
পটুয়াখালী প্রতিনিধি

নির্বাচন কমিশনের বিরুদ্ধে নিরপেক্ষতা হারানো ও প্রশাসনের বিরুদ্ধে পক্ষপাতিত্বের অভিযোগ তুলেছেন গণঅধিকার পরিষদের সভাপতি নুরুল হক নুর।
তিনি বলেন, লেভেল প্লেয়িং ফিল্ড বা সবার জন্য সমান সুযোগের পরিবেশ তৈরি না হলে কোনো নির্বাচন হবে না। বরং এ নিয়ে গণঅধিকার পরিষদ মাঠে নামবে। আগে পরিবেশ তৈরি হোক, রাজনৈতিক সন্ত্রাস বন্ধ হোক, সভা-সমাবেশের স্বাধীনতা আসুক। তারপর নির্বাচনের রোডম্যাপ হোক।
সোমবার (১৬ জুন) সন্ধ্যায় পটুয়াখালী পৌর শহরের নতুন বাজার দলীয় কার্যালয়ে জেলা গণঅধিকার পরিষদের আয়োজনে ঈদ-পরবর্তী এক সমাবেশে এসব কথা বলেন তিনি। সভায় নুর দলের কেন্দ্রীয় নেতা শহীদুল ইসলাম ফাহিমকে পটুয়াখালী-১ (সদর, মির্জাগঞ্জ ও দুমকি) আসনের প্রার্থী ঘোষণা করেন।
জেলা গণঅধিকার পরিষদের আহ্বায়ক সৈয়দ নজরুল ইসলাম লিটুর সভাপতিত্বে আয়োজিত সভায় নুরুল হক নুর আরও বলেন, দেশে এখনো লুটপাট, দখলদারি ও রাজনৈতিক নিপীড়ন চলছে। প্রশাসনকে দলীয় স্বার্থে ব্যবহার করা হচ্ছে। ডিসি-এসপিদের দিয়ে নির্বাচনি মাঠ সাজানো হচ্ছে। সবই অতীতের পুনরাবৃত্তি। এই প্রশাসন দিয়ে কোনো নির্বাচন হতে পারে না।
সমাবেশে কোনো রাজনৈতিক দলের নাম উল্লেখ না করে ডাকসুর সাবেক এই ভিপি বলেন, তারা বলে, আমাদের চামড়া তুলে নেবে। আমরা কি ললিপপ চুষব? আসেন চামড়া তুলতে, আমরা প্লেয়ার। খেলতে জানি, খেলি কিন্তু ফাউল খেলি না। সময় এলে আমরাও মাঠে নামব।
একটি রাজনৈতিক দল ছাড়া আর কোনো দল মাঠে থাকতে পারছে না অভিযোগ করে নুরুল হক নূর প্রশ্ন তোলেন— তাহলে নির্বাচন কেমন করে সম্ভব?
পটুয়াখালীর জেলা প্রশাসকের বিরুদ্ধে পক্ষপাতিত্বের অভিযোগ তুলে গণঅধিকার পরিষদের সভাপতি নুর বলেন, এই জেলা প্রশাসক থাকলে সেটি পটুয়াখালীবাসীর জন্য ক্ষতির। জেলা প্রশাসকের অপসারণও দাবি করেন তিনি।
সভায় আরও বক্তব্য রাখেন গণঅধিকার পরিষদের কেন্দ্রীয় অর্থ সম্পাদক শহীদুল ইসলাম ফাহিম, প্রচার সম্পাদক মো. শহিদুল ইসলাম, জেলা সদস্য সচিব মো. শাহ আলম সিকদার, ছাত্র অধিকার পরিষদের সভাপতি মো. মহসিন ইসলামসহ অন্যরা।

