
রাঙ্গামাটি প্রতিনিথি

রাঙ্গামাটিতে বিজু, সাংগ্রাই, বৈসুক, বিষু, বিহু, চাংক্রান, চাংলান ও পাতা উৎসব উপলক্ষ্যে উদযাপন কমিটির উদ্যোগে প্রতি বছরের ন্যায় এবারও ঐতিহ্যবাহী বলিখেলা অনুষ্ঠিত হয়েছে। শনিবার বিকেল ৪টায় শহরের চিং হ্লা মং মারী স্টেডিয়ামে এ খেলা অনুষ্ঠিত হয়।
বলিখেলায় রাঙ্গামাটিসহ তিন পার্বত্য জেলার বিভিন্ন এলাকা থেকে মোট ১০ জন বলি অংশগ্রহণ করেন। প্রতিযোগিতায় চমৎকার নৈপুণ্য দেখিয়ে নতুন বলি হিসেবে চ্যাম্পিয়ন হয়েছেন রাঙ্গামাটি শহরের দক্ষিণ কালিন্দীপুর এলাকার দীপু তালুকদার (দীপু বলি)।
রানার্সআপ হয়েছেন খাগড়াছড়ির পানছড়ি উপজেলার টানা তিনবারের চ্যাম্পিয়ন সৃজন বলি। তৃতীয় স্থান অধিকারীও পুরস্কৃত হন।
চ্যাম্পিয়নকে পুরস্কার হিসেবে ২০ হাজার টাকা, রানার্সআপকে ১৫ হাজার টাকা এবং তৃতীয় স্থান অর্জনকারীকে ১০ হাজার টাকা প্রদান করা হয়।
খেলা দেখতে মারী স্টেডিয়ামে শত শত দর্শকের উপস্থিতি লক্ষ্য করা যায়। দর্শকদের উচ্ছ্বাস আর করতালিতে পুরো মাঠ জুড়ে ছিল উৎসবমুখর পরিবেশ।
ফাইনাল খেলাটি প্রায় দেড় ঘণ্টা ধরে চলে। নির্ধারিত সময়ের মধ্যে ফলাফল না আসায় শেষ পর্যন্ত আয়োজক কমিটি চূড়ান্ত সিদ্ধান্তের দিকে এগোয়। পরে দীপু বলির জোরালো কৌশল ও শক্তিশালী প্রচেষ্টায় প্রতিপক্ষ সৃজন বলি ধরাশায়ী হলে বিজয় নিশ্চিত হয়।
অনুষ্ঠানে অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন সাবেক সংসদ সদস্য উষাতন তালুকদার এবং আদিবাসী ফোরামের পার্বত্য অঞ্চল শাখার আহ্বায়ক প্রকৃতি রঞ্জন চাকমা সহ অন্যান্য গণ্যমান্য ব্যক্তিরা।
রাঙ্গামাটির বলি খেলার দর্শক রিনা চাকমা বলেন, এ ধরনের ঐতিহ্যবাহী বলিখেলা আমাদের পাহাড়ি সংস্কৃতির গুরুত্বপূর্ণ অংশ। পরিবার নিয়ে খেলা দেখতে এসে খুব ভালো লাগছে। এমন আয়োজন নিয়মিত হলে নতুন প্রজন্ম আমাদের ঐতিহ্য সম্পর্কে আরও জানতে পারবে।
রাঙ্গামাটির বিশিষ্ট ক্রীড়া সংগঠক মো. আফসার বলেন, খেলা শুরু থেকে শেষ পর্যন্ত দারুণ উপভোগ করেছি। প্রতিযোগিতা ছিল খুবই জমজমাট। বিশেষ করে ফাইনাল ম্যাচটা ছিল রোমাঞ্চকর। এ ধরনের আয়োজন পার্বত্য অঞ্চলের মানুষের মধ্যে ভ্রাতৃত্ববোধ বাড়ায়।
চট্টগ্রাম থেকে আগত বিশিষ্ট ফটো সাংবাদিক মঞ্জুরুল আলম মঞ্জু বলেন, বলিখেলা শুধু খেলা নয়, এটি আমাদের সংস্কৃতি ও ঐতিহ্যের প্রতীক। দূর থেকে এসেও এমন আয়োজন দেখে সত্যিই গর্ববোধ করছি। ভবিষ্যতে আরও বড় পরিসরে আয়োজন করা হলে ভালো হবে।
এ ধরনের ঐতিহ্যবাহী খেলাধুলা পাহাড়ের সংস্কৃতি ও সম্প্রীতির বন্ধনকে আরও দৃঢ় করে বলে মনে করেন সংশ্লিষ্টরা।

