
কুমিল্লা প্রতিনিধি

উজানের পাহাড়ি ঢলে কুমিল্লার গোমতী নদীর পানি বৃদ্ধি পাওয়ায় নদীর চরাঞ্চলের বিস্তীর্ণ এলাকা প্লাবিত হয়েছে। এতে নদীর অববাহিকায় চাষ করা আগাম জাতের বিভিন্ন সবজি ও কৃষি ফসল তলিয়ে যাওয়ায় সহস্রাধিক কৃষক চরম ক্ষতির মুখে পড়েছেন।
বৃহস্পতিবার (৯ জুলাই) সকালে বুড়িচং উপজেলার বালিখাড়া, ভান্তি ও কামারখাড়া এলাকায় সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়, চরাঞ্চলের শত শত একর সবজি ক্ষেত পানির নিচে তলিয়ে গেছে। পানির ওপর ভেসে রয়েছে বিভিন্ন ধরনের শাকসবজি। লোকসান কিছুটা কমাতে স্থানীয় কৃষকদের কোমর সমান পানিতে নেমে অপরিপক্ব ফসল কেটে ঘরে তোলার আপ্রাণ চেষ্টা করতে দেখা গেছে।
ভান্তি এলাকার ভুক্তভোগী কৃষক আবদুল হক জানান, প্রায় ৩ লাখ টাকা বিনিয়োগ করে তিনি চরে আগাম জাতের মূলা ও লাউ চাষ করেছিলেন। কিন্তু হঠাৎ গোমতীর পানি বেড়ে যাওয়ায় তার পুরো ক্ষেত পানিতে তলিয়ে গেছে।
একই এলাকার আরেক কৃষক আবদুল জলিল বলেন, তার ডাঁটা শাক, পুঁইশাক ও চালকুমড়ার ক্ষেত পানিতে ভেসে গেছে। তার মতো ভান্তি, কামারখাড়া, বালিখাড়াসহ আশপাশের এলাকার অন্তত শতাধিক কৃষকের ফসলের ব্যাপক ক্ষতি হয়েছে।
কৃষক সোহেল মিয়া জানান, লাউ, চিচিঙ্গা, ডাঁটা শাক, চালকুমড়া ও মূলাসহ বিভিন্ন সবজি পুরোপুরি নষ্ট হওয়ার আগে যতটুকু সম্ভব উদ্ধার করে বাজারে বিক্রি করছেন তারা। এতে কিছুটা ক্ষতি পুষিয়ে নেওয়া সম্ভব হলেও সামগ্রিকভাবে লাখ লাখ টাকার লোকসান গুনতে হচ্ছে চরাঞ্চলের কৃষকদের।
কুমিল্লা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের উপপরিচালক মিজানুর রহমান জানান, উজানের পাহাড়ি ঢলে গোমতী নদীর পানি বৃদ্ধি পাওয়ায় বিস্তীর্ণ চরাঞ্চলের হাজারো কৃষকের ফসল পানিতে তলিয়ে গেছে। কৃষি বিভাগের কর্মকর্তারা ইতোমধ্যে মাঠে অবস্থান করে ক্ষতিগ্রস্ত কৃষকদের তালিকা তৈরি এবং ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ নিরূপণ করছেন। মাঠপর্যায়ের জরিপ শেষে ক্ষতিগ্রস্ত কৃষকদের সরকারি সহায়তা প্রদানের জন্য প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেওয়া হবে।
রাজনীতি/এসআর

