
পটুয়াখালী প্রতিনিধি

পটুয়াখালীর দশমিনায় এক কিশোরীর একটি টেলিকম টাওয়ারের চূড়ায় উঠে পড়ার ঘটনা ঘটেছে। স্থানীয়রা জাতীয় জরুরি সেবা ৯৯৯-এ ফোন করার পর দশমিনা ফায়ার সার্ভিসের সদস্যরা টাওয়ারের চূড়া থেকে তাকে নামিয়ে নিয়ে আসেন।
রোববার (১৫ জুন) দুপুরে দশমিনা উপজেলার বেতাগী সানকিপুর ইউনিয়নের বেতাগী বাজারে পশ্চিম পাশে বসানো টাওয়ারে এ ঘটনা ঘটে।
ওই কিশোরী উপজেলার বেতাগী সানকিপুর ইউনিয়নের বাসিন্দা। পরিবার জানিয়েছে, ছয় বছর থেকে সে মানসিক ভারসাম্যহীনতায় ভুগছে।
স্থানীয় ও পরিবার সূত্র জানায়, দীর্ঘ দিন ধরে মানসিক সমস্যা ভুগতে থাকা মেয়েটি শনিবার (১৪ জুন) সন্ধ্যার পরে বাড়ি থেকে নিখোঁজ হয়। সারা রাত পরিবার ও স্থানীয়রা খোঁজাখুঁজি করেও তার সন্ধান পানি। রোববার দুপুরের দিকে তাদের বাড়ি থেকে দেড় কিলোমিটার দূরে বেতাগী বাজার এলাকার একটি টেলিকম টাওয়ারে একজনকে বসে থাকতে দেখেন এক অটোরিকশাচালক। তিনি এ কথা জানালে এলাকায় চাঞ্চল্য দেখা দেয়।
এদিকে ওই কিশোরীর নিখোঁজের খবরও বাজারে জানাজানি হয়। বাজারের লোকজন ধারণা করে, টেলিকম টাওয়ারের চূড়ান্ত বসে থাকা ব্যক্তি ওই কিশোরী হতে পারে। পরে বিষয়টি ওই মেয়ের পরিবারকে জানানো হয়। একই সঙ্গে জাতীয় জরুরি সেবা ৯৯৯ ছাড়াও উপজেলা ফায়ার সার্ভিসকেও এ খবর জানানো হয়। এ সময় দশমিনা ফায়ার সার্ভিসের সদস্যরা সেখানে পৌঁছে মেয়েটিকে উদ্ধারে কাজ শুরু করে।
এদিকে ফায়ার সার্ভিসের কর্মীরা টাওয়ার বেয়ে মেয়েটির কাছে পৌঁছালেও শুরুতে সে নিচে নামতে রাজি হয়নি। পরে মেয়েটির চাচার সহায়তা নিয়ে মেয়েটিকে টাওয়ারের চূড়া থেকে নামিয়ে আনতে সক্ষম হয় ফায়ার সার্ভিস।
দশমিনা ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্সের স্টেশন মাস্টার মো. আনোয়ার হোসেন বলেন, সোয়া ১১টার দিকে ৯৯৯ ও স্থানীয়দের কাছ থেকে ফোন পেয়ে ঘটনাস্থলে পৌঁছাই। ৩০০ ফুট উঁচু মোবাইল ফোনের টাওয়ারের চূড়া থেকে দুই ঘণ্টার চেষ্টায় মেয়েটিকে উদ্ধার করতে সক্ষম হই। পরে মেয়েটিকে তার বাবার কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে।

