
চট্টগ্রাম ব্যুরো

চট্টগ্রাম বন্দরে এবার অনির্দিষ্টকালের কর্মবিরতির ডাক দিয়েছেন শ্রমিক-কর্মচারীরা। বন্দরের নিউমুরিং কনটেইনার টার্মিনাল (এনসিটি) সংযুক্ত আরব আমিরাতভিত্তিক প্রতিষ্ঠান ডিপি ওয়ার্ল্ডের কাছে ইজারা দেওয়ার সিদ্ধান্তের প্রতিবাদে এই কর্মসূচি ঘোষণা করা হয়েছে। যা আগামীকাল (বুধবার) সকাল ৮টা থেকে শুরু হবে।
আজ মঙ্গলবার (৩ ফেব্রুয়ারি) বেলা ৩টার দিকে বন্দর ভবনের পাশে এক সংবাদ ব্রিফিংয়ে এ কর্মসূচি ঘোষণা করেন চট্টগ্রাম বন্দর রক্ষা সংগ্রাম পরিষদের সমন্বয়ক মো. হুমায়ুন কবির ও ইব্রাহিম খোকন।
চট্টগ্রাম বন্দরে গত শনিবার থেকে টানা তিন দিন আট ঘণ্টা করে কর্মবিরতি পালনের পর আজ সকাল ৮টা থেকে ২৪ ঘণ্টার কর্মবিরতি শুরু হয়। সেই কর্মসূচি শেষ হওয়ার আগেই আন্দোলনকারীরা অনির্দিষ্টকালের কর্মবিরতির ঘোষণা দিলেন। এতে চলমান অচলাবস্থা আরও দীর্ঘায়িত হচ্ছে।
সংবাদ ব্রিফিংয়ে মো. হুমায়ুন কবির বলেন, ‘পবিত্র শবে বরাত উপলক্ষে আমরা কর্মসূচি শিথিল করার কথা ভাবছিলাম। কিন্তু আজ ঢাকায় বিডা কার্যালয়ে প্রধান উপদেষ্টার আন্তর্জাতিক বিষয়ক বিশেষ দূত লুৎফে সিদ্দিকী, বিডা চেয়ারম্যান আশিক চৌধুরী, জাতীয় নিরাপত্তা উপদেষ্টা খলিলুর রহমানসহ ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা নেগোসিয়েশন কমিটিকে চাপ দিতে উপস্থিত হয়েছেন।’
‘এত দিন কনটেইনারপ্রতি দর নিয়ে আলোচনা চলছিল। এখন রাজস্ব ভাগাভাগি নিয়ে আলোচনা হচ্ছে। এটি হলে খুব অল্প সময়ের মধ্যেই বন্দর লোকসানি প্রতিষ্ঠানে পরিণত হবে। এটি একটি আত্মঘাতী সিদ্ধান্ত,’ বলেন তিনি।
আরেক সমন্বয়ক ইব্রাহিম খোকন বলেন, ‘ঢাকায় আমাদের কর্মকর্তাদের আটকে রেখে জোর করে চুক্তিতে সই নেওয়ার চেষ্টা চলছে। এ অবস্থায় কর্মসূচি শিথিল করার সুযোগ নেই। তাই আমরা সিদ্ধান্ত নিয়েছি, আন্দোলন অনির্দিষ্টকাল চলবে।’
এর আগে আজ সকাল ৮টা থেকে ২৪ ঘণ্টার কর্মবিরতি শুরু করেন শ্রমিক-কর্মচারীরা। এতে দেশের প্রধান এই সমুদ্রবন্দরের পণ্য আমদানি-রপ্তানি কার্যক্রম কার্যত অচল হয়ে পড়েছে। শ্রমিকদের দাবিগুলোর মধ্যে রয়েছে— এনসিটি জেটি বিদেশি কোম্পানি ডিপি ওয়ার্ল্ডকে ইজারা না দেওয়া, বন্দর চেয়ারম্যানের পদত্যাগ এবং আন্দোলন কেন্দ্র করে দেওয়া সব বদলির আদেশ বাতিল করা।
আন্দোলনের প্রতি সংহতি জানিয়ে সকালে চট্টগ্রামের আগ্রাবাদ এলাকায় বিক্ষোভ মিছিল করেছে শ্রমিক-কর্মচারী ঐক্য পরিষদ। সমাবেশ শেষে মিছিলটি বন্দর অভিমুখে যাওয়ার চেষ্টা করলে পুলিশ বাধা দেয়। চট্টগ্রাম বন্দর রক্ষা সংগ্রাম পরিষদের সমন্বয়ক মো. হুমায়ুন কবির অভিযোগ করেন, সমস্যা সমাধানের উদ্যোগ না নিয়ে কর্তৃপক্ষ উল্টো দমন-পীড়ন ও বদলির মাধ্যমে ভয়ভীতি দেখাচ্ছে।
