
মু. আ. মোতালিব, তালতলী (বরগুনা) প্রতিনিধি

বরগুনার তালতলী উপজেলার নিশানবাড়িয়া ইউনিয়নের ৯টি খালের ১৯ কিলোমিটার পুনঃখননের ফলে জলাবদ্ধতা ও সেচ সংকট দূর হওয়ায় ভাগ্য বদলের স্বপ্ন দেখছেন কয়েক হাজার প্রান্তিক কৃষক। সংশ্লিষ্টদের মতে, এ উদ্যোগে কৃষি ও মৎস্য উৎপাদন বৃদ্ধির পাশাপাশি জীববৈচিত্র্য সংরক্ষণেও ইতিবাচক প্রভাব পড়বে।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, ইউনিয়নের নলবুনিয়া, চিলু মাঝি, সুন্দরিয়া, তাতীপাড়া ও পাওয়াপাড়া-মোয়াপাড়াসহ ইউনিয়নের ৯টি খাল দীর্ঘদিন পলি জমে ভরাট হয়ে ছিল। ফলে শুষ্ক মৌসুমে সেচ সংকটে স্থানীয় কৃষকরা বছরে মাত্র একটি ফসল উৎপাদন করতে পারতেন। বর্ষা মৌসুমে পানি নিষ্কাশনের ব্যবস্থা না থাকায় ফসলি জমি ডুবে গিয়ে ব্যাপক ক্ষতির মুখে পড়তেন তারা। এ ছাড়া রাস্তার দুরবস্থায় কৃষিপণ্য আনা-নেওয়ায়ও ছিল কৃষকদের জন্য ভোগান্তির।
এ দুর্ভোগ লাঘবে স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদপ্তর (এলজিইডি) অধীনে ‘জলবায়ু ও দুর্যোগ সহনশীল ক্ষুদ্রাকার পানি সম্পদ ব্যবস্থাপনা প্রকল্প’-এর আওতায় নলবুনিয়া পানি ব্যবস্থাপনা সমবায় সমিতির মাধ্যমে খালগুলো পুনঃখনন করা হয়। প্রকল্পে ব্যয় ধরা হয়েছে ৩ কোটি ৫৫ লাখ ৩৭ হাজার টাকা। খাল পুনঃখননে ফসলি জমিতে পানি সরবরাহ নিশ্চিতের পাশাপাশি নতুন রাস্তা নির্মাণ করায় কৃষিপণ্য পরিবহনও সহজ হয়েছে।
নলবুনিয়া এলাকার কৃষক জালাল মিয়া বলেন, ‘আগে খালগুলো ডোবা-নালার মতো ছিল। গ্রামের লোকজন ময়লা-আবর্জনা ফেলত। এতে দুর্গন্ধ ছড়াত, আশপাশ দিয়ে হাঁটাচলা করা যেত না। মশা-মাছি জন্ম নিত, ম্যালেরিয়া-ডেঙ্গুসহ নানা ধরনের রোগব্যাধি হতো। এখন খালগুলো খননের করায় এলাকার লোকজন অনেক উপকৃত হবে।’
তাতীপাড়া গ্রামের বাসিন্দা জুয়েল জোমাদ্দার জানান, আগে পানির অভাবে বছরে একবার ধান চাষ করা যেত। এখন একাধিক ফসল উৎপাদনের সুযোগ তৈরি হয়েছে। এতে বেকারত্ব কমবে এবং কৃষকরা অর্থনৈতিকভাবে স্বাবলম্বী হবেন বলে আশা প্রকাশ করেন তিনি।
নিশানবাড়িয়া ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান ড. কামরুজ্জামান বাচ্চু সরকারকে ধন্যবাদ জানিয়ে বলেন, খাল পুনঃখননের ফলে কৃষিতে ইতিবাচক পরিবর্তন আসবে। এক ফসলি জমি দুই থেকে তিন ফসলি জমিতে রূপান্তর করা সম্ভব হবে।
