
নোয়াখালী প্রতিনিধি

নোয়াখালী সরকারি কলেজে শিক্ষকের ওপর হামলার ও অধ্যক্ষের কার্যালয় ভাঙচুরের অভিযোগ উঠেছে ছাত্রদল নেতাদের বিরুদ্ধে। কলেজ ছাত্রদলের সভাপতি রাশেদুল ইসলাম সোহাগের নেতৃত্বে ছাত্রদলের নেতারা বুধবার দুপুরে এ হামলা চালায়।
অভিযুক্ত অন্য ছাত্রদল নেতারা হলেন, কলেজ শাখা ছাত্রদলের সিনিয়র সহসভাপতি মুর্শিদুর রহমান রায়হান, সাধারণ সম্পাদক তানভীর হাসানসহ আরও কয়েকজন।
কলেজ প্রশাসন ও ভুক্তভোগী শিক্ষকরা জানান, বুধবার দুপুরে কলেজের সদ্য সাবেক অধ্যক্ষ প্রফেসর জাকির হোসেন তার অফিসিয়াল কিছু কাগজপত্র নিতে সস্ত্রীক কলেজে আসেন। এসময় কলেজের ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ প্রফেসর এবিএম সানা উল্লাহ, শিক্ষক পরিষদের সাধারণ সম্পাদক আফসার উদ্দিন জুয়েলসহ কয়েকজন শিক্ষক একসঙ্গে দুপুরের খাবার খেতে বসেন। এতে সোহাগসহ কলেজ ছাত্রদলের অন্যান্য নেতারা অধ্যক্ষের কার্যালয়ের বিভিন্ন আসবাবপত্র ভাঙচুর করে। একইসঙ্গে শিক্ষকদের গালিগালাজ ও হুমকিধমকি দিতে থাকেন।
এছাড়া বাংলা বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক মুনশাদুর রহমানের ওপর শারীরিকভাবে হামলা করা হয়। হামলাকারীরা তাকে টেনেহিঁচড়ে শার্টের বোতাম ছিঁড়ে ফেলে। নেতারা ইসলামিক স্টাডিজ বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক আনোয়ার হোসেনকেও হুমকি দেয়।
ঘটনার পরপরই কলেজের শিক্ষক পরিষদ মিলনায়তনে জরুরি সভা ডাকে কলেজ শিক্ষক পরিষদ। সভায় হামলাকারী ছাত্রদল নেতাদের ছাত্রত্ব বাতিল, কেন্দ্রীয় ও জেলা ছাত্রদল নেতাদের কাছে অভিযোগ দায়ের, হামলাকারীদের বিরুদ্ধে থানায় মামলা করা এবং এ ঘটনার বিচার না হওয়া পর্যন্ত অনির্দিষ্টকালের জন্য কর্মবিরতির সিদ্ধান্ত গ্রহণ করা হয়।
এ বিষয়ে জানতে কলেজ ছাত্রদলের সভাপতি রাশেদুল ইসলাম সোহাগের মোবাইলে কল করা হলেও তিনি রিসিভ না করায় বক্তব্য নেওয়া সম্ভব হয়নি।
কলেজ ছাত্রদলের সাধারণ সম্পাদক সাফরাতুল ইসলাম নাবিল বলেন, ঘটনাটি একটু আগে ফেসবুকের মাধ্যমে জেনেছি। এখন শিক্ষকদের সঙ্গে কথা বলব। তাদের সঙ্গে কথা বলার পর আপনাদেরকে জানাতে পারবো।
জেলা বিএনপির আহ্বায়ক মাহবুব আলমগীর আলো বলেন, আজকের এ ঘটনা অত্যন্ত জঘন্য। আমরা তো ছাত্ররাজনীতি করে আসছি। শিক্ষকদের সঙ্গে এ ধরনের বেয়াদবি কখনো শিখি নাই। এ ঘটনা যারা ঘটিয়েছে তারা আমাদের দলের লোক হোক আর যে দলেরই হোক তা বরদাস্ত করা হবে না।
সুধারাম মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. তৌহিদুল ইসলাম জানান, ঘটনাটি শুনেছি। কলেজ প্রশাসন নিরাপত্তা চাইলে ঘটনাস্থলে পুলিশ পাঠানো হয়েছে। লিখিত অভিযোগ পেলে তদন্ত করে পরবর্তী আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।
রাজনীতি/এসআই

