দিন আগে