সংসদে যাবেন বেসরকারি শিক্ষকদের নেতা সেলিম ভূঁইয়া

কুমিল্লা প্রতিনিধি
আপডেট : ১৩ ফেব্রুয়ারি ২০২৬, ০৪: ২৪
অধ্যক্ষ মো. সেলিম ভূঁইয়া। ছবি: সংগৃহীত

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে কুমিল্লা-২ (হোমনা ও তিতাস) আসনে বেসরকারি ফলাফলের ভিত্তিতে জয় পেয়েছেন অধ্যক্ষ সেলিম ভূঁইয়া। তিনি বেসরকারি শিক্ষকদের সংগঠনের নেতা।

বৃহস্পতিবার দিবাগত মধ্যরাতে বেসরকারি এ ফলাফল জানায় রিটার্নিং কর্মকর্তার কার্যালয়।

ঘোষিত ফলাফল অনুযায়ী, বিএনপির জাতীয় নির্বাহী কমিটির সাংগঠনিক সম্পাদক (কুমিল্লা বিভাগ) মো. সেলিম ভূঁইয়া পেয়েছেন পোস্টাল ভোটসহ ৭৭ হাজার ৩৭ ভোট। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী স্বতন্ত্র প্রার্থী (তালা প্রতীক) মো. আবদুল মতিন পেয়েছেন ৬৩ হাজার ৪৫ ভোট।

এ নির্বাচনে তৃতীয় সর্বোচ্চ ভোট পেয়েছেন জামায়াতে ইসলামের প্রার্থী। দাঁড়িপাল্লা প্রতীক নিয়ে তিনি পেয়েছেন ৫০ হাজার ১৩৬৬ ভোট।

শিক্ষক-কর্মচারীদের অধিকার আদায়ে দীর্ঘদিন ধরে রাজপথে আন্দোলন-সংগ্রাম চালিয়েছেন শিক্ষক নেতা সেলিম ভূঁইয়া। এমপিওভুক্ত শিক্ষকদের অবসর সুবিধা, উৎসব ভাতা ও চাকরি জাতীয়করণের দাবিতে সক্রিয় ভূমিকা পালন করেছেন তিনি।

শিক্ষক আন্দোলন ও বিএনপির রাজনীতিতে সক্রিয় থাকার কারণে বিভিন্ন সময়ে সেলিম ভূঁইয়ার বিরুদ্ধে অসংখ্য মামলা হয়েছে, তিনি গ্রেপ্তারও হয়েছিলেন। মিথ্যা ও সাজানো মামলায় তিনি কয়েকদফা কারাগারে ছিলেন। এ ছাড়া রাজনৈতিক কারণে চাকরিচ্যুত করাসহ নানা সময়ে মানসিক, শারীরিক নির্যাতন চালানো হয়েছে এই শিক্ষক নেতার ওপর।

ad
ad

মাঠের রাজনীতি থেকে আরও পড়ুন

চুয়াডাঙ্গায় কালবৈশাখীর তাণ্ডবে প্রায় ৬ কোটি টাকার ফসলহানি

চুয়াডাঙ্গায় কালবৈশাখী ঝড়ের তাণ্ডবে কলা, পেঁপে ও ধানসহ বিভিন্ন ফসলের ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে। কৃষকদের দাবি, প্রায় ৫০ হেক্টর জমির ফসল নষ্ট হয়ে আর্থিক ক্ষতির পরিমাণ দাঁড়িয়েছে প্রায় ৬ কোটি টাকা। এই বিপর্যয় থেকে ঘুরে দাঁড়াতে তারা সরকারি সহায়তা চেয়েছেন।

১ দিন আগে

নাগেশ্বরীতে ট্রাক-মাইক্রোবাস সংঘর্ষে শিশুসহ নিহত ৩

রংপুরের একটি বেসরকারি ক্লিনিক থেকে চিকিৎসা শেষে মাইক্রোবাসযোগে বাড়ি ফিরছিলেন ভুরুঙ্গামারীর একই এলাকার কয়েকজন বাসিন্দা। পথিমধ্যে কুড়িগ্রাম-ভুরুঙ্গামারী সড়কের বাঁশেরতল এলাকায় বিপরীত দিক থেকে আসা একটি ট্রাকের সঙ্গে মাইক্রোবাসটির মুখোমুখি সংঘর্ষ হয়। এতে মাইক্রোবাসটি দুমড়ে-মুচড়ে যায় এবং ঘটনাস্থলেই দুই জন

১ দিন আগে

কিশোরগঞ্জে তলিয়ে গেছে ২ হাজার হেক্টর জমির ধান, কৃষকের আহাজারি

উজান থেকে নেমে আসা পাহাড়ি ঢল ও টানা ভারী বর্ষণে কিশোরগঞ্জের হাওরাঞ্চলে আবারও দেখা দিয়েছে ফসলহানির শঙ্কা। ইটনা, মিঠামইন ও অষ্টগ্রাম উপজেলার বিস্তীর্ণ এলাকায় প্রায় ২ হাজার হেক্টর পাকা বোরো ধান পানিতে তলিয়ে গেছে। এতে স্থানীয় কৃষকদের মধ্যে চরম হতাশা বিরাজ করছে, ফসল হারিয়ে আহাজারি করছেন অনেকে।

২ দিন আগে

সুনামগঞ্জে অতিবৃষ্টি ও পাহাড়ি ঢলে ভেঙেছে দুটি বাঁধ, ডুবছে জমির ধান

টানা বৃষ্টি, পানির চাপ ও বজ্রপাতের আতঙ্কে হাওর এলাকার কৃষকরা দিশাহারা হয়ে পড়েছেন। শ্রমিক সংকট, যন্ত্রচালিত হারভেস্টর ব্যবহারে প্রতিবন্ধকতা এবং ধান শুকানোর সুযোগ না থাকায় সংকট আরও তীব্র হয়েছে। অনেক স্থানে খলায় রাখা ধানও পানিতে তলিয়ে নষ্ট হয়ে গেছে।

২ দিন আগে