
চট্টগ্রাম প্রতিনিধি

চট্টগ্রামে ১৯ বছর আগে মলম পার্টি ও ছিনতাইকারীদের নিহত চার্টার্ড অ্যাকাউন্টেন্ট (সিএ) শিক্ষার্থী ফসিউর রহমান শাওন হত্যার ঘটনায় পাঁচজনকে মৃত্যুদণ্ড দিয়েছেন আদালত। রোববার বিকেলে চট্টগ্রামের ষষ্ঠ অতিরিক্ত জেলা ও দায়রা জজ মুহাম্মদ আলী আককাস এ রায় দেন। পাশাপাশি অভিযোগ প্রমাণিত না হওয়ায় এই হত্যা মামলায় ১০ আসামিকে বেকসুর খালাস দেওয়া হয়েছে।
আদালতের বেঞ্চ সহকারী মো. রাকিব উদ্দিন এ তথ্য জানিয়েছেন।
তিনি বলেন, রায়ে বিচারক পাঁচজনকে মৃত্যুদণ্ড দেওয়ার পাশাপাশি প্রত্যেককে ২৫ হাজার টাকা করে জরিমানা করেছেন।
মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত আসামিরা হলেন- বেল্লাল হোসেন, জাকির হোসেন, শহীদ রাজা, আল আমিন গাজী ও মো. সোহেল। এদের মধ্যে প্রথম তিনজন কারাগারে থাকলেও বাকি দুইজন পলাতক রয়েছেন।
খালাস পাওয়া ব্যক্তিরা হলেন - সেলিম, হুমায়ুন কবির, ডালিম মল্লিক, কবির, পনু ব্যাপারি, কামাল শিকদার, মিল্টন সরদার, মনির হোসেন, জামাল ও জসিম।
মামলার এজাহারে বলা হয়, ২০০৭ সালের ২৪ জুলাই বিকালে শাওন নগরীর জিইসি মোড়ে ‘সাফ’ নামের সিএ কোচিং সেন্টারে যাবার জন্য বাসা থেকে বের হয়। ওইদিন রাতে নগরীর বাদশা মিয়া সড়কে তার গামছা পেঁচানো লাশ উদ্ধার করে পুলিশ।
মামলায় রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী অতিরিক্ত জেলা পিপি নিলুফার ইয়াসমিন লাভলী বলেন, লাশ উদ্ধারের পর পুলিশের পক্ষ থেকে অজ্ঞাতনামা ব্যক্তিদের আসামি করে মামলা করা হয়। পরে লাশ শনাক্ত হলে পরিবারের পক্ষ থেকে হত্যা মামলা করা হয়।
ঘটনার তদন্তে পুলিশ বলেছে, কোচিং সেন্টার থেকে সিএনজি অটোরিকশা করে নগরীর হালিশহরে নিজের বাসায় যাবার পথে কোনো এক সড়কে মলম পার্টি ও ছিনতাইকারীর খপ্পড়ে পড়েন শাওন। পরে তাকে গামছা পেঁচিয়ে হত্যার পর বাদশা মিয়া সড়কে লাশ ফেলে দেওয়া হয়।
আইনজীবী লাভলী বলেন, পুলিশি তদন্তে এ ঘটনার সঙ্গে যুক্তদের নাম উঠে আসে এবং বেশ কয়েকজনকে গ্রেপ্তার করা হয়।
মামলায় গ্রেপ্তার সাতজন আসামি আদালতে ১৬৪ ধারায় স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দেন। ১৩ জন সাক্ষীর সাক্ষ্য গ্রহণ শেষে রোববার রায় ঘোষণা করা হয়।
নিহত ২৭ বছর বয়সি শাওন এসিসিএ (অ্যাসোসিয়েশন অব চার্টাড সার্টিফাইড একাউনটেন্টস) এর শিক্ষার্থী ছিলেন। তিনি সাফ কোচিং সেন্টারে ক্লাস নিতেন।