তালতলী উপজেলা প্রকৌশলী (এলজিইডি) মো. শাখাওয়াত হোসেন জানান, প্রকল্প অনুযায়ী খালগুলো যথাযথভাবে পুনঃখনন করা হয়েছে। এতে কৃষি উৎপাদন বৃদ্ধি ও জীববৈচিত্র্য সংরক্ষণে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে। ভবিষ্যতে সরকারের নির্দেশনা অনুযায়ী এ ধরনের প্রকল্প অব্যাহত থাকবে।
উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা আবু জাফর মো. ইলিয়াস বলেন, আগে গ্রীষ্মে পানির অভাব ও বর্ষায় জলাবদ্ধতায় ফসল উৎপাদন ব্যাহত হতো। এখন সেচ সুবিধা ও পানি নিষ্কাশন নিশ্চিত হওয়ায় কৃষকরা একাধিক ফসল আবাদ করতে পারবেন এবং আর্থিকভাবে লাভবান হবেন।

বরগুনার তালতলী উপজেলার নিশানবাড়িয়া ইউনিয়নের ৯টি খালের ১৯ কিলোমিটার পুনঃখননের ফলে জলাবদ্ধতা ও সেচ সংকট দূর হওয়ায় ভাগ্য বদলের স্বপ্ন দেখছেন কয়েক হাজার প্রান্তিক কৃষক। সংশ্লিষ্টদের মতে, এ উদ্যোগে কৃষি ও মৎস্য উৎপাদন বৃদ্ধির পাশাপাশি জীববৈচিত্র্য সংরক্ষণেও ইতিবাচক প্রভাব পড়বে।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, ইউনিয়নের নলবুনিয়া, চিলু মাঝি, সুন্দরিয়া, তাতীপাড়া ও পাওয়াপাড়া-মোয়াপাড়াসহ ইউনিয়নের ৯টি খাল দীর্ঘদিন পলি জমে ভরাট হয়ে ছিল। ফলে শুষ্ক মৌসুমে সেচ সংকটে স্থানীয় কৃষকরা বছরে মাত্র একটি ফসল উৎপাদন করতে পারতেন। বর্ষা মৌসুমে পানি নিষ্কাশনের ব্যবস্থা না থাকায় ফসলি জমি ডুবে গিয়ে ব্যাপক ক্ষতির মুখে পড়তেন তারা। এ ছাড়া রাস্তার দুরবস্থায় কৃষিপণ্য আনা-নেওয়ায়ও ছিল কৃষকদের জন্য ভোগান্তির।
এ দুর্ভোগ লাঘবে স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদপ্তর (এলজিইডি) অধীনে ‘জলবায়ু ও দুর্যোগ সহনশীল ক্ষুদ্রাকার পানি সম্পদ ব্যবস্থাপনা প্রকল্প’-এর আওতায় নলবুনিয়া পানি ব্যবস্থাপনা সমবায় সমিতির মাধ্যমে খালগুলো পুনঃখনন করা হয়। প্রকল্পে ব্যয় ধরা হয়েছে ৩ কোটি ৫৫ লাখ ৩৭ হাজার টাকা। খাল পুনঃখননে ফসলি জমিতে পানি সরবরাহ নিশ্চিতের পাশাপাশি নতুন রাস্তা নির্মাণ করায় কৃষিপণ্য পরিবহনও সহজ হয়েছে।
নলবুনিয়া এলাকার কৃষক জালাল মিয়া বলেন, ‘আগে খালগুলো ডোবা-নালার মতো ছিল। গ্রামের লোকজন ময়লা-আবর্জনা ফেলত। এতে দুর্গন্ধ ছড়াত, আশপাশ দিয়ে হাঁটাচলা করা যেত না। মশা-মাছি জন্ম নিত, ম্যালেরিয়া-ডেঙ্গুসহ নানা ধরনের রোগব্যাধি হতো। এখন খালগুলো খননের করায় এলাকার লোকজন অনেক উপকৃত হবে।’
তাতীপাড়া গ্রামের বাসিন্দা জুয়েল জোমাদ্দার জানান, আগে পানির অভাবে বছরে একবার ধান চাষ করা যেত। এখন একাধিক ফসল উৎপাদনের সুযোগ তৈরি হয়েছে। এতে বেকারত্ব কমবে এবং কৃষকরা অর্থনৈতিকভাবে স্বাবলম্বী হবেন বলে আশা প্রকাশ করেন তিনি।
