
খাগড়াছড়ি প্রতিনিধি

খাগড়াছড়ির দীঘিনালা উপজেলায় গভীর রাতে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডে ৯টি দোকান সম্পূর্ণ পুড়ে ছাই হয়ে গেছে। এতে স্থানীয় ব্যবসায়ীদের ১৫ থেকে ২০ লাখ টাকার ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে বলে ধারণা করা হচ্ছে।
শুক্রবার (১০ এপ্রিল) রাত আনুমানিক সাড়ে ১১টার দিকে কবাখালী ইউনিয়নের পাবলাখালী শান্তিপুর এলাকায় হঠাৎ আগুনের সূত্রপাত হয়। মুহূর্তের মধ্যেই আগুন আশপাশের দোকানগুলোতে ছড়িয়ে পড়ে।
স্থানীয়রা জানান, আগুন লাগার সঙ্গে সঙ্গেই আশপাশের লোকজন তা নেভানোর চেষ্টা করেন। তবে আগুন দ্রুত ভয়াবহ আকার ধারণ করায় নিয়ন্ত্রণ করা সম্ভব হয়নি। পরে খবর পেয়ে দীঘিনালা ফায়ার সার্ভিসের কর্মীরা ঘটনাস্থলে পৌঁছে আগুন নিয়ন্ত্রণে আনেন। এর আগেই ৯টি দোকান সম্পূর্ণ ভস্মীভূত হয়ে যায়।

দীঘিনালা ফায়ার সার্ভিসের স্টেশন অফিসার পঙ্কজ কুমার বড়ুয়া বলেন, খবর পেয়ে দ্রুত ঘটনাস্থলে গিয়ে আগুন নিয়ন্ত্রণে আনা হয়। প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে, বৈদ্যুতিক শর্টসার্কিট থেকেই অগ্নিকাণ্ডের সূত্রপাত হয়েছে। এতে প্রায় ১২ লাখ টাকার ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে বলে ধারণা করা হচ্ছে।
ক্ষতিগ্রস্ত ব্যবসায়ী উৎপল দেওয়ান বলেন, বৈসাবি, বিঝু ও পহেলা বৈশাখ উপলক্ষ্যে দোকানে নতুন মালামাল তোলা হয়েছিল। রাতে দোকান বন্ধ করে বাসায় যাওয়ার পর আগুনের খবর পান। এসে দেখেন তার দোকান সম্পূর্ণ পুড়ে গেছে। চা ও ফটোকপির দোকানদার সুরেশ চাকমা জানান, সকালে এসে তিনি দেখেন তার দোকানের কিছুই অবশিষ্ট নেই।

দীঘিনালা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা তানজিল পারভেজ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করে ক্ষতিগ্রস্ত ব্যবসায়ীদের প্রতি সমবেদনা জানিয়েছেন। তিনি বলেন, অগ্নিকাণ্ডের মতো দুর্ঘটনা হঠাৎ ঘটে যায়, বিশেষ করে শুকনো মৌসুমে এ ধরনের ঝুঁকি বেশি থাকে। ক্ষয়ক্ষতি নিরূপণ করে সরকারি সহায়তা দেওয়া হবে বলেও জানান তিনি।

খাগড়াছড়ির দীঘিনালা উপজেলায় গভীর রাতে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডে ৯টি দোকান সম্পূর্ণ পুড়ে ছাই হয়ে গেছে। এতে স্থানীয় ব্যবসায়ীদের ১৫ থেকে ২০ লাখ টাকার ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে বলে ধারণা করা হচ্ছে।
শুক্রবার (১০ এপ্রিল) রাত আনুমানিক সাড়ে ১১টার দিকে কবাখালী ইউনিয়নের পাবলাখালী শান্তিপুর এলাকায় হঠাৎ আগুনের সূত্রপাত হয়। মুহূর্তের মধ্যেই আগুন আশপাশের দোকানগুলোতে ছড়িয়ে পড়ে।
স্থানীয়রা জানান, আগুন লাগার সঙ্গে সঙ্গেই আশপাশের লোকজন তা নেভানোর চেষ্টা করেন। তবে আগুন দ্রুত ভয়াবহ আকার ধারণ করায় নিয়ন্ত্রণ করা সম্ভব হয়নি। পরে খবর পেয়ে দীঘিনালা ফায়ার সার্ভিসের কর্মীরা ঘটনাস্থলে পৌঁছে আগুন নিয়ন্ত্রণে আনেন। এর আগেই ৯টি দোকান সম্পূর্ণ ভস্মীভূত হয়ে যায়।