উল্লেখ্য, বর্তমানে এনসিটি, চট্টগ্রাম কনটেইনার টার্মিনাল (সিসিটি) ও জেনারেল কার্গো বার্থসহ সব টার্মিনালেই অপারেশনাল কার্যক্রম বন্ধ রয়েছে। স্কপের যুগ্ম সম্পাদক ইফতেখার কামাল জানান, কর্মবিরতির কারণে কনটেইনার ও সাধারণ পণ্য ওঠানামা পুরোপুরি বন্ধ থাকায় বন্দরের সামগ্রিক কার্যক্রম স্থবির হয়ে পড়েছে।
এদিকে চার দিন ধরে জেটিতে জাহাজ অপেক্ষমাণ থাকায় এবং পণ্য পরিবহন বন্ধ থাকায় বড় ধরনের ক্ষতির মুখে পড়েছেন ব্যবসায়ীরা। বিজিএমইএর সহসভাপতি সেলিমুর রহমান বলেন, এই অচলাবস্থার কারণে আমদানি ব্যয় বাড়ছে এবং পোশাক খাতের রপ্তানি শিডিউল মারাত্মকভাবে ব্যাহত হচ্ছে।

চট্টগ্রাম বন্দরে এবার অনির্দিষ্টকালের কর্মবিরতির ডাক দিয়েছেন শ্রমিক-কর্মচারীরা। বন্দরের নিউমুরিং কনটেইনার টার্মিনাল (এনসিটি) সংযুক্ত আরব আমিরাতভিত্তিক প্রতিষ্ঠান ডিপি ওয়ার্ল্ডের কাছে ইজারা দেওয়ার সিদ্ধান্তের প্রতিবাদে এই কর্মসূচি ঘোষণা করা হয়েছে। যা আগামীকাল (বুধবার) সকাল ৮টা থেকে শুরু হবে।
আজ মঙ্গলবার (৩ ফেব্রুয়ারি) বেলা ৩টার দিকে বন্দর ভবনের পাশে এক সংবাদ ব্রিফিংয়ে এ কর্মসূচি ঘোষণা করেন চট্টগ্রাম বন্দর রক্ষা সংগ্রাম পরিষদের সমন্বয়ক মো. হুমায়ুন কবির ও ইব্রাহিম খোকন।
চট্টগ্রাম বন্দরে গত শনিবার থেকে টানা তিন দিন আট ঘণ্টা করে কর্মবিরতি পালনের পর আজ সকাল ৮টা থেকে ২৪ ঘণ্টার কর্মবিরতি শুরু হয়। সেই কর্মসূচি শেষ হওয়ার আগেই আন্দোলনকারীরা অনির্দিষ্টকালের কর্মবিরতির ঘোষণা দিলেন। এতে চলমান অচলাবস্থা আরও দীর্ঘায়িত হচ্ছে।
সংবাদ ব্রিফিংয়ে মো. হুমায়ুন কবির বলেন, ‘পবিত্র শবে বরাত উপলক্ষে আমরা কর্মসূচি শিথিল করার কথা ভাবছিলাম। কিন্তু আজ ঢাকায় বিডা কার্যালয়ে প্রধান উপদেষ্টার আন্তর্জাতিক বিষয়ক বিশেষ দূত লুৎফে সিদ্দিকী, বিডা চেয়ারম্যান আশিক চৌধুরী, জাতীয় নিরাপত্তা উপদেষ্টা খলিলুর রহমানসহ ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা নেগোসিয়েশন কমিটিকে চাপ দিতে উপস্থিত হয়েছেন।’
‘এত দিন কনটেইনারপ্রতি দর নিয়ে আলোচনা চলছিল। এখন রাজস্ব ভাগাভাগি নিয়ে আলোচনা হচ্ছে। এটি হলে খুব অল্প সময়ের মধ্যেই বন্দর লোকসানি প্রতিষ্ঠানে পরিণত হবে। এটি একটি আত্মঘাতী সিদ্ধান্ত,’ বলেন তিনি।
আরেক সমন্বয়ক ইব্রাহিম খোকন বলেন, ‘ঢাকায় আমাদের কর্মকর্তাদের আটকে রেখে জোর করে চুক্তিতে সই নেওয়ার চেষ্টা চলছে। এ অবস্থায় কর্মসূচি শিথিল করার সুযোগ নেই। তাই আমরা সিদ্ধান্ত নিয়েছি, আন্দোলন অনির্দিষ্টকাল চলবে।’
এর আগে আজ সকাল ৮টা থেকে ২৪ ঘণ্টার কর্মবিরতি শুরু করেন শ্রমিক-কর্মচারীরা। এতে দেশের প্রধান এই সমুদ্রবন্দরের পণ্য আমদানি-রপ্তানি কার্যক্রম কার্যত অচল হয়ে পড়েছে। শ্রমিকদের দাবিগুলোর মধ্যে রয়েছে— এনসিটি জেটি বিদেশি কোম্পানি ডিপি ওয়ার্ল্ডকে ইজারা না দেওয়া, বন্দর চেয়ারম্যানের পদত্যাগ এবং আন্দোলন কেন্দ্র করে দেওয়া সব বদলির আদেশ বাতিল করা।
