
কক্সবাজার প্রতিনিধি

কক্সবাজারের দরিয়ানগর সৈকতে প্যারাসেইলিং করতে গিয়ে আকাশ থেকে সমুদ্রে পড়ে খুলনার এক পর্যটকের মৃত্যু হয়েছে। এ ঘটনার পর জেলা প্রশাসক মো. আ. মান্নান জানিয়েছেন, সৈকতে পরিচালিত কোনো প্যারাসেইলিং কার্যক্রমেরই জেলা প্রশাসনের অনুমোদন নেই। বৈরী আবহাওয়ার কারণে কয়েকদিন আগেই এসব কার্যক্রম বন্ধ করে দেওয়া হয়েছিল বলেও জানান তিনি।
শনিবার (১ আগস্ট) দুপুর সাড়ে ১২টার দিকে কক্সবাজার-টেকনাফ মেরিন ড্রাইভের দরিয়ানগর সৈকতে এ দুর্ঘটনা ঘটে। নিহত অক্ষর শৌভিক রায় (৩০) খুলনা সিটি করপোরেশনের বানিয়াখামার এলাকার বাসিন্দা শেখর রায়ের ছেলে।
পুলিশ ও প্রত্যক্ষদর্শীদের বরাতে জানা গেছে, শৌভিকসহ নয়জন বন্ধু খুলনা থেকে কক্সবাজার বেড়াতে এসেছিলেন। দুপুরে ২ হাজার টাকা দিয়ে টিকিট কেটে তিনি প্যারাসেইলিংয়ে অংশ নেন। প্রায় ৩০০ থেকে ৪০০ ফুট ওপরে ওঠার পর তিনি হঠাৎ সমুদ্রে ছিটকে পড়েন। পরে কর্মীরা তাকে উদ্ধার করে কক্সবাজার সদর হাসপাতালে নিলে চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন।
শৌভিকের সঙ্গে থাকা এক বন্ধু অভিযোগ করেন, দুর্ঘটনার পর দ্রুত উদ্ধারের কোনো ব্যবস্থা ছিল না। ঘটনাস্থলে কোনো লাইফগার্ডও দেখা যায়নি। পরে একটি স্পিডবোটে করে তাকে হাসপাতালে নেওয়া হলেও ততক্ষণে অনেক দেরি হয়ে যায়।
কক্সবাজার সদর মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা শেখ মোহাম্মদ আলী বলেন, মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য হাসপাতালের মর্গে রাখা হয়েছে। বৈরী আবহাওয়ায় প্যারাসেইলিং পরিচালনা এবং মৃত্যুর ঘটনা তদন্ত করে দেখা হচ্ছে।
দুর্ঘটনার পর জেলা প্রশাসক মো. আ. মান্নান বলেন, জেলা প্রশাসন থেকে কোনো প্যারাসেইলিং কার্যক্রমের অনুমোদন দেওয়া হয়নি। বর্ষাকালে সমুদ্র উত্তাল থাকায় কয়েকদিন আগেই এসব কার্যক্রম বন্ধ করে দেওয়া হয়েছিল। তারপরও প্রশাসনের অগোচরে একটি প্রতিষ্ঠান পর্যটক নিয়ে প্যারাসেইলিং চালিয়েছে। এ ঘটনায় জড়িতদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
তিনি আরও বলেন, পর্যটকদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে প্রশাসন কঠোর অবস্থানে রয়েছে এবং এ ধরনের অননুমোদিত কার্যক্রমের বিরুদ্ধে শক্ত পদক্ষেপ নেওয়া হবে।
এদিকে কক্সবাজার নাগরিক আন্দোলনের সদস্যসচিব নজরুল ইসলাম অভিযোগ করেন, দরিয়ানগরসহ সৈকতের কয়েকটি স্থানে দীর্ঘদিন ধরে নিয়মনীতি উপেক্ষা করে প্যারাসেইলিং পরিচালিত হচ্ছে। আন্তর্জাতিক মানের নিরাপত্তাব্যবস্থা, প্রশিক্ষিত অপারেটর, উদ্ধার জলযান কিংবা প্রাথমিক চিকিৎসার ব্যবস্থা না থাকায় দুর্ঘটনার ঝুঁকি থেকেই যাচ্ছে।
সি-সেফ লাইফ গার্ডের সুপারভাইজার সিফাত সাইফুল্লাহ জানান, কলাতলী থেকে লাবণী পয়েন্ট পর্যন্ত পাঁচ কিলোমিটার সৈকতে ২৭ জন লাইফগার্ড দায়িত্ব পালন করলেও দরিয়ানগর, হিমছড়ি, ইনানী ও টেকনাফমুখী প্রায় ১১৫ কিলোমিটার সৈকতে কোনো লাইফগার্ড বা ডুবুরি নেই।