চট্টগ্রামে ১৯ বছর আগে মলম পার্টি ও ছিনতাইকারীদের নিহত চার্টার্ড অ্যাকাউন্টেন্ট (সিএ) শিক্ষার্থী ফসিউর রহমান শাওন হত্যার ঘটনায় পাঁচজনকে মৃত্যুদণ্ড দিয়েছেন আদালত। রোববার বিকেলে চট্টগ্রামের ষষ্ঠ অতিরিক্ত জেলা ও দায়রা জজ মুহাম্মদ আলী আককাস এ রায় দেন। পাশাপাশি অভিযোগ প্রমাণিত না হওয়ায় এই হত্যা মামলায় ১০ আসামিকে বেকসুর খালাস দেওয়া হয়েছে।
আদালতের বেঞ্চ সহকারী মো. রাকিব উদ্দিন এ তথ্য জানিয়েছেন।
তিনি বলেন, রায়ে বিচারক পাঁচজনকে মৃত্যুদণ্ড দেওয়ার পাশাপাশি প্রত্যেককে ২৫ হাজার টাকা করে জরিমানা করেছেন।
মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত আসামিরা হলেন- বেল্লাল হোসেন, জাকির হোসেন, শহীদ রাজা, আল আমিন গাজী ও মো. সোহেল। এদের মধ্যে প্রথম তিনজন কারাগারে থাকলেও বাকি দুইজন পলাতক রয়েছেন।
খালাস পাওয়া ব্যক্তিরা হলেন - সেলিম, হুমায়ুন কবির, ডালিম মল্লিক, কবির, পনু ব্যাপারি, কামাল শিকদার, মিল্টন সরদার, মনির হোসেন, জামাল ও জসিম।
মামলার এজাহারে বলা হয়, ২০০৭ সালের ২৪ জুলাই বিকালে শাওন নগরীর জিইসি মোড়ে ‘সাফ’ নামের সিএ কোচিং সেন্টারে যাবার জন্য বাসা থেকে বের হয়। ওইদিন রাতে নগরীর বাদশা মিয়া সড়কে তার গামছা পেঁচানো লাশ উদ্ধার করে পুলিশ।
মামলায় রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী অতিরিক্ত জেলা পিপি নিলুফার ইয়াসমিন লাভলী বলেন, লাশ উদ্ধারের পর পুলিশের পক্ষ থেকে অজ্ঞাতনামা ব্যক্তিদের আসামি করে মামলা করা হয়। পরে লাশ শনাক্ত হলে পরিবারের পক্ষ থেকে হত্যা মামলা করা হয়।
ঘটনার তদন্তে পুলিশ বলেছে, কোচিং সেন্টার থেকে সিএনজি অটোরিকশা করে নগরীর হালিশহরে নিজের বাসায় যাবার পথে কোনো এক সড়কে মলম পার্টি ও ছিনতাইকারীর খপ্পড়ে পড়েন শাওন। পরে তাকে গামছা পেঁচিয়ে হত্যার পর বাদশা মিয়া সড়কে লাশ ফেলে দেওয়া হয়।
আইনজীবী লাভলী বলেন, পুলিশি তদন্তে এ ঘটনার সঙ্গে যুক্তদের নাম উঠে আসে এবং বেশ কয়েকজনকে গ্রেপ্তার করা হয়।
মামলায় গ্রেপ্তার সাতজন আসামি আদালতে ১৬৪ ধারায় স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দেন। ১৩ জন সাক্ষীর সাক্ষ্য গ্রহণ শেষে রোববার রায় ঘোষণা করা হয়।
নিহত ২৭ বছর বয়সি শাওন এসিসিএ (অ্যাসোসিয়েশন অব চার্টাড সার্টিফাইড একাউনটেন্টস) এর শিক্ষার্থী ছিলেন। তিনি সাফ কোচিং সেন্টারে ক্লাস নিতেন।

নারায়ণগঞ্জের বন্দরে ইসলামী যুব আন্দোলনের নেতা বুলবুল আহমেদ হত্যার প্রতিবাদে ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়ক অবরোধ করেছেন সংগঠনটির নেতা-কর্মীরা।
১ দিন আগে
গত ৩ আগস্ট রাতে ৪২ জন অভিবাসনপ্রত্যাশীকে নিয়ে একটি ইঞ্জিনচালিত নৌকা গ্রিসের উদ্দেশে লিবিয়ার তাবারুক উপকূল থেকে যাত্রা করে। জানা গেছে, নৌকায় থাকা ৪২ জনের মধ্যে ৩৮ জনই বাংলাদেশি।
১ দিন আগে
মঙ্গলবার (১৮ আগস্ট) রাত সাড়ে ১১টার দিকে শহরের পশ্চিম মেড্ডা এলাকার পুলিশ লাইন্সের ভেতরে এ ঘটনা ঘটে। আহতদের ব্রাহ্মণবাড়িয়া ২৫০ শয্যাবিশিষ্ট জেনারেল হাসপাতালসহ বিভিন্ন হাসপাতালে চিকিৎসা দেওয়া হয়েছে।
৩ দিন আগে
আহতদের মধ্যে রয়েছেন রায়পুরা সরকারি কলেজের সাবেক সাধারণ সম্পাদক আমির হোসেন, উপজেলা যুবদল সদস্য রাসেল ভূইয়া, ছাত্রদল নেতা সাইফুল ইসলাম পলাশ, উপজেলা জিয়া মঞ্চের সাধারণ সম্পাদক দ্বীন ইসলাম ও উপজেলা বিএনপির যুগ্ম আহ্বায়ক ফরিদ উদ্দিন।
৩ দিন আগে