
পটুয়াখালী প্রতিনিধি

পটুয়াখালী জেলা মহিলা আওয়ামী লীগের সভাপতি ও সাবেক মহিলা এমপি কাজী কানিজ সুলতানা হেলেন ও তার দুই ছেলে তাজ হোসেন তালুকদার এবং মাহিন হোসেন তালুকদারের বিদেশ গমনে নিষেধাজ্ঞা দিয়েছেন পটুয়াখালী সিনিয়র জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালত।
বুধবার (১৪ মে) পটুয়াখালী সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট ইমরান আহমেদ এ আদেশ প্রদান করেন। পটুয়াখালী সদর থানায় দায়ের করা একটি মামলায় তদন্তকারী কর্মকর্তার আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে এই নিষেধাজ্ঞা জারি করা হয়।
আদালতের পাবলিক প্রসিকিউটর (পিপি) অ্যাডভোকেট মজিবুর রহমান টোটন বলেন, মামলাটি পরবর্তী শুনানির জন্য আগামী ২৮ মে তারিখ ধার্য রয়েছে। মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা মো. খায়রুল আলম পটুয়াখালী সদর থানার স্মারক নম্বর ২৩৮১, তারিখ ১২ মে ২০২৫ অনুযায়ী আদালতে আবেদন করেন, আসামিরা দেশত্যাগ করে পলাতক হওয়ার চেষ্টা করতে পারেন।
নথিপত্র পর্যালোচনায় দেখা যায়, আসামিদের বিরুদ্ধে বিশেষ ক্ষমতা আইন, ১৯৭৪ এর ২৫(১) ধারায় অভিযোগ আনা হয়েছে। তারা মামলার শুরু থেকেই পলাতক রয়েছেন। তদন্ত কর্মকর্তা জানান, আসামিরা যেকোনো সময় বিমানবন্দর, স্থলবন্দর বা নদীবন্দর ব্যবহার করে দেশত্যাগ করতে পারেন। এতে মামলার তদন্ত কার্যক্রম ব্যাহত হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে।
এ পরিপ্রেক্ষিতে আদালত সার্বিক বিবেচনায় তাদের বিদেশ গমনে নিষেধাজ্ঞা প্রদান করে আদেশ জারি করেন। মামলার নিষ্পত্তি না হওয়া পর্যন্ত অথবা পরবর্তী কোনো নির্দেশ না দেওয়া পর্যন্ত এই আদেশ কার্যকর থাকবে।
উল্লেখ্য, সরকারি ত্রাণ হিসেবে প্রাপ্ত কম্বল আত্মসাতের অভিযোগে চলতি বছরের ১০ ফেব্রুয়ারি পটুয়াখালী সদর থানায় কাজী হেলেন ও তার দুই ছেলের বিরুদ্ধে বিশেষ ক্ষমতা আইনে মামলা দায়ের করা হয়।
আদেশের অনুলিপি পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র সচিব, পুলিশের মহাপরিদর্শক, স্পেশাল ব্রাঞ্চের অতিরিক্ত মহাপুলিশ পরিদর্শক, পটুয়াখালী জেলা প্রশাসক, পুলিশ সুপার ও সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তাকে প্রেরণ করা হয়েছে।

