
প্রতিবেদক, রাজনীতি ডটকম

হজরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর এলাকাসহ আশপাশের এলাকায় হর্ন বাজালে আইন অনুযাীয় শান্তিমূলক ব্যবস্থা নেবে বলে জানিয়েছে ঢাকা মহানগর পুলিশ (ডিএমপি)। সেই সঙ্গে গুলশান, বনানী, বারিধারা ও নিকেতনকে ‘নীরব এলাকা’ ঘোষণা করা হয়েছে।
মঙ্গলবার (২০ জানুয়ারি) ডিএমপি কমিশনার শেখ মো. সাজ্জাত আলীর সই করা এক গণবিজ্ঞপ্তিতে এ নির্দেশনা দেওয়া হয়।
গণবিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, যথাযথ কর্তৃপক্ষ হজরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর এলাকা ও তার উত্তর-দক্ষিণে দেড় কিলোমিটার (স্কলাস্টিকা স্কুল থেকে হোটেল লা মেরিডিয়ান পর্যন্ত) এবং গুলশান, বনানী, বারিধারা ও নিকেতন এলাকাকে গত বছরের সেপ্টেম্বরে নীরব এলাকা ঘোষণা করেছিল। অর্থাৎ এসব এলাকায় হর্ন বাজানো শাস্তিযোগ্য অপরাধ, যে অপরাধের সর্বোচ্চ জরিমানা ১০ হাজার টাকা অথবা ৩ মাসের কারাদণ্ড।
ওই ঘোষণার চার মাস পর ‘নীরব এলাকা’গুলোতে কঠোরভাবে আইন প্রয়োগের কথা জানিয়েছে ডিএমপি। গণবিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, ২৫ জানুয়ারি থেকে বিমানবন্দর এলাকায় (সিভিল এভিয়েশন কর্তৃপক্ষের রাস্তা ও পার্কিং এলাকাসহ) ওই আইন অমান্যকারী যানবাহনের ডিএমপির ট্রাফিক বিভাগ শাস্তিমূলক ব্যবস্থা কার্যকর করবে।
অর্থাৎ এই এলাকায় হর্ন বাজানো যানবাহনকে অর্থদণ্ড করবে ট্রাফিক পুলিশ। পাশাপাশি পরিবেশ অধিদপ্তর, বিআরটিএ, সিভিল এভিয়েশন, ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশন ও ডিএমপির নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটদের উপস্থিতিতে বিশেষ ভ্রাম্যমাণ আদালতও পরিচালনা করা হবে, যেখানে আইন অমান্যকারীকে অর্থদণ্ড বা কারাদণ্ড দেওয়া হবে।
এ কারণে সংশ্লিষ্ট গাড়িচালকদের শব্দদূষণ (নিয়ন্ত্রণ) বিধিমালা, ২০২৫ অনুসরণ করে হজরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর এলাকায় হর্ন না বাজানোর জন্য বিশেষভাবে অনুরোধ করেছে ডিএমপি।

হজরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর এলাকাসহ আশপাশের এলাকায় হর্ন বাজালে আইন অনুযাীয় শান্তিমূলক ব্যবস্থা নেবে বলে জানিয়েছে ঢাকা মহানগর পুলিশ (ডিএমপি)। সেই সঙ্গে গুলশান, বনানী, বারিধারা ও নিকেতনকে ‘নীরব এলাকা’ ঘোষণা করা হয়েছে।
মঙ্গলবার (২০ জানুয়ারি) ডিএমপি কমিশনার শেখ মো. সাজ্জাত আলীর সই করা এক গণবিজ্ঞপ্তিতে এ নির্দেশনা দেওয়া হয়।
গণবিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, যথাযথ কর্তৃপক্ষ হজরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর এলাকা ও তার উত্তর-দক্ষিণে দেড় কিলোমিটার (স্কলাস্টিকা স্কুল থেকে হোটেল লা মেরিডিয়ান পর্যন্ত) এবং গুলশান, বনানী, বারিধারা ও নিকেতন এলাকাকে গত বছরের সেপ্টেম্বরে নীরব এলাকা ঘোষণা করেছিল। অর্থাৎ এসব এলাকায় হর্ন বাজানো শাস্তিযোগ্য অপরাধ, যে অপরাধের সর্বোচ্চ জরিমানা ১০ হাজার টাকা অথবা ৩ মাসের কারাদণ্ড।
ওই ঘোষণার চার মাস পর ‘নীরব এলাকা’গুলোতে কঠোরভাবে আইন প্রয়োগের কথা জানিয়েছে ডিএমপি। গণবিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, ২৫ জানুয়ারি থেকে বিমানবন্দর এলাকায় (সিভিল এভিয়েশন কর্তৃপক্ষের রাস্তা ও পার্কিং এলাকাসহ) ওই আইন অমান্যকারী যানবাহনের ডিএমপির ট্রাফিক বিভাগ শাস্তিমূলক ব্যবস্থা কার্যকর করবে।
অর্থাৎ এই এলাকায় হর্ন বাজানো যানবাহনকে অর্থদণ্ড করবে ট্রাফিক পুলিশ। পাশাপাশি পরিবেশ অধিদপ্তর, বিআরটিএ, সিভিল এভিয়েশন, ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশন ও ডিএমপির নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটদের উপস্থিতিতে বিশেষ ভ্রাম্যমাণ আদালতও পরিচালনা করা হবে, যেখানে আইন অমান্যকারীকে অর্থদণ্ড বা কারাদণ্ড দেওয়া হবে।
এ কারণে সংশ্লিষ্ট গাড়িচালকদের শব্দদূষণ (নিয়ন্ত্রণ) বিধিমালা, ২০২৫ অনুসরণ করে হজরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর এলাকায় হর্ন না বাজানোর জন্য বিশেষভাবে অনুরোধ করেছে ডিএমপি।

নাহিদ ইসলাম বলেন, ‘কেন আমাদের গাড়ি আটকে দেওয়া হয়েছে? আমরা হবিগঞ্জে যেতে চাই। সেখানে গিয়ে আমরা আইনি পদক্ষেপ নেব।’
১ দিন আগে
জব্দ করা দুটি ট্রলার রাজীবপুর ইউনিয়ন বিএনপির যুগ্ম আহ্বায়ক ওয়াদুদ জামান মানিক ও যুগ্ম আহ্বায়ক মোশাররফ হোসেন এবং উচাখিলা ইউনিয়ন বিএনপির যুগ্ম আহ্বায়ক হাদীউল বাশার সুমনের জিম্মায় দিয়েছিল প্রশাসন। ট্রলারে ছিলেন ঈশ্বরগঞ্জ থানার এএসআই জীবন চন্দ্র বৈশ্য, কনস্টেবল বিমল চন্দ্র পাল এবং গ্রাম পুলিশ উজ্জ্বল ও
১ দিন আগে
একপর্যায়ে হাসনাত বলেন, তিনি নিজেসহ আরও দুই সংসদ সদস্য নাহিদ ইসলাম ও মাহমুদা মিতু (সংরক্ষিত আসনে) এবং এনসিপির দুজন কেন্দ্রীয় কার্যনির্বাহী সদস্য কেবল মামলা করতে যাবেন। প্রয়োজনে তারা গাড়ির চালককেও নেবেন না। পুলিশ চালক দিলে তাকে নিয়েই যাবেন তারা। তবে পুলিশ সে প্রস্তাবও মানেনি। পরে এনসিপি নেতারা ব্যারিক
১ দিন আগে
বুধবার (২২ জুলাই) পটুয়াখালী নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনাল আদালতে বাদী হিসেবে মামলাটি দায়ের করেন ওই বিধবা। আদালত মামলাটি আমলে নিয়ে পটুয়াখালী সদর থানায় এজাহার রেকর্ড করে আসামির বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার নির্দেশ দিয়েছেন।
১ দিন আগে