
চট্টগ্রাম প্রতিনিধি

চট্টগ্রাম নগরীর বারেক বিল্ডিং এলাকায় মিছিল করার অভিযোগে নিষিদ্ধ ঘোষিত ছাত্রলীগ ও যুবলীগসহ আওয়ামী লীগের বিভিন্ন অঙ্গসংগঠনের ১৩ নেতাকর্মীকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। এ সময় মিছিলে ব্যবহৃত দুটি যাত্রীবাহী বাসও জব্দ করা হয়েছে।
আজ শনিবার (৬ জুন) বিকেলে পাঠানো এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানিয়েছে চট্টগ্রাম মেট্রোপলিটন পুলিশ (সিএমপি)।
পুলিশ জানায়, শুক্রবার সকালে ছাত্রলীগ, যুবলীগ ও আওয়ামী লীগের বিভিন্ন অঙ্গসংগঠনের নেতাকর্মীরা দুটি যাত্রীবাহী বাসে করে বারেক বিল্ডিং এলাকায় এসে মিছিল করেন। খবর পেয়ে ডবলমুরিং থানা পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছালে অংশগ্রহণকারীরা বিভিন্ন অলিগলি দিয়ে পালিয়ে যান। পরে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে নগরীর বিভিন্ন এলাকায় অভিযান চালিয়ে ১৩ জনকে গ্রেপ্তার করা হয়।
গ্রেপ্তারকৃতরা হলেন— হালিশহর থানা যুবলীগের সভাপতি মো. ওমর ফারুক, সাকিবুল ইসলাম, ডবলমুরিং থানা ছাত্রলীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক আহমদ রেজা, যীশু দাশ, মো. সাইফুল আলম রুবেল, মো. শরিফুল ইসলাম, মো. ইব্রাহিম খলিল, মোহাম্মদ মিন্টু, মো. মনিরুল ইসলাম, মো. হান্নান, মো. জুনাইদুল আলম তাসনুপ ও মো. ইরফান।
সিএমপির সহকারী কমিশনার (সদর) আমিনুর রশিদ বলেন, ‘গোপন তথ্যের ভিত্তিতে অভিযান চালিয়ে মিছিলে অংশ নেওয়া ১৩ জনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। তারা যে দুটি বাসে করে এসেছিল, সেগুলোও জব্দ করা হয়েছে।’
পুলিশ বলছে, ঘটনাস্থল থেকে দুটি যাত্রীবাহী বাস ছাড়াও চারটি সাদা কাপড়ের টুকরা, ১০টি লাঠি এবং ১৩টি ইটের টুকরা উদ্ধার করা হয়েছে। এ ঘটনায় ডবলমুরিং থানায় একটি মামলা দায়ের করা হয়েছে বলে জানিয়েছে পুলিশ।

