
চট্টগ্রাম ব্যুরো

গত এক সপ্তাহের মধ্যে শিশু ধর্ষণের অন্তত পাঁচটি ঘটনা সারা দেশে আলোড়ন ফেলেছে। এর মধ্যেই এবার তিন বছর বয়সী এক শিশুকে ধর্ষণের অভিযোগ মিলেছে চট্টগ্রাম নগরীতে। এ ঘটনায় পুলিশ অভিযুক্তকে আটক করলে পুলিশকেই ঘিরে ধরে জনতা। তাদের দাবি, অভিযুক্তকে তাদের হাতে তুলে দিতে হবে। এ নিয়ে পুলিশ ও স্থানীয় জনতার মধ্যে সংঘর্ষ চলছে।
এদিকে এ ঘটনার খবর সংগ্রহ করতে গিয়ে পুলিশ-জনতার সংঘর্ষের মধ্যে পড়েন গণমাধ্যম কর্মীরা। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে নিতে পুলিশ টিয়ারশেল ও সাউন্ড গ্রেনেডের পাশাপাশি গুলি ছুড়লে দুই সাংবাদিক গুলিবিদ্ধ হয়েছেন।
বৃহস্পতিবার (২১ মে) বিকেলে বাকলিয়া থানার ১৯ নম্বর ওয়ার্ডের চেয়ারম্যানঘাটা আবু জাফর রোড এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। রাত সাড়ে ৯টায় এ প্রতিবেদন লেখা পর্যন্ত পুলিশ অভিযুক্তকে হেফাজতে রাখলেও থানায় যেতে পারেনি। স্থানীয়রা রাস্তায় অবস্থান নিয়ে পুলিশের গাড়ি অবরুদ্ধ করে রেখেছিলেন।
চট্টগ্রাম মহানগর পুলিশ (সিএমপি) জানায়, চেয়ারম্যানঘাটা এলাকায় একটি ডেকোরেশনের দোকানের এক কর্মচারী তিন বছর বয়সী এক শিশুকে দোকানে ডেকে নিয়ে ধর্ষণের চেষ্টা করেন। বিকেলের দিকে ভবনের সিঁড়িঘরে শিশুটিকে অচেতন অবস্থায় দেখতে পান স্থানীয়রা। পরিবারের সদস্যরা তাকে দ্রুত হাসপাতালে নিয়ে যান। এ খবর জানাজানি হলে স্থানীয়রা রাস্তায় নেমে বিক্ষোভ শুরু করেন।
খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে অভিযুক্ত ওই কর্মচারীকে আটক করে। এরপর তাকে থানায় নেওয়ার চেষ্টা করলে বিক্ষুব্ধ জনতা পুলিশের গাড়ি অবরুদ্ধ করে ফেলে। তারা দাবি করেন, ধর্ষণে অভিযুক্ত ব্যক্তিকে জনতার হাতে তুলে দিতে হবে। জনতা তার বিচার করবে।
উদ্ভূত পরিস্থিতিতে ওই এলাকায় অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়। তাতেও কাজ না হলে রাত ৮টার দিকে পুলিশ টিয়ারশেল ও সাউন্ড গ্রেনেড নিক্ষেপ করে। এ সময় পুলিশের দিকে ইটপাটকেল নিক্ষেপ করে এলাকাবাসী। একপর্যায়ে পুলিশ ফাঁকা গুলি করে জনতাকে ছত্রভঙ্গ করার চেষ্টা করে।
বাকলিয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোহাম্মদ সোলাইমান বলেন, ধর্ষণের অভিযোগের খবর পেয়ে পুলিশ অভিযুক্তকে আটক করেছে। শিশুটিকে পরীক্ষার জন্য হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। কিন্তু আসামিকে নিয়ে আসার সময় বিক্ষুব্ধ লোকজন পথ আটকে দিয়েছে।
ওসি আরও বলেন, আমরা ঘটনাস্থলে যাওয়ার আগেই এলাকার মানুষ ওই ভবনের সামনে অবস্থান নিয়ে বিক্ষোভ করছিলেন। অভিযুক্তকে আটক করার পরও আমরা সেখান থেকে বের হতে পারছি না। আটক ব্যক্তি আমাদের হেফাজতে আছে। কিন্তু মানুষ বিক্ষুব্ধ হয়ে আছে।