নোয়াখালী সরকারি কলেজে শিক্ষকের ওপর হামলার ও অধ্যক্ষের কার্যালয় ভাঙচুরের অভিযোগ উঠেছে ছাত্রদল নেতাদের বিরুদ্ধে। কলেজ ছাত্রদলের সভাপতি রাশেদুল ইসলাম সোহাগের নেতৃত্বে ছাত্রদলের নেতারা বুধবার দুপুরে এ হামলা চালায়।
অভিযুক্ত অন্য ছাত্রদল নেতারা হলেন, কলেজ শাখা ছাত্রদলের সিনিয়র সহসভাপতি মুর্শিদুর রহমান রায়হান, সাধারণ সম্পাদক তানভীর হাসানসহ আরও কয়েকজন।
কলেজ প্রশাসন ও ভুক্তভোগী শিক্ষকরা জানান, বুধবার দুপুরে কলেজের সদ্য সাবেক অধ্যক্ষ প্রফেসর জাকির হোসেন তার অফিসিয়াল কিছু কাগজপত্র নিতে সস্ত্রীক কলেজে আসেন। এসময় কলেজের ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ প্রফেসর এবিএম সানা উল্লাহ, শিক্ষক পরিষদের সাধারণ সম্পাদক আফসার উদ্দিন জুয়েলসহ কয়েকজন শিক্ষক একসঙ্গে দুপুরের খাবার খেতে বসেন। এতে সোহাগসহ কলেজ ছাত্রদলের অন্যান্য নেতারা অধ্যক্ষের কার্যালয়ের বিভিন্ন আসবাবপত্র ভাঙচুর করে। একইসঙ্গে শিক্ষকদের গালিগালাজ ও হুমকিধমকি দিতে থাকেন।
এছাড়া বাংলা বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক মুনশাদুর রহমানের ওপর শারীরিকভাবে হামলা করা হয়। হামলাকারীরা তাকে টেনেহিঁচড়ে শার্টের বোতাম ছিঁড়ে ফেলে। নেতারা ইসলামিক স্টাডিজ বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক আনোয়ার হোসেনকেও হুমকি দেয়।
ঘটনার পরপরই কলেজের শিক্ষক পরিষদ মিলনায়তনে জরুরি সভা ডাকে কলেজ শিক্ষক পরিষদ। সভায় হামলাকারী ছাত্রদল নেতাদের ছাত্রত্ব বাতিল, কেন্দ্রীয় ও জেলা ছাত্রদল নেতাদের কাছে অভিযোগ দায়ের, হামলাকারীদের বিরুদ্ধে থানায় মামলা করা এবং এ ঘটনার বিচার না হওয়া পর্যন্ত অনির্দিষ্টকালের জন্য কর্মবিরতির সিদ্ধান্ত গ্রহণ করা হয়।
এ বিষয়ে জানতে কলেজ ছাত্রদলের সভাপতি রাশেদুল ইসলাম সোহাগের মোবাইলে কল করা হলেও তিনি রিসিভ না করায় বক্তব্য নেওয়া সম্ভব হয়নি।
কলেজ ছাত্রদলের সাধারণ সম্পাদক সাফরাতুল ইসলাম নাবিল বলেন, ঘটনাটি একটু আগে ফেসবুকের মাধ্যমে জেনেছি। এখন শিক্ষকদের সঙ্গে কথা বলব। তাদের সঙ্গে কথা বলার পর আপনাদেরকে জানাতে পারবো।
জেলা বিএনপির আহ্বায়ক মাহবুব আলমগীর আলো বলেন, আজকের এ ঘটনা অত্যন্ত জঘন্য। আমরা তো ছাত্ররাজনীতি করে আসছি। শিক্ষকদের সঙ্গে এ ধরনের বেয়াদবি কখনো শিখি নাই। এ ঘটনা যারা ঘটিয়েছে তারা আমাদের দলের লোক হোক আর যে দলেরই হোক তা বরদাস্ত করা হবে না।
সুধারাম মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. তৌহিদুল ইসলাম জানান, ঘটনাটি শুনেছি। কলেজ প্রশাসন নিরাপত্তা চাইলে ঘটনাস্থলে পুলিশ পাঠানো হয়েছে। লিখিত অভিযোগ পেলে তদন্ত করে পরবর্তী আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।
রাজনীতি/এসআই

গত ৩ আগস্ট রাতে ৪২ জন অভিবাসনপ্রত্যাশীকে নিয়ে একটি ইঞ্জিনচালিত নৌকা গ্রিসের উদ্দেশে লিবিয়ার তাবারুক উপকূল থেকে যাত্রা করে। জানা গেছে, নৌকায় থাকা ৪২ জনের মধ্যে ৩৮ জনই বাংলাদেশি।
১ দিন আগে
মঙ্গলবার (১৮ আগস্ট) রাত সাড়ে ১১টার দিকে শহরের পশ্চিম মেড্ডা এলাকার পুলিশ লাইন্সের ভেতরে এ ঘটনা ঘটে। আহতদের ব্রাহ্মণবাড়িয়া ২৫০ শয্যাবিশিষ্ট জেনারেল হাসপাতালসহ বিভিন্ন হাসপাতালে চিকিৎসা দেওয়া হয়েছে।
৩ দিন আগে
আহতদের মধ্যে রয়েছেন রায়পুরা সরকারি কলেজের সাবেক সাধারণ সম্পাদক আমির হোসেন, উপজেলা যুবদল সদস্য রাসেল ভূইয়া, ছাত্রদল নেতা সাইফুল ইসলাম পলাশ, উপজেলা জিয়া মঞ্চের সাধারণ সম্পাদক দ্বীন ইসলাম ও উপজেলা বিএনপির যুগ্ম আহ্বায়ক ফরিদ উদ্দিন।
৩ দিন আগে
হাইওয়ে পুলিশের তথ্য অনুযায়ী, ঢাকার যাত্রাবাড়ী থেকে চট্টগ্রাম সিটি গেট পর্যন্ত প্রায় ২৫০ কিলোমিটার মহাসড়ককে এআই নজরদারির আওতায় আনা হয়েছে। এ জন্য মহাসড়কের ৪৯০টি পয়েন্টে স্থাপন করা হয়েছে ১ হাজার ৪২৭টি ক্যামেরা।
৪ দিন আগে