
রাজশাহী ব্যুরো

রাজশাহীতে উৎসবমুখর পরিবেশ ও ধর্মীয় ভাবগাম্ভীর্যের মধ্য দিয়ে পবিত্র ঈদুল আজহা উদ্যাপিত হয়েছে। বৃহস্পতিবার সকাল সাড়ে ৭টায় নগরীর ঐতিহ্যবাহী হযরত শাহ মখদুম (রহ.) কেন্দ্রীয় ঈদগাহে ঈদের প্রধান জামাত অনুষ্ঠিত হয়। এতে ভূমিমন্ত্রী মিজানুর রহমান মিনুসহ কয়েক হাজার মুসল্লি অংশ নেন।
নামাজ শেষে মুসলিম উম্মাহর শান্তি, সমৃদ্ধি এবং দেশের কল্যাণ কামনা করে বিশেষ মোনাজাত করা হয়।
ঈদের নামাজ আদায়ের পর সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে ভূমিমন্ত্রী মিজানুর রহমান মিনু দেশের সার্বিক পরিস্থিতি, জাতীয় ঐক্য ও সার্বভৌমত্ব রক্ষার বিষয়ে গুরুত্বারোপ করেন। তিনি বলেন, 'বহিঃশত্রুর হাত থেকে দেশকে রক্ষা করতে হলে সবাইকে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করতে হবে। বিভেদ নয়, শান্তিপূর্ণ সহাবস্থানই দেশকে সামনের দিকে এগিয়ে নিয়ে যাবে। দেশের স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্ব রক্ষায় আমাদের সবসময় প্রস্তুত থাকতে হবে।'
তিনি আরও বলেন, দেশের স্বার্থে সব রাজনৈতিক ও সামাজিক শক্তিকে একসঙ্গে কাজ করতে হবে। জাতীয় ঐক্যের মাধ্যমেই যেকোনো সংকট মোকাবিলা সম্ভব বলেও মন্তব্য করেন তিনি।
এদিকে ঈদের প্রধান জামাত শেষে রাজশাহী সিটি কর্পোরেশনের (রাসিক) প্রশাসক মাহফুজুর রহমান রিটন কোরবানির বর্জ্য দ্রুত অপসারণে গৃহীত পরিকল্পনার কথা জানান। তিনি বলেন, ৬ থেকে ৮ ঘণ্টার মধ্যে নগরীর সব বর্জ্য অপসারণে প্রয়োজনীয় প্রস্তুতি সম্পন্ন করা হয়েছে।
তিনি আরও জানান, নগরবাসীর মাঝে বর্জ্য ফেলার ব্যাগ ও ব্লিচিং পাউডার বিতরণ করা হয়েছে। পাশাপাশি পরিচ্ছন্নতাকর্মীদের উৎসাহ দিতে বিশেষ ঈদ উপহারের অর্থও দেওয়া হয়েছে। সবার সম্মিলিত প্রচেষ্টায় দেশের অন্যান্য সিটি কর্পোরেশনের আগেই রাজশাহী মহানগরী সম্পূর্ণ বর্জ্যমুক্ত হবে বলে আশাবাদ ব্যক্ত করেন তিনি।
প্রধান জামাতে ভূমিমন্ত্রী ও রাসিক প্রশাসক ছাড়াও প্রশাসনের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা ও গণ্যমান্য ব্যক্তিরা অংশ নেন। তাঁদের মধ্যে ছিলেন বিভাগীয় কমিশনার ড. আ. ন. ম. বজলুর রশীদ, জেলা পরিষদের প্রশাসক বীর মুক্তিযোদ্ধা এরশাদ আলী ঈশা, জেলা প্রশাসক কাজী শহিদুল ইসলাম, উপ-মহাপুলিশ পরিদর্শক (ডিআইজি) মোহাম্মদ শাহজাহান এবং পুলিশ সুপার মোহাম্মদ নাঈমুল হাছান।
কেন্দ্রীয় ঈদগাহ ছাড়াও মহানগরীর বিভিন্ন এলাকায় সুবিধাজনক সময়ে ঈদের জামাত অনুষ্ঠিত হয়। টিকাপাড়া মহানগর ঈদগাহে সকাল ৭টা ও ৮টায় পৃথক দুটি জামাত অনুষ্ঠিত হয়। এছাড়া সকাল ৮টায় বড় মসজিদ সংলগ্ন সাহেব বাজার জিরোপয়েন্টে আরেকটি বড় জামাতে বিপুলসংখ্যক মুসল্লি অংশ নেন।

