
বরিশাল প্রতিনিধি

বাংলাদেশ জাতীয় পার্টির (বিজেপি) চেয়ারম্যান ও বিএনপি জোটের ভোলা-১ আসনের প্রার্থী ব্যারিস্টার আন্দালিব রহমান পার্থ বলেছেন, ‘একটা সময় ছিল যখন আমি শেখ হাসিনার চোখে চোখ রেখে কথা বলতাম, তখন বাংলাদেশে অনেকেই সাহস করত না। বাংলাদেশের দরবেশকে (সালমান এফ রহমান) আমি দরবেশ বানিয়েছিলাম।’
পার্থ আরও বলেন, ‘লোটাস কামাল থেকে আরম্ভ করে বিদ্যুতের যত চুরি, বাংলাদেশে আওয়ামী লীগ সরকার যে একটা ফ্যাসিস্ট ছিল— আপনাদের দোয়ায় ভোলার পার্থ সেটা বাংলাদেশের মানুষের মুখে মুখে দিয়ে দিয়েছিলাম।’
আজ শনিবার (২৪ জানুয়ারি) বিকেল সাড়ে ৩টার দিকে নির্বাচনি গণসংযোগকালে ভোলা শহরের নতুন বাজারে অবস্থিত ভোলা জেলা বাংলাদেশ জাতীয় পার্টি (বিজেপি) কার্যালয়ের সামনে দেওয়া বক্তৃতায় এসব কথা বলেন তিনি।
এ সময় বিজেপির ভোলা জেলা শাখার সভাপতি আমিনুল ইসলাম রতন, সাধারণ সম্পাদক মোত্তাছিম বিল্লাহ, সাংগঠনিক সম্পাদক মো. নুরনবীসহ জেলা, উপজেলা, পৌরসভাসহ বিভিন্ন স্তরের কয়েক হাজার নেতাকর্মী উপস্থিত ছিলেন।
বক্তৃতায় আন্দালিব রহমান পার্থ বলেন ‘২০০৮ সালে আমার বাবার প্রতি ভোলাবাসীর আস্থা ও দোয়ায় আমি সংসদে গিয়েছিলাম, আমরা সে সময়ে বিরোধী দল ছিলাম। আপনারা জানেন, তখন কারা ক্ষমতায় ছিল, ভোলার কী পরিবেশ ছিল। তবে আলহামদুলিল্লাহ, ২০০৮ সাল থেকে ২০২৬ সাল পর্যন্ত আপনারা আমাকে দেখেছেন ছোট থেকে বড় হতে, সংসদে, টকশোতে, রাজপথে, সব জায়গায়।’
‘ভোলা সদরের মানুষের পাশে দাঁড়ানোর জন্য আল্লাহ এবার একটা সুযোগ দিয়েছেন। আমরা সব ভেদাভেদ ভুলে আহ্বান করব— আসুন, আমরা ভোলাটাকে গড়ি। আমরা কারো সাথে অন্যায় করতে চাই না, কোনো প্রতিশোধ নিতে চাই না, সবাইকে সাথে নিয়ে একটা সুন্দর, মানবিক ও শান্তিপূর্ণ ভোলা গড়তে চাই— যেখানে চাঁদাবাজি, লুট, টেন্ডারবাজি হবে না, সালিশ করে পয়সা খাওয়া হবে না,’— বলেন বিএনপি জোটের ভোলা-১ আসনের এই প্রার্থী।
এর আগে এ দিন দুপুর সোয়া ১২টার দিকে ঢাকা থেকে ভোলা সদর উপজেলার খেয়াঘাটে এসে পৌঁছান ব্যারিস্টার আন্দালিব রহমান পার্থ। এরপর সেখান থেকে নির্বাচনি প্রচার শুরু করেন তিনি। তাকে সংবর্ধনা জানাতে ভোলার খেয়াঘাট সড়কে নেতাকর্মী-সমর্থকদের ঢল নামে।