পটুয়াখালীর দশমিনায় এক কিশোরীর একটি টেলিকম টাওয়ারের চূড়ায় উঠে পড়ার ঘটনা ঘটেছে। স্থানীয়রা জাতীয় জরুরি সেবা ৯৯৯-এ ফোন করার পর দশমিনা ফায়ার সার্ভিসের সদস্যরা টাওয়ারের চূড়া থেকে তাকে নামিয়ে নিয়ে আসেন।
রোববার (১৫ জুন) দুপুরে দশমিনা উপজেলার বেতাগী সানকিপুর ইউনিয়নের বেতাগী বাজারে পশ্চিম পাশে বসানো টাওয়ারে এ ঘটনা ঘটে।
ওই কিশোরী উপজেলার বেতাগী সানকিপুর ইউনিয়নের বাসিন্দা। পরিবার জানিয়েছে, ছয় বছর থেকে সে মানসিক ভারসাম্যহীনতায় ভুগছে।
স্থানীয় ও পরিবার সূত্র জানায়, দীর্ঘ দিন ধরে মানসিক সমস্যা ভুগতে থাকা মেয়েটি শনিবার (১৪ জুন) সন্ধ্যার পরে বাড়ি থেকে নিখোঁজ হয়। সারা রাত পরিবার ও স্থানীয়রা খোঁজাখুঁজি করেও তার সন্ধান পানি। রোববার দুপুরের দিকে তাদের বাড়ি থেকে দেড় কিলোমিটার দূরে বেতাগী বাজার এলাকার একটি টেলিকম টাওয়ারে একজনকে বসে থাকতে দেখেন এক অটোরিকশাচালক। তিনি এ কথা জানালে এলাকায় চাঞ্চল্য দেখা দেয়।
এদিকে ওই কিশোরীর নিখোঁজের খবরও বাজারে জানাজানি হয়। বাজারের লোকজন ধারণা করে, টেলিকম টাওয়ারের চূড়ান্ত বসে থাকা ব্যক্তি ওই কিশোরী হতে পারে। পরে বিষয়টি ওই মেয়ের পরিবারকে জানানো হয়। একই সঙ্গে জাতীয় জরুরি সেবা ৯৯৯ ছাড়াও উপজেলা ফায়ার সার্ভিসকেও এ খবর জানানো হয়। এ সময় দশমিনা ফায়ার সার্ভিসের সদস্যরা সেখানে পৌঁছে মেয়েটিকে উদ্ধারে কাজ শুরু করে।
এদিকে ফায়ার সার্ভিসের কর্মীরা টাওয়ার বেয়ে মেয়েটির কাছে পৌঁছালেও শুরুতে সে নিচে নামতে রাজি হয়নি। পরে মেয়েটির চাচার সহায়তা নিয়ে মেয়েটিকে টাওয়ারের চূড়া থেকে নামিয়ে আনতে সক্ষম হয় ফায়ার সার্ভিস।
দশমিনা ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্সের স্টেশন মাস্টার মো. আনোয়ার হোসেন বলেন, সোয়া ১১টার দিকে ৯৯৯ ও স্থানীয়দের কাছ থেকে ফোন পেয়ে ঘটনাস্থলে পৌঁছাই। ৩০০ ফুট উঁচু মোবাইল ফোনের টাওয়ারের চূড়া থেকে দুই ঘণ্টার চেষ্টায় মেয়েটিকে উদ্ধার করতে সক্ষম হই। পরে মেয়েটিকে তার বাবার কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে।

গত ৩ আগস্ট রাতে ৪২ জন অভিবাসনপ্রত্যাশীকে নিয়ে একটি ইঞ্জিনচালিত নৌকা গ্রিসের উদ্দেশে লিবিয়ার তাবারুক উপকূল থেকে যাত্রা করে। জানা গেছে, নৌকায় থাকা ৪২ জনের মধ্যে ৩৮ জনই বাংলাদেশি।
১ দিন আগে
মঙ্গলবার (১৮ আগস্ট) রাত সাড়ে ১১টার দিকে শহরের পশ্চিম মেড্ডা এলাকার পুলিশ লাইন্সের ভেতরে এ ঘটনা ঘটে। আহতদের ব্রাহ্মণবাড়িয়া ২৫০ শয্যাবিশিষ্ট জেনারেল হাসপাতালসহ বিভিন্ন হাসপাতালে চিকিৎসা দেওয়া হয়েছে।
৩ দিন আগে
আহতদের মধ্যে রয়েছেন রায়পুরা সরকারি কলেজের সাবেক সাধারণ সম্পাদক আমির হোসেন, উপজেলা যুবদল সদস্য রাসেল ভূইয়া, ছাত্রদল নেতা সাইফুল ইসলাম পলাশ, উপজেলা জিয়া মঞ্চের সাধারণ সম্পাদক দ্বীন ইসলাম ও উপজেলা বিএনপির যুগ্ম আহ্বায়ক ফরিদ উদ্দিন।
৩ দিন আগে
হাইওয়ে পুলিশের তথ্য অনুযায়ী, ঢাকার যাত্রাবাড়ী থেকে চট্টগ্রাম সিটি গেট পর্যন্ত প্রায় ২৫০ কিলোমিটার মহাসড়ককে এআই নজরদারির আওতায় আনা হয়েছে। এ জন্য মহাসড়কের ৪৯০টি পয়েন্টে স্থাপন করা হয়েছে ১ হাজার ৪২৭টি ক্যামেরা।
৪ দিন আগে