সিএমপি দক্ষিণ বিভাগের উপকমিশনার হোসেইন মোহাম্মদ কবির ভুঁইয়া বলেন, পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখতে পুলিশ কাজ করছে।
এদিকে ঘটনাস্থলে সংবাদ সংগ্রহ করতে গিয়ে পুলিশের গুলিতে আহত হয়েছেন দুই সাংবাদিক চট্টগ্রাম প্রতিদিনের সাংবাদিক মামুন আবদুল্লাহ ও নোবেল হাসান। চট্টগ্রাম প্রতিদিনের প্রকাশক আয়ান শর্মা সাংবাদিকদের বলেন, লাইভ সম্প্রচারের সময় মামুন কোমরে ও নোবেল হাতে-পায়ে গুলিবিদ্ধ হয়েছেন। তাদের চট্টগ্রাম জেনারেল হাসপাতালে ও সেখান থেকে উন্নত চিকিৎসার জন্য চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।

গত এক সপ্তাহের মধ্যে শিশু ধর্ষণের অন্তত পাঁচটি ঘটনা সারা দেশে আলোড়ন ফেলেছে। এর মধ্যেই এবার তিন বছর বয়সী এক শিশুকে ধর্ষণের অভিযোগ মিলেছে চট্টগ্রাম নগরীতে। এ ঘটনায় পুলিশ অভিযুক্তকে আটক করলে পুলিশকেই ঘিরে ধরে জনতা। তাদের দাবি, অভিযুক্তকে তাদের হাতে তুলে দিতে হবে। এ নিয়ে পুলিশ ও স্থানীয় জনতার মধ্যে সংঘর্ষ চলছে।
এদিকে এ ঘটনার খবর সংগ্রহ করতে গিয়ে পুলিশ-জনতার সংঘর্ষের মধ্যে পড়েন গণমাধ্যম কর্মীরা। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে নিতে পুলিশ টিয়ারশেল ও সাউন্ড গ্রেনেডের পাশাপাশি গুলি ছুড়লে দুই সাংবাদিক গুলিবিদ্ধ হয়েছেন।
বৃহস্পতিবার (২১ মে) বিকেলে বাকলিয়া থানার ১৯ নম্বর ওয়ার্ডের চেয়ারম্যানঘাটা আবু জাফর রোড এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। রাত সাড়ে ৯টায় এ প্রতিবেদন লেখা পর্যন্ত পুলিশ অভিযুক্তকে হেফাজতে রাখলেও থানায় যেতে পারেনি। স্থানীয়রা রাস্তায় অবস্থান নিয়ে পুলিশের গাড়ি অবরুদ্ধ করে রেখেছিলেন।
চট্টগ্রাম মহানগর পুলিশ (সিএমপি) জানায়, চেয়ারম্যানঘাটা এলাকায় একটি ডেকোরেশনের দোকানের এক কর্মচারী তিন বছর বয়সী এক শিশুকে দোকানে ডেকে নিয়ে ধর্ষণের চেষ্টা করেন। বিকেলের দিকে ভবনের সিঁড়িঘরে শিশুটিকে অচেতন অবস্থায় দেখতে পান স্থানীয়রা। পরিবারের সদস্যরা তাকে দ্রুত হাসপাতালে নিয়ে যান। এ খবর জানাজানি হলে স্থানীয়রা রাস্তায় নেমে বিক্ষোভ শুরু করেন।
খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে অভিযুক্ত ওই কর্মচারীকে আটক করে। এরপর তাকে থানায় নেওয়ার চেষ্টা করলে বিক্ষুব্ধ জনতা পুলিশের গাড়ি অবরুদ্ধ করে ফেলে। তারা দাবি করেন, ধর্ষণে অভিযুক্ত ব্যক্তিকে জনতার হাতে তুলে দিতে হবে। জনতা তার বিচার করবে।
উদ্ভূত পরিস্থিতিতে ওই এলাকায় অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়। তাতেও কাজ না হলে রাত ৮টার দিকে পুলিশ টিয়ারশেল ও সাউন্ড গ্রেনেড নিক্ষেপ করে। এ সময় পুলিশের দিকে ইটপাটকেল নিক্ষেপ করে এলাকাবাসী। একপর্যায়ে পুলিশ ফাঁকা গুলি করে জনতাকে ছত্রভঙ্গ করার চেষ্টা করে।