দীঘিনালা ফায়ার সার্ভিসের স্টেশন অফিসার পঙ্কজ কুমার বড়ুয়া বলেন, খবর পেয়ে দ্রুত ঘটনাস্থলে গিয়ে আগুন নিয়ন্ত্রণে আনা হয়। প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে, বৈদ্যুতিক শর্টসার্কিট থেকেই অগ্নিকাণ্ডের সূত্রপাত হয়েছে। এতে প্রায় ১২ লাখ টাকার ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে বলে ধারণা করা হচ্ছে।
ক্ষতিগ্রস্ত ব্যবসায়ী উৎপল দেওয়ান বলেন, বৈসাবি, বিঝু ও পহেলা বৈশাখ উপলক্ষ্যে দোকানে নতুন মালামাল তোলা হয়েছিল। রাতে দোকান বন্ধ করে বাসায় যাওয়ার পর আগুনের খবর পান। এসে দেখেন তার দোকান সম্পূর্ণ পুড়ে গেছে। চা ও ফটোকপির দোকানদার সুরেশ চাকমা জানান, সকালে এসে তিনি দেখেন তার দোকানের কিছুই অবশিষ্ট নেই।

দীঘিনালা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা তানজিল পারভেজ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করে ক্ষতিগ্রস্ত ব্যবসায়ীদের প্রতি সমবেদনা জানিয়েছেন। তিনি বলেন, অগ্নিকাণ্ডের মতো দুর্ঘটনা হঠাৎ ঘটে যায়, বিশেষ করে শুকনো মৌসুমে এ ধরনের ঝুঁকি বেশি থাকে। ক্ষয়ক্ষতি নিরূপণ করে সরকারি সহায়তা দেওয়া হবে বলেও জানান তিনি।

প্রধান অভিযুক্ত লিটুকে যুবদল নেতা হিসেবে প্রচার করা হলেও বরিশাল যুবদল এক সংবাদ সম্মেলনে স্পষ্ট জানিয়েছে, অভিযুক্ত লিটুর সঙ্গে যুবদলের কোনো সাংগঠনিক সম্পৃক্ততা নেই এবং তিনি দলের কোনো পদেও ছিলেন না।
১১ ঘণ্টা আগে
সোমবার (৬ জুলাই) দিবাগত রাতে উপজেলার জামতলী, কুতুপালং এবং বালুখালী ক্যাম্পে এই দুর্ঘটনাগুলো ঘটে। ফায়ার সার্ভিস ও স্থানীয় স্বেচ্ছাসেবকদের সহায়তায় নিহতদের মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে।
১২ ঘণ্টা আগে
গণমাধ্যমে পাঠানো এক বার্তায় র্যাব জানায়, মহরম দীর্ঘদিন ধরে কারওয়ান বাজারসহ রাজধানীর বিভিন্ন এলাকায় ছিনতাই, চুরি ও মাদক ব্যবসাসহ নানা অপরাধে জড়িত ছিলেন।
১ দিন আগে
মন্দিরের দেখভাল করা পরিবারের সদস্য ও স্থানীয়রা বাধা দিতে গেলে তাদের ওপর হামলা চালানো হয়। এ সময় দেশীয় অস্ত্র দিয়ে সঞ্জিব বণিককে কুপিয়ে জখম করা হয়। এ ছাড়া বণিক পরিবারের অন্যান্য সদস্যের ওপরও হামলা চালানো হয়। এতে সঞ্জিব বণিক, অপূর্ব বণিক, রত্না বণিক, শিল্পী চৌধুরীসহ মোট পাঁচজন আহত হন।
২ দিন আগে