
রংপুর প্রতিনিধি

বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেছেন, ‘অনেক ত্যাগ-তিতিক্ষার পর যে নির্বাচনটা আমরা পেয়েছি, তা অত্যন্ত গুরুত্ব দিয়ে দেখা উচিত। যদি সঠিক সিদ্ধান্ত নিতে পারি, তাহলে আগামী পাঁচ বছরের জন্য বাংলাদেশকে আমরা শান্তিপূর্ণ ও স্থিতিশীল অবস্থার মধ্যে নিতে পারব। কিন্তু এই নির্বাচনে যদি আমরা সঠিক সিদ্ধান্ত নিতে ব্যর্থ হই, তাহলে আমরা আবার বিপদের মধ্যে পড়ব।’
ত্রয়োদশ জাতীয় নির্বাচনে ঠাকুরগাঁও-১ (সদর) আসনে বিএনপির সংসদ সদস্য প্রার্থী মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। আজ মঙ্গলবার (৩ ফেব্রুয়ারি) তার সমর্থনে ঠাকুরগাঁও পৌরসভার ৬ নম্বর ওয়ার্ডে এক নির্বাচনি সভার আয়োজন করে ঠাকুরগাঁও পৌর বিএনপি। সেখানে বেলা সাড়ে ১১টার দিকে দেওয়া বক্তব্যে মির্জা ফখরুল এসব কথা বলেন।
নির্বাচনের সময় মানুষকে নানাভাবে বিভ্রান্ত করার অভিযোগ তুলে তিনি বলেন, ‘ধর্মকে ব্যবহার করে মানুষকে বিভ্রান্ত করার চেষ্টা করা হচ্ছে। মিথ্যা প্রচারণা করা হচ্ছে। যার কারণে আমাদের সার্বিকভাবে সিদ্ধান্ত নিতে ভুল হতে পারে।’
এ ছাড়া স্বাধীনতা যুদ্ধকে নিজেদের অস্তিত্ব মন্তব্য করে বিএনপির মহাসচিব বলেন, ‘আমার কাছে মনে হয়, আমাদের শিকড়টাকে জানা উচিত। আমরা একাত্তর সালে একটা স্বাধীনতা যুদ্ধ করেছি। সেই একাত্তর সালের স্বাধীনতাযুদ্ধ আমাদের অস্তিত্ব। আমাদের নতুন দেশ দিয়েছে, ভূখণ্ড দিয়েছে, আমাদের সামনে অনেকগুলো সুযোগ সৃষ্টি করে দিয়েছে— আমাদের বেঁচে থাকার, সামনে এগিয়ে যাওয়ার। একাত্তর হলো আমাদের মূল, অস্তিত্ব। এটাকে নিয়েই আমাদের এগোতে হবে।’
একটা গোষ্ঠী একাত্তরকে পেছনে ফেলতে চায় উল্লেখ করে মির্জা ফখরুল বলেন, ‘একাত্তরকে পেছনে ফেললে অস্তিত্বকে অস্বীকার করা হবে। স্বাধীনতা যুদ্ধের প্রশ্নে আমরা আপসহীন। গণতন্ত্রের প্রশ্নে আমরা আপসহীন। উন্নয়নের স্বার্থে আমরা আপসহীন। অসাম্প্রদায়িকতার প্রশ্নেও আমরা আপসহীন। এই বিষয়গুলো হলো আমাদের ভিত্তি। এই ভিত্তি নিয়ে আমরা সামনে এগিয়ে যেতে চাই।’

বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেছেন, ‘অনেক ত্যাগ-তিতিক্ষার পর যে নির্বাচনটা আমরা পেয়েছি, তা অত্যন্ত গুরুত্ব দিয়ে দেখা উচিত। যদি সঠিক সিদ্ধান্ত নিতে পারি, তাহলে আগামী পাঁচ বছরের জন্য বাংলাদেশকে আমরা শান্তিপূর্ণ ও স্থিতিশীল অবস্থার মধ্যে নিতে পারব। কিন্তু এই নির্বাচনে যদি আমরা সঠিক সিদ্ধান্ত নিতে ব্যর্থ হই, তাহলে আমরা আবার বিপদের মধ্যে পড়ব।’
ত্রয়োদশ জাতীয় নির্বাচনে ঠাকুরগাঁও-১ (সদর) আসনে বিএনপির সংসদ সদস্য প্রার্থী মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। আজ মঙ্গলবার (৩ ফেব্রুয়ারি) তার সমর্থনে ঠাকুরগাঁও পৌরসভার ৬ নম্বর ওয়ার্ডে এক নির্বাচনি সভার আয়োজন করে ঠাকুরগাঁও পৌর বিএনপি। সেখানে বেলা সাড়ে ১১টার দিকে দেওয়া বক্তব্যে মির্জা ফখরুল এসব কথা বলেন।
নির্বাচনের সময় মানুষকে নানাভাবে বিভ্রান্ত করার অভিযোগ তুলে তিনি বলেন, ‘ধর্মকে ব্যবহার করে মানুষকে বিভ্রান্ত করার চেষ্টা করা হচ্ছে। মিথ্যা প্রচারণা করা হচ্ছে। যার কারণে আমাদের সার্বিকভাবে সিদ্ধান্ত নিতে ভুল হতে পারে।’
এ ছাড়া স্বাধীনতা যুদ্ধকে নিজেদের অস্তিত্ব মন্তব্য করে বিএনপির মহাসচিব বলেন, ‘আমার কাছে মনে হয়, আমাদের শিকড়টাকে জানা উচিত। আমরা একাত্তর সালে একটা স্বাধীনতা যুদ্ধ করেছি। সেই একাত্তর সালের স্বাধীনতাযুদ্ধ আমাদের অস্তিত্ব। আমাদের নতুন দেশ দিয়েছে, ভূখণ্ড দিয়েছে, আমাদের সামনে অনেকগুলো সুযোগ সৃষ্টি করে দিয়েছে— আমাদের বেঁচে থাকার, সামনে এগিয়ে যাওয়ার। একাত্তর হলো আমাদের মূল, অস্তিত্ব। এটাকে নিয়েই আমাদের এগোতে হবে।’
একটা গোষ্ঠী একাত্তরকে পেছনে ফেলতে চায় উল্লেখ করে মির্জা ফখরুল বলেন, ‘একাত্তরকে পেছনে ফেললে অস্তিত্বকে অস্বীকার করা হবে। স্বাধীনতা যুদ্ধের প্রশ্নে আমরা আপসহীন। গণতন্ত্রের প্রশ্নে আমরা আপসহীন। উন্নয়নের স্বার্থে আমরা আপসহীন। অসাম্প্রদায়িকতার প্রশ্নেও আমরা আপসহীন। এই বিষয়গুলো হলো আমাদের ভিত্তি। এই ভিত্তি নিয়ে আমরা সামনে এগিয়ে যেতে চাই।’

সভায় তিনি জনবান্ধব পুলিশিং নিশ্চিত করতে ন্যায়নিষ্ঠা ও সততার সঙ্গে দায়িত্ব পালনের নির্দেশ দেন। একই সঙ্গে নগরীর সার্বিক আইন-শৃঙ্খলা রক্ষা, চুরি-ছিনতাই, চাঁদাবাজি, মাদক ও দুর্নীতির বিরুদ্ধে ‘জিরো টলারেন্স’ নীতি অনুসরণের ওপর গুরুত্বারোপ করেন।
১ দিন আগে
থানায় সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করার ২১ দিন পেরিয়ে গেলেও এখনও নিখোঁজ ইয়াসিনের সন্ধান মেলেনি। এদিকে জিডির পর থেকেই ইয়াসিনের সঙ্গে চলাফেরা করা প্রতিবেশী ও পাশের গ্রামের তিন যুবক পলাতক রয়েছেন, যা ঘটনায় নতুন করে রহস্য সৃষ্টি করেছে।
১ দিন আগে
কর্মধা ইউনিয়ন পরিষদের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান মো. হেলাল আহমদ বলেন, ফটিগুলি এলাকায় জমির মালিক মাটি বিক্রি করার কারণে জমিতে গর্তের সৃষ্টি হয়। পাহাড়ি ঢল ও বৃষ্টির পানিতে জমির গর্তগুলো ভরাট হলে সাঁতার না জানা ওই তিন শিশু মারা যায়। বিষয়টি উপজেলা ও পুলিশ প্রশাসনকে জানানো হয়েছে। একসঙ্গে তিন শিশুর মারা যাওয়ার
১ দিন আগে
রাজশাহী মেডিকেল কলেজ (রামেক) হাসপাতালে হামের উপসর্গ নিয়ে আরও এক শিশুর মৃত্যু হয়েছে। এ নিয়ে হাসপাতালটিতে হামের উপসর্গে মোট চার শিশুর মৃত্যু হলো। বর্তমানে এই উপসর্গ নিয়ে হাসপাতালটিতে ১১৭ জন শিশু চিকিৎসাধীন রয়েছে।
১ দিন আগে