
ভোলা প্রতিনিধি

ভোলা শহরের নতুন বাজারে অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদ অভিযানকালে হামলা ও অগ্নিসংযোগের ঘটনা ঘটেছে। এ সময় পৌরসভার তিনটি ময়লা ও মালামাল পরিবহনের গাড়িতে (ট্রাক) আগুন দেওয়া হয়। এ ঘটনায় দুই পক্ষের সংঘর্ষে অন্তত ১৫ জন পরিচ্ছন্নতাকর্মী আহত হয়েছেন। তাদের মধ্যে ৬ জনকে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। শনিবার (২৫ অক্টোবর) বিকাল পৌনে ৫টার দিকে এ ঘটনা ঘটে।
প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, বিকালে পৌরসভার কর্মীরা নতুন বাজার চত্বরের মুক্তিযোদ্ধা সংসদ ভবনের পাশে অবৈধ দোকান উচ্ছেদ করে গাড়িতে মালামাল তুলছিলেন। এ সময় বিক্ষুব্ধ ব্যবসায়ীরা বাধা দিলে বাগবিতণ্ডার একপর্যায়ে সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়ে দুই পক্ষ।
পৌরসভার উচ্ছেদ অভিযানের কর্মী (আনাসার-ভিডিপি) আবুল কালাম আজাদ অভিযোগ করেন, তাদের ওপর হামলা চালিয়ে মারধর করা হয়। এতে কমপক্ষে ১৫ জন আহত হয়েছেন। পরে পৌরসভার তিনটি গাড়িতে আগুন ধরিয়ে দেওয়া হয়। সংঘবদ্ধ ওই চক্রটি আগুন দেওয়া গাড়ির কাছে কাউকে যেতে দেয়নি।
এদিকে, স্থানীয়দের সহায়তায় ও পরে ফায়ার সার্ভিসের কর্মীরা পৌঁছে প্রায় আধা ঘণ্টা পর আগুন নিয়ন্ত্রণে আনা হয়। তবে তার আগেই গাড়িগুলোর বডি ও ইঞ্জিনসহ অনেকাংশ পুড়ে যায়।
এ বিষয়ে ব্যবসায়ীদের বক্তব্য পাওয়া যায়নি।
ভোলা পৌরসভার প্রশাসক মিজানুর রহমান সাংবাদিকদের জানান, নতুন বাজারে অবৈধ দোকান উচ্ছেদ করার সময় বিক্ষুব্ধ ব্যবসায়ীরা তিনটি গাড়িতে আগুন ধরিয়ে দিয়েছেন। ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ নিরূপণের কাজ চলছে। এ ঘটনায় দায়ীদের বিরুদ্ধে মামলা করা হবে এবং উচ্ছেদ অভিযান অব্যাহত থাকবে।
ঘটনার পর জেলা প্রশাসক আজাদ জাহান ঘটনাস্থল পরিদর্শন করে তদন্তের আশ্বাস দেন। বর্তমানে এলাকায় অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে এবং পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রয়েছে।
ভোলা মডেল থানার ওসি আবু শাহাদাৎ মো. হাছনাইন পারভেজ বলেন, উচ্ছেদ অভিযানে আগে থেকে পুলিশ চাওয়া হয়নি। তবে তদন্ত সাপেক্ষে এ ঘটনায় জড়িতদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