বাকলিয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোহাম্মদ সোলাইমান বলেন, ধর্ষণের অভিযোগের খবর পেয়ে পুলিশ অভিযুক্তকে আটক করেছে। শিশুটিকে পরীক্ষার জন্য হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। কিন্তু আসামিকে নিয়ে আসার সময় বিক্ষুব্ধ লোকজন পথ আটকে দিয়েছে।
ওসি আরও বলেন, আমরা ঘটনাস্থলে যাওয়ার আগেই এলাকার মানুষ ওই ভবনের সামনে অবস্থান নিয়ে বিক্ষোভ করছিলেন। অভিযুক্তকে আটক করার পরও আমরা সেখান থেকে বের হতে পারছি না। আটক ব্যক্তি আমাদের হেফাজতে আছে। কিন্তু মানুষ বিক্ষুব্ধ হয়ে আছে।
সিএমপি দক্ষিণ বিভাগের উপকমিশনার হোসেইন মোহাম্মদ কবির ভুঁইয়া বলেন, পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখতে পুলিশ কাজ করছে।
এদিকে ঘটনাস্থলে সংবাদ সংগ্রহ করতে গিয়ে পুলিশের গুলিতে আহত হয়েছেন দুই সাংবাদিক চট্টগ্রাম প্রতিদিনের সাংবাদিক মামুন আবদুল্লাহ ও নোবেল হাসান। চট্টগ্রাম প্রতিদিনের প্রকাশক আয়ান শর্মা সাংবাদিকদের বলেন, লাইভ সম্প্রচারের সময় মামুন কোমরে ও নোবেল হাতে-পায়ে গুলিবিদ্ধ হয়েছেন। তাদের চট্টগ্রাম জেনারেল হাসপাতালে ও সেখান থেকে উন্নত চিকিৎসার জন্য চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।

বৃহস্পতিবার স্থানীয়ভাবে গুজব ছড়িয়ে পড়ে, রিয়াজ মারা মারা গেছেন। এতে তার স্বজনসহ স্থানীয়রা ক্ষুব্ধ হয়ে থানায় হামলা চালান। প্রায় শতাধিক মানুষের হামলায় পুলিশ সদস্যরা কোণঠাসা হয়ে পড়েন। এ সময় হামলাকারীরা থানায় কর্তব্যরত সহকারী উপপরিদর্শক (এএসআই) আবদুল হালিমকে মারধর করেন।
১৯ ঘণ্টা আগে
সকালে বুড়িচং উপজেলার বালিখাড়া, ভান্তি ও কামারখাড়া এলাকায় সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়, চরাঞ্চলের শত শত একর সবজি ক্ষেত পানির নিচে তলিয়ে গেছে। পানির ওপর ভেসে রয়েছে বিভিন্ন ধরনের শাকসবজি। লোকসান কিছুটা কমাতে স্থানীয় কৃষকদের কোমর সমান পানিতে নেমে অপরিপক্ব ফসল কেটে ঘরে তোলার আপ্রাণ চেষ্টা করতে দেখা গেছে।
১ দিন আগে
রাতের আঁধারে প্রবল স্রোতে নদীর পানি লোকালয়ে প্রবেশ করতে শুরু করলে মুহূর্তের মধ্যে ইসলামপুর, মাধবপুর ও আদমপুর ইউনিয়নের বিস্তীর্ণ এলাকা প্লাবিত হয়। এতে মোখাবিল, গোলের হাওর, ভান্ডারিগাঁও, গঙ্গানগর, কোনাগাঁও, বেরীগাঁও, শ্রীপুর, পাতারিগাঁও, কালারায়বিল, আধকানী, ছনগাঁও, বন্দেরগাঁও, তেইতইগাঁও, ভানুবিল ও ঘোর
১ দিন আগে
ভুক্তভোগী সদরঞ্জন দাস জানান, তিনি সুনামগঞ্জের শাল্লা উপজেলার যাত্রাপুর গ্রাম থেকে অন্য এক ব্যক্তিসহ নৌকায় করে হাঁসের বাচ্চা কিনতে কিশোরগঞ্জের তাড়াইল উপজেলার দামিহা এলাকায় যাচ্ছিলেন। পথে বর্শিকুড়া-শেরপুর সেতু সংলগ্ন এলাকায় পৌঁছালে মাথায় হেলমেট পরিহিত সাতজনের একটি সশস্ত্র দল দেশীয় অস্ত্রের মুখে তাদের
১ দিন আগে