পর্যটকের মৃত্যুর পর অননুমোদিতভাবে প্যারাসেইলিং পরিচালনা, নিরাপত্তা সরঞ্জামের মান এবং প্রশাসনিক তদারকি নিয়ে নতুন করে প্রশ্ন উঠেছে। ট্যুর অপারেটর অ্যাসোসিয়েশন কক্সবাজারের সভাপতি আকতার কামাল ও হোটেল-মোটেল অ্যান্ড গেস্ট হাউজ অফিসার্স অ্যাসোসিয়েশনের নির্বাহী করিম উল্লাহ কলিমও এ ঘটনার সুষ্ঠু তদন্তের দাবি জানিয়েছেন।
স্থানীয়দের ভাষ্য, দরিয়ানগর সৈকতে প্যারাসেইলিংয়ে দুর্ঘটনা এবারই প্রথম নয়। ২০২৫ সালের ২০ মে এক পর্যটক সমুদ্রে পড়ে আহত হন। একই বছরের ৩০ আগস্ট আরেক নারী পর্যটক ছিটকে ঝাউবাগানে পড়ে গাছের ডগায় দীর্ঘক্ষণ আটকে ছিলেন। ওই ঘটনার পরদিন জেলা প্রশাসন সাময়িকভাবে প্যারাসেইলিং কার্যক্রম বন্ধের নির্দেশ দেয়। তবে সর্বশেষ প্রাণহানির ঘটনায় বিষয়টি নিয়ে আলোচনা আরও জোরালো হয়েছে।

কক্সবাজারের দরিয়ানগর সৈকতে প্যারাসেইলিং করতে গিয়ে আকাশ থেকে সমুদ্রে পড়ে খুলনার এক পর্যটকের মৃত্যু হয়েছে। এ ঘটনার পর জেলা প্রশাসক মো. আ. মান্নান জানিয়েছেন, সৈকতে পরিচালিত কোনো প্যারাসেইলিং কার্যক্রমেরই জেলা প্রশাসনের অনুমোদন নেই। বৈরী আবহাওয়ার কারণে কয়েকদিন আগেই এসব কার্যক্রম বন্ধ করে দেওয়া হয়েছিল বলেও জানান তিনি।
শনিবার (১ আগস্ট) দুপুর সাড়ে ১২টার দিকে কক্সবাজার-টেকনাফ মেরিন ড্রাইভের দরিয়ানগর সৈকতে এ দুর্ঘটনা ঘটে। নিহত অক্ষর শৌভিক রায় (৩০) খুলনা সিটি করপোরেশনের বানিয়াখামার এলাকার বাসিন্দা শেখর রায়ের ছেলে।
পুলিশ ও প্রত্যক্ষদর্শীদের বরাতে জানা গেছে, শৌভিকসহ নয়জন বন্ধু খুলনা থেকে কক্সবাজার বেড়াতে এসেছিলেন। দুপুরে ২ হাজার টাকা দিয়ে টিকিট কেটে তিনি প্যারাসেইলিংয়ে অংশ নেন। প্রায় ৩০০ থেকে ৪০০ ফুট ওপরে ওঠার পর তিনি হঠাৎ সমুদ্রে ছিটকে পড়েন। পরে কর্মীরা তাকে উদ্ধার করে কক্সবাজার সদর হাসপাতালে নিলে চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন।
শৌভিকের সঙ্গে থাকা এক বন্ধু অভিযোগ করেন, দুর্ঘটনার পর দ্রুত উদ্ধারের কোনো ব্যবস্থা ছিল না। ঘটনাস্থলে কোনো লাইফগার্ডও দেখা যায়নি। পরে একটি স্পিডবোটে করে তাকে হাসপাতালে নেওয়া হলেও ততক্ষণে অনেক দেরি হয়ে যায়।
কক্সবাজার সদর মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা শেখ মোহাম্মদ আলী বলেন, মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য হাসপাতালের মর্গে রাখা হয়েছে। বৈরী আবহাওয়ায় প্যারাসেইলিং পরিচালনা এবং মৃত্যুর ঘটনা তদন্ত করে দেখা হচ্ছে।
দুর্ঘটনার পর জেলা প্রশাসক মো. আ. মান্নান বলেন, জেলা প্রশাসন থেকে কোনো প্যারাসেইলিং কার্যক্রমের অনুমোদন দেওয়া হয়নি। বর্ষাকালে সমুদ্র উত্তাল থাকায় কয়েকদিন আগেই এসব কার্যক্রম বন্ধ করে দেওয়া হয়েছিল। তারপরও প্রশাসনের অগোচরে একটি প্রতিষ্ঠান পর্যটক নিয়ে প্যারাসেইলিং চালিয়েছে। এ ঘটনায় জড়িতদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
