
কুমিল্লা প্রতিনিধি

কুমিল্লা স্বাস্থ্য প্রকৌশল অধিদপ্তরের নির্বাহী প্রকৌশলী আবুল খায়েরের বিরুদ্ধে যৌন নিপীড়নের অভিযোগ উঠেছে। এ ছাড়া ক্ষমতার অপব্যবহার ও অনিয়মের গুরুতর অভিযোগও রয়েছে।
রোববার (২৪ মে) গণমাধ্যমকর্মীদের কাছে অভিযোগ তুলে ধরেন অধিদপ্তরের উচ্চমান সহকারী মোসা. তাজমিনা আক্তার। তিনি দাবি করেন, দীর্ঘদিন ধরে বিভিন্নভাবে তাকে কুপ্রস্তাব দিয়ে আসছিলেন ওই কর্মকর্তা। তবে অভিযোগ অস্বীকার করেছেন নির্বাহী প্রকৌশলী আবুল খায়ের। তার দাবি, আনা সব অভিযোগই মিথ্যা ও উদ্দেশ্যপ্রণোদিত।
ভুক্তভোগী তাজমিনা আক্তারের অভিযোগ, নির্বাহী প্রকৌশলী আবুল খায়ের দীর্ঘদিন ধরে তাকে ব্যক্তিগতভাবে হয়রানি করে আসছিলেন। অফিসের কাজের অজুহাতে ছুটির দিনেও তাকে অফিসে ডাকতেন এবং বিভিন্নভাবে অনৈতিক প্রস্তাব দিতেন।
তিনি জানান, এসব প্রস্তাবে সাড়া না দেওয়ায় তার প্রতি ক্ষুব্ধ ছিলেন নির্বাহী প্রকৌশলী। পাশাপাশি তিনি অফিসে নানা অনিয়ম ও অপকর্মের সঙ্গেও জড়িত বলে অভিযোগ করেন তাজমিন।
তার দাবি, কোনো ধরনের বিজ্ঞপ্তি ছাড়াই বিভিন্ন প্রকল্পের লটারি কার্যক্রম পরিচালনা করা হতো, যা আইনবহির্ভূত। এছাড়া অফিস ভবনের তৃতীয় ও চতুর্থ তলা ব্যক্তিগত বাসার মতো ব্যবহার করতেন আবুল খায়ের, যদিও সরকারি অফিসে এভাবে বসবাসের কোনো নিয়ম নেই।
তাজমিনা আক্তার আরও বলেন, চলতি মাসের ২১ তারিখ তাকে নির্বাহী প্রকৌশলীর কক্ষে ডাকা হয়। সেখানে অফিসের বিভিন্ন স্তরের আরও সাতজন কর্মকর্তা উপস্থিত ছিলেন। ওই সময় তাকে প্রকাশ্যে অপমান ও হেনস্তা করা হয় বলে অভিযোগ করেন তিনি। এক পর্যায়ে নির্বাহী প্রকৌশলী তার এক স্টাফকে তাকে ধরে রাখতে নির্দেশ দেন। পরে ওই স্টাফ তার দুই হাত চেপে ধরলে নির্বাহী প্রকৌশলী তার শরীরের বিভিন্ন স্থানে স্পর্শ করেন বলে অভিযোগ করেন তাজমিনা।
তিনি বলেন, আমি কোনোভাবে সেখান থেকে প্রাণে বেঁচে বের হয়ে আসি।
ঘটনার পরপরই তাকে কুমিল্লা থেকে পটুয়াখালীতে বদলি করা হয়েছে বলেও অভিযোগ করেন তাজমিন আক্তার। তার দাবি, ঘটনার মাত্র ছয় ঘণ্টার মধ্যেই জোরপূর্বক বদলির আদেশ দেওয়া হয়, যা মূলত তাকে চুপ করিয়ে দেওয়ার চেষ্টা। তিনি এ ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত ও বিচার দাবি করেন ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের কাছে।
ভুক্তভোগী তাজমিনা আক্তার বলেন, আমাকে যৌন নির্যাতন করেছেন নির্বাহী প্রকৌশলী আবুল খায়ের। আমি এর বিচার চাই। আমাকে ক্ষমতার অপব্যবহার করে বদলিও করে দিয়েছেন পটুয়াখালীর মতো এত দূরবর্তী একটি জেলায়। আমি এর প্রতিবাদ জানাই। আমার সঙ্গে হওয়া অন্যায়ের বিচার চাই আমি।
