
টেকনাফ (কক্সবাজার) প্রতিনিধি

ভারী বর্ষণে কক্সবাজারের টেকনাফের পাহাড় থেকে ৩০০ ফুট নিচে পড়ে গিয়ে গুরুতর আহত হয়েছে এশিয়ান জাতের ২০-২৫ বছর বয়সী একটি মা হাতি। গড়িয়ে পড়ার সময় হাতিটি বিভিন্ন গাছের সঙ্গে ধাক্কা খায়। এতে হাতিটির পেছনের পা দুটি ভেঙে যায়। কেটে যায় পেটের কিছু অংশও।
শনিবার (১১ জুলাই) বেলা আড়াইটার দিকে টেকনাফ পৌরসভার ১ নম্বর ওয়ার্ডের নাইট্যাংপাড়ার শিয়াল্যাঘোনা পাহাড়ি এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। বন বিভাগের চিকিৎসকরা ঘটনাস্থলে গিয়ে আহত হাতিটিকে চিকিৎসা দিচ্ছেন। এই পাহাড়ে এশিয়ান জাতের অন্তত ২৩টি হাতির বিচরণ রয়েছে।
বন বিভাগের কর্মকর্তারা বলছেন, পাহাড়ের চূড়ায় গাছ ও লতাপাতা খাওয়ার সময় সম্ভবত বৃষ্টির কারণে নরম মাটি ধসে হাতিটি প্রায় ৩০০ ফুট নিচে গড়িয়ে পড়ে। পেটে আঘাত ও পা ভেঙে যাওয়ার কারণে হাতিটি হাঁটতে পারছে না। এটির দৈর্ঘ্য প্রায় ৩০ ফুট, উচ্চতা প্রায় ১০ ফুট। আর বয়স ২০-২৫ বছর হতে পারে।
কক্সবাজার দক্ষিণ বন বিভাগের টেকনাফ রেঞ্জ কর্মকর্তা আব্দুর রশিদ বলেন, আহত হাতিটিকে প্রাণে বাঁচাতে চিকিৎসা দিচ্ছেন টেকনাফ উপজেলা ভেটেরিনারি হাসপাতালের চিকিৎসকরা। হাতিটিকে প্রায় সময় নেটং পাহাড় ও পাশের দমদমিয়া পাহাড়ি এলাকায় ঘোরাঘুরি করতে দেখা যায়। আজ দুপুরে হাতিটি নেটং পাহাড়ে আসে। সম্ভবত সেখানে চলাফেরার সময় পা পিছলে পাহাড়ের চূড়া থেকে নিচে পড়ে যায়।
ঘটনাস্থল ঘুরে এসে টেকনাফ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) এস এম অনীক চৌধুরী বলেন, পাহাড় থেকে পড়ে হাতিটি গুরুতর আহত হয়েছে, এখন মাটিতে শুয়ে আছে, সামান্য নড়াচড়া করতে পারলেও উঠে দাঁড়াতে পারছে না। দুর্গম পাহাড়ি এলাকায় হওয়ায় আহত হাতিকে অন্যত্র সরিয়ে আনা সম্ভব হচ্ছে না। উন্নত চিকিৎসার জন্য চকরিয়ার ডুলাহাজারা সাফারি পার্কের অভিজ্ঞ ভেটেরিনারি চিকিৎসকদের একটি দল টেকনাফে আনা হচ্ছে।