নিশানবাড়িয়া ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান ড. কামরুজ্জামান বাচ্চু সরকারকে ধন্যবাদ জানিয়ে বলেন, খাল পুনঃখননের ফলে কৃষিতে ইতিবাচক পরিবর্তন আসবে। এক ফসলি জমি দুই থেকে তিন ফসলি জমিতে রূপান্তর করা সম্ভব হবে।
তালতলী উপজেলা প্রকৌশলী (এলজিইডি) মো. শাখাওয়াত হোসেন জানান, প্রকল্প অনুযায়ী খালগুলো যথাযথভাবে পুনঃখনন করা হয়েছে। এতে কৃষি উৎপাদন বৃদ্ধি ও জীববৈচিত্র্য সংরক্ষণে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে। ভবিষ্যতে সরকারের নির্দেশনা অনুযায়ী এ ধরনের প্রকল্প অব্যাহত থাকবে।
উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা আবু জাফর মো. ইলিয়াস বলেন, আগে গ্রীষ্মে পানির অভাব ও বর্ষায় জলাবদ্ধতায় ফসল উৎপাদন ব্যাহত হতো। এখন সেচ সুবিধা ও পানি নিষ্কাশন নিশ্চিত হওয়ায় কৃষকরা একাধিক ফসল আবাদ করতে পারবেন এবং আর্থিকভাবে লাভবান হবেন।

বৃহস্পতিবার স্থানীয়ভাবে গুজব ছড়িয়ে পড়ে, রিয়াজ মারা মারা গেছেন। এতে তার স্বজনসহ স্থানীয়রা ক্ষুব্ধ হয়ে থানায় হামলা চালান। প্রায় শতাধিক মানুষের হামলায় পুলিশ সদস্যরা কোণঠাসা হয়ে পড়েন। এ সময় হামলাকারীরা থানায় কর্তব্যরত সহকারী উপপরিদর্শক (এএসআই) আবদুল হালিমকে মারধর করেন।
১৯ ঘণ্টা আগে
সকালে বুড়িচং উপজেলার বালিখাড়া, ভান্তি ও কামারখাড়া এলাকায় সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়, চরাঞ্চলের শত শত একর সবজি ক্ষেত পানির নিচে তলিয়ে গেছে। পানির ওপর ভেসে রয়েছে বিভিন্ন ধরনের শাকসবজি। লোকসান কিছুটা কমাতে স্থানীয় কৃষকদের কোমর সমান পানিতে নেমে অপরিপক্ব ফসল কেটে ঘরে তোলার আপ্রাণ চেষ্টা করতে দেখা গেছে।
১ দিন আগে
রাতের আঁধারে প্রবল স্রোতে নদীর পানি লোকালয়ে প্রবেশ করতে শুরু করলে মুহূর্তের মধ্যে ইসলামপুর, মাধবপুর ও আদমপুর ইউনিয়নের বিস্তীর্ণ এলাকা প্লাবিত হয়। এতে মোখাবিল, গোলের হাওর, ভান্ডারিগাঁও, গঙ্গানগর, কোনাগাঁও, বেরীগাঁও, শ্রীপুর, পাতারিগাঁও, কালারায়বিল, আধকানী, ছনগাঁও, বন্দেরগাঁও, তেইতইগাঁও, ভানুবিল ও ঘোর
১ দিন আগে
ভুক্তভোগী সদরঞ্জন দাস জানান, তিনি সুনামগঞ্জের শাল্লা উপজেলার যাত্রাপুর গ্রাম থেকে অন্য এক ব্যক্তিসহ নৌকায় করে হাঁসের বাচ্চা কিনতে কিশোরগঞ্জের তাড়াইল উপজেলার দামিহা এলাকায় যাচ্ছিলেন। পথে বর্শিকুড়া-শেরপুর সেতু সংলগ্ন এলাকায় পৌঁছালে মাথায় হেলমেট পরিহিত সাতজনের একটি সশস্ত্র দল দেশীয় অস্ত্রের মুখে তাদের
১ দিন আগে