
প্রতিবেদক, রাজনীতি ডটকম

রাজধানীর মিরপুরে একটি কলেজের দেয়াল ধসে দুজন নিহত হয়েছেন। একই দুর্ঘটনায় আহত হয়েছেন আরও অন্তত ছয়জন। হতাহতরা সবাই টিসিবির পণ্য কিনতে লাইনে দাঁড়িয়ে ছিলেন। স্বাস্থ্যমন্ত্রী সরদার সাখাওয়াত হোসেন জানিয়েছেন, আহতদের চিকিৎসার সব খরচ সরকার বহন করবে।
মঙ্গলবার (২৮ জুলাই) দুপুর ১টা ২৭ মিনিটের দিকে মিরপুর বিশ্ববিদ্যালয় কলেজসংলগ্ন লাভ রোডের দিকের সীমানা প্রাচীর ধসে পড়লে হতাহতের এ ঘটনা ঘটে।
নিহতদের মধ্যে নাসিমা বেগম (৪৫) পরিচ্ছন্নতা কর্মী ছিলেন। থাকতেন মিরপুর-২ নম্বর জনতা হাউজিং এলাকায়। নিহত আরেকজন নাম ফিরোজ (৪১), তিনি পেশায় রিকশাচালক ছিলেন। স্ত্রী ও দুই মেয়েকে নিয়ে তিনি রাজধানীর মিরপুর-১-এর নবাবেরবাগ এলাকার একটি টিনশেড বাসায় থাকতেন।
মিরপুর মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোহাম্মদ হাফিজুর রহমান জানান, দুপুরে টিসিবির পণ্য দেওয়া হচ্ছিল মিরপুর বিশ্ববিদ্যালয় কলেজের একটি দেয়ালের পাশে। সেখানে দেয়াল ধসে পড়লে তা টিসিবির লাইনে দাঁড়িয়ে থাকা ব্যক্তিদের ওপর পড়ে। এ সময় আহতদের হাসপাতালে নেওয়া হলে পঙ্গু হাসপাতালে একজন ও ঢাকা মেডিকেল কলেজ (ঢামেক) হাসপাতালে আরেকজনকে মৃত ঘোষণা করেন চিকিৎসকরা। আহত বাকিরা হাসপাতালে চিকিৎসাধীন।
এ ঘটনায় আহত তিনজনকে ঢামেক হাসপাতালে ভর্তি রেখে চিকিৎসা দেওয়া হচ্ছে। তাদের মধ্যে মনোয়ারা খাতুনের (৩৮) ডান হাত ও পাঁজরের হাড় ভেঙে গেছে। মনোয়ারা খাতুনের ছেলে মোশারফ হোসেনেরও (২০) ডান হাত ভেঙে গেছে। আর রাজিয়া বেগমের (৪৫) মাথায় আঘাত রয়েছে।
আহত আরও অন্তত তিনজন পঙ্গু হাসপাতাল নামে পরিচিত জাতীয় অর্থোপেডিক হাসপাতাল ও পুনর্বাসন প্রতিষ্ঠানে (নিটোর) চিকিৎসাধীন। স্বাস্থ্যমন্ত্রী সরদার সাখাওয়াত হোসেন রাত ৯টার দিকে সেখানে আহতদের দেখতে গিয়েছিলেন।
এ সময় মন্ত্রী বলেন, আহতদের চিকিৎসার যাবতীয় খরচ সরকারের পক্ষ থেকে বহন করা হবে। চিকিৎসায় যেন কোনো ত্রুটি না থাকে, সে জন্য সর্বোচ্চ সেবা নিশ্চিত করার নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। বাইরে থেকে কোনো ওষুধ বা চিকিৎসা সামগ্রী আনতে হলে তার হিসাব রাখা হবে এবং আমরা তার পুরো অর্থ পরিশোধ করব। প্রাথমিক খরচ হিসেবে কিছু নগদ অর্থ আহতদের স্বজনের হাতে দেওয়া হয়েছে বলেও জানান তিনি।
এ সময় সংরক্ষিত মহিলা আসনের সংসদ সদস্য ফেরদৌস আরা মিষ্টি ও হাসপাতালের পরিচালক অধ্যাপক ডা. আবুল কেনানসহ স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় ও অধিদপ্তরের কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

