
পটুয়াখালী প্রতিনিধি

পটুয়াখালীর অন্তত ২২টি গ্রামের সহস্রাধিক পরিবার উদযাপন করছে ঈদুল আজহা। প্রতি বছরের মতো এবারও সৌদি আরবের সঙ্গে মিল রেখে এসব পরিবার ঈদ উদযাপন করেছে।
শুক্রবার (৬ জুন) সকাল থেকে এ সব গ্রামে ঈদের আনন্দ ছড়িয়ে পড়েছে। ঈদের প্রধান জামাত অনুষ্ঠিত হয়েছে পটুয়াখালী সদর উপজেলার বদরপুর গ্রামের বদরপুর দরবার শরিফে সকাল ৯টায়।
শুক্রবার সকাল থেকেই নতুন পোশাক পরে শিশু-কিশোরসহ সব বয়সী মানুষ ঈদের নামাজ আদায় করতে বদরপুর দরবার শরিফ জামে মসজিদে সমবেত হতে থাকেন। প্রধান ঈদ জামাতে ইমামতি করেন বদরপুর দরবার শরিফের মেজো পির আলহাজ মাওলানা মোহাম্মাদ আরিফ বিল্লাহ রাব্বানী।

পটুয়াখালীর সদর উপজেলার বদরপুর দরবার শরিফে শুক্রবার প্রধান ঈদের জামাতের নামাজ আদায় করছেন মুসল্লিরা। ছবি: রাজনীতি ডটকম
নামাজ শেষে দেশ ও জাতি এবং বিশ্ব মুসলিম উম্মাহর জন্য শান্তি কামনা করে মোনাজাত করা হয়। পরে দরবার শরিফ মাঠে অনেকে পশু কোরবানি করতে দেখা যায়।
পটুয়াখালীর সদর উপজেলার বদরপুর গ্রামের বদরপুর দরবার শরিফের পরিচালক মোহাম্মদ নাজমুস সায়াদাত আখন্দ বলেন, এ বছরও জেলার সদর উপজেলার বদরপুর ও ছোট বিঘাই; গলাচিপা উপজেলার সেনের হাওলা, পশুরীবুনিয়া, নিজ হাওলা ও কানকুনি পাড়া; বাউফল উপজেলার মদনপুরা, শাপলাখালী, বগা, ধাউরাভাঙ্গা, সুরদী, সাবুপুরা ও আমিরাবাদ; কলাপাড়া উপজেলার লালুয়া, নিশানবাড়িয়া, মরিচবুনিয়া, উত্তর লালুয়া ও মাঝিবাড়ি; টিয়াখালীর ইটবাড়িয়া; পৌর শহরের নাইয়াপট্টি ও বাদুরতলী; এবং মিঠাগঞ্জ ইউনিয়নের সাফাখালী— এই ২২ গ্রামের কয়েক হাজার পরিবার আগাম ঈদ উদযাপন করছেন।
স্থানীয়রা জানান, এ সব এলাকার মুসলিমরা পটুয়াখালীর সদর উপজেলার বদরপুর দরবার শরিফের পির, চট্টগ্রামের সাতকানিয়া পির ও চট্টগ্রামের পটিয়ার এলাহাবাদ পিরের অনুসারী। তারা সবাই ১৯২৮ সাল থেকে এসব এলাকায় প্রতিবছর আগাম রোজা, ঈদুল ফিতর ও ঈদুল আজহা উদযাপন করে আসছেন। এ বছরও সৌদি আরবের সঙ্গে মিল রেখে বাংলাদেশের আগের দিন তারা এ ঈদুল আজহা উদযাপন করছেন।

পটুয়াখালীর অন্তত ২২টি গ্রামের সহস্রাধিক পরিবার উদযাপন করছে ঈদুল আজহা। প্রতি বছরের মতো এবারও সৌদি আরবের সঙ্গে মিল রেখে এসব পরিবার ঈদ উদযাপন করেছে।
শুক্রবার (৬ জুন) সকাল থেকে এ সব গ্রামে ঈদের আনন্দ ছড়িয়ে পড়েছে। ঈদের প্রধান জামাত অনুষ্ঠিত হয়েছে পটুয়াখালী সদর উপজেলার বদরপুর গ্রামের বদরপুর দরবার শরিফে সকাল ৯টায়।
শুক্রবার সকাল থেকেই নতুন পোশাক পরে শিশু-কিশোরসহ সব বয়সী মানুষ ঈদের নামাজ আদায় করতে বদরপুর দরবার শরিফ জামে মসজিদে সমবেত হতে থাকেন। প্রধান ঈদ জামাতে ইমামতি করেন বদরপুর দরবার শরিফের মেজো পির আলহাজ মাওলানা মোহাম্মাদ আরিফ বিল্লাহ রাব্বানী।

