
পঞ্চগড় প্রতিনিধি

পঞ্চগড়ের দেবীগঞ্জে বেপরোয়া গতির একটি যাত্রীবাহী বাসের ধাক্কায় প্রাণ হারিয়েছেন এক স্কুলশিক্ষিকা ও তার পাঁচ বছর বয়সী শিশুকন্যা। এ ঘটনায় গুরুতর আহত হয়েছেন আরও দুইজন।
সোমবার গভীর রাতে দেবীগঞ্জ-সোনাহার সড়কের ধরধরা ব্রিজ সংলগ্ন মগবাজার এলাকায় এই দুর্ঘটনা ঘটে।
নিহতরা হলেন-দেবীগঞ্জ পৌর শহরের আব্দুলপুর এলাকার আজাদ হোসেনের স্ত্রী মমতাজ পারভীন ও তার পাঁচ বছর বয়সী মেয়ে মুনতাহা। মমতাজের বাবার বাড়ি দেবীগঞ্জ সদর ইউনিয়নের গজপুরী এলাকায়।
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, মমতাজ পারভীন তার দুই যমজ মেয়ে ও ভাগনেকে নিয়ে মোটরসাইকেলে করে বাড়ি ফিরছিলেন। পথে ঢাকাগামী 'নীলফামারী ট্রাভেলস' নামক একটি বাস তাদের সজোরে ধাক্কা দিলে ঘটনাস্থলেই মা ও মেয়ের মৃত্যু হয়। দুর্ঘটনায় মোটরসাইকেল চালক মনিরুল ইসলাম গুরুতর আহত হলেও মমতাজের অপর কন্যা মুবাশ্বিরা ভাগ্যক্রমে বেঁচে গেছে। মোটরসাইকেলটি চালাচ্ছিলেন মমতার ভাগনে মনিরুল ইসলাম।
প্রত্যক্ষদর্শীরা অভিযোগ করেছেন, বাসের উচ্চগতি এবং সড়কের পাশে জমে থাকা বালুর স্তূপ এই দুর্ঘটনার অন্যতম কারণ।
স্থানীয়রা জানান, সোনাহার থেকে দেবীগঞ্জের দিকে ফিরছিল মোটরসাইকেলটি। ধরধরা ব্রিজের কাছে পৌঁছালে বাসটি সামনে থেকে মোটরসাইকেলটিকে ধাক্কা দেয়। এতে মোটরসাইকেলের আরোহীরা সড়কে ছিটকে পড়েন। ঘটনাস্থলেই মা ও মেয়ের মৃত্যু হয়। পরে স্থানীয়রা তাদের উদ্ধার করে দেবীগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যান।
এদিকে, দুর্ঘটনার পর বাসটি দ্রুত চলে যায়। পরে খবর ছড়িয়ে পড়লে সোনাহার বাজার এলাকায় স্থানীয়রা বাস ও চালককে আটকে রাখেন। খবর পেয়ে দেবীগঞ্জ থানা পুলিশ বাস ও চালককে হেফাজতে নিয়ে যায়। চালক নীলফামারী জেলার ইটাখোলা মাস্টারপাড়া এলাকার মতিয়ার রহমানের ছেলে মাহাবুল ইসলাম।
দেবীগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা একেএম মনিরুজ্জামান বলেন, নিহতদের মরদেহ পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে। ঘটনায় আইনগত ব্যবস্থা প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে।