চট্টগ্রাম নগরীর বারেক বিল্ডিং এলাকায় মিছিল করার অভিযোগে নিষিদ্ধ ঘোষিত ছাত্রলীগ ও যুবলীগসহ আওয়ামী লীগের বিভিন্ন অঙ্গসংগঠনের ১৩ নেতাকর্মীকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। এ সময় মিছিলে ব্যবহৃত দুটি যাত্রীবাহী বাসও জব্দ করা হয়েছে।
আজ শনিবার (৬ জুন) বিকেলে পাঠানো এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানিয়েছে চট্টগ্রাম মেট্রোপলিটন পুলিশ (সিএমপি)।
পুলিশ জানায়, শুক্রবার সকালে ছাত্রলীগ, যুবলীগ ও আওয়ামী লীগের বিভিন্ন অঙ্গসংগঠনের নেতাকর্মীরা দুটি যাত্রীবাহী বাসে করে বারেক বিল্ডিং এলাকায় এসে মিছিল করেন। খবর পেয়ে ডবলমুরিং থানা পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছালে অংশগ্রহণকারীরা বিভিন্ন অলিগলি দিয়ে পালিয়ে যান। পরে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে নগরীর বিভিন্ন এলাকায় অভিযান চালিয়ে ১৩ জনকে গ্রেপ্তার করা হয়।
গ্রেপ্তারকৃতরা হলেন— হালিশহর থানা যুবলীগের সভাপতি মো. ওমর ফারুক, সাকিবুল ইসলাম, ডবলমুরিং থানা ছাত্রলীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক আহমদ রেজা, যীশু দাশ, মো. সাইফুল আলম রুবেল, মো. শরিফুল ইসলাম, মো. ইব্রাহিম খলিল, মোহাম্মদ মিন্টু, মো. মনিরুল ইসলাম, মো. হান্নান, মো. জুনাইদুল আলম তাসনুপ ও মো. ইরফান।
সিএমপির সহকারী কমিশনার (সদর) আমিনুর রশিদ বলেন, ‘গোপন তথ্যের ভিত্তিতে অভিযান চালিয়ে মিছিলে অংশ নেওয়া ১৩ জনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। তারা যে দুটি বাসে করে এসেছিল, সেগুলোও জব্দ করা হয়েছে।’
পুলিশ বলছে, ঘটনাস্থল থেকে দুটি যাত্রীবাহী বাস ছাড়াও চারটি সাদা কাপড়ের টুকরা, ১০টি লাঠি এবং ১৩টি ইটের টুকরা উদ্ধার করা হয়েছে। এ ঘটনায় ডবলমুরিং থানায় একটি মামলা দায়ের করা হয়েছে বলে জানিয়েছে পুলিশ।

বৃহস্পতিবার স্থানীয়ভাবে গুজব ছড়িয়ে পড়ে, রিয়াজ মারা মারা গেছেন। এতে তার স্বজনসহ স্থানীয়রা ক্ষুব্ধ হয়ে থানায় হামলা চালান। প্রায় শতাধিক মানুষের হামলায় পুলিশ সদস্যরা কোণঠাসা হয়ে পড়েন। এ সময় হামলাকারীরা থানায় কর্তব্যরত সহকারী উপপরিদর্শক (এএসআই) আবদুল হালিমকে মারধর করেন।
২০ ঘণ্টা আগে
সকালে বুড়িচং উপজেলার বালিখাড়া, ভান্তি ও কামারখাড়া এলাকায় সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়, চরাঞ্চলের শত শত একর সবজি ক্ষেত পানির নিচে তলিয়ে গেছে। পানির ওপর ভেসে রয়েছে বিভিন্ন ধরনের শাকসবজি। লোকসান কিছুটা কমাতে স্থানীয় কৃষকদের কোমর সমান পানিতে নেমে অপরিপক্ব ফসল কেটে ঘরে তোলার আপ্রাণ চেষ্টা করতে দেখা গেছে।
১ দিন আগে
রাতের আঁধারে প্রবল স্রোতে নদীর পানি লোকালয়ে প্রবেশ করতে শুরু করলে মুহূর্তের মধ্যে ইসলামপুর, মাধবপুর ও আদমপুর ইউনিয়নের বিস্তীর্ণ এলাকা প্লাবিত হয়। এতে মোখাবিল, গোলের হাওর, ভান্ডারিগাঁও, গঙ্গানগর, কোনাগাঁও, বেরীগাঁও, শ্রীপুর, পাতারিগাঁও, কালারায়বিল, আধকানী, ছনগাঁও, বন্দেরগাঁও, তেইতইগাঁও, ভানুবিল ও ঘোর
১ দিন আগে
ভুক্তভোগী সদরঞ্জন দাস জানান, তিনি সুনামগঞ্জের শাল্লা উপজেলার যাত্রাপুর গ্রাম থেকে অন্য এক ব্যক্তিসহ নৌকায় করে হাঁসের বাচ্চা কিনতে কিশোরগঞ্জের তাড়াইল উপজেলার দামিহা এলাকায় যাচ্ছিলেন। পথে বর্শিকুড়া-শেরপুর সেতু সংলগ্ন এলাকায় পৌঁছালে মাথায় হেলমেট পরিহিত সাতজনের একটি সশস্ত্র দল দেশীয় অস্ত্রের মুখে তাদের
১ দিন আগে