রাজধানীর মিরপুরে একটি কলেজের দেয়াল ধসে দুজন নিহত হয়েছেন। একই দুর্ঘটনায় আহত হয়েছেন আরও অন্তত ছয়জন। হতাহতরা সবাই টিসিবির পণ্য কিনতে লাইনে দাঁড়িয়ে ছিলেন। স্বাস্থ্যমন্ত্রী সরদার সাখাওয়াত হোসেন জানিয়েছেন, আহতদের চিকিৎসার সব খরচ সরকার বহন করবে।
মঙ্গলবার (২৮ জুলাই) দুপুর ১টা ২৭ মিনিটের দিকে মিরপুর বিশ্ববিদ্যালয় কলেজসংলগ্ন লাভ রোডের দিকের সীমানা প্রাচীর ধসে পড়লে হতাহতের এ ঘটনা ঘটে।
নিহতদের মধ্যে নাসিমা বেগম (৪৫) পরিচ্ছন্নতা কর্মী ছিলেন। থাকতেন মিরপুর-২ নম্বর জনতা হাউজিং এলাকায়। নিহত আরেকজন নাম ফিরোজ (৪১), তিনি পেশায় রিকশাচালক ছিলেন। স্ত্রী ও দুই মেয়েকে নিয়ে তিনি রাজধানীর মিরপুর-১-এর নবাবেরবাগ এলাকার একটি টিনশেড বাসায় থাকতেন।
মিরপুর মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোহাম্মদ হাফিজুর রহমান জানান, দুপুরে টিসিবির পণ্য দেওয়া হচ্ছিল মিরপুর বিশ্ববিদ্যালয় কলেজের একটি দেয়ালের পাশে। সেখানে দেয়াল ধসে পড়লে তা টিসিবির লাইনে দাঁড়িয়ে থাকা ব্যক্তিদের ওপর পড়ে। এ সময় আহতদের হাসপাতালে নেওয়া হলে পঙ্গু হাসপাতালে একজন ও ঢাকা মেডিকেল কলেজ (ঢামেক) হাসপাতালে আরেকজনকে মৃত ঘোষণা করেন চিকিৎসকরা। আহত বাকিরা হাসপাতালে চিকিৎসাধীন।
এ ঘটনায় আহত তিনজনকে ঢামেক হাসপাতালে ভর্তি রেখে চিকিৎসা দেওয়া হচ্ছে। তাদের মধ্যে মনোয়ারা খাতুনের (৩৮) ডান হাত ও পাঁজরের হাড় ভেঙে গেছে। মনোয়ারা খাতুনের ছেলে মোশারফ হোসেনেরও (২০) ডান হাত ভেঙে গেছে। আর রাজিয়া বেগমের (৪৫) মাথায় আঘাত রয়েছে।
আহত আরও অন্তত তিনজন পঙ্গু হাসপাতাল নামে পরিচিত জাতীয় অর্থোপেডিক হাসপাতাল ও পুনর্বাসন প্রতিষ্ঠানে (নিটোর) চিকিৎসাধীন। স্বাস্থ্যমন্ত্রী সরদার সাখাওয়াত হোসেন রাত ৯টার দিকে সেখানে আহতদের দেখতে গিয়েছিলেন।
এ সময় মন্ত্রী বলেন, আহতদের চিকিৎসার যাবতীয় খরচ সরকারের পক্ষ থেকে বহন করা হবে। চিকিৎসায় যেন কোনো ত্রুটি না থাকে, সে জন্য সর্বোচ্চ সেবা নিশ্চিত করার নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। বাইরে থেকে কোনো ওষুধ বা চিকিৎসা সামগ্রী আনতে হলে তার হিসাব রাখা হবে এবং আমরা তার পুরো অর্থ পরিশোধ করব। প্রাথমিক খরচ হিসেবে কিছু নগদ অর্থ আহতদের স্বজনের হাতে দেওয়া হয়েছে বলেও জানান তিনি।
এ সময় সংরক্ষিত মহিলা আসনের সংসদ সদস্য ফেরদৌস আরা মিষ্টি ও হাসপাতালের পরিচালক অধ্যাপক ডা. আবুল কেনানসহ স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় ও অধিদপ্তরের কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

সোমবার (২৭ জুলাই) বিকেলে কিশোরগঞ্জের তাড়াইল উপজেলায় এনসিপির ‘দেশ গড়তে জুলাই জাগরণ কর্মসূচি’ উপলক্ষে আয়োজিত সমাবেশে তিনি এসব কথা বলেন।
১৩ ঘণ্টা আগে
হাসপাতালে পৌঁছানোর কিছুক্ষণ পর সেখানে হাজির হন ফরহাদ। হাসপাতালের ভেতরে স্বামী-স্ত্রীর মধ্যে বাগ্বিতণ্ডার একপর্যায়ে তিনি ধারালো অস্ত্র দিয়ে মনিরার বুকে ও পেটে উপর্যুপরি ছুরিকাঘাত করেন। গুরুতর আহত অবস্থায় তাকে জয়পুরহাট জেনারেল হাসপাতালে নেওয়ার পথে মৃত্যু হয়।
১ দিন আগে
সোমবার (২৭ জুলাই) সকাল ১০টার দিকে উপজেলার কালিকাপ্রসাদ ইউনিয়নের মিরারচর ও আকবরনগর এলাকায় এ সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন ভৈরব থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) লিমন বোস।
১ দিন আগে
রোববার (২৬ জুলাই) সকাল ১০টার দিকে পূর্ব সুন্দরবনের শরণখোলা রেঞ্জের কচিখালী অভয়ারণ্যের টাইগার পয়েন্ট এলাকায় ক্যামেরায় ধরা পড়ে বাঘটি।
১ দিন আগে