আন্দোলনের প্রতি সংহতি জানিয়ে সকালে চট্টগ্রামের আগ্রাবাদ এলাকায় বিক্ষোভ মিছিল করেছে শ্রমিক-কর্মচারী ঐক্য পরিষদ। সমাবেশ শেষে মিছিলটি বন্দর অভিমুখে যাওয়ার চেষ্টা করলে পুলিশ বাধা দেয়। চট্টগ্রাম বন্দর রক্ষা সংগ্রাম পরিষদের সমন্বয়ক মো. হুমায়ুন কবির অভিযোগ করেন, সমস্যা সমাধানের উদ্যোগ না নিয়ে কর্তৃপক্ষ উল্টো দমন-পীড়ন ও বদলির মাধ্যমে ভয়ভীতি দেখাচ্ছে।
উল্লেখ্য, বর্তমানে এনসিটি, চট্টগ্রাম কনটেইনার টার্মিনাল (সিসিটি) ও জেনারেল কার্গো বার্থসহ সব টার্মিনালেই অপারেশনাল কার্যক্রম বন্ধ রয়েছে। স্কপের যুগ্ম সম্পাদক ইফতেখার কামাল জানান, কর্মবিরতির কারণে কনটেইনার ও সাধারণ পণ্য ওঠানামা পুরোপুরি বন্ধ থাকায় বন্দরের সামগ্রিক কার্যক্রম স্থবির হয়ে পড়েছে।
এদিকে চার দিন ধরে জেটিতে জাহাজ অপেক্ষমাণ থাকায় এবং পণ্য পরিবহন বন্ধ থাকায় বড় ধরনের ক্ষতির মুখে পড়েছেন ব্যবসায়ীরা। বিজিএমইএর সহসভাপতি সেলিমুর রহমান বলেন, এই অচলাবস্থার কারণে আমদানি ব্যয় বাড়ছে এবং পোশাক খাতের রপ্তানি শিডিউল মারাত্মকভাবে ব্যাহত হচ্ছে।

বৃহস্পতিবার স্থানীয়ভাবে গুজব ছড়িয়ে পড়ে, রিয়াজ মারা মারা গেছেন। এতে তার স্বজনসহ স্থানীয়রা ক্ষুব্ধ হয়ে থানায় হামলা চালান। প্রায় শতাধিক মানুষের হামলায় পুলিশ সদস্যরা কোণঠাসা হয়ে পড়েন। এ সময় হামলাকারীরা থানায় কর্তব্যরত সহকারী উপপরিদর্শক (এএসআই) আবদুল হালিমকে মারধর করেন।
২০ ঘণ্টা আগে
সকালে বুড়িচং উপজেলার বালিখাড়া, ভান্তি ও কামারখাড়া এলাকায় সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়, চরাঞ্চলের শত শত একর সবজি ক্ষেত পানির নিচে তলিয়ে গেছে। পানির ওপর ভেসে রয়েছে বিভিন্ন ধরনের শাকসবজি। লোকসান কিছুটা কমাতে স্থানীয় কৃষকদের কোমর সমান পানিতে নেমে অপরিপক্ব ফসল কেটে ঘরে তোলার আপ্রাণ চেষ্টা করতে দেখা গেছে।
১ দিন আগে
রাতের আঁধারে প্রবল স্রোতে নদীর পানি লোকালয়ে প্রবেশ করতে শুরু করলে মুহূর্তের মধ্যে ইসলামপুর, মাধবপুর ও আদমপুর ইউনিয়নের বিস্তীর্ণ এলাকা প্লাবিত হয়। এতে মোখাবিল, গোলের হাওর, ভান্ডারিগাঁও, গঙ্গানগর, কোনাগাঁও, বেরীগাঁও, শ্রীপুর, পাতারিগাঁও, কালারায়বিল, আধকানী, ছনগাঁও, বন্দেরগাঁও, তেইতইগাঁও, ভানুবিল ও ঘোর
১ দিন আগে
ভুক্তভোগী সদরঞ্জন দাস জানান, তিনি সুনামগঞ্জের শাল্লা উপজেলার যাত্রাপুর গ্রাম থেকে অন্য এক ব্যক্তিসহ নৌকায় করে হাঁসের বাচ্চা কিনতে কিশোরগঞ্জের তাড়াইল উপজেলার দামিহা এলাকায় যাচ্ছিলেন। পথে বর্শিকুড়া-শেরপুর সেতু সংলগ্ন এলাকায় পৌঁছালে মাথায় হেলমেট পরিহিত সাতজনের একটি সশস্ত্র দল দেশীয় অস্ত্রের মুখে তাদের
১ দিন আগে