রাজশাহীতে উৎসবমুখর পরিবেশ ও ধর্মীয় ভাবগাম্ভীর্যের মধ্য দিয়ে পবিত্র ঈদুল আজহা উদ্যাপিত হয়েছে। বৃহস্পতিবার সকাল সাড়ে ৭টায় নগরীর ঐতিহ্যবাহী হযরত শাহ মখদুম (রহ.) কেন্দ্রীয় ঈদগাহে ঈদের প্রধান জামাত অনুষ্ঠিত হয়। এতে ভূমিমন্ত্রী মিজানুর রহমান মিনুসহ কয়েক হাজার মুসল্লি অংশ নেন।
নামাজ শেষে মুসলিম উম্মাহর শান্তি, সমৃদ্ধি এবং দেশের কল্যাণ কামনা করে বিশেষ মোনাজাত করা হয়।
ঈদের নামাজ আদায়ের পর সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে ভূমিমন্ত্রী মিজানুর রহমান মিনু দেশের সার্বিক পরিস্থিতি, জাতীয় ঐক্য ও সার্বভৌমত্ব রক্ষার বিষয়ে গুরুত্বারোপ করেন। তিনি বলেন, 'বহিঃশত্রুর হাত থেকে দেশকে রক্ষা করতে হলে সবাইকে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করতে হবে। বিভেদ নয়, শান্তিপূর্ণ সহাবস্থানই দেশকে সামনের দিকে এগিয়ে নিয়ে যাবে। দেশের স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্ব রক্ষায় আমাদের সবসময় প্রস্তুত থাকতে হবে।'
তিনি আরও বলেন, দেশের স্বার্থে সব রাজনৈতিক ও সামাজিক শক্তিকে একসঙ্গে কাজ করতে হবে। জাতীয় ঐক্যের মাধ্যমেই যেকোনো সংকট মোকাবিলা সম্ভব বলেও মন্তব্য করেন তিনি।
এদিকে ঈদের প্রধান জামাত শেষে রাজশাহী সিটি কর্পোরেশনের (রাসিক) প্রশাসক মাহফুজুর রহমান রিটন কোরবানির বর্জ্য দ্রুত অপসারণে গৃহীত পরিকল্পনার কথা জানান। তিনি বলেন, ৬ থেকে ৮ ঘণ্টার মধ্যে নগরীর সব বর্জ্য অপসারণে প্রয়োজনীয় প্রস্তুতি সম্পন্ন করা হয়েছে।
তিনি আরও জানান, নগরবাসীর মাঝে বর্জ্য ফেলার ব্যাগ ও ব্লিচিং পাউডার বিতরণ করা হয়েছে। পাশাপাশি পরিচ্ছন্নতাকর্মীদের উৎসাহ দিতে বিশেষ ঈদ উপহারের অর্থও দেওয়া হয়েছে। সবার সম্মিলিত প্রচেষ্টায় দেশের অন্যান্য সিটি কর্পোরেশনের আগেই রাজশাহী মহানগরী সম্পূর্ণ বর্জ্যমুক্ত হবে বলে আশাবাদ ব্যক্ত করেন তিনি।
প্রধান জামাতে ভূমিমন্ত্রী ও রাসিক প্রশাসক ছাড়াও প্রশাসনের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা ও গণ্যমান্য ব্যক্তিরা অংশ নেন। তাঁদের মধ্যে ছিলেন বিভাগীয় কমিশনার ড. আ. ন. ম. বজলুর রশীদ, জেলা পরিষদের প্রশাসক বীর মুক্তিযোদ্ধা এরশাদ আলী ঈশা, জেলা প্রশাসক কাজী শহিদুল ইসলাম, উপ-মহাপুলিশ পরিদর্শক (ডিআইজি) মোহাম্মদ শাহজাহান এবং পুলিশ সুপার মোহাম্মদ নাঈমুল হাছান।
কেন্দ্রীয় ঈদগাহ ছাড়াও মহানগরীর বিভিন্ন এলাকায় সুবিধাজনক সময়ে ঈদের জামাত অনুষ্ঠিত হয়। টিকাপাড়া মহানগর ঈদগাহে সকাল ৭টা ও ৮টায় পৃথক দুটি জামাত অনুষ্ঠিত হয়। এছাড়া সকাল ৮টায় বড় মসজিদ সংলগ্ন সাহেব বাজার জিরোপয়েন্টে আরেকটি বড় জামাতে বিপুলসংখ্যক মুসল্লি অংশ নেন।

গত ৩ আগস্ট রাতে ৪২ জন অভিবাসনপ্রত্যাশীকে নিয়ে একটি ইঞ্জিনচালিত নৌকা গ্রিসের উদ্দেশে লিবিয়ার তাবারুক উপকূল থেকে যাত্রা করে। জানা গেছে, নৌকায় থাকা ৪২ জনের মধ্যে ৩৮ জনই বাংলাদেশি।
১ দিন আগে
মঙ্গলবার (১৮ আগস্ট) রাত সাড়ে ১১টার দিকে শহরের পশ্চিম মেড্ডা এলাকার পুলিশ লাইন্সের ভেতরে এ ঘটনা ঘটে। আহতদের ব্রাহ্মণবাড়িয়া ২৫০ শয্যাবিশিষ্ট জেনারেল হাসপাতালসহ বিভিন্ন হাসপাতালে চিকিৎসা দেওয়া হয়েছে।
২ দিন আগে
আহতদের মধ্যে রয়েছেন রায়পুরা সরকারি কলেজের সাবেক সাধারণ সম্পাদক আমির হোসেন, উপজেলা যুবদল সদস্য রাসেল ভূইয়া, ছাত্রদল নেতা সাইফুল ইসলাম পলাশ, উপজেলা জিয়া মঞ্চের সাধারণ সম্পাদক দ্বীন ইসলাম ও উপজেলা বিএনপির যুগ্ম আহ্বায়ক ফরিদ উদ্দিন।
৩ দিন আগে
হাইওয়ে পুলিশের তথ্য অনুযায়ী, ঢাকার যাত্রাবাড়ী থেকে চট্টগ্রাম সিটি গেট পর্যন্ত প্রায় ২৫০ কিলোমিটার মহাসড়ককে এআই নজরদারির আওতায় আনা হয়েছে। এ জন্য মহাসড়কের ৪৯০টি পয়েন্টে স্থাপন করা হয়েছে ১ হাজার ৪২৭টি ক্যামেরা।
৩ দিন আগে