পটুয়াখালীর সদর উপজেলার বদরপুর দরবার শরিফে শুক্রবার প্রধান ঈদের জামাতের নামাজ আদায় করছেন মুসল্লিরা। ছবি: রাজনীতি ডটকম
নামাজ শেষে দেশ ও জাতি এবং বিশ্ব মুসলিম উম্মাহর জন্য শান্তি কামনা করে মোনাজাত করা হয়। পরে দরবার শরিফ মাঠে অনেকে পশু কোরবানি করতে দেখা যায়।
পটুয়াখালীর সদর উপজেলার বদরপুর গ্রামের বদরপুর দরবার শরিফের পরিচালক মোহাম্মদ নাজমুস সায়াদাত আখন্দ বলেন, এ বছরও জেলার সদর উপজেলার বদরপুর ও ছোট বিঘাই; গলাচিপা উপজেলার সেনের হাওলা, পশুরীবুনিয়া, নিজ হাওলা ও কানকুনি পাড়া; বাউফল উপজেলার মদনপুরা, শাপলাখালী, বগা, ধাউরাভাঙ্গা, সুরদী, সাবুপুরা ও আমিরাবাদ; কলাপাড়া উপজেলার লালুয়া, নিশানবাড়িয়া, মরিচবুনিয়া, উত্তর লালুয়া ও মাঝিবাড়ি; টিয়াখালীর ইটবাড়িয়া; পৌর শহরের নাইয়াপট্টি ও বাদুরতলী; এবং মিঠাগঞ্জ ইউনিয়নের সাফাখালী— এই ২২ গ্রামের কয়েক হাজার পরিবার আগাম ঈদ উদযাপন করছেন।
স্থানীয়রা জানান, এ সব এলাকার মুসলিমরা পটুয়াখালীর সদর উপজেলার বদরপুর দরবার শরিফের পির, চট্টগ্রামের সাতকানিয়া পির ও চট্টগ্রামের পটিয়ার এলাহাবাদ পিরের অনুসারী। তারা সবাই ১৯২৮ সাল থেকে এসব এলাকায় প্রতিবছর আগাম রোজা, ঈদুল ফিতর ও ঈদুল আজহা উদযাপন করে আসছেন। এ বছরও সৌদি আরবের সঙ্গে মিল রেখে বাংলাদেশের আগের দিন তারা এ ঈদুল আজহা উদযাপন করছেন।

গত ৩ আগস্ট রাতে ৪২ জন অভিবাসনপ্রত্যাশীকে নিয়ে একটি ইঞ্জিনচালিত নৌকা গ্রিসের উদ্দেশে লিবিয়ার তাবারুক উপকূল থেকে যাত্রা করে। জানা গেছে, নৌকায় থাকা ৪২ জনের মধ্যে ৩৮ জনই বাংলাদেশি।
১ দিন আগে
মঙ্গলবার (১৮ আগস্ট) রাত সাড়ে ১১টার দিকে শহরের পশ্চিম মেড্ডা এলাকার পুলিশ লাইন্সের ভেতরে এ ঘটনা ঘটে। আহতদের ব্রাহ্মণবাড়িয়া ২৫০ শয্যাবিশিষ্ট জেনারেল হাসপাতালসহ বিভিন্ন হাসপাতালে চিকিৎসা দেওয়া হয়েছে।
৩ দিন আগে
আহতদের মধ্যে রয়েছেন রায়পুরা সরকারি কলেজের সাবেক সাধারণ সম্পাদক আমির হোসেন, উপজেলা যুবদল সদস্য রাসেল ভূইয়া, ছাত্রদল নেতা সাইফুল ইসলাম পলাশ, উপজেলা জিয়া মঞ্চের সাধারণ সম্পাদক দ্বীন ইসলাম ও উপজেলা বিএনপির যুগ্ম আহ্বায়ক ফরিদ উদ্দিন।
৩ দিন আগে
হাইওয়ে পুলিশের তথ্য অনুযায়ী, ঢাকার যাত্রাবাড়ী থেকে চট্টগ্রাম সিটি গেট পর্যন্ত প্রায় ২৫০ কিলোমিটার মহাসড়ককে এআই নজরদারির আওতায় আনা হয়েছে। এ জন্য মহাসড়কের ৪৯০টি পয়েন্টে স্থাপন করা হয়েছে ১ হাজার ৪২৭টি ক্যামেরা।
৪ দিন আগে