তিনি আরও বলেন, পর্যটকদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে প্রশাসন কঠোর অবস্থানে রয়েছে এবং এ ধরনের অননুমোদিত কার্যক্রমের বিরুদ্ধে শক্ত পদক্ষেপ নেওয়া হবে।
এদিকে কক্সবাজার নাগরিক আন্দোলনের সদস্যসচিব নজরুল ইসলাম অভিযোগ করেন, দরিয়ানগরসহ সৈকতের কয়েকটি স্থানে দীর্ঘদিন ধরে নিয়মনীতি উপেক্ষা করে প্যারাসেইলিং পরিচালিত হচ্ছে। আন্তর্জাতিক মানের নিরাপত্তাব্যবস্থা, প্রশিক্ষিত অপারেটর, উদ্ধার জলযান কিংবা প্রাথমিক চিকিৎসার ব্যবস্থা না থাকায় দুর্ঘটনার ঝুঁকি থেকেই যাচ্ছে।
সি-সেফ লাইফ গার্ডের সুপারভাইজার সিফাত সাইফুল্লাহ জানান, কলাতলী থেকে লাবণী পয়েন্ট পর্যন্ত পাঁচ কিলোমিটার সৈকতে ২৭ জন লাইফগার্ড দায়িত্ব পালন করলেও দরিয়ানগর, হিমছড়ি, ইনানী ও টেকনাফমুখী প্রায় ১১৫ কিলোমিটার সৈকতে কোনো লাইফগার্ড বা ডুবুরি নেই।
পর্যটকের মৃত্যুর পর অননুমোদিতভাবে প্যারাসেইলিং পরিচালনা, নিরাপত্তা সরঞ্জামের মান এবং প্রশাসনিক তদারকি নিয়ে নতুন করে প্রশ্ন উঠেছে। ট্যুর অপারেটর অ্যাসোসিয়েশন কক্সবাজারের সভাপতি আকতার কামাল ও হোটেল-মোটেল অ্যান্ড গেস্ট হাউজ অফিসার্স অ্যাসোসিয়েশনের নির্বাহী করিম উল্লাহ কলিমও এ ঘটনার সুষ্ঠু তদন্তের দাবি জানিয়েছেন।
স্থানীয়দের ভাষ্য, দরিয়ানগর সৈকতে প্যারাসেইলিংয়ে দুর্ঘটনা এবারই প্রথম নয়। ২০২৫ সালের ২০ মে এক পর্যটক সমুদ্রে পড়ে আহত হন। একই বছরের ৩০ আগস্ট আরেক নারী পর্যটক ছিটকে ঝাউবাগানে পড়ে গাছের ডগায় দীর্ঘক্ষণ আটকে ছিলেন। ওই ঘটনার পরদিন জেলা প্রশাসন সাময়িকভাবে প্যারাসেইলিং কার্যক্রম বন্ধের নির্দেশ দেয়। তবে সর্বশেষ প্রাণহানির ঘটনায় বিষয়টি নিয়ে আলোচনা আরও জোরালো হয়েছে।

গত ৩ আগস্ট রাতে ৪২ জন অভিবাসনপ্রত্যাশীকে নিয়ে একটি ইঞ্জিনচালিত নৌকা গ্রিসের উদ্দেশে লিবিয়ার তাবারুক উপকূল থেকে যাত্রা করে। জানা গেছে, নৌকায় থাকা ৪২ জনের মধ্যে ৩৮ জনই বাংলাদেশি।
১ দিন আগে
মঙ্গলবার (১৮ আগস্ট) রাত সাড়ে ১১টার দিকে শহরের পশ্চিম মেড্ডা এলাকার পুলিশ লাইন্সের ভেতরে এ ঘটনা ঘটে। আহতদের ব্রাহ্মণবাড়িয়া ২৫০ শয্যাবিশিষ্ট জেনারেল হাসপাতালসহ বিভিন্ন হাসপাতালে চিকিৎসা দেওয়া হয়েছে।
৩ দিন আগে
আহতদের মধ্যে রয়েছেন রায়পুরা সরকারি কলেজের সাবেক সাধারণ সম্পাদক আমির হোসেন, উপজেলা যুবদল সদস্য রাসেল ভূইয়া, ছাত্রদল নেতা সাইফুল ইসলাম পলাশ, উপজেলা জিয়া মঞ্চের সাধারণ সম্পাদক দ্বীন ইসলাম ও উপজেলা বিএনপির যুগ্ম আহ্বায়ক ফরিদ উদ্দিন।
৩ দিন আগে
হাইওয়ে পুলিশের তথ্য অনুযায়ী, ঢাকার যাত্রাবাড়ী থেকে চট্টগ্রাম সিটি গেট পর্যন্ত প্রায় ২৫০ কিলোমিটার মহাসড়ককে এআই নজরদারির আওতায় আনা হয়েছে। এ জন্য মহাসড়কের ৪৯০টি পয়েন্টে স্থাপন করা হয়েছে ১ হাজার ৪২৭টি ক্যামেরা।
৩ দিন আগে