নির্বাচন কমিশনের বিরুদ্ধে নিরপেক্ষতা হারানো ও প্রশাসনের বিরুদ্ধে পক্ষপাতিত্বের অভিযোগ তুলেছেন গণঅধিকার পরিষদের সভাপতি নুরুল হক নুর।
তিনি বলেন, লেভেল প্লেয়িং ফিল্ড বা সবার জন্য সমান সুযোগের পরিবেশ তৈরি না হলে কোনো নির্বাচন হবে না। বরং এ নিয়ে গণঅধিকার পরিষদ মাঠে নামবে। আগে পরিবেশ তৈরি হোক, রাজনৈতিক সন্ত্রাস বন্ধ হোক, সভা-সমাবেশের স্বাধীনতা আসুক। তারপর নির্বাচনের রোডম্যাপ হোক।
সোমবার (১৬ জুন) সন্ধ্যায় পটুয়াখালী পৌর শহরের নতুন বাজার দলীয় কার্যালয়ে জেলা গণঅধিকার পরিষদের আয়োজনে ঈদ-পরবর্তী এক সমাবেশে এসব কথা বলেন তিনি। সভায় নুর দলের কেন্দ্রীয় নেতা শহীদুল ইসলাম ফাহিমকে পটুয়াখালী-১ (সদর, মির্জাগঞ্জ ও দুমকি) আসনের প্রার্থী ঘোষণা করেন।
জেলা গণঅধিকার পরিষদের আহ্বায়ক সৈয়দ নজরুল ইসলাম লিটুর সভাপতিত্বে আয়োজিত সভায় নুরুল হক নুর আরও বলেন, দেশে এখনো লুটপাট, দখলদারি ও রাজনৈতিক নিপীড়ন চলছে। প্রশাসনকে দলীয় স্বার্থে ব্যবহার করা হচ্ছে। ডিসি-এসপিদের দিয়ে নির্বাচনি মাঠ সাজানো হচ্ছে। সবই অতীতের পুনরাবৃত্তি। এই প্রশাসন দিয়ে কোনো নির্বাচন হতে পারে না।
সমাবেশে কোনো রাজনৈতিক দলের নাম উল্লেখ না করে ডাকসুর সাবেক এই ভিপি বলেন, তারা বলে, আমাদের চামড়া তুলে নেবে। আমরা কি ললিপপ চুষব? আসেন চামড়া তুলতে, আমরা প্লেয়ার। খেলতে জানি, খেলি কিন্তু ফাউল খেলি না। সময় এলে আমরাও মাঠে নামব।
একটি রাজনৈতিক দল ছাড়া আর কোনো দল মাঠে থাকতে পারছে না অভিযোগ করে নুরুল হক নূর প্রশ্ন তোলেন— তাহলে নির্বাচন কেমন করে সম্ভব?
পটুয়াখালীর জেলা প্রশাসকের বিরুদ্ধে পক্ষপাতিত্বের অভিযোগ তুলে গণঅধিকার পরিষদের সভাপতি নুর বলেন, এই জেলা প্রশাসক থাকলে সেটি পটুয়াখালীবাসীর জন্য ক্ষতির। জেলা প্রশাসকের অপসারণও দাবি করেন তিনি।
সভায় আরও বক্তব্য রাখেন গণঅধিকার পরিষদের কেন্দ্রীয় অর্থ সম্পাদক শহীদুল ইসলাম ফাহিম, প্রচার সম্পাদক মো. শহিদুল ইসলাম, জেলা সদস্য সচিব মো. শাহ আলম সিকদার, ছাত্র অধিকার পরিষদের সভাপতি মো. মহসিন ইসলামসহ অন্যরা।

গত ৩ আগস্ট রাতে ৪২ জন অভিবাসনপ্রত্যাশীকে নিয়ে একটি ইঞ্জিনচালিত নৌকা গ্রিসের উদ্দেশে লিবিয়ার তাবারুক উপকূল থেকে যাত্রা করে। জানা গেছে, নৌকায় থাকা ৪২ জনের মধ্যে ৩৮ জনই বাংলাদেশি।
১ দিন আগে
মঙ্গলবার (১৮ আগস্ট) রাত সাড়ে ১১টার দিকে শহরের পশ্চিম মেড্ডা এলাকার পুলিশ লাইন্সের ভেতরে এ ঘটনা ঘটে। আহতদের ব্রাহ্মণবাড়িয়া ২৫০ শয্যাবিশিষ্ট জেনারেল হাসপাতালসহ বিভিন্ন হাসপাতালে চিকিৎসা দেওয়া হয়েছে।
৩ দিন আগে
আহতদের মধ্যে রয়েছেন রায়পুরা সরকারি কলেজের সাবেক সাধারণ সম্পাদক আমির হোসেন, উপজেলা যুবদল সদস্য রাসেল ভূইয়া, ছাত্রদল নেতা সাইফুল ইসলাম পলাশ, উপজেলা জিয়া মঞ্চের সাধারণ সম্পাদক দ্বীন ইসলাম ও উপজেলা বিএনপির যুগ্ম আহ্বায়ক ফরিদ উদ্দিন।
৩ দিন আগে
হাইওয়ে পুলিশের তথ্য অনুযায়ী, ঢাকার যাত্রাবাড়ী থেকে চট্টগ্রাম সিটি গেট পর্যন্ত প্রায় ২৫০ কিলোমিটার মহাসড়ককে এআই নজরদারির আওতায় আনা হয়েছে। এ জন্য মহাসড়কের ৪৯০টি পয়েন্টে স্থাপন করা হয়েছে ১ হাজার ৪২৭টি ক্যামেরা।
৪ দিন আগে