
বরিশাল প্রতিনিধি

কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগের বরিশালের বানারীপাড়া উপজেলা শাখার বন্ধ কার্যালয়ে জাতীয় পতাকা উত্তোলন করা হয়েছে। একই সঙ্গে কার্যালয়ের সামনে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ও সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার ছবি টানানো হয়েছে।
আজ শুক্রবার (২৭ ফেব্রুয়ারি) সকালে একটি ছবি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে ছড়িয়ে পড়লে স্থানীয়ভাবে ব্যাপক আলোচনা-সমালোচনার শুরু হয়। তবে পতাকা উত্তোলন ও ছবি টানানোর সঙ্গে জড়িত ব্যক্তিদের নাম-পরিচয় জানা যায়নি।
স্থানীয়রা জানান, শুক্রবার ভোরে আওয়ামী লীগের তৃণমূল পর্যায়ের কয়েকজন কর্মী দলীয় কার্যালয়ের শাটার ও জানালার গ্রিলের সঙ্গে জাতীয় পতাকা উত্তোলন করেন। কার্যালয়ের সামনে শেখ মুজিব ও শেখ হাসিনার ছবি টানিয়ে দ্রুত সরে পড়েন তারা।
এ বিষয়ে বানারীপাড়া পৌর বিএনপির সিনিয়র সহসভাপতি আব্দুস সালাম বলেন, ‘সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে আমরা পতাকা উত্তোলনের ছবি দেখেছি। তবে কে বা কারা রাতের আঁধারে এ কাজ করেছে, তা নিশ্চিত হওয়া যায়নি। বিষয়টি স্পষ্ট না হওয়ায় বিএনপির পক্ষ থেকে দলীয়ভাবে এখনো কোনো সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়নি।’
বানারীপাড়া থানার পরিদর্শক (ওসি) মো. মজিবুর রহমান বলেন, ‘ঘটনার বিষয়ে আমরা অবগত। তবে এখন পর্যন্ত আওয়ামী লীগের কোনো নেতাকর্মী প্রকাশ্যে এসে দায় স্বীকার করেনি। বিষয়টি গুরুত্বসহকারে দেখা হচ্ছে এবং সার্বিক পরিস্থিতির ওপর নজরদারি জোরদার করা হয়েছে।’
২০২৪ সালের গণঅভ্যুত্থানে আওয়ামী লীগ সরকারের পতনের দিন বিকেলে বিক্ষুব্ধ জনতা বানারীপাড়া উপজেলা আওয়ামী লীগ কার্যালয়ে ভাঙচুর চালায়। সেদিন থেকেই এটি তালাবদ্ধ অবস্থায় রয়েছে। দীর্ঘ ১৮ মাস পরে আজ কার্যালয়টির সামনে জাতীয় পতাকা উত্তোলন স্থানীয় রাজনৈতিক অঙ্গনে বেশ চাঞ্চল্য তৈরি করেছে।

কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগের বরিশালের বানারীপাড়া উপজেলা শাখার বন্ধ কার্যালয়ে জাতীয় পতাকা উত্তোলন করা হয়েছে। একই সঙ্গে কার্যালয়ের সামনে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ও সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার ছবি টানানো হয়েছে।
আজ শুক্রবার (২৭ ফেব্রুয়ারি) সকালে একটি ছবি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে ছড়িয়ে পড়লে স্থানীয়ভাবে ব্যাপক আলোচনা-সমালোচনার শুরু হয়। তবে পতাকা উত্তোলন ও ছবি টানানোর সঙ্গে জড়িত ব্যক্তিদের নাম-পরিচয় জানা যায়নি।
স্থানীয়রা জানান, শুক্রবার ভোরে আওয়ামী লীগের তৃণমূল পর্যায়ের কয়েকজন কর্মী দলীয় কার্যালয়ের শাটার ও জানালার গ্রিলের সঙ্গে জাতীয় পতাকা উত্তোলন করেন। কার্যালয়ের সামনে শেখ মুজিব ও শেখ হাসিনার ছবি টানিয়ে দ্রুত সরে পড়েন তারা।
এ বিষয়ে বানারীপাড়া পৌর বিএনপির সিনিয়র সহসভাপতি আব্দুস সালাম বলেন, ‘সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে আমরা পতাকা উত্তোলনের ছবি দেখেছি। তবে কে বা কারা রাতের আঁধারে এ কাজ করেছে, তা নিশ্চিত হওয়া যায়নি। বিষয়টি স্পষ্ট না হওয়ায় বিএনপির পক্ষ থেকে দলীয়ভাবে এখনো কোনো সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়নি।’
বানারীপাড়া থানার পরিদর্শক (ওসি) মো. মজিবুর রহমান বলেন, ‘ঘটনার বিষয়ে আমরা অবগত। তবে এখন পর্যন্ত আওয়ামী লীগের কোনো নেতাকর্মী প্রকাশ্যে এসে দায় স্বীকার করেনি। বিষয়টি গুরুত্বসহকারে দেখা হচ্ছে এবং সার্বিক পরিস্থিতির ওপর নজরদারি জোরদার করা হয়েছে।’
২০২৪ সালের গণঅভ্যুত্থানে আওয়ামী লীগ সরকারের পতনের দিন বিকেলে বিক্ষুব্ধ জনতা বানারীপাড়া উপজেলা আওয়ামী লীগ কার্যালয়ে ভাঙচুর চালায়। সেদিন থেকেই এটি তালাবদ্ধ অবস্থায় রয়েছে। দীর্ঘ ১৮ মাস পরে আজ কার্যালয়টির সামনে জাতীয় পতাকা উত্তোলন স্থানীয় রাজনৈতিক অঙ্গনে বেশ চাঞ্চল্য তৈরি করেছে।

নাহিদ ইসলাম বলেন, ‘কেন আমাদের গাড়ি আটকে দেওয়া হয়েছে? আমরা হবিগঞ্জে যেতে চাই। সেখানে গিয়ে আমরা আইনি পদক্ষেপ নেব।’
১ দিন আগে
জব্দ করা দুটি ট্রলার রাজীবপুর ইউনিয়ন বিএনপির যুগ্ম আহ্বায়ক ওয়াদুদ জামান মানিক ও যুগ্ম আহ্বায়ক মোশাররফ হোসেন এবং উচাখিলা ইউনিয়ন বিএনপির যুগ্ম আহ্বায়ক হাদীউল বাশার সুমনের জিম্মায় দিয়েছিল প্রশাসন। ট্রলারে ছিলেন ঈশ্বরগঞ্জ থানার এএসআই জীবন চন্দ্র বৈশ্য, কনস্টেবল বিমল চন্দ্র পাল এবং গ্রাম পুলিশ উজ্জ্বল ও
১ দিন আগে
একপর্যায়ে হাসনাত বলেন, তিনি নিজেসহ আরও দুই সংসদ সদস্য নাহিদ ইসলাম ও মাহমুদা মিতু (সংরক্ষিত আসনে) এবং এনসিপির দুজন কেন্দ্রীয় কার্যনির্বাহী সদস্য কেবল মামলা করতে যাবেন। প্রয়োজনে তারা গাড়ির চালককেও নেবেন না। পুলিশ চালক দিলে তাকে নিয়েই যাবেন তারা। তবে পুলিশ সে প্রস্তাবও মানেনি। পরে এনসিপি নেতারা ব্যারিক
১ দিন আগে
বুধবার (২২ জুলাই) পটুয়াখালী নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনাল আদালতে বাদী হিসেবে মামলাটি দায়ের করেন ওই বিধবা। আদালত মামলাটি আমলে নিয়ে পটুয়াখালী সদর থানায় এজাহার রেকর্ড করে আসামির বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার নির্দেশ দিয়েছেন।
১ দিন আগে