উজানের পাহাড়ি ঢলে কুমিল্লার গোমতী নদীর পানি বৃদ্ধি পাওয়ায় নদীর চরাঞ্চলের বিস্তীর্ণ এলাকা প্লাবিত হয়েছে। এতে নদীর অববাহিকায় চাষ করা আগাম জাতের বিভিন্ন সবজি ও কৃষি ফসল তলিয়ে যাওয়ায় সহস্রাধিক কৃষক চরম ক্ষতির মুখে পড়েছেন।
বৃহস্পতিবার (৯ জুলাই) সকালে বুড়িচং উপজেলার বালিখাড়া, ভান্তি ও কামারখাড়া এলাকায় সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়, চরাঞ্চলের শত শত একর সবজি ক্ষেত পানির নিচে তলিয়ে গেছে। পানির ওপর ভেসে রয়েছে বিভিন্ন ধরনের শাকসবজি। লোকসান কিছুটা কমাতে স্থানীয় কৃষকদের কোমর সমান পানিতে নেমে অপরিপক্ব ফসল কেটে ঘরে তোলার আপ্রাণ চেষ্টা করতে দেখা গেছে।
ভান্তি এলাকার ভুক্তভোগী কৃষক আবদুল হক জানান, প্রায় ৩ লাখ টাকা বিনিয়োগ করে তিনি চরে আগাম জাতের মূলা ও লাউ চাষ করেছিলেন। কিন্তু হঠাৎ গোমতীর পানি বেড়ে যাওয়ায় তার পুরো ক্ষেত পানিতে তলিয়ে গেছে।
একই এলাকার আরেক কৃষক আবদুল জলিল বলেন, তার ডাঁটা শাক, পুঁইশাক ও চালকুমড়ার ক্ষেত পানিতে ভেসে গেছে। তার মতো ভান্তি, কামারখাড়া, বালিখাড়াসহ আশপাশের এলাকার অন্তত শতাধিক কৃষকের ফসলের ব্যাপক ক্ষতি হয়েছে।
কৃষক সোহেল মিয়া জানান, লাউ, চিচিঙ্গা, ডাঁটা শাক, চালকুমড়া ও মূলাসহ বিভিন্ন সবজি পুরোপুরি নষ্ট হওয়ার আগে যতটুকু সম্ভব উদ্ধার করে বাজারে বিক্রি করছেন তারা। এতে কিছুটা ক্ষতি পুষিয়ে নেওয়া সম্ভব হলেও সামগ্রিকভাবে লাখ লাখ টাকার লোকসান গুনতে হচ্ছে চরাঞ্চলের কৃষকদের।
কুমিল্লা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের উপপরিচালক মিজানুর রহমান জানান, উজানের পাহাড়ি ঢলে গোমতী নদীর পানি বৃদ্ধি পাওয়ায় বিস্তীর্ণ চরাঞ্চলের হাজারো কৃষকের ফসল পানিতে তলিয়ে গেছে। কৃষি বিভাগের কর্মকর্তারা ইতোমধ্যে মাঠে অবস্থান করে ক্ষতিগ্রস্ত কৃষকদের তালিকা তৈরি এবং ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ নিরূপণ করছেন। মাঠপর্যায়ের জরিপ শেষে ক্ষতিগ্রস্ত কৃষকদের সরকারি সহায়তা প্রদানের জন্য প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেওয়া হবে।
রাজনীতি/এসআর

নাহিদ ইসলাম বলেন, ‘কেন আমাদের গাড়ি আটকে দেওয়া হয়েছে? আমরা হবিগঞ্জে যেতে চাই। সেখানে গিয়ে আমরা আইনি পদক্ষেপ নেব।’
১ দিন আগে
জব্দ করা দুটি ট্রলার রাজীবপুর ইউনিয়ন বিএনপির যুগ্ম আহ্বায়ক ওয়াদুদ জামান মানিক ও যুগ্ম আহ্বায়ক মোশাররফ হোসেন এবং উচাখিলা ইউনিয়ন বিএনপির যুগ্ম আহ্বায়ক হাদীউল বাশার সুমনের জিম্মায় দিয়েছিল প্রশাসন। ট্রলারে ছিলেন ঈশ্বরগঞ্জ থানার এএসআই জীবন চন্দ্র বৈশ্য, কনস্টেবল বিমল চন্দ্র পাল এবং গ্রাম পুলিশ উজ্জ্বল ও
১ দিন আগে
একপর্যায়ে হাসনাত বলেন, তিনি নিজেসহ আরও দুই সংসদ সদস্য নাহিদ ইসলাম ও মাহমুদা মিতু (সংরক্ষিত আসনে) এবং এনসিপির দুজন কেন্দ্রীয় কার্যনির্বাহী সদস্য কেবল মামলা করতে যাবেন। প্রয়োজনে তারা গাড়ির চালককেও নেবেন না। পুলিশ চালক দিলে তাকে নিয়েই যাবেন তারা। তবে পুলিশ সে প্রস্তাবও মানেনি। পরে এনসিপি নেতারা ব্যারিক
১ দিন আগে
বুধবার (২২ জুলাই) পটুয়াখালী নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনাল আদালতে বাদী হিসেবে মামলাটি দায়ের করেন ওই বিধবা। আদালত মামলাটি আমলে নিয়ে পটুয়াখালী সদর থানায় এজাহার রেকর্ড করে আসামির বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার নির্দেশ দিয়েছেন।
১ দিন আগে