ভোলা শহরের নতুন বাজারে অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদ অভিযানকালে হামলা ও অগ্নিসংযোগের ঘটনা ঘটেছে। এ সময় পৌরসভার তিনটি ময়লা ও মালামাল পরিবহনের গাড়িতে (ট্রাক) আগুন দেওয়া হয়। এ ঘটনায় দুই পক্ষের সংঘর্ষে অন্তত ১৫ জন পরিচ্ছন্নতাকর্মী আহত হয়েছেন। তাদের মধ্যে ৬ জনকে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। শনিবার (২৫ অক্টোবর) বিকাল পৌনে ৫টার দিকে এ ঘটনা ঘটে।
প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, বিকালে পৌরসভার কর্মীরা নতুন বাজার চত্বরের মুক্তিযোদ্ধা সংসদ ভবনের পাশে অবৈধ দোকান উচ্ছেদ করে গাড়িতে মালামাল তুলছিলেন। এ সময় বিক্ষুব্ধ ব্যবসায়ীরা বাধা দিলে বাগবিতণ্ডার একপর্যায়ে সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়ে দুই পক্ষ।
পৌরসভার উচ্ছেদ অভিযানের কর্মী (আনাসার-ভিডিপি) আবুল কালাম আজাদ অভিযোগ করেন, তাদের ওপর হামলা চালিয়ে মারধর করা হয়। এতে কমপক্ষে ১৫ জন আহত হয়েছেন। পরে পৌরসভার তিনটি গাড়িতে আগুন ধরিয়ে দেওয়া হয়। সংঘবদ্ধ ওই চক্রটি আগুন দেওয়া গাড়ির কাছে কাউকে যেতে দেয়নি।
এদিকে, স্থানীয়দের সহায়তায় ও পরে ফায়ার সার্ভিসের কর্মীরা পৌঁছে প্রায় আধা ঘণ্টা পর আগুন নিয়ন্ত্রণে আনা হয়। তবে তার আগেই গাড়িগুলোর বডি ও ইঞ্জিনসহ অনেকাংশ পুড়ে যায়।
এ বিষয়ে ব্যবসায়ীদের বক্তব্য পাওয়া যায়নি।
ভোলা পৌরসভার প্রশাসক মিজানুর রহমান সাংবাদিকদের জানান, নতুন বাজারে অবৈধ দোকান উচ্ছেদ করার সময় বিক্ষুব্ধ ব্যবসায়ীরা তিনটি গাড়িতে আগুন ধরিয়ে দিয়েছেন। ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ নিরূপণের কাজ চলছে। এ ঘটনায় দায়ীদের বিরুদ্ধে মামলা করা হবে এবং উচ্ছেদ অভিযান অব্যাহত থাকবে।
ঘটনার পর জেলা প্রশাসক আজাদ জাহান ঘটনাস্থল পরিদর্শন করে তদন্তের আশ্বাস দেন। বর্তমানে এলাকায় অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে এবং পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রয়েছে।
ভোলা মডেল থানার ওসি আবু শাহাদাৎ মো. হাছনাইন পারভেজ বলেন, উচ্ছেদ অভিযানে আগে থেকে পুলিশ চাওয়া হয়নি। তবে তদন্ত সাপেক্ষে এ ঘটনায় জড়িতদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

গত ৩ আগস্ট রাতে ৪২ জন অভিবাসনপ্রত্যাশীকে নিয়ে একটি ইঞ্জিনচালিত নৌকা গ্রিসের উদ্দেশে লিবিয়ার তাবারুক উপকূল থেকে যাত্রা করে। জানা গেছে, নৌকায় থাকা ৪২ জনের মধ্যে ৩৮ জনই বাংলাদেশি।
১ দিন আগে
মঙ্গলবার (১৮ আগস্ট) রাত সাড়ে ১১টার দিকে শহরের পশ্চিম মেড্ডা এলাকার পুলিশ লাইন্সের ভেতরে এ ঘটনা ঘটে। আহতদের ব্রাহ্মণবাড়িয়া ২৫০ শয্যাবিশিষ্ট জেনারেল হাসপাতালসহ বিভিন্ন হাসপাতালে চিকিৎসা দেওয়া হয়েছে।
৩ দিন আগে
আহতদের মধ্যে রয়েছেন রায়পুরা সরকারি কলেজের সাবেক সাধারণ সম্পাদক আমির হোসেন, উপজেলা যুবদল সদস্য রাসেল ভূইয়া, ছাত্রদল নেতা সাইফুল ইসলাম পলাশ, উপজেলা জিয়া মঞ্চের সাধারণ সম্পাদক দ্বীন ইসলাম ও উপজেলা বিএনপির যুগ্ম আহ্বায়ক ফরিদ উদ্দিন।
৩ দিন আগে
হাইওয়ে পুলিশের তথ্য অনুযায়ী, ঢাকার যাত্রাবাড়ী থেকে চট্টগ্রাম সিটি গেট পর্যন্ত প্রায় ২৫০ কিলোমিটার মহাসড়ককে এআই নজরদারির আওতায় আনা হয়েছে। এ জন্য মহাসড়কের ৪৯০টি পয়েন্টে স্থাপন করা হয়েছে ১ হাজার ৪২৭টি ক্যামেরা।
৪ দিন আগে