বাংলাদেশ জাতীয় পার্টির (বিজেপি) চেয়ারম্যান ও বিএনপি জোটের ভোলা-১ আসনের প্রার্থী ব্যারিস্টার আন্দালিব রহমান পার্থ বলেছেন, ‘একটা সময় ছিল যখন আমি শেখ হাসিনার চোখে চোখ রেখে কথা বলতাম, তখন বাংলাদেশে অনেকেই সাহস করত না। বাংলাদেশের দরবেশকে (সালমান এফ রহমান) আমি দরবেশ বানিয়েছিলাম।’
পার্থ আরও বলেন, ‘লোটাস কামাল থেকে আরম্ভ করে বিদ্যুতের যত চুরি, বাংলাদেশে আওয়ামী লীগ সরকার যে একটা ফ্যাসিস্ট ছিল— আপনাদের দোয়ায় ভোলার পার্থ সেটা বাংলাদেশের মানুষের মুখে মুখে দিয়ে দিয়েছিলাম।’
আজ শনিবার (২৪ জানুয়ারি) বিকেল সাড়ে ৩টার দিকে নির্বাচনি গণসংযোগকালে ভোলা শহরের নতুন বাজারে অবস্থিত ভোলা জেলা বাংলাদেশ জাতীয় পার্টি (বিজেপি) কার্যালয়ের সামনে দেওয়া বক্তৃতায় এসব কথা বলেন তিনি।
এ সময় বিজেপির ভোলা জেলা শাখার সভাপতি আমিনুল ইসলাম রতন, সাধারণ সম্পাদক মোত্তাছিম বিল্লাহ, সাংগঠনিক সম্পাদক মো. নুরনবীসহ জেলা, উপজেলা, পৌরসভাসহ বিভিন্ন স্তরের কয়েক হাজার নেতাকর্মী উপস্থিত ছিলেন।
বক্তৃতায় আন্দালিব রহমান পার্থ বলেন ‘২০০৮ সালে আমার বাবার প্রতি ভোলাবাসীর আস্থা ও দোয়ায় আমি সংসদে গিয়েছিলাম, আমরা সে সময়ে বিরোধী দল ছিলাম। আপনারা জানেন, তখন কারা ক্ষমতায় ছিল, ভোলার কী পরিবেশ ছিল। তবে আলহামদুলিল্লাহ, ২০০৮ সাল থেকে ২০২৬ সাল পর্যন্ত আপনারা আমাকে দেখেছেন ছোট থেকে বড় হতে, সংসদে, টকশোতে, রাজপথে, সব জায়গায়।’
‘ভোলা সদরের মানুষের পাশে দাঁড়ানোর জন্য আল্লাহ এবার একটা সুযোগ দিয়েছেন। আমরা সব ভেদাভেদ ভুলে আহ্বান করব— আসুন, আমরা ভোলাটাকে গড়ি। আমরা কারো সাথে অন্যায় করতে চাই না, কোনো প্রতিশোধ নিতে চাই না, সবাইকে সাথে নিয়ে একটা সুন্দর, মানবিক ও শান্তিপূর্ণ ভোলা গড়তে চাই— যেখানে চাঁদাবাজি, লুট, টেন্ডারবাজি হবে না, সালিশ করে পয়সা খাওয়া হবে না,’— বলেন বিএনপি জোটের ভোলা-১ আসনের এই প্রার্থী।
এর আগে এ দিন দুপুর সোয়া ১২টার দিকে ঢাকা থেকে ভোলা সদর উপজেলার খেয়াঘাটে এসে পৌঁছান ব্যারিস্টার আন্দালিব রহমান পার্থ। এরপর সেখান থেকে নির্বাচনি প্রচার শুরু করেন তিনি। তাকে সংবর্ধনা জানাতে ভোলার খেয়াঘাট সড়কে নেতাকর্মী-সমর্থকদের ঢল নামে।

গত ৩ আগস্ট রাতে ৪২ জন অভিবাসনপ্রত্যাশীকে নিয়ে একটি ইঞ্জিনচালিত নৌকা গ্রিসের উদ্দেশে লিবিয়ার তাবারুক উপকূল থেকে যাত্রা করে। জানা গেছে, নৌকায় থাকা ৪২ জনের মধ্যে ৩৮ জনই বাংলাদেশি।
১ দিন আগে
মঙ্গলবার (১৮ আগস্ট) রাত সাড়ে ১১টার দিকে শহরের পশ্চিম মেড্ডা এলাকার পুলিশ লাইন্সের ভেতরে এ ঘটনা ঘটে। আহতদের ব্রাহ্মণবাড়িয়া ২৫০ শয্যাবিশিষ্ট জেনারেল হাসপাতালসহ বিভিন্ন হাসপাতালে চিকিৎসা দেওয়া হয়েছে।
৩ দিন আগে
আহতদের মধ্যে রয়েছেন রায়পুরা সরকারি কলেজের সাবেক সাধারণ সম্পাদক আমির হোসেন, উপজেলা যুবদল সদস্য রাসেল ভূইয়া, ছাত্রদল নেতা সাইফুল ইসলাম পলাশ, উপজেলা জিয়া মঞ্চের সাধারণ সম্পাদক দ্বীন ইসলাম ও উপজেলা বিএনপির যুগ্ম আহ্বায়ক ফরিদ উদ্দিন।
৩ দিন আগে
হাইওয়ে পুলিশের তথ্য অনুযায়ী, ঢাকার যাত্রাবাড়ী থেকে চট্টগ্রাম সিটি গেট পর্যন্ত প্রায় ২৫০ কিলোমিটার মহাসড়ককে এআই নজরদারির আওতায় আনা হয়েছে। এ জন্য মহাসড়কের ৪৯০টি পয়েন্টে স্থাপন করা হয়েছে ১ হাজার ৪২৭টি ক্যামেরা।
৩ দিন আগে