রাঙ্গামাটিতে বিজু, সাংগ্রাই, বৈসুক, বিষু, বিহু, চাংক্রান, চাংলান ও পাতা উৎসব উপলক্ষ্যে উদযাপন কমিটির উদ্যোগে প্রতি বছরের ন্যায় এবারও ঐতিহ্যবাহী বলিখেলা অনুষ্ঠিত হয়েছে। শনিবার বিকেল ৪টায় শহরের চিং হ্লা মং মারী স্টেডিয়ামে এ খেলা অনুষ্ঠিত হয়।
বলিখেলায় রাঙ্গামাটিসহ তিন পার্বত্য জেলার বিভিন্ন এলাকা থেকে মোট ১০ জন বলি অংশগ্রহণ করেন। প্রতিযোগিতায় চমৎকার নৈপুণ্য দেখিয়ে নতুন বলি হিসেবে চ্যাম্পিয়ন হয়েছেন রাঙ্গামাটি শহরের দক্ষিণ কালিন্দীপুর এলাকার দীপু তালুকদার (দীপু বলি)।
রানার্সআপ হয়েছেন খাগড়াছড়ির পানছড়ি উপজেলার টানা তিনবারের চ্যাম্পিয়ন সৃজন বলি। তৃতীয় স্থান অধিকারীও পুরস্কৃত হন।
চ্যাম্পিয়নকে পুরস্কার হিসেবে ২০ হাজার টাকা, রানার্সআপকে ১৫ হাজার টাকা এবং তৃতীয় স্থান অর্জনকারীকে ১০ হাজার টাকা প্রদান করা হয়।
খেলা দেখতে মারী স্টেডিয়ামে শত শত দর্শকের উপস্থিতি লক্ষ্য করা যায়। দর্শকদের উচ্ছ্বাস আর করতালিতে পুরো মাঠ জুড়ে ছিল উৎসবমুখর পরিবেশ।
ফাইনাল খেলাটি প্রায় দেড় ঘণ্টা ধরে চলে। নির্ধারিত সময়ের মধ্যে ফলাফল না আসায় শেষ পর্যন্ত আয়োজক কমিটি চূড়ান্ত সিদ্ধান্তের দিকে এগোয়। পরে দীপু বলির জোরালো কৌশল ও শক্তিশালী প্রচেষ্টায় প্রতিপক্ষ সৃজন বলি ধরাশায়ী হলে বিজয় নিশ্চিত হয়।
অনুষ্ঠানে অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন সাবেক সংসদ সদস্য উষাতন তালুকদার এবং আদিবাসী ফোরামের পার্বত্য অঞ্চল শাখার আহ্বায়ক প্রকৃতি রঞ্জন চাকমা সহ অন্যান্য গণ্যমান্য ব্যক্তিরা।
রাঙ্গামাটির বলি খেলার দর্শক রিনা চাকমা বলেন, এ ধরনের ঐতিহ্যবাহী বলিখেলা আমাদের পাহাড়ি সংস্কৃতির গুরুত্বপূর্ণ অংশ। পরিবার নিয়ে খেলা দেখতে এসে খুব ভালো লাগছে। এমন আয়োজন নিয়মিত হলে নতুন প্রজন্ম আমাদের ঐতিহ্য সম্পর্কে আরও জানতে পারবে।
রাঙ্গামাটির বিশিষ্ট ক্রীড়া সংগঠক মো. আফসার বলেন, খেলা শুরু থেকে শেষ পর্যন্ত দারুণ উপভোগ করেছি। প্রতিযোগিতা ছিল খুবই জমজমাট। বিশেষ করে ফাইনাল ম্যাচটা ছিল রোমাঞ্চকর। এ ধরনের আয়োজন পার্বত্য অঞ্চলের মানুষের মধ্যে ভ্রাতৃত্ববোধ বাড়ায়।
চট্টগ্রাম থেকে আগত বিশিষ্ট ফটো সাংবাদিক মঞ্জুরুল আলম মঞ্জু বলেন, বলিখেলা শুধু খেলা নয়, এটি আমাদের সংস্কৃতি ও ঐতিহ্যের প্রতীক। দূর থেকে এসেও এমন আয়োজন দেখে সত্যিই গর্ববোধ করছি। ভবিষ্যতে আরও বড় পরিসরে আয়োজন করা হলে ভালো হবে।
এ ধরনের ঐতিহ্যবাহী খেলাধুলা পাহাড়ের সংস্কৃতি ও সম্প্রীতির বন্ধনকে আরও দৃঢ় করে বলে মনে করেন সংশ্লিষ্টরা।

নাহিদ ইসলাম বলেন, ‘কেন আমাদের গাড়ি আটকে দেওয়া হয়েছে? আমরা হবিগঞ্জে যেতে চাই। সেখানে গিয়ে আমরা আইনি পদক্ষেপ নেব।’
১ দিন আগে
জব্দ করা দুটি ট্রলার রাজীবপুর ইউনিয়ন বিএনপির যুগ্ম আহ্বায়ক ওয়াদুদ জামান মানিক ও যুগ্ম আহ্বায়ক মোশাররফ হোসেন এবং উচাখিলা ইউনিয়ন বিএনপির যুগ্ম আহ্বায়ক হাদীউল বাশার সুমনের জিম্মায় দিয়েছিল প্রশাসন। ট্রলারে ছিলেন ঈশ্বরগঞ্জ থানার এএসআই জীবন চন্দ্র বৈশ্য, কনস্টেবল বিমল চন্দ্র পাল এবং গ্রাম পুলিশ উজ্জ্বল ও
১ দিন আগে
একপর্যায়ে হাসনাত বলেন, তিনি নিজেসহ আরও দুই সংসদ সদস্য নাহিদ ইসলাম ও মাহমুদা মিতু (সংরক্ষিত আসনে) এবং এনসিপির দুজন কেন্দ্রীয় কার্যনির্বাহী সদস্য কেবল মামলা করতে যাবেন। প্রয়োজনে তারা গাড়ির চালককেও নেবেন না। পুলিশ চালক দিলে তাকে নিয়েই যাবেন তারা। তবে পুলিশ সে প্রস্তাবও মানেনি। পরে এনসিপি নেতারা ব্যারিক
১ দিন আগে
বুধবার (২২ জুলাই) পটুয়াখালী নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনাল আদালতে বাদী হিসেবে মামলাটি দায়ের করেন ওই বিধবা। আদালত মামলাটি আমলে নিয়ে পটুয়াখালী সদর থানায় এজাহার রেকর্ড করে আসামির বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার নির্দেশ দিয়েছেন।
১ দিন আগে