পঞ্চগড়ের দেবীগঞ্জে বেপরোয়া গতির একটি যাত্রীবাহী বাসের ধাক্কায় প্রাণ হারিয়েছেন এক স্কুলশিক্ষিকা ও তার পাঁচ বছর বয়সী শিশুকন্যা। এ ঘটনায় গুরুতর আহত হয়েছেন আরও দুইজন।
সোমবার গভীর রাতে দেবীগঞ্জ-সোনাহার সড়কের ধরধরা ব্রিজ সংলগ্ন মগবাজার এলাকায় এই দুর্ঘটনা ঘটে।
নিহতরা হলেন-দেবীগঞ্জ পৌর শহরের আব্দুলপুর এলাকার আজাদ হোসেনের স্ত্রী মমতাজ পারভীন ও তার পাঁচ বছর বয়সী মেয়ে মুনতাহা। মমতাজের বাবার বাড়ি দেবীগঞ্জ সদর ইউনিয়নের গজপুরী এলাকায়।
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, মমতাজ পারভীন তার দুই যমজ মেয়ে ও ভাগনেকে নিয়ে মোটরসাইকেলে করে বাড়ি ফিরছিলেন। পথে ঢাকাগামী 'নীলফামারী ট্রাভেলস' নামক একটি বাস তাদের সজোরে ধাক্কা দিলে ঘটনাস্থলেই মা ও মেয়ের মৃত্যু হয়। দুর্ঘটনায় মোটরসাইকেল চালক মনিরুল ইসলাম গুরুতর আহত হলেও মমতাজের অপর কন্যা মুবাশ্বিরা ভাগ্যক্রমে বেঁচে গেছে। মোটরসাইকেলটি চালাচ্ছিলেন মমতার ভাগনে মনিরুল ইসলাম।
প্রত্যক্ষদর্শীরা অভিযোগ করেছেন, বাসের উচ্চগতি এবং সড়কের পাশে জমে থাকা বালুর স্তূপ এই দুর্ঘটনার অন্যতম কারণ।
স্থানীয়রা জানান, সোনাহার থেকে দেবীগঞ্জের দিকে ফিরছিল মোটরসাইকেলটি। ধরধরা ব্রিজের কাছে পৌঁছালে বাসটি সামনে থেকে মোটরসাইকেলটিকে ধাক্কা দেয়। এতে মোটরসাইকেলের আরোহীরা সড়কে ছিটকে পড়েন। ঘটনাস্থলেই মা ও মেয়ের মৃত্যু হয়। পরে স্থানীয়রা তাদের উদ্ধার করে দেবীগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যান।
এদিকে, দুর্ঘটনার পর বাসটি দ্রুত চলে যায়। পরে খবর ছড়িয়ে পড়লে সোনাহার বাজার এলাকায় স্থানীয়রা বাস ও চালককে আটকে রাখেন। খবর পেয়ে দেবীগঞ্জ থানা পুলিশ বাস ও চালককে হেফাজতে নিয়ে যায়। চালক নীলফামারী জেলার ইটাখোলা মাস্টারপাড়া এলাকার মতিয়ার রহমানের ছেলে মাহাবুল ইসলাম।
দেবীগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা একেএম মনিরুজ্জামান বলেন, নিহতদের মরদেহ পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে। ঘটনায় আইনগত ব্যবস্থা প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে।

স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, অপরাধীদের সমান্তরাল শাসনব্যবস্থা ভেঙে দেওয়া হয়েছে এবং জঙ্গল সলিমপুরকে মূল ধারার সঙ্গে যুক্ত করতে আধুনিক রোড নেটওয়ার্কসহ ব্যাপক অবকাঠামোগত উন্নয়ন ও স্থানীয় প্রকৃত বাসিন্দাদের টেকসই পুনর্বাসনের পরিকল্পনা হাতে নিয়েছে সরকার।
৪ ঘণ্টা আগে
এই স্বীকৃতিকে ঘিরে নতুন সম্ভাবনার স্বপ্ন দেখেছিলেন স্থানীয় কারিগর ও ব্যবসায়ীরা। তবে এক বছর পেরিয়ে গেলেও শিল্পটির উন্নয়ন ও বাজার সম্প্রসারণে দৃশ্যমান কোনো উদ্যোগ না থাকায় হতাশ সংশ্লিষ্টরা।
৫ ঘণ্টা আগে
নিহত কামালের ছেলে তারেক (২৫) ও ভাতিজা ফরহাদ (২৪) দুজনের বিরুদ্ধেই ইয়াবা সেবন ও তা বিক্রির অভিযোগ রয়েছে। গতকাল রাত আনুমানিক ৯টায় রামবল্লভপুর এলাকার মিনু হাজী বাড়ি ও লেসি সরদার বাড়ির পার্শ্ববর্তী এলাকায় তাদের ইয়াবা বিক্রি ও সেবনকে কেন্দ্র করে উভয় বাড়ির কিশোরদের মধ্যে তর্কাতর্কি ও মারামারি হয়।
৮ ঘণ্টা আগে
খুলনায় একটি ভাড়াটিয়া বাসা থেকে দুই শিশুর মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। সন্ধ্যা ৬টার দিকে মহানগরীর সোনাডাঙ্গা থানাধীন দারুল আমান মহল্লার একটি বাসা থেকে তাকে উদ্ধার করা হয়। পুলিশ বলছে, আলামত সংগ্রহ ও হত্যাকারীদের চিহ্নিত করতে সিআইডির ক্রাইম সিনের টিম কল করা হয়েছে।
২০ ঘণ্টা আগে