পটুয়াখালী জেলা মহিলা আওয়ামী লীগের সভাপতি ও সাবেক মহিলা এমপি কাজী কানিজ সুলতানা হেলেন ও তার দুই ছেলে তাজ হোসেন তালুকদার এবং মাহিন হোসেন তালুকদারের বিদেশ গমনে নিষেধাজ্ঞা দিয়েছেন পটুয়াখালী সিনিয়র জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালত।
বুধবার (১৪ মে) পটুয়াখালী সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট ইমরান আহমেদ এ আদেশ প্রদান করেন। পটুয়াখালী সদর থানায় দায়ের করা একটি মামলায় তদন্তকারী কর্মকর্তার আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে এই নিষেধাজ্ঞা জারি করা হয়।
আদালতের পাবলিক প্রসিকিউটর (পিপি) অ্যাডভোকেট মজিবুর রহমান টোটন বলেন, মামলাটি পরবর্তী শুনানির জন্য আগামী ২৮ মে তারিখ ধার্য রয়েছে। মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা মো. খায়রুল আলম পটুয়াখালী সদর থানার স্মারক নম্বর ২৩৮১, তারিখ ১২ মে ২০২৫ অনুযায়ী আদালতে আবেদন করেন, আসামিরা দেশত্যাগ করে পলাতক হওয়ার চেষ্টা করতে পারেন।
নথিপত্র পর্যালোচনায় দেখা যায়, আসামিদের বিরুদ্ধে বিশেষ ক্ষমতা আইন, ১৯৭৪ এর ২৫(১) ধারায় অভিযোগ আনা হয়েছে। তারা মামলার শুরু থেকেই পলাতক রয়েছেন। তদন্ত কর্মকর্তা জানান, আসামিরা যেকোনো সময় বিমানবন্দর, স্থলবন্দর বা নদীবন্দর ব্যবহার করে দেশত্যাগ করতে পারেন। এতে মামলার তদন্ত কার্যক্রম ব্যাহত হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে।
এ পরিপ্রেক্ষিতে আদালত সার্বিক বিবেচনায় তাদের বিদেশ গমনে নিষেধাজ্ঞা প্রদান করে আদেশ জারি করেন। মামলার নিষ্পত্তি না হওয়া পর্যন্ত অথবা পরবর্তী কোনো নির্দেশ না দেওয়া পর্যন্ত এই আদেশ কার্যকর থাকবে।
উল্লেখ্য, সরকারি ত্রাণ হিসেবে প্রাপ্ত কম্বল আত্মসাতের অভিযোগে চলতি বছরের ১০ ফেব্রুয়ারি পটুয়াখালী সদর থানায় কাজী হেলেন ও তার দুই ছেলের বিরুদ্ধে বিশেষ ক্ষমতা আইনে মামলা দায়ের করা হয়।
আদেশের অনুলিপি পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র সচিব, পুলিশের মহাপরিদর্শক, স্পেশাল ব্রাঞ্চের অতিরিক্ত মহাপুলিশ পরিদর্শক, পটুয়াখালী জেলা প্রশাসক, পুলিশ সুপার ও সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তাকে প্রেরণ করা হয়েছে।

গত ৩ আগস্ট রাতে ৪২ জন অভিবাসনপ্রত্যাশীকে নিয়ে একটি ইঞ্জিনচালিত নৌকা গ্রিসের উদ্দেশে লিবিয়ার তাবারুক উপকূল থেকে যাত্রা করে। জানা গেছে, নৌকায় থাকা ৪২ জনের মধ্যে ৩৮ জনই বাংলাদেশি।
১ দিন আগে
মঙ্গলবার (১৮ আগস্ট) রাত সাড়ে ১১টার দিকে শহরের পশ্চিম মেড্ডা এলাকার পুলিশ লাইন্সের ভেতরে এ ঘটনা ঘটে। আহতদের ব্রাহ্মণবাড়িয়া ২৫০ শয্যাবিশিষ্ট জেনারেল হাসপাতালসহ বিভিন্ন হাসপাতালে চিকিৎসা দেওয়া হয়েছে।
৩ দিন আগে
আহতদের মধ্যে রয়েছেন রায়পুরা সরকারি কলেজের সাবেক সাধারণ সম্পাদক আমির হোসেন, উপজেলা যুবদল সদস্য রাসেল ভূইয়া, ছাত্রদল নেতা সাইফুল ইসলাম পলাশ, উপজেলা জিয়া মঞ্চের সাধারণ সম্পাদক দ্বীন ইসলাম ও উপজেলা বিএনপির যুগ্ম আহ্বায়ক ফরিদ উদ্দিন।
৩ দিন আগে
হাইওয়ে পুলিশের তথ্য অনুযায়ী, ঢাকার যাত্রাবাড়ী থেকে চট্টগ্রাম সিটি গেট পর্যন্ত প্রায় ২৫০ কিলোমিটার মহাসড়ককে এআই নজরদারির আওতায় আনা হয়েছে। এ জন্য মহাসড়কের ৪৯০টি পয়েন্টে স্থাপন করা হয়েছে ১ হাজার ৪২৭টি ক্যামেরা।
৪ দিন আগে