ভারী বর্ষণে কক্সবাজারের টেকনাফের পাহাড় থেকে ৩০০ ফুট নিচে পড়ে গিয়ে গুরুতর আহত হয়েছে এশিয়ান জাতের ২০-২৫ বছর বয়সী একটি মা হাতি। গড়িয়ে পড়ার সময় হাতিটি বিভিন্ন গাছের সঙ্গে ধাক্কা খায়। এতে হাতিটির পেছনের পা দুটি ভেঙে যায়। কেটে যায় পেটের কিছু অংশও।
শনিবার (১১ জুলাই) বেলা আড়াইটার দিকে টেকনাফ পৌরসভার ১ নম্বর ওয়ার্ডের নাইট্যাংপাড়ার শিয়াল্যাঘোনা পাহাড়ি এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। বন বিভাগের চিকিৎসকরা ঘটনাস্থলে গিয়ে আহত হাতিটিকে চিকিৎসা দিচ্ছেন। এই পাহাড়ে এশিয়ান জাতের অন্তত ২৩টি হাতির বিচরণ রয়েছে।
বন বিভাগের কর্মকর্তারা বলছেন, পাহাড়ের চূড়ায় গাছ ও লতাপাতা খাওয়ার সময় সম্ভবত বৃষ্টির কারণে নরম মাটি ধসে হাতিটি প্রায় ৩০০ ফুট নিচে গড়িয়ে পড়ে। পেটে আঘাত ও পা ভেঙে যাওয়ার কারণে হাতিটি হাঁটতে পারছে না। এটির দৈর্ঘ্য প্রায় ৩০ ফুট, উচ্চতা প্রায় ১০ ফুট। আর বয়স ২০-২৫ বছর হতে পারে।
কক্সবাজার দক্ষিণ বন বিভাগের টেকনাফ রেঞ্জ কর্মকর্তা আব্দুর রশিদ বলেন, আহত হাতিটিকে প্রাণে বাঁচাতে চিকিৎসা দিচ্ছেন টেকনাফ উপজেলা ভেটেরিনারি হাসপাতালের চিকিৎসকরা। হাতিটিকে প্রায় সময় নেটং পাহাড় ও পাশের দমদমিয়া পাহাড়ি এলাকায় ঘোরাঘুরি করতে দেখা যায়। আজ দুপুরে হাতিটি নেটং পাহাড়ে আসে। সম্ভবত সেখানে চলাফেরার সময় পা পিছলে পাহাড়ের চূড়া থেকে নিচে পড়ে যায়।
ঘটনাস্থল ঘুরে এসে টেকনাফ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) এস এম অনীক চৌধুরী বলেন, পাহাড় থেকে পড়ে হাতিটি গুরুতর আহত হয়েছে, এখন মাটিতে শুয়ে আছে, সামান্য নড়াচড়া করতে পারলেও উঠে দাঁড়াতে পারছে না। দুর্গম পাহাড়ি এলাকায় হওয়ায় আহত হাতিকে অন্যত্র সরিয়ে আনা সম্ভব হচ্ছে না। উন্নত চিকিৎসার জন্য চকরিয়ার ডুলাহাজারা সাফারি পার্কের অভিজ্ঞ ভেটেরিনারি চিকিৎসকদের একটি দল টেকনাফে আনা হচ্ছে।

শনিবার (১ আগস্ট) বিষয়টি নিশ্চিত করে ডিএমপির মিরপুর বিভাগের অতিরিক্ত পুলিশ কমিশনার ফারজিনা নাসরিন বলেন, ঘটনাস্থলে পুলিশ কাজ করছে এবং উদ্ধার হওয়া বস্তুটি আসলে বিস্ফোরক কি না, তা যাচাই করা হচ্ছে।
১৩ ঘণ্টা আগে
নওগাঁয় মাছ বিক্রি করে একটি পিকআপ বগুড়ার দিকে আসছিল। সকাল ১০টার দিকে পিকআপটি বগুড়ার কাহালু উপজেলার কাজীপাড়া বউবাজার এলাকায় বগুড়া-নওগাঁ সড়কে পৌঁছে। এ সময় বগুড়া থেকে ছেড়ে আসা নওগাঁগামী ট্রাকের চালক নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে পিকআপটিকে ধাক্কা দেয়।
১৫ ঘণ্টা আগে
খুলনা থেকে একই মোটরসাইকেলে বাড়ি ফিরছিলেন তারা। রাত ১০টার দিকে দিঘলিয়া উপজেলার আমবাড়ীয়া এলাকায় পৌঁছালে বিপরীত দিক থেকে আসা একটি ট্রাক মোটরসাইকেলটিকে চাপা দেয়। এতে ঘটনাস্থলেই দুই নারী ও শিশুকন্যার মৃত্যু হয়।
১৭ ঘণ্টা আগে
এ সময় মার্কিন প্রতিনিধিদলের কাছে রোহিঙ্গারা দ্রুত নিজ দেশে ফিরে যাওয়ার আকাঙ্ক্ষার কথা জানান। তারা মিয়ানমারের রাখাইন রাজ্যে নিরাপদ, স্বেচ্ছামূলক ও মর্যাদাপূর্ণ প্রত্যাবাসনের দাবি জানিয়েছেন।
১ দিন আগে