এদিকে, অভিযোগের বিষয়ে জানতে চাইলে নির্বাহী প্রকৌশলী আবুল খায়ের সাংবাদিকদের বলেন, তার বিরুদ্ধে আনা অভিযোগ সম্পূর্ণ মিথ্যা। তিনি দাবি করেন, ওই মেয়ে নিজেই নানা অপকর্মে জড়িত। বরং সে আমাকে আমার কক্ষে আটকে রেখেছিল। আমি নিজের নিরাপত্তার জন্য পুলিশ ডেকেছি।
এ বিষয়ে কুমিল্লা কোতোয়ালি মডেল থানার ওসি তৌহিদুল আনোয়ার বলেন, ঘটনা জানার পরপরই পুলিশ ঘটনাস্থলে পাঠানো হয়েছে। প্রাথমিকভাবে পুলিশ জানতে পেরেছে, তাজমিনা আক্তারের বদলির আদেশ হয়েছে, তবে তিনি নতুন কর্মস্থলে যোগদান না করে বিভিন্ন অভিযোগ তুলে কান্নাকাটি করছেন।
তিনি আরও বলেন, বিষয়টি বিস্তারিতভাবে খতিয়ে দেখা হচ্ছে। তদন্ত শেষে প্রয়োজনীয় তথ্য জানানো হবে।
রাজনীতি/এসআই

কুমিল্লা স্বাস্থ্য প্রকৌশল অধিদপ্তরের নির্বাহী প্রকৌশলী আবুল খায়েরের বিরুদ্ধে যৌন নিপীড়নের অভিযোগ উঠেছে। এ ছাড়া ক্ষমতার অপব্যবহার ও অনিয়মের গুরুতর অভিযোগও রয়েছে।
রোববার (২৪ মে) গণমাধ্যমকর্মীদের কাছে অভিযোগ তুলে ধরেন অধিদপ্তরের উচ্চমান সহকারী মোসা. তাজমিনা আক্তার। তিনি দাবি করেন, দীর্ঘদিন ধরে বিভিন্নভাবে তাকে কুপ্রস্তাব দিয়ে আসছিলেন ওই কর্মকর্তা। তবে অভিযোগ অস্বীকার করেছেন নির্বাহী প্রকৌশলী আবুল খায়ের। তার দাবি, আনা সব অভিযোগই মিথ্যা ও উদ্দেশ্যপ্রণোদিত।
ভুক্তভোগী তাজমিনা আক্তারের অভিযোগ, নির্বাহী প্রকৌশলী আবুল খায়ের দীর্ঘদিন ধরে তাকে ব্যক্তিগতভাবে হয়রানি করে আসছিলেন। অফিসের কাজের অজুহাতে ছুটির দিনেও তাকে অফিসে ডাকতেন এবং বিভিন্নভাবে অনৈতিক প্রস্তাব দিতেন।
তিনি জানান, এসব প্রস্তাবে সাড়া না দেওয়ায় তার প্রতি ক্ষুব্ধ ছিলেন নির্বাহী প্রকৌশলী। পাশাপাশি তিনি অফিসে নানা অনিয়ম ও অপকর্মের সঙ্গেও জড়িত বলে অভিযোগ করেন তাজমিন।
তার দাবি, কোনো ধরনের বিজ্ঞপ্তি ছাড়াই বিভিন্ন প্রকল্পের লটারি কার্যক্রম পরিচালনা করা হতো, যা আইনবহির্ভূত। এছাড়া অফিস ভবনের তৃতীয় ও চতুর্থ তলা ব্যক্তিগত বাসার মতো ব্যবহার করতেন আবুল খায়ের, যদিও সরকারি অফিসে এভাবে বসবাসের কোনো নিয়ম নেই।
তাজমিনা আক্তার আরও বলেন, চলতি মাসের ২১ তারিখ তাকে নির্বাহী প্রকৌশলীর কক্ষে ডাকা হয়। সেখানে অফিসের বিভিন্ন স্তরের আরও সাতজন কর্মকর্তা উপস্থিত ছিলেন। ওই সময় তাকে প্রকাশ্যে অপমান ও হেনস্তা করা হয় বলে অভিযোগ করেন তিনি। এক পর্যায়ে নির্বাহী প্রকৌশলী তার এক স্টাফকে তাকে ধরে রাখতে নির্দেশ দেন। পরে ওই স্টাফ তার দুই হাত চেপে ধরলে নির্বাহী প্রকৌশলী তার শরীরের বিভিন্ন স্থানে স্পর্শ করেন বলে অভিযোগ করেন তাজমিনা।
তিনি বলেন, আমি কোনোভাবে সেখান থেকে প্রাণে বেঁচে বের হয়ে আসি।
ঘটনার পরপরই তাকে কুমিল্লা থেকে পটুয়াখালীতে বদলি করা হয়েছে বলেও অভিযোগ করেন তাজমিন আক্তার। তার দাবি, ঘটনার মাত্র ছয় ঘণ্টার মধ্যেই জোরপূর্বক বদলির আদেশ দেওয়া হয়, যা মূলত তাকে চুপ করিয়ে দেওয়ার চেষ্টা। তিনি এ ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত ও বিচার দাবি করেন ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের কাছে।
ভুক্তভোগী তাজমিনা আক্তার বলেন, আমাকে যৌন নির্যাতন করেছেন নির্বাহী প্রকৌশলী আবুল খায়ের। আমি এর বিচার চাই। আমাকে ক্ষমতার অপব্যবহার করে বদলিও করে দিয়েছেন পটুয়াখালীর মতো এত দূরবর্তী একটি জেলায়। আমি এর প্রতিবাদ জানাই। আমার সঙ্গে হওয়া অন্যায়ের বিচার চাই আমি।
এদিকে, অভিযোগের বিষয়ে জানতে চাইলে নির্বাহী প্রকৌশলী আবুল খায়ের সাংবাদিকদের বলেন, তার বিরুদ্ধে আনা অভিযোগ সম্পূর্ণ মিথ্যা। তিনি দাবি করেন, ওই মেয়ে নিজেই নানা অপকর্মে জড়িত। বরং সে আমাকে আমার কক্ষে আটকে রেখেছিল। আমি নিজের নিরাপত্তার জন্য পুলিশ ডেকেছি।
এ বিষয়ে কুমিল্লা কোতোয়ালি মডেল থানার ওসি তৌহিদুল আনোয়ার বলেন, ঘটনা জানার পরপরই পুলিশ ঘটনাস্থলে পাঠানো হয়েছে। প্রাথমিকভাবে পুলিশ জানতে পেরেছে, তাজমিনা আক্তারের বদলির আদেশ হয়েছে, তবে তিনি নতুন কর্মস্থলে যোগদান না করে বিভিন্ন অভিযোগ তুলে কান্নাকাটি করছেন।
তিনি আরও বলেন, বিষয়টি বিস্তারিতভাবে খতিয়ে দেখা হচ্ছে। তদন্ত শেষে প্রয়োজনীয় তথ্য জানানো হবে।
রাজনীতি/এসআই

গত ৩ আগস্ট রাতে ৪২ জন অভিবাসনপ্রত্যাশীকে নিয়ে একটি ইঞ্জিনচালিত নৌকা গ্রিসের উদ্দেশে লিবিয়ার তাবারুক উপকূল থেকে যাত্রা করে। জানা গেছে, নৌকায় থাকা ৪২ জনের মধ্যে ৩৮ জনই বাংলাদেশি।
১ দিন আগে
মঙ্গলবার (১৮ আগস্ট) রাত সাড়ে ১১টার দিকে শহরের পশ্চিম মেড্ডা এলাকার পুলিশ লাইন্সের ভেতরে এ ঘটনা ঘটে। আহতদের ব্রাহ্মণবাড়িয়া ২৫০ শয্যাবিশিষ্ট জেনারেল হাসপাতালসহ বিভিন্ন হাসপাতালে চিকিৎসা দেওয়া হয়েছে।
৩ দিন আগে
আহতদের মধ্যে রয়েছেন রায়পুরা সরকারি কলেজের সাবেক সাধারণ সম্পাদক আমির হোসেন, উপজেলা যুবদল সদস্য রাসেল ভূইয়া, ছাত্রদল নেতা সাইফুল ইসলাম পলাশ, উপজেলা জিয়া মঞ্চের সাধারণ সম্পাদক দ্বীন ইসলাম ও উপজেলা বিএনপির যুগ্ম আহ্বায়ক ফরিদ উদ্দিন।
৩ দিন আগে
হাইওয়ে পুলিশের তথ্য অনুযায়ী, ঢাকার যাত্রাবাড়ী থেকে চট্টগ্রাম সিটি গেট পর্যন্ত প্রায় ২৫০ কিলোমিটার মহাসড়ককে এআই নজরদারির আওতায় আনা হয়েছে। এ জন্য মহাসড়কের ৪৯০টি পয়েন্টে স্থাপন করা হয়েছে ১ হাজার ৪২৭টি ক্